কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সদ্ভাবশতক' । তার রচিত উল্লেখ্যযোগ্য পঙক্তিগুলো হলো - (i) কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ ? (ii) যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি । (iii) চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন ব্যথিত বেদন বুঝিতে পারে?
<p>কেন্তুম (Centum) ভাষাগোষ্ঠীর বেশিরভাগ শাখাই ইউরোপে দেখা গেলেও, এশিয়ার ভৌগোলিক সীমানায় এদের মাত্র দুটি শাখার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। সঠিক উত্তরটি হলো <strong>হিত্তিক ও তুখারিক</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>হিত্তিক:</strong> এটি প্রাচীন আনাতোলিয়া বা বর্তমান তুরস্ক অঞ্চলে প্রচলিত ছিল।</li>
<li><strong>তুখারিক:</strong> এই ভাষাটি প্রাচীন মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্তান বা বর্তমান চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে ব্যবহৃত হতো।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, ভৌগোলিকভাবে এই দুটি শাখাই এশীয় ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত, যা এদের কেন্তুম শাখার অন্যান্য ইউরোপীয় ভাষা থেকে আলাদা করে চিহ্নিত করে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নেকড়ে অরণ্য</strong>। শওকত ওসমানের লেখা এই উপন্যাসটি সরাসরি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>নেকড়ে অরণ্য</strong> উপন্যাসে ১৯৭১ সালের উত্তাল দিনগুলোর চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>শওকত ওসমানের লেখনীতে এখানে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা এবং সেই সময়ের সাধারণ মানুষের সংগ্রামের কথা উঠে এসেছে।</li>
<li>মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে এটি পরিচিত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মৃত্যুক্ষুধা</strong>। কারণ এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জনপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে <strong>শ্রীকান্ত</strong>, <strong>মেজদিদি</strong> এবং <strong>দেবদাস</strong>।</li>
<li><strong>মৃত্যুক্ষুধা</strong> উপন্যাসটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়, যার রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের প্রশ্ন এলে লেখকের নামের সাথে উপন্যাসের তালিকাটি একবার মনে করে নিলেই উত্তরটি খুব সহজে বের করা সম্ভব।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে ছন্দের কারুকাজ এবং শব্দের ঝংকার তৈরিতে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের জুড়ি মেলা ভার। তার কবিতার ছন্দ এতই সাবলীল এবং বৈচিত্র্যময় যে, তাকে ভালোবেসে সবাই <strong>‘ছন্দের জাদুকর’</strong> বলে ডাকেন।</p>
<ul>
<li>তিনি বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের সার্থক প্রয়োগ ঘটিয়েছেন।</li>
<li>তার কবিতার ছন্দ ও অন্ত্যমিলের নিপুণ ব্যবহার তাকে অন্য সব কবি থেকে আলাদা করেছে।</li>
<li>মূলত তার এই অসাধারণ ছন্দবোধের কারণেই তিনি এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভুসুকুপা</strong>। চর্যাপদের কবিদের মধ্যে একমাত্র তিনিই নিজেকে সরাসরি বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের পদকর্তা <strong>ভুসুকুপা</strong> তাঁর একটি পদে স্পষ্ট করে লিখেছেন, "আজি ভুসুক বঙ্গালী ভইলি"।</li>
<li>এর অর্থ হলো—আজ ভুসুক বাঙালি হয়ে গেল।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক বা ঐতিহাসিক তথ্যের ক্ষেত্রে এই লাইনটিই তাঁর বাঙালি পরিচয়ের অকাট্য প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে অন্যায়, অবিচার ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে তিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে যে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন, তার জন্যই তাকে <strong>‘বিদ্রোহী কবি’</strong> বলা হয়।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত কবিতা <strong>‘বিদ্রোহী’</strong> বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল, যা তাকে এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যে সাহসিকতা ও প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবেই তিনি এই নামে পরিচিত।</p>
৬৩০৮
কোন কবিতা রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলাম কারাবরণ করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আনন্দময়ীর আগমনে</strong>। ব্রিটিশ শাসনামলে এই কবিতাটি প্রকাশের পর কাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে রাজদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটি ১৯২২ সালে 'ধূমকেতু' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>কবিতার তীব্র ব্রিটিশবিরোধী সুর ও দেশপ্রেমের কারণে তৎকালীন সরকার একে রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে গণ্য করে।</li>
<li>এই কবিতার জন্যই কবিকে কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়েছিল, যা তাকে বাংলা সাহিত্যে 'বিদ্রোহী কবি' হিসেবে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত করে।</li>
</ul>
৬৩০৯
কোন কবিতা রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আনন্দময়ীর আগমনে</strong>। ব্রিটিশ শাসনামলে এই কবিতাটি প্রকাশের পর নজরুল ইসলামকে রাজদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯২২ সালে নজরুল ইসলাম <strong>'আনন্দময়ীর আগমনে'</strong> কবিতাটি লিখেছিলেন।</li>
<li>কবিতাটিতে ব্রিটিশ সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল, যা তৎকালীন শাসকদের ক্ষুব্ধ করে।</li>
<li>এই কবিতার কারণেই তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং তিনি জেলে বসে বিখ্যাত <strong>'রাজবন্দীর জবানবন্দী'</strong> রচনা করেন।</li>
</ul>
৬৩১০
কোন কবিতা রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়েছিল?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আনন্দময়ীর আগমনে</strong>। ব্রিটিশ শাসনামলে এই কবিতাটি প্রকাশের পর কাজী নজরুল ইসলামকে রাজদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়।</p>
<ul>
<li>কবিতাটি ১৯২২ সালে 'ধূমকেতু' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>কবিতার বিষয়বস্তু ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ এবং দেশপ্রেম।</li>
<li>এই রচনার কারণেই ব্রিটিশ সরকার তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্রিটিশদের অন্যায় শাসনের বিরুদ্ধে সরাসরি কলম ধরার কারণেই তাকে এই শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়েছিল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাহ্নপা</strong>। চর্যাপদের কবিদের মধ্যে কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের মোট প্রাপ্ত পদসংখ্যা ৪৬টি (বা ৪৭টি)।</li>
<li>এর মধ্যে একাই <strong>১৩টি</strong> পদ লিখেছেন কাহ্নপা।</li>
<li>সংখ্যাটি মনে রাখার জন্য এভাবে ভাবতে পারেন: চর্যাপদের কবিদের মধ্যে কাহ্নপা ছিলেন সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং তার রচিত পদের সংখ্যাই তালিকার শীর্ষে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চর্যাপদের বিশাল ভাণ্ডারে কাহ্নপার অবদানই সবচেয়ে বেশি, তাই তিনিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।</p>
৬৩১২
কোন কাব্যগ্রন্থের জন্য রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গীতাঞ্জলি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই কাব্যগ্রন্থটিই বিশ্বসাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল।</p>
<ul>
<li>১৯১০ সালে প্রকাশিত <strong>গীতাঞ্জলি</strong> কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ 'Song Offerings' বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।</li>
<li>এই অসাধারণ সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে <strong>নোবেল পুরস্কার</strong> অর্জন করেন।</li>
<li>তিনিই ছিলেন প্রথম অ-ইউরোপীয় ব্যক্তি যিনি সাহিত্যে এই সম্মানজনক পুরস্কারটি লাভ করেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাখালী</strong>। জসীম উদদীনকে আমরা মূলত 'পল্লীকবি' হিসেবে চিনি, কারণ তাঁর কবিতায় গ্রামবাংলার সহজ-সরল জীবন ও প্রকৃতির রূপ ফুটে ওঠে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>রাখালী</strong> কাব্যগ্রন্থটি জসীম উদদীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>এটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোতে গ্রামীণ রাখাল বালকের জীবন, বাঁশির সুর এবং প্রকৃতির যে নিখুঁত বর্ণনা পাওয়া যায়, তা থেকেই তাঁর 'পল্লীকবি' উপাধিটি সার্থক হয়ে ওঠে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সোনালী কাবিন</strong>। কারণ বিষয়টি খুব সহজ—এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি শামসুর রাহমানের লেখা নয়, বরং এটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি <strong>আল মাহমুদের</strong> অমর সৃষ্টি।</p>
<ul>
<li><strong>শামসুর রাহমান:</strong> তিনি মূলত নাগরিক জীবন, দেশপ্রেম এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে কবিতা লিখেছেন।</li>
<li><strong>সোনালী কাবিন:</strong> এটি আল মাহমুদের একটি সনেট সংকলন, যা গ্রামীণ জীবন, প্রেম ও ঐতিহ্যের এক অনন্য মিশেল।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার সহজ উপায় হলো, আল মাহমুদের কাব্যগ্রন্থ বললেই প্রথমেই 'সোনালী কাবিন'-এর নাম মাথায় রাখা। তাই বিভ্রান্ত না হয়ে এটি আল মাহমুদের কাজ হিসেবে মনে রাখলেই হবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের বিষয়টি বেশ মজার এবং মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li><strong>প্রমথ চৌধুরী</strong> বাংলা গদ্যের চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তিনি সাহিত্যিক মহলে <strong>‘বীরবল’</strong> ছদ্মনামেই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ছিলেন।</li>
<li>তার সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকা <strong>‘সবুজপত্র’</strong>-এ তিনি নিয়মিত এই ছদ্মনামে লিখতেন, যা বাংলা সাহিত্যের ধারায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই বাংলা সাহিত্যে ‘বীরবল’ নামটা দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি প্রমথ চৌধুরীরই অন্য পরিচয়!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।