<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম মনে রাখার বিষয়টি বেশ মজার। প্রমথ চৌধুরী মূলত তার তীক্ষ্ণ বুদ্ধিদীপ্ত প্রবন্ধ এবং চলিত ভাষার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বীরবল</strong> চরিত্রটি যেমন বুদ্ধিমান ও চতুর, প্রমথ চৌধুরীর লেখাতেও ঠিক তেমনই ধারালো রসবোধ ও যুক্তিনিষ্ঠা পাওয়া যায়।</li>
<li>তিনি বাংলা সাহিত্যে 'সবুজপত্র' পত্রিকার মাধ্যমে চলিত ভাষার যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন, সেখানে তিনি এই ছদ্মনামটিই ব্যবহার করতেন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'বীরবল' নামটা দেখবেন, সরাসরি <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>-কে মনে করে ফেলবেন—এটাই সবচেয়ে সহজ কৌশল!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পদ্মাবতী</strong>। এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। কেন এটি এই ধারার অন্তর্ভুক্ত, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>কবি ও প্রেক্ষাপট:</strong> মহাকবি আলাওল রচিত এই কাব্যটি মূলত ফারসি সাহিত্যের রোমান্টিক ধারার অনুকরণে লেখা।</li>
<li><strong>মূল উপজীব্য:</strong> এই কাব্যে রাজা রত্নসেন ও পদ্মাবতীর প্রেম, বিরহ এবং তাদের জীবনের রোমাঞ্চকর অভিযানের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।</li>
<li><strong>বৈশিষ্ট্য:</strong> সাধারণ ধর্মীয় বা পৌরাণিক কাহিনীর বাইরে গিয়ে মানবিক প্রেম ও আবেগকে প্রাধান্য দেওয়াই এই গ্রন্থের প্রধান বৈশিষ্ট্য, যা একে একটি সার্থক রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইউসুফ জুলেখা</strong>। কারণ এটি মধ্যযুগের কবি শাহ মুহম্মদ সগীরের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>আলাওলের সাহিত্যকর্ম মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>আলাওল মূলত আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন।</li>
<li>তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে <strong>পদ্মাবতী</strong>, <strong>তোহফা</strong>, <strong>হপ্তপয়কর</strong>, <strong>সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল</strong> এবং <strong>সিকান্দারনামা</strong>।</li>
<li>যেহেতু 'ইউসুফ জুলেখা' শাহ মুহম্মদ সগীরের লেখা, তাই এটি আলাওলের রচিত নয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তোহফা</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবি আলাওল তাঁর কাব্যগ্রন্থ <strong>তোহফা</strong> রচনা করেন ১৬৬৯ সালে।</li>
<li>এটি মূলত ফারসি কবি ইউসুফ গদাইয়ের 'তুহফাত-উন-নাসাইহ' নামক গ্রন্থের ভাবানুবাদ।</li>
<li>আলাওলের অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে পদ্মাবতী, সতী ময়না ও লোর-চন্দ্রানী।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু খেয়াল রাখলেই হবে যে, <strong>তোহফা</strong> গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন কবি আলাওল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ছায়ানট</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>ছায়ানট</strong> কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>নজরুলের কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার জন্য আপনি একটি ছোট ছন্দ বা তালিকা তৈরি করে নিতে পারেন, যেখানে 'ছায়ানট', 'অগ্নি-বীণা', 'বিষের বাঁশী' বা 'সাম্যবাদী'র মতো কালজয়ী কাজগুলো আলাদা করে মনে রাখা সহজ।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই কাব্যগ্রন্থটি থেকে প্রশ্ন আসে, তাই নজরুলের কাব্যগ্রন্থের নামের তালিকায় 'ছায়ানট' নামটি বিশেষভাবে খেয়াল রাখলে সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নীলদর্পণ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক।</p>
<ul>
<li>দীনবন্ধু মিত্রের লেখা বিখ্যাত নাটক <strong>নীলদর্পণ</strong> ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>তৎকালীন নীলকর সাহেবদের অমানবিক অত্যাচারের চিত্র এই গ্রন্থে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>ঢাকা থেকে প্রকাশিত হওয়ার কারণে এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নীলদর্পণ নাটকটি ঢাকার প্রকাশনা জগতের এক অনন্য সংযোজন যা তৎকালীন সমাজব্যবস্থাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বৃত্রসংহান</strong>। এটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত মহাকাব্য। মহাকাব্য চেনার সহজ উপায় হলো এর বিশাল কলেবর এবং পৌরাণিক বা বীরত্বগাথা নির্ভর কাহিনী।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>বৃত্রসংহান</strong> মহাকাব্যটি মূলত পৌরাণিক কাহিনী অবলম্বনে রচিত।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' যেমন মহাকাব্য, তেমনি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই গ্রন্থটিও মহাকাব্যের মর্যাদা পায়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো মূলত খণ্ডকাব্য বা পত্রকাব্য, যা মহাকাব্যের বিশাল পরিসর বা গঠন অনুসরণ করে না।</li>
</ul>
<p>বিষয়টি খুব সহজ, কারণ:</p>
<ul>
<li><strong>খাঁচায়</strong> উপন্যাসটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক <strong>আবু ইসহাক</strong>-এর লেখা একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</li>
<li>এই উপন্যাসের মূল পটভূমি হলো আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সেই সময়ের অস্থির ও উত্তাল দিনগুলো।</li>
<li>মুক্তিযুদ্ধের সময়কার মানুষের আবেগ, সংগ্রাম এবং দেশপ্রেমের চিত্র এখানে অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে, যা একে মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় রচিত একটি অনন্য সাহিত্যকর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হরতাল</strong>। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যকে বলা হয় 'কিশোর কবি', যিনি তাঁর স্বল্প জীবনের লেখনীতে সমাজ ও শোষিত মানুষের কথা তুলে ধরেছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>হরতাল</strong> অন্যতম।</li>
<li>তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে <em>ছাড়পত্র</em>, <em>ঘুম নেই</em> এবং <em>পূর্বাভাস</em>।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে সুকান্তের সংগ্রামী চেতনার সাথে 'হরতাল' শব্দটিকে মিলিয়ে নিন, তাহলেই সহজে মনে থাকবে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভবিষ্যতের বাঙালী</strong>। এস ওয়াজেদ আলী একজন প্রখ্যাত বাঙালি লেখক ও চিন্তাবিদ, যিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতির জাগরণ ও আত্মপরিচয় নিয়ে কাজ করেছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এস ওয়াজেদ আলীর সাহিত্যকর্মের মূল বিষয়বস্তু ছিল বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতির উন্নয়ন।</li>
<li>তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় প্রবন্ধগ্রন্থ হলো <strong>ভবিষ্যতের বাঙালী</strong>, যেখানে তিনি বাঙালি জাতির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নাম ও গ্রন্থের নাম একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লুইপাদ</strong>। চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, আর লুইপাদ ছিলেন এর অন্যতম প্রধান এবং প্রথম পদকর্তা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের মোট পদকর্তার সংখ্যা ছিল ২৪ জন।</li>
<li>এর মধ্যে লুইপাদ ছিলেন তালিকার প্রথম কবি।</li>
<li>তার রচিত পদের সংখ্যা ছিল ২টি।</li>
</ul>
<p>তাই চর্যাপদের পদকার হিসেবে লুইপাদের নাম সবার আগে আসে এবং এটিই ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শবরপা</strong>। চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীত। এই পদগুলো রচনার সাথে যুক্ত ছিলেন মোট ২৪ জন সিদ্ধাচার্য।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের পদকর্তাদের নামের শেষে সাধারণত <strong>'পা'</strong> যুক্ত থাকে (যেমন: লুইপা, কাহ্নপা, শবরপা)।</li>
<li>শবরপা চর্যাপদের একজন অন্যতম প্রধান কবি, যিনি মোট দুটি পদ (২৮ ও ৫০ নং পদ) রচনা করেছেন।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো (কৃত্তিবাস, বিদ্যাপতি, জয়দেব) মধ্যযুগের কবি, তাই তারা চর্যাপদের পদকর্তা হওয়ার সুযোগ নেই।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শুরুর দিকের পণ্ডিতদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।</p>
<ul>
<li>১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চায় যে কয়েকজন পণ্ডিত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, তাদের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ছিলেন অন্যতম।</li>
<li>তিনি এই কলেজে বাংলা বিভাগের প্রধান পণ্ডিত হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন।</li>
<li>তার রচিত 'বত্রিশ সিংহাসন' ও 'হিতোপদেশ'-এর মতো গ্রন্থগুলো সেই সময়ে পাঠ্যপুস্তক হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো।</li>
</ul>
<p>তাই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক হিসেবে তার নাম ইতিহাসের পাতায় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।