<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকুমার রায়</strong>। বাংলা শিশুসাহিত্যের জগতে এটি একটি কালজয়ী নাম।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>সুকুমার রায়</strong> ছিলেন বাংলা সাহিত্যের 'ননসেন্স রাইম' বা আবোল-তাবোল ছড়ার জাদুকর।</li>
<li>তার এই বিখ্যাত ছড়ার বই 'আবোল-তাবোল' ১৯২৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বইটিতে থাকা প্রতিটি ছড়া ও তার নিজস্ব আঁকা ছবিগুলো আজও ছোট-বড় সবার কাছে সমান জনপ্রিয়।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'আবোল-তাবোল'-এর কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে সুকুমার রায়ের নাম মনে রাখলেই হবে!</p>
<p>‘আব্দুল্লাহ’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>কাজী ইমদাদুল হক</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী উপন্যাস।</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটি মূলত তৎকালীন মুসলিম সমাজের কুসংস্কার, গোঁড়ামি এবং শিক্ষার অভাব নিয়ে লেখা।</li>
<li>এর প্রধান চরিত্র ‘আব্দুল্লাহ’র জীবনের সংগ্রামের মাধ্যমেই লেখক সেই সময়ের সামাজিক চিত্র নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>এটি ১৯৩৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং আজও পাঠকদের কাছে এর আবেদন অটুট।</li>
</ul>
৬৩৭৮
‘আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি’, কে বলেছিলেন?
<p>এই বিখ্যাত উক্তিটি করেছেন <strong>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিদ ও পণ্ডিত ছিলেন, যিনি সবসময় অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও বাঙালি পরিচয়ের ওপর জোর দিতেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বাংলা ভাষার একজন শ্রেষ্ঠ গবেষক।</li>
<li>তিনি বিশ্বাস করতেন, ধর্ম বা বর্ণের চেয়েও বড় পরিচয় হলো আমাদের <strong>ভাষাগত ও জাতিগত পরিচয়</strong>।</li>
<li>১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এই অমোঘ কথাটি বলেছিলেন, যা আজও আমাদের জাতীয়তাবোধের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
৬৩৭৯
‘আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে’ কবিতার চরণটির রচয়িতা কে?
<p>‘আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে’—এই কালজয়ী পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
<p>কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত <strong>‘শিশু’</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। ছোটবেলায় পাঠ্যবইয়ে এই কবিতাটি আমরা সবাই পড়েছি, তাই এটি মনে রাখা খুবই সহজ। এর সহজ-সরল ছন্দ আর প্রকৃতির বর্ণনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখনীর এক অনন্য বৈশিষ্ট্য, যা আমাদের গ্রামবাংলার চিরচেনা রূপকে চোখের সামনে ফুটিয়ে তোলে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>লালন শাহের গানে সাধারণত মানুষের দেহ, মন এবং আধ্যাত্মিক দর্শনের গভীর প্রকাশ ঘটে।</li>
<li>এই গানটিতে তিনি মানুষের শরীরের নশ্বরতা এবং নিয়ন্ত্রণের অসারতা নিয়ে কথা বলেছেন, যা তার দর্শনের একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>বাউল গানের ভাণ্ডারে এই গানটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবুল মনসুর আহমদ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। এই বইটি মূলত বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী আত্মস্মৃতিমূলক গ্রন্থ। মনে রাখার জন্য নিচের সহজ কৌশলটি দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বইটির নাম: <strong>‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’</strong>।</li>
<li>লেখক: <strong>আবুল মনসুর আহমদ</strong>।</li>
<li>সহজ মনে রাখার উপায়: তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক। বাংলাদেশের রাজনীতির দীর্ঘ সময়ের সাক্ষী হিসেবে তিনি এই বইটি লিখেছিলেন, যা আজও রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি নির্ভরযোগ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>আবুল মনসুর আহমদ</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আত্মস্মৃতিমূলক গ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>আবুল মনসুর আহমদ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও প্রাবন্ধিক।</li>
<li>তার এই গ্রন্থে তিনি ব্রিটিশ ভারত থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমলের রাজনীতির নানা বাঁক ও নিজের অভিজ্ঞতার কথা খুব সাবলীলভাবে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>রাজনীতি ও সমসাময়িক ইতিহাস নিয়ে লেখা বইগুলোর মধ্যে এটি একটি কালজয়ী কাজ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার প্রশ্নে যখনই এই বইটির নাম দেখবেন, সরাসরি <strong>আবুল মনসুর আহমদ</strong>-কে উত্তর হিসেবে বেছে নেবেন।</p>
৬৩৮৩
‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রুদ্র-মঙ্গল</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত প্রবন্ধ ‘আমার পথ’ মূলত তাঁর <strong>রুদ্র-মঙ্গল</strong> নামক প্রবন্ধ সংকলন থেকে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নজরুলের বিদ্রোহী সত্তার প্রতিফলন ঘটে তাঁর প্রবন্ধগুলোতে, আর <strong>রুদ্র-মঙ্গল</strong> গ্রন্থটি তাঁর সেই তেজদীপ্ত চিন্তাধারার এক অনন্য সংকলন।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে ‘আমার পথ’ এবং ‘রুদ্র-মঙ্গল’—এই দুটি নাম একসাথে কয়েকবার মনে মনে আওড়ালেই বিষয়টি স্থায়ীভাবে মনে থাকবে।</li>
</ul>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের ঘটনার পরপরই তিনি এই কালজয়ী গানটি লিখেছিলেন।</li>
<li>পরবর্তীতে এই গানে সুর দিয়েছিলেন শহীদ আলতাফ মাহমুদ, যা গানটিকে অমরত্ব দান করে।</li>
<li>পরীক্ষায় গুলিয়ে না ফেলার জন্য মনে রাখবেন—গানটির <strong>কথা বা রচনার</strong> দায়িত্বে ছিলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী, আর <strong>সুরকার</strong> হিসেবে পরিচিত আলতাফ মাহমুদ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আবদুল গাফফার চৌধুরী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>আমাদের ভাষা আন্দোলনের অমর এই গানটির গীতিকার হলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী।</li>
<li>তিনি ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের হোস্টেলে বসে এই কালজয়ী গানটি লিখেছিলেন।</li>
<li>পরবর্তীতে আলতাফ মাহমুদ এই গানে সুরারোপ করেন, যা গানটিকে আরও বেশি জনপ্রিয় করে তোলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গানের কথা বা রচনার কথা বললে সবসময় <strong>আবদুল গাফফার চৌধুরী</strong>-এর নামটাই মনে রাখবেন।</p>
৬৩৮৬
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুযারী আমি কি ভুলিতে পারি’। - এ গানের প্রথম সুরকার কে?
<p>‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির প্রথম সুরকার হলেন <strong>আব্দুল লতিফ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>গানটির রচয়িতা আব্দুল গাফফার চৌধুরী হলেও, ১৯৫২ সালে গানটি প্রথম প্রকাশিত হওয়ার সময় এর সুর করেছিলেন আব্দুল লতিফ।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯৫৪ সালে আলতাফ মাহমুদ গানটির বর্তমান জনপ্রিয় সুরটি তৈরি করেন, যা আমরা এখন নিয়মিত শুনে থাকি।</li>
<li>পরীক্ষায় যদি ‘প্রথম সুরকার’ জানতে চাওয়া হয়, তবে চোখ বন্ধ করে <strong>আব্দুল লতিফ</strong>-কে বেছে নেবেন।</li>
</ul>
<p>‘আমার যত কথা’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সম্পাদক <strong>গোলাম সারওয়ার</strong>। এটি মূলত তাঁর লেখা কলাম ও বিভিন্ন সময়ের অভিজ্ঞতার একটি সংকলন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>গোলাম সারওয়ার মূলত তাঁর সাংবাদিকতা এবং সাবলীল গদ্যের জন্য পরিচিত।</li>
<li>তাঁর এই গ্রন্থটি পাঠকদের কাছে তাঁর জীবনদর্শন ও সমসাময়িক চিন্তার প্রতিফলন হিসেবে সমাদৃত।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু নামটির সাথে বইয়ের শিরোনামটি কয়েকবার মিলিয়ে নিলেই হবে: <strong>গোলাম সারওয়ার = আমার যত কথা</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বর পাটনী</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের একটি চরিত্র হলেন ঈশ্বর পাটনী।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>অন্নদামঙ্গল</strong>-এ ঈশ্বর পাটনী চরিত্রটি পাওয়া যায়।</li>
<li>গল্পের প্রেক্ষাপটে, দেবী অন্নপূর্ণার কাছে বর চাওয়ার সময় ঈশ্বর পাটনী এই বিখ্যাত উক্তিটি করেছিলেন।</li>
<li>তার এই প্রার্থনার মূল অর্থ ছিল—তার সন্তান যেন সারাজীবন অভাবমুক্ত থাকে এবং খেয়ে-পরে সুখে শান্তিতে দিন কাটাতে পারে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ঈশ্বর পাটনীই সেই চরিত্র যিনি দেবী অন্নপূর্ণার কাছে এই অমোঘ প্রার্থনাটি করেছিলেন, যা আজও বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরী পাটনী</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যে এই বিখ্যাত উক্তিটি পাওয়া যায়। এর পেছনের কারণটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ঈশ্বরী পাটনী ছিলেন একজন সাধারণ খেয়া পারাপারের মাঝি।</li>
<li>দেবী অন্নপূর্ণা যখন তার কাছে পারাপারের পারিশ্রমিক চাইলেন, তখন ঈশ্বরী পাটনী কোনো পার্থিব ধন-সম্পদ বা ঐশ্বর্য চাননি।</li>
<li>তিনি কেবল চেয়েছিলেন তার পরিবার যেন সবসময় দুধে-ভাতে, অর্থাৎ অভাবমুক্ত ও শান্তিতে থাকে।</li>
</ul>
<p>তার এই সরল ও মানবিক প্রার্থনার কারণেই উক্তিটি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে।</p>
৬৩৯০
‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে’ চরণটি কোন কাব্যের?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্নদামঙ্গল</strong>। এই বিখ্যাত পঙক্তিটি কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের লেখা ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের অন্তর্গত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই কাব্যে ঈশ্বরী পাটনী দেবী অন্নপূর্ণার কাছে নিজের পরিবারের জন্য অন্ন বা খাবারের প্রার্থনা করেছিলেন।</li>
<li>‘দুধে-ভাতে’ থাকা বলতে মূলত অভাবমুক্ত ও সচ্ছল জীবনযাপনকে বোঝানো হয়েছে, যা এই কাব্যের মূল ভাবনার সাথে মিলে যায়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই কাব্যটি দেবী অন্নপূর্ণার মাহাত্ম্য প্রচারের জন্যই রচিত হয়েছিল।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।