<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাঙা জবা</strong>। এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>রাঙা জবা</strong> কাব্যগ্রন্থটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই গ্রন্থে কবির ভক্তিভাব ও আধ্যাত্মিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।</li>
<li>নজরুলের সাহিত্যকর্মের বিশাল ভাণ্ডারে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন, যা মূলত শ্যামাসঙ্গীত ও ভক্তিগীতিমূলক কবিতার সংকলন।</li>
</ul>
৬২৮৭
কাজী নরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতা কোন কাব্য গ্রন্থের অন্তর্গত?
<p>কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত <strong>বিদ্রোহী</strong> কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ <strong>অগ্নিবীণা</strong>-এর অন্তর্গত। ১৯২২ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অগ্নিবীণা</strong> কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমেই নজরুল বাংলা সাহিত্যে 'বিদ্রোহী কবি' হিসেবে পরিচিতি পান।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতাই হলো কালজয়ী সৃষ্টি <strong>বিদ্রোহী</strong>।</li>
<li>যেহেতু এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ, তাই এর প্রতিটি কবিতাই ছিল তৎকালীন সময়ে অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং বৈপ্লবিক।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কমল</strong>। এটি একটি বিখ্যাত প্রবাদ বা ছড়ার অংশ, যা আমাদের শেখায় যে কোনো ভালো কিছু পাওয়ার পথে বাধা বা কাঁটা থাকলেও ধৈর্য হারানো উচিত নয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মূল ছড়াটি হলো: "কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে?"</li>
<li>এখানে <strong>কমল</strong> বলতে পদ্মফুলকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>জীবন বা কাজের ক্ষেত্রে যেকোনো সুন্দর অর্জনের জন্য ছোটখাটো বাধা বা কষ্টকে উপেক্ষা করে এগিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নূরুলদীনের সারাজীবন</strong>। এটি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যনাট্য।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>কাব্যনাট্য</strong> বলতে এমন নাটককে বোঝায় যার সংলাপগুলো ছন্দে বা কবিতার আদলে লেখা হয়।</li>
<li>সৈয়দ শামসুল হক এই নাটকে ইতিহাসের নূরুলদীনকে এক নতুন কাব্যিক রূপ দিয়েছেন, যেখানে ভাষার কারুকাজ ও আবেগের গভীরতা সাধারণ গদ্য নাটকের চেয়ে আলাদা।</li>
<li>তাই বাংলা সাহিত্যে কাব্যধর্মী নাটকের কথা উঠলেই <strong>নূরুলদীনের সারাজীবন</strong> নামটি সবার আগে আসে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>।</p>
<p>জীবনানন্দ দাশকে কেন 'চিত্ররূপময়' কবি বলা হয়, তা খুব সহজে বোঝা যায় তাঁর কবিতার ভাষা ও শৈলী দেখলে:</p>
<ul>
<li>তাঁর কবিতায় প্রকৃতি ও পারিপার্শ্বিক দৃশ্যগুলো এমনভাবে ফুটে ওঠে যে, মনে হয় চোখের সামনে কোনো ছবি দেখছি।</li>
<li>তিনি শব্দ দিয়ে নিখুঁতভাবে রঙের খেলা ও দৃশ্যপট তৈরি করতে পারেন, যা বাংলা সাহিত্যে বিরল।</li>
<li>তাঁর বর্ণনায় উপমা ও চিত্রকল্পের ব্যবহার এতই জীবন্ত যে, পাঠক খুব সহজেই কবিতার দৃশ্যটি কল্পনা করতে পারেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের মাধ্যমে দৃশ্যপট তৈরির জাদুকরী ক্ষমতার কারণেই তাঁকে চিত্ররূপময় কবি বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দিনলিপি</strong>। কারণ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা <strong>'কারাগারের রোজনামচা'</strong> মূলত তাঁর কারাবন্দি জীবনের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতার একটি সংকলন।</p>
<ul>
<li>'রোজনামচা' শব্দটির আভিধানিক অর্থই হলো <strong>দিনলিপি</strong> বা ডায়েরি।</li>
<li>বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত কারাগারে থাকাকালীন সময়ে যে দিনলিপিগুলো লিখেছিলেন, পরবর্তীতে সেগুলোই এই বই আকারে প্রকাশিত হয়েছে।</li>
<li>এটি কোনো কাল্পনিক গল্প বা নাটক নয়, বরং ইতিহাসের এক জীবন্ত দলিল যা তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের নানা ঘটনা ও অনুভূতির প্রতিফলন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মহাভারত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো কাশীরাম দাসের মহাভারত।</p>
<ul>
<li>কাশীরাম দাস মূলত সংস্কৃত ভাষায় রচিত মূল মহাভারতকে বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন।</li>
<li>তার এই অনূদিত মহাভারতটি <strong>'কাশীদাসী মহাভারত'</strong> নামে পরিচিত, যা সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
৬২৯৩
কিন্তু মনুষ্য কখনো পাষাণ হয় না’ - উক্তিটি কোন উপন্যাসের?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজসিংহ</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাস 'রাজসিংহ'-এর প্রেক্ষাপটেই এই বিখ্যাত উক্তিটি করা হয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহাসিক উপন্যাসের চরিত্রগুলোর আবেগ ও মানবিক টানাপোড়েন ফুটিয়ে তুলতেই তিনি এই উক্তিটি ব্যবহার করেছেন।</li>
<li>গল্পের গভীরতা এবং চরিত্রের মানসিক পরিবর্তনের সাথে এই লাইনটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন: মানুষের মানবিক সত্তা এবং আবেগের অমোঘ সত্য বোঝাতে লেখক এই উক্তিটি <strong>রাজসিংহ</strong> উপন্যাসে তুলে ধরেছেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পঞ্চসঙ্গী</strong>। শওকত ওসমানের কিশোর সাহিত্য নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পরিচিত নাম।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শওকত ওসমানের কিশোর উপযোগী রচনার মধ্যে <strong>পঞ্চসঙ্গী</strong> অন্যতম একটি মৌলিক গ্রন্থ।</li>
<li>তার লেখার ধরণ ও কিশোরদের মনস্তত্ত্ব বোঝার ক্ষমতার কারণেই এই বইটি পাঠকদের কাছে বেশ সমাদৃত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের কিশোর সাহিত্য হিসেবে <strong>পঞ্চসঙ্গী</strong> নামটির সাথে পরিচিত থাকা জরুরি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>লাল নীল দীপাবলি</strong>। হুমায়ুন আজাদের এই বইটি মূলত কিশোর-কিশোরীদের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য লেখা হয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বইটির পুরো নাম <strong>'লাল নীল দীপাবলি বা বাংলা সাহিত্যের জীবনী'</strong>।</li>
<li>এটি এমনভাবে লেখা হয়েছে যাতে ছোটরা গল্পের ছলে বাংলা সাহিত্যের বিবর্তন ও বিখ্যাত লেখকদের সম্পর্কে জানতে পারে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে সহজ ও আনন্দদায়ক করে তোলার জন্য এটি কিশোর পাঠকদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি বই।</li>
</ul>
<p>বিষয়টি খুব সহজ। সাধারণত কুক্কুরী বা কুকুরের চারটি পা থাকলেও, ব্যাকরণ বা বিশেষ কোনো ধাঁধার প্রেক্ষাপটে 'কুক্কুরী পা' বলতে একটি বিশেষ ছন্দ বা মাত্রার বিন্যাসকে বোঝানো হয়। এখানে হিসাবটি হলো:</p>
<ul>
<li>কুক্কুরী পা মূলত একটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দের বিশেষ রূপ।</li>
<li>এই ছন্দে প্রতি চরণে বা অংশে মোট <strong>৩টি</strong> করে মাত্রা বা পর্বের বিন্যাস থাকে।</li>
</ul>
<p>তাই ছান্দিক বা ভাষাগত বিচারে এর পদ সংখ্যা ৩টি হিসেবেই গণ্য করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিষ্ফল আবেদন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। 'অরণ্যে রোদন' বা 'কুড়ি' বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো বনের মধ্যে কান্না করা। এখন বনের মধ্যে একা একা কাঁদলে তা কেউ শোনে না বা তাতে কোনো লাভ হয় না। ঠিক একইভাবে, যখন কোনো অনুরোধ বা আবেদন এমন কারো কাছে করা হয় যে তা শোনার বা কার্যকর করার ক্ষমতা রাখে না, তখন সেই আবেদনটি পুরোপুরি ব্যর্থ হয়। তাই এই পরিস্থিতি বোঝাতে আমরা 'নিষ্ফল আবেদন' কথাটি ব্যবহার করি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রামনারায়ন তর্করত্ন</strong>। বাংলা নাটকের ইতিহাসে এই নাটকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম। এর পেছনের সহজ তথ্যটি হলো:</p>
<ul>
<li>১৮৫৪ সালে প্রকাশিত <strong>'কুলীন কুল সর্বস্ব'</strong> নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>তৎকালীন সমাজে প্রচলিত কৌলিন্য প্রথার কুফল এবং বহুবিবাহের মতো সামাজিক অনাচার নিয়ে রামনারায়ন তর্করত্ন এই নাটকটি রচনা করেছিলেন।</li>
<li>বাংলা নাটকের শুরুর দিকের এই মাইলফলকটি মনে রাখা সহজ, কারণ এটি সামাজিক সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে লেখা প্রথম সার্থক নাটক।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রামরাম বসু</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮০০ সালে লর্ড ওয়েলেসলি কলকাতায় <strong>ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ</strong> প্রতিষ্ঠা করেন।</li>
<li>এই কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি।</li>
<li>উইলিয়াম কেরির প্রধান সহকারী বা মুন্সি হিসেবে <strong>রামরাম বসু</strong> সেখানে শিক্ষকতা ও বাংলা গদ্য রচনার কাজ শুরু করেন।</li>
<li>তার লেখা 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' এই কলেজের পাঠ্যপুস্তক হিসেবেই বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শুরুর দিকের বাংলা ভাষার শিক্ষক হিসেবে রামরাম বসুর নামই সবার আগে আসে।</p>
৬৩০০
কে সর্বপ্রথম বাংলা টাইপ সহযোগে বাংলা ব্যাকরণ মুদ্রণ করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রাসি হ্যালহেড</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা মুদ্রণ শিল্পের ইতিহাসে তার অবদান অনন্য।</p>
<ul>
<li>১৭৭৮ সালে হুগলি থেকে প্রকাশিত <strong>'A Grammar of the Bengal Language'</strong> গ্রন্থটিই ছিল বাংলা টাইপ বা হরফ ব্যবহার করে ছাপানো প্রথম ব্যাকরণ বই।</li>
<li>এই বইটির লেখক ছিলেন ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড।</li>
<li>বাংলা হরফ তৈরির কারিগর ছিলেন চার্লস উইলকিন্স, কিন্তু গ্রন্থটির রচয়িতা হিসেবে ব্রাসি হ্যালহেডই প্রথম বাংলা টাইপ সহযোগে ব্যাকরণ মুদ্রণের কৃতিত্ব অর্জন করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ব্যাকরণকে প্রথম মুদ্রণযোগ্য করে তোলার পেছনে হ্যালহেডের ভূমিকা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।