<p>‘জন্ডিস বিবিধ বেলুন’ হলো একটি জনপ্রিয় <strong>নাটক</strong>। এটি বিখ্যাত নাট্যকার সেলিম আল দীনের লেখা একটি অত্যন্ত চমৎকার সৃষ্টি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই নাটকটি মূলত একটি <strong>ব্যঙ্গাত্মক বা স্যাটায়ারধর্মী</strong> নাটক।</li>
<li>সেলিম আল দীনের নাট্যশৈলীতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যা মঞ্চে অভিনয়ের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে মনে রাখবেন, এটি কোনো উপন্যাস বা গল্প নয়, বরং সরাসরি একটি <strong>মঞ্চ নাটক</strong>।</li>
</ul>
৫৬৫৭
‘জন্মেছি মাগো তোমার কোলেতে মরি যেন এই দেশে’ - কবিতাংশটির কবি কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেগম সুফিয়া কামাল</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি বেগম সুফিয়া কামালের <strong>'স্বদেশ'</strong> নামক কবিতার অংশ। কবিতাটি মূলত দেশপ্রেমের এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ। মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল ভাব হলো জন্মভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা ও মমতা।</li>
<li>বেগম সুফিয়া কামালকে আমরা সাধারণত 'জননী সাহসিকা' হিসেবে চিনি, যিনি তাঁর লেখায় সবসময় দেশের প্রতি অকৃত্রিম টান ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এই লাইনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই কবির নাম মনে রাখতে <strong>'স্বদেশ'</strong> কবিতাটির কথা মাথায় রাখলেই হবে।</li>
</ul>
৫৬৫৮
‘জন্মেছি মাগো তোমার কোলেতে মরি যেন এই দেশে’ কবিতাংশটুকুর কবি কে?
<p>এই বিখ্যাত কবিতাংশটুকুর কবি হলেন <strong>বেগম সুফিয়া কামাল</strong>। তাঁর লেখা 'স্বদেশ' কবিতার মূল ভাবই হলো দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও মমত্ববোধ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল সুর হলো দেশপ্রেম, যা বেগম সুফিয়া কামালের সাহিত্যকর্মের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>তাঁর অধিকাংশ কবিতায় মাতৃভূমি ও প্রকৃতির প্রতি এক ধরনের গভীর আবেগ ফুটে ওঠে, যা এই পঙক্তিটিতেও স্পষ্টভাবে দেখা যায়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা কুইজে এই লাইনটি দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>বেগম সুফিয়া কামাল</strong>-কে বেছে নিতে পারেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সূর্যদীঘল বাড়ী</strong>। আবু ইসহাক রচিত এই কালজয়ী উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো জয়গুন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>উপন্যাস:</strong> সূর্যদীঘল বাড়ী (১৯৫৫ সালে প্রকাশিত)।</li>
<li><strong>চরিত্রের বৈশিষ্ট্য:</strong> জয়গুন একজন সংগ্রামী নারী, যে চরম দারিদ্র্য ও সামাজিক প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াই চালিয়ে যায়।</li>
<li><strong>সহজ কৌশল:</strong> উপন্যাসের নাম শুনলেই যেন চোখের সামনে জয়গুনের সেই সংগ্রামী মুখটি ভেসে ওঠে, কারণ এই চরিত্রের মাধ্যমেই লেখক গ্রামীণ সমাজের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় জয়গুন নামটা দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>সূর্যদীঘল বাড়ী</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সূর্য দীঘল বাড়ী</strong>। আবু ইসহাক রচিত এই কালজয়ী উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র হলো জয়গুন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির প্রেক্ষাপট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং পঞ্চাশের মন্বন্তরের সময়কার গ্রামীণ সমাজ।</li>
<li>জয়গুন এখানে একজন সংগ্রামী ও সাহসী নারীর প্রতীক, যে প্রতিকূল পরিস্থিতির সাথে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করে।</li>
<li>এই উপন্যাসের নাম শুনলেই জয়গুনের অদম্য মানসিকতার কথা আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে।</li>
</ul>
<p>‘জরাসন্ধ’ ছদ্মনামটি মূলত প্রখ্যাত লেখক <strong>চারুচন্দ্র চক্রবর্তী</strong>-এর। বাংলা সাহিত্যের জগতে তিনি এই ছদ্মনামেই বেশি পরিচিত ছিলেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>চারুচন্দ্র চক্রবর্তী পেশাগত জীবনে একজন সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন।</li>
<li>চাকরির নিয়মকানুন ও গোপনীয়তা বজায় রাখার খাতিরেই তিনি সাহিত্যচর্চার জন্য <strong>‘জরাসন্ধ’</strong> ছদ্মনামটি বেছে নিয়েছিলেন।</li>
<li>তার লেখা <strong>‘লৌহকপাট’</strong> উপন্যাসটি এই ছদ্মনামেই প্রকাশিত হয়েছিল, যা পাঠকমহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘জরাসন্ধ’ নামটি দেখবেন, সরাসরি চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর কথা মনে করলেই হবে!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে</strong>।</p>
<p>মোতাহের হোসেন চৌধুরীর 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তপোবন-প্রেমিক হিসেবে অভিহিত করেছেন। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যে এবং তাঁর জীবনদর্শনে প্রকৃতির প্রতি গভীর মমতা ও নিবিড় সম্পর্কের ছাপ স্পষ্ট।</li>
<li>তিনি শান্তিনিকেতনে যে তপোবনধর্মী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলেন, তা মূলত বৃক্ষ ও প্রকৃতির সাথে মানুষের মেলবন্ধন ঘটানোর একটি প্রয়াস ছিল।</li>
<li>লেখকের দৃষ্টিতে, রবীন্দ্রনাথের এই বৃক্ষপ্রীতি ও প্রকৃতির সান্নিধ্য পাওয়ার আকাঙ্ক্ষাই তাঁকে একজন প্রকৃত 'তপোবন-প্রেমিক' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।</li>
</ul>
<p>‘জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রটির পরিচালক হলেন <strong>জহির রায়হান</strong>। এটি বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে আছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই কালজয়ী সিনেমাটি মুক্তি পায় <strong>১৯৭০</strong> সালে।</li>
<li>এটি মূলত একটি রাজনৈতিক রূপকধর্মী চলচ্চিত্র, যা তৎকালীন বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নির্মিত।</li>
<li>জহির রায়হান শুধু একজন পরিচালকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একাধারে লেখক ও চলচ্চিত্রকার, যিনি তাঁর কাজের মাধ্যমে বাঙালির প্রতিবাদী সত্তাকে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘জীবন থেকে নেয়া’ সিনেমার কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে জহির রায়হানের নাম মনে রাখলেই চলবে!</p>
<p>‘জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রের সঠিক পরিচালক হলেন <strong>জহির রায়হান</strong>। এটি বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কালজয়ী সিনেমা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>জহির রায়হান</strong> ছিলেন একাধারে প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা।</li>
<li>১৯৭০ সালে মুক্তি পাওয়া এই চলচ্চিত্রটি মূলত তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত।</li>
<li>এই সিনেমার মাধ্যমে তিনি রূপক অর্থে তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ তুলে ধরেছিলেন, যা আজও দর্শকদের কাছে সমান জনপ্রিয়।</li>
</ul>
৫৬৬৫
‘জীবন বন্দনা’ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
<p>‘জীবন বন্দনা’ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের <strong>‘সন্ধ্যা’</strong> কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়টি মনে রাখার জন্য খুব বেশি জটিলতার প্রয়োজন নেই, শুধু কবির কাব্যগ্রন্থের তালিকাটি একবার দেখে নিলেই হয়।</p>
<ul>
<li>কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>অগ্নি-বীণা</strong>।</li>
<li>তবে ‘জীবন বন্দনা’ কবিতাটি তার অন্যতম জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ <strong>সন্ধ্যা</strong>-এর অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই তথ্যটি মনে রাখার জন্য ‘জীবন বন্দনা’ এবং ‘সন্ধ্যা’ শব্দ দুটিকে একসাথে মনে রাখার চেষ্টা করুন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই কবিতাটি নজরুলের সাহিত্যকর্মের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ যা সরাসরি <strong>সন্ধ্যা</strong> কাব্যগ্রন্থের সাথে সম্পর্কিত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গোলাম মোস্তফা</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। কবি গোলাম মোস্তফা তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত এবং 'জীবন বিনিময়' তাঁর অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য কবিতা। পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li>কবি গোলাম মোস্তফার কাব্যগ্রন্থ ও কবিতার তালিকায় 'জীবন বিনিময়' একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম।</li>
<li>সাহিত্যিকদের নাম ও তাঁদের বিখ্যাত সৃষ্টির তালিকা পড়ার সময় এই নামটিকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দিয়ে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ। ‘জীবনস্মৃতি’ হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। এই বইটিতে তিনি তাঁর শৈশব, কৈশোর এবং বেড়ে ওঠার দিনগুলোর কথা খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল ব্যবহার করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের বিভিন্ন পর্যায় ও অভিজ্ঞতার কথা জানতে চাইলে ‘জীবনস্মৃতি’ বইটিই প্রথম মাথায় আসা উচিত।</li>
<li>এটি তাঁর আত্মজীবনীমূলক রচনার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাজ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নিজের জীবনের স্মৃতিচারণমূলক এই কালজয়ী বইটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিজস্ব সৃষ্টি।</p>
<p>‘জোঁক’ গল্পের রচয়িতা হলেন <strong>আবু ইসহাক</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বাস্তবধর্মী ছোটগল্প।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>আবু ইসহাক মূলত তার বাস্তববাদী লেখনীর জন্য পরিচিত।</li>
<li>‘জোঁক’ গল্পটি গ্রামীণ জীবনের দারিদ্র্য ও মানুষের অসহায়ত্বের এক নিখুঁত চিত্র।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে ‘জোঁক = আবু ইসহাক’ এভাবে একটি ছোট কি-ওয়ার্ড সেট করে নিতে পারেন।</li>
</ul>
৫৬৬৯
‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’ - এ উক্তিটি কোন পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকত?
<p>এই বিখ্যাত উক্তিটি মূলত 'শিখা' পত্রিকার মূলমন্ত্র বা আদর্শ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>শিখা</strong> পত্রিকা ছিল তৎকালীন 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ'-এর মুখপত্র।</li>
<li>এই পত্রিকার মূল লক্ষ্যই ছিল মানুষের চিন্তার মুক্তি ঘটানো এবং কুসংস্কার দূর করা।</li>
<li>পত্রিকাটির প্রতিটি সংখ্যার প্রচ্ছদে এই উক্তিটি মুদ্রিত থাকত, যা পাঠকদের মুক্তবুদ্ধি চর্চায় উদ্বুদ্ধ করত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মুক্তচিন্তা ও বুদ্ধির বিকাশের কথা বললেই আমাদের মাথায় সবার আগে 'শিখা' পত্রিকার নামটাই আসা উচিত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকান্ত ভট্টাচার্য</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের <strong>'ছাড়পত্র'</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। সুকান্ত ভট্টাচার্যকে বলা হয় 'কিশোর কবি', যিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে শোষিত মানুষের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর তুলে ধরেছিলেন। তাঁর কবিতায় সবসময়ই অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর এক অদম্য সাহস ফুটে ওঠে, যা এই লাইনটিতেও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।