<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মিশ্র বা জটিল বাক্য</strong>। কারণটি খুব সহজ—বাক্যটি বিশ্লেষণ করলেই এর গঠন বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>এই বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য আছে (হে স্বাধীনতা সখিনা বিবির কপাল ভাঙল) এবং তার ওপর নির্ভরশীল একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য আছে (তুমি আসবে বলে)।</li>
<li>যখন কোনো বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সাথে এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>মিশ্র বা জটিল বাক্য</strong> বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'বলে' অব্যয়টি বাক্য দুটিকে এমনভাবে যুক্ত করেছে যে, একটি অংশ ছাড়া অন্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ থেকে যায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শামসুর রাহমান</strong>।</p>
<p>এই কবিতাটি আমাদের আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের লেখা। বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শামসুর রাহমানকে বলা হয় <strong>'স্বাধীনতার কবি'</strong>।</li>
<li>তিনি তাঁর কবিতায় খুব সহজ-সরল ভাষায় মুক্তিযুদ্ধের সময়কার সাধারণ মানুষের আবেগ ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'বন্দী শিবির থেকে'</strong>-এর অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কোনো কবিতার কথা আসবে, তখন চোখ বন্ধ করে শামসুর রাহমানের নাম মনে রাখলেই চলবে!</p>
<p>‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি বিখ্যাত কবি <strong>শামসুর রাহমান</strong>-এর লেখা। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা তার কবিতাগুলোর মধ্যে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং কালজয়ী একটি সৃষ্টি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শামসুর রাহমানকে বলা হয় <strong>‘স্বাধীনতার কবি’</strong>।</li>
<li>তার লেখায় বারবার উঠে এসেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা।</li>
<li>তাই ‘স্বাধীনতা’ বিষয়ক কোনো কবিতা বা রচনার কথা শুনলেই চোখ বন্ধ করে শামসুর রাহমানের নাম মনে রাখা সবচেয়ে সহজ বুদ্ধি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শামসুর রাহমান</strong>।</p>
<p>কবিতাটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা।</li>
<li>শামসুর রাহমানকে বলা হয় <strong>স্বাধীনতার কবি</strong>।</li>
<li>যেহেতু কবিতাটির মূল উপজীব্যই হলো স্বাধীনতা, তাই খুব সহজেই মনে রাখা যায় যে এটি শামসুর রাহমানের লেখা একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’ কবিতাটির রচয়িতা হলেন <strong>শামসুর রাহমান</strong>।</p>
<p>এই কবিতাটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শামসুর রাহমানকে বলা হয় <strong>‘স্বাধীনতার কবি’</strong>।</li>
<li>তার অধিকাংশ বিখ্যাত কবিতার মূল উপজীব্যই হলো মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা।</li>
<li>‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>‘বন্দী শিবির থেকে’</strong>-এর অন্তর্ভুক্ত, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই স্বাধীনতার সাথে সম্পর্কিত কোনো কবিতার নাম দেখবেন, চোখ বন্ধ করে শামসুর রাহমানের কথা মনে করাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলাউদ্দিন আল আজাদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস।</p>
<ul>
<li><strong>আলাউদ্দিন আল আজাদ</strong> ছিলেন একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও কবি।</li>
<li>তার লেখা <strong>‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’</strong> উপন্যাসটি মূলত ষাটের দশকের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য আপনি লেখক ও উপন্যাসের নাম একসাথে কয়েকবার মনে মনে আওড়াতে পারেন, এতে দীর্ঘস্থায়ীভাবে মনে থাকবে।</li>
</ul>
<p>‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>আলাউদ্দিন আল আজাদ</strong>। এটি তাঁর লেখা অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির নাম মনে রাখতে পারেন এভাবে—আলাউদ্দিন আল আজাদের সৃজনশীল কাজের মধ্যে এটি একটি মাইলফলক।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নাম ও উপন্যাসের নাম একসাথে মিলিয়ে মনে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে প্রমথ চৌধুরী মূলত তাঁর চলিত ভাষারীতি এবং তীক্ষ্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবন্ধের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ছিল <strong>'বীরবল'</strong>।</li>
<li>তাঁর লেখা প্রবন্ধ সংকলনগুলোর মধ্যে <strong>'তেল নুন লকড়ি'</strong> অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি নাম।</li>
<li>এই গ্রন্থটি মূলত তাঁর রসবোধ এবং সমাজ সচেতনতামূলক ছোট ছোট প্রবন্ধের সংকলন, যা পড়ার সময় খুব সহজেই লেখকের নিজস্ব শৈলী চেনা যায়।</li>
</ul>
৫৭০৯
‘তোমাকে অভিবাদন বাংলাদেশ’ - কে জানিয়েছেন এই অভিবাদন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি ও লেখক সৈয়দ শামসুল হক তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'তোমাকে অভিবাদন বাংলাদেশ'</strong>-এর মাধ্যমে এই অভিবাদন জানিয়েছেন। এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও দেশপ্রেমের এক অনন্য দলিল হিসেবে পরিচিত। তাই যখনই এই শিরোনামটি দেখবেন, সরাসরি সৈয়দ শামসুল হকের নাম মনে রাখলেই চলবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>খোকার সাধ</strong>। এই কবিতাটি লিখেছেন বিখ্যাত কবি জসীমউদ্দীন।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল ভাব হলো একটি শিশুর তার মায়ের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও আবদার।</li>
<li>চরণটিতে শিশুটি তার মাকে বলছে যে, মা তুমি ঘুম থেকে উঠলেই কেবল তার কাছে নতুন দিনের আলো বা সকাল আসবে।</li>
<li>এই আবেগঘন ও সহজ-সরল কথাগুলো কবি জসীমউদ্দীনের <strong>খোকার সাধ</strong> কবিতার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।</li>
</ul>
৫৭১১
‘তোমার মার বাড়ি, তুমি যাও, আমি আমার বাড়িতে থাকি। আবার আমাকে দেখতে এসো। ‘ উক্তিটি কোন গ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কারাগারের রোজনামচা</strong>।</p>
<p>এই উক্তিটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা <strong>কারাগারের রোজনামচা</strong> গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। বইটিতে তিনি তার কারাজীবনের বিভিন্ন স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। এই নির্দিষ্ট অংশটিতে তিনি তার পরিবারের সাথে সাক্ষাতের আবেগঘন মুহূর্ত এবং কারাগারের নিঃসঙ্গ জীবনের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন, যা পাঠককে খুব সহজেই স্পর্শ করে।</p>
৫৭১২
‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি’ রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যের কবিতা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শেষলেখা</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর ঠিক আগে রচিত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>শেষলেখা</strong> অন্যতম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের জীবনের একেবারে শেষ পর্যায়ে লেখা কবিতাগুলো সাধারণত তার শেষ কাব্যগ্রন্থগুলোতে পাওয়া যায়।</li>
<li>‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি’—এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তার জীবনের অন্তিম সময়ের গভীর উপলব্ধির বহিঃপ্রকাশ।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক বিচারে এবং কালানুক্রমিক তথ্যানুযায়ী এটি <strong>শেষলেখা</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলাওল</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল তাঁর পাণ্ডিত্য ও কাব্যপ্রতিভার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘তোহফা’ একটি ফারসি শব্দ, যার অর্থ হলো ‘উপহার’।</li>
<li>কবি আলাওল তাঁর পৃষ্ঠপোষক মাগন ঠাকুরের অনুরোধে এই কাব্যটি রচনা করেছিলেন।</li>
<li>এটি মূলত একটি নীতিমূলক কাব্যগ্রন্থ, যা আলাওলের অন্যান্য বিখ্যাত কাব্য যেমন ‘পদ্মাবতী’ বা ‘সতীময়না-লোরচন্দ্রানী’-এর মতোই তাঁর সাহিত্যিক দক্ষতার পরিচয় বহন করে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘তোহফা’ কাব্যগ্রন্থের নাম দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>আলাওল</strong>-কে বেছে নিতে পারেন!</p>
<p>‘দত্তা’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটি ১৯১৮ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>শরৎচন্দ্রের অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মতোই এতেও সামাজিক জটিলতা এবং মানবিক সম্পর্কের টানাপোড়েন দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>বিজয়িনী চরিত্রটি এই উপন্যাসের প্রাণ, যা পাঠক মহলে বেশ সমাদৃত।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, তাই লেখক এবং উপন্যাসের নাম মনে রাখা জরুরি।</p>
৫৭১৫
'দারিদ্র' কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলাম-এর কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সিন্দুহিন্দোল</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত <strong>'দারিদ্র'</strong> কবিতাটি তাঁর এই কাব্যগ্রন্থেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখা অনেক সময় কঠিন মনে হতে পারে।</li>
<li>তবে 'দারিদ্র' কবিতাটি যে <strong>সিন্দুহিন্দোল</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত, তা মনে রাখতে আপনি একটি ছোট শব্দজট বা ছন্দ ব্যবহার করতে পারেন।</li>
<li>সাহিত্যিক তথ্যের ক্ষেত্রে এই ধরনের নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থের নামগুলো বারবার পড়ার মাধ্যমে আয়ত্তে রাখা সবচেয়ে কার্যকর উপায়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।