eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৫৬৮৬

‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকা কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৮৪৩ সালে
ব্যাখ্যা:
<p>‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকা প্রতিষ্ঠিত হয় <strong>১৮৪৩ সালে</strong>। এটি ছিল দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>তত্ত্ববোধিনী সভা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৩৯ সালে।</li>
<li>এর ঠিক ৪ বছর পর, অর্থাৎ <strong>১৮৩৯ + ৪ = ১৮৪৩</strong> সালে পত্রিকাটির প্রকাশনা শুরু হয়।</li>
</ul>

<p>এই পত্রিকাটি তৎকালীন সময়ে বাংলা ভাষা ও সমাজ সংস্কারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।</p>
৫৬৮৭

‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অক্ষয়কুমার দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অক্ষয়কুমার দত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাময়িকপত্রের ইতিহাসে অক্ষয়কুমার দত্তের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</p>

<ul>
<li>১৮৪৩ সালে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকা প্রকাশ করেন।</li>
<li>পত্রিকাটির প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত।</li>
<li>তিনি দীর্ঘ ১২ বছর অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পত্রিকাটির সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন এবং বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার নাম শুনলেই অক্ষয়কুমার দত্তের কথা মনে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
৫৬৮৮

‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অক্ষয়কুমার দত্ত
৫৬৮৯

‘তপসে মাছ’ কবিতাটি কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বলা হয় 'যুগসন্ধির কবি'। তিনি তাঁর ব্যঙ্গাত্মক ও হাস্যরসাত্মক কবিতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ‘তপসে মাছ’ কবিতাটি তাঁর এমনই একটি চমৎকার সৃষ্টি, যেখানে তিনি খুব সহজ-সরল ভাষায় মাছের বর্ণনা দিয়েছেন।</p>

<ul>
<li><strong>কবি পরিচিতি:</strong> ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত তাঁর সমসাময়িক সমাজ ও দৈনন্দিন জীবনের নানা বিষয় নিয়ে কবিতা লিখতে পছন্দ করতেন।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> যখনই কোনো মাছ বা খাবার নিয়ে মজার কোনো কবিতার কথা আসবে, তখন চোখ বন্ধ করে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নাম মনে করতে পারেন, কারণ তিনি এই ধরনের রচনায় ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী।</li>
</ul>
৫৬৯০

‘তপস্বী ও তরাঙ্গিনী’ - নাটকটি কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বুদ্ধদেব বসু</strong>।</p>

<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। বুদ্ধদেব বসু মূলত আধুনিক বাংলা কবিতার জন্য পরিচিত হলেও, তিনি বেশ কিছু চমৎকার কাব্যনাট্য রচনা করেছেন। 'তপস্বী ও তরাঙ্গিনী' তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি কাব্যনাট্য। এটি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ কৌশলটি খেয়াল করতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>বুদ্ধদেব বসু</strong> মানেই আধুনিকতার ছোঁয়া এবং কাব্যিক নাটকের এক অনন্য সংমিশ্রণ।</li>
<li>এই নাটকটি মূলত পৌরাণিক কাহিনী অবলম্বনে লেখা, যেখানে তিনি তাঁর নিজস্ব কাব্যিক শৈলী ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই গুরুত্বপূর্ণ নাটকটির নাম বুদ্ধদেব বসুর অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যনাট্য যেমন 'কলের গাড়ি' বা 'কালসন্ধ্যা'-র সাথে মিলিয়ে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</li>
</ul>
৫৬৯১

‘তরঙ্গভঙ্গ’ নাটকটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>‘তরঙ্গভঙ্গ’ নাটকটির রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ</strong>। বাংলা সাহিত্যের এই কালজয়ী লেখকের সৃজনশীল কর্মের মধ্যে এটি একটি অন্যতম নাটক।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ মূলত তাঁর মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য বেশি পরিচিত হলেও, নাট্যকার হিসেবেও তিনি অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত নাটকগুলোর তালিকায় ‘বহিপীর’ এবং ‘তরঙ্গভঙ্গ’ নাম দুটি প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার সহজ উপায় হলো, ওয়ালী উল্লাহর নাটকের নামের সাথে একটি গভীর ও দার্শনিক ভাব থাকে, যা ‘তরঙ্গভঙ্গ’ নামটির মধ্যেও ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
৫৬৯২

‘তাজকেরাতুন আউলিয়া’ অবল্বনে ‘তাপসমালা’ কে রচনা করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গিরিশচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গিরিশচন্দ্র সেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে অনুবাদের ক্ষেত্রে তাঁর নাম বিশেষভাবে পরিচিত।</p>

<ul>
<li>ফারসি ভাষায় রচিত বিখ্যাত সুফি সাধকদের জীবনীগ্রন্থ <strong>'তাজকেরাতুন আউলিয়া'</strong>-এর ভাবানুবাদ বা বাংলা রূপান্তরই হলো <strong>'তাপসমালা'</strong>।</li>
<li>গিরিশচন্দ্র সেন দীর্ঘ পরিশ্রম করে এই বিশাল গ্রন্থটি বাংলায় অনুবাদ করেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, আপনি যখনই 'তাপসমালা'র কথা শুনবেন, তখনই মনে রাখবেন এটি <strong>গিরিশচন্দ্র সেন</strong>-এর অমর অনুবাদ কর্ম।</p>
৫৬৯৩

‘তাম্বুল রাতুল হইল অধর পরশে’ পঙক্তিটির রচয়িতা -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আলাওল
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলাওল</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'পদ্মাবতী'</strong>-তে এই পঙক্তিটি ব্যবহার করেছেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>আলাওল তাঁর কাব্যে অত্যন্ত নিপুণভাবে অলংকার ও উপমার ব্যবহার করতেন।</li>
<li>'তাম্বুল' (পান) এবং 'রাতুল' (লাল) শব্দের মাধ্যমে তিনি অধর বা ঠোঁটের সৌন্দর্যের যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা তাঁর কাব্যশৈলীর এক অনন্য বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কবিদের মধ্যে আলাওলের ভাষার কারুকাজ ও শব্দচয়ন সবচেয়ে বেশি সমৃদ্ধ ছিল, যা এই পঙক্তিটি পড়লেই বোঝা যায়।</li>
</ul>
৫৬৯৪

‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবির অনুভূতির সাথে কোনটি তুলনীয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শীতের রিক্ততা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শীতের রিক্ততা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় কবির মনের অবস্থার সাথে প্রকৃতির মিল খুঁজে দেখলে:</p>

<ul>
<li>‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবি প্রিয়জন হারানোর বেদনায় এক গভীর শূন্যতা অনুভব করছেন।</li>
<li>কবিতায় বসন্তের আগমন ঘটলেও কবির মনে সেই আনন্দের ছোঁয়া লাগে না, বরং তিনি শীতের রুক্ষতা ও রিক্ততাকে নিজের মনের সাথে মিলিয়ে ফেলেন।</li>
<li>প্রকৃতির এই রিক্ত রূপটিই কবির বিষণ্ণ হৃদয়ের প্রতিচ্ছবি হিসেবে কাজ করে, যা তার একাকীত্ব ও বিষাদকে আরও প্রকট করে তোলে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাইরের বসন্তের সাজসজ্জা কবির কাছে অর্থহীন, কারণ তার মনের ভেতর তখন শীতের মতোই এক বিষাদময় রিক্ততা বিরাজ করছে।</p>
৫৬৯৫

‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অদ্বৈতমল্ল বর্মন
ব্যাখ্যা:
<p>‘তিতাস একটি নদীর নাম’ কালজয়ী উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>অদ্বৈতমল্ল বর্মন</strong>। এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আঞ্চলিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটি মূলত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীকে কেন্দ্র করে জেলে সম্প্রদায়ের জীবনসংগ্রাম নিয়ে লেখা।</li>
<li>অদ্বৈতমল্ল বর্মন এই উপন্যাসের মাধ্যমে জেলেদের সুখ-দুঃখ এবং নদীমাতৃক বাংলার নিখুঁত চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যে বাস্তববাদী ধারার একটি অনন্য নিদর্শন।</li>
</ul>
৫৬৯৬

‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অদ্বৈ মল্লবর্মণ
ব্যাখ্যা:
<p>‘তিতাস একটি নদীর নাম’ কালজয়ী এই উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>অদ্বৈ মল্লবর্মণ</strong>। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই আঞ্চলিক উপন্যাসে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীকে কেন্দ্র করে জেলে সম্প্রদায়ের জীবনসংগ্রাম, আনন্দ-বেদনা এবং তাদের সংস্কৃতির এক জীবন্ত চিত্র তুলে ধরেছেন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> অদ্বৈ মল্লবর্মণ।</li>
<li><strong>মূল উপজীব্য:</strong> তিতাস নদীর পাড়ের মালো বা জেলে সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা।</li>
<li><strong>বিশেষত্ব:</strong> এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা আঞ্চলিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>

<p>অদ্বৈ মল্লবর্মণ তাঁর এই একটি মাত্র উপন্যাসের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। তাই যখনই এই উপন্যাসের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>অদ্বৈ মল্লবর্মণ</strong>-এর নাম মনে রাখলেই হবে।</p>
৫৬৯৭

‘তিরিশ বসন্তের ফুল’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা :

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আশরাফ সিদ্দিকী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আশরাফ সিদ্দিকী</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। আশরাফ সিদ্দিকী বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি ও লোকসাহিত্য গবেষক। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>'তিরিশ বসন্তের ফুল'</strong> অন্যতম। এটি তাঁর কাব্যপ্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন, যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এসে থাকে। তাই কবির নাম এবং তাঁর এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটির নাম একসাথে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
৫৬৯৮

‘তিলোত্তমাসম্ভব’ কাব্য গ্রন্থের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬০ সালে এই মহাকাব্যটি রচনা করেন। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li><strong>তিলোত্তমাসম্ভব</strong> কাব্যটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম বাংলা কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>এই কাব্যটি প্রকাশের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার নতুন ধারার সূচনা হয়।</li>
<li>তিনি মূলত পৌরাণিক কাহিনীকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করার জন্য বিখ্যাত, আর এই কাব্যটি তার সেই প্রতিভার প্রথম বড় উদাহরণ।</li>
</ul>
৫৬৯৯

‘তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন” উক্তিটি কার?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিম চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>

<p>এই বিখ্যাত উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস <strong>'কপালকুণ্ডলা'</strong> থেকে নেওয়া হয়েছে। উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র কপালকুণ্ডলা যখন কাপালিকের সামনে দাঁড়িয়ে এই কথাটি বলে, তখন সে তার নৈতিক দৃঢ়তা ও ব্যক্তিত্বের পরিচয় দেয়।</p>

<ul>
<li><strong>উৎস:</strong> বঙ্কিমচন্দ্রের 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাস।</li>
<li><strong>মূলভাব:</strong> অন্যের খারাপ আচরণের কারণে নিজের ভালো গুণ বা আদর্শ বিসর্জন দেওয়ার কোনো মানে হয় না—এই সহজ সত্যটিই এখানে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
৫৭০০

‘তুমি অধম, তাই বলে আমি উত্তম হব না কেন?’ এই প্রবাদটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিম চন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>

<p>এই বিখ্যাত উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস <strong>'কপালকুণ্ডলা'</strong> থেকে নেওয়া হয়েছে। উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র কপালকুণ্ডলা যখন নবকুমারকে উদ্দেশ্য করে এই কথাটি বলে, তখন সে মূলত তার চারপাশের পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে নিজের নৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করতে চেয়েছিল।</p>

<ul>
<li><strong>উপন্যাস:</strong> কপালকুণ্ডলা</li>
<li><strong>লেখক:</strong> বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</li>
<li><strong>মূলভাব:</strong> অন্যের খারাপ আচরণের কারণে নিজের ভালো গুণ বা আদর্শ বিসর্জন দেওয়ার কোনো মানে হয় না—এই সহজ সত্যটিই এখানে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।