eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৬৩৭৬

‘আবোল-তাবোল’ কার লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সুকুমার রায়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকুমার রায়</strong>। বাংলা শিশুসাহিত্যের জগতে এটি একটি কালজয়ী নাম।</p>

<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li><strong>সুকুমার রায়</strong> ছিলেন বাংলা সাহিত্যের 'ননসেন্স রাইম' বা আবোল-তাবোল ছড়ার জাদুকর।</li>
<li>তার এই বিখ্যাত ছড়ার বই 'আবোল-তাবোল' ১৯২৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বইটিতে থাকা প্রতিটি ছড়া ও তার নিজস্ব আঁকা ছবিগুলো আজও ছোট-বড় সবার কাছে সমান জনপ্রিয়।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই 'আবোল-তাবোল'-এর কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে সুকুমার রায়ের নাম মনে রাখলেই হবে!</p>
৬৩৭৭

‘আব্দুল্লাহ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাজী ইমদাদুল হক
ব্যাখ্যা:
<p>‘আব্দুল্লাহ’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>কাজী ইমদাদুল হক</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী উপন্যাস।</p>

<ul>
<li>উপন্যাসটি মূলত তৎকালীন মুসলিম সমাজের কুসংস্কার, গোঁড়ামি এবং শিক্ষার অভাব নিয়ে লেখা।</li>
<li>এর প্রধান চরিত্র ‘আব্দুল্লাহ’র জীবনের সংগ্রামের মাধ্যমেই লেখক সেই সময়ের সামাজিক চিত্র নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>এটি ১৯৩৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং আজও পাঠকদের কাছে এর আবেদন অটুট।</li>
</ul>
৬৩৭৮

‘আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি’, কে বলেছিলেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>এই বিখ্যাত উক্তিটি করেছেন <strong>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিদ ও পণ্ডিত ছিলেন, যিনি সবসময় অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও বাঙালি পরিচয়ের ওপর জোর দিতেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বাংলা ভাষার একজন শ্রেষ্ঠ গবেষক।</li>
<li>তিনি বিশ্বাস করতেন, ধর্ম বা বর্ণের চেয়েও বড় পরিচয় হলো আমাদের <strong>ভাষাগত ও জাতিগত পরিচয়</strong>।</li>
<li>১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এই অমোঘ কথাটি বলেছিলেন, যা আজও আমাদের জাতীয়তাবোধের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
৬৩৭৯

‘আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে’ কবিতার চরণটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা:
<p>‘আমাদের ছোট নদী চলে বাঁকে বাঁকে’—এই কালজয়ী পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>

<p>কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত <strong>‘শিশু’</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। ছোটবেলায় পাঠ্যবইয়ে এই কবিতাটি আমরা সবাই পড়েছি, তাই এটি মনে রাখা খুবই সহজ। এর সহজ-সরল ছন্দ আর প্রকৃতির বর্ণনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখনীর এক অনন্য বৈশিষ্ট্য, যা আমাদের গ্রামবাংলার চিরচেনা রূপকে চোখের সামনে ফুটিয়ে তোলে।</p>
৬৩৮০

‘আমার ঘরের চাবি পরের হাতে’- গানটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
লালন শাহ্
ব্যাখ্যা:
<p>‘আমার ঘরের চাবি পরের হাতে’—এই কালজয়ী গানটির রচয়িতা হলেন মরমী সাধক <strong>লালন শাহ্</strong>।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>লালন শাহের গানে সাধারণত মানুষের দেহ, মন এবং আধ্যাত্মিক দর্শনের গভীর প্রকাশ ঘটে।</li>
<li>এই গানটিতে তিনি মানুষের শরীরের নশ্বরতা এবং নিয়ন্ত্রণের অসারতা নিয়ে কথা বলেছেন, যা তার দর্শনের একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>বাউল গানের ভাণ্ডারে এই গানটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
৬৩৮১

‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ কার লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমদ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবুল মনসুর আহমদ</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। এই বইটি মূলত বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী আত্মস্মৃতিমূলক গ্রন্থ। মনে রাখার জন্য নিচের সহজ কৌশলটি দেখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>বইটির নাম: <strong>‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’</strong>।</li>
<li>লেখক: <strong>আবুল মনসুর আহমদ</strong>।</li>
<li>সহজ মনে রাখার উপায়: তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক। বাংলাদেশের রাজনীতির দীর্ঘ সময়ের সাক্ষী হিসেবে তিনি এই বইটি লিখেছিলেন, যা আজও রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি নির্ভরযোগ্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
৬৩৮২

‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ গ্রন্থটির রচয়িতা-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমদ
ব্যাখ্যা:
<p>‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>আবুল মনসুর আহমদ</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আত্মস্মৃতিমূলক গ্রন্থ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>আবুল মনসুর আহমদ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও প্রাবন্ধিক।</li>
<li>তার এই গ্রন্থে তিনি ব্রিটিশ ভারত থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমলের রাজনীতির নানা বাঁক ও নিজের অভিজ্ঞতার কথা খুব সাবলীলভাবে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>রাজনীতি ও সমসাময়িক ইতিহাস নিয়ে লেখা বইগুলোর মধ্যে এটি একটি কালজয়ী কাজ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার প্রশ্নে যখনই এই বইটির নাম দেখবেন, সরাসরি <strong>আবুল মনসুর আহমদ</strong>-কে উত্তর হিসেবে বেছে নেবেন।</p>
৬৩৮৩

‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রুদ্র-মঙ্গল
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রুদ্র-মঙ্গল</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত প্রবন্ধ ‘আমার পথ’ মূলত তাঁর <strong>রুদ্র-মঙ্গল</strong> নামক প্রবন্ধ সংকলন থেকে নেওয়া হয়েছে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নজরুলের বিদ্রোহী সত্তার প্রতিফলন ঘটে তাঁর প্রবন্ধগুলোতে, আর <strong>রুদ্র-মঙ্গল</strong> গ্রন্থটি তাঁর সেই তেজদীপ্ত চিন্তাধারার এক অনন্য সংকলন।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে ‘আমার পথ’ এবং ‘রুদ্র-মঙ্গল’—এই দুটি নাম একসাথে কয়েকবার মনে মনে আওড়ালেই বিষয়টি স্থায়ীভাবে মনে থাকবে।</li>
</ul>
৬৩৮৪

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুযারি ’ - গানের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির রচয়িতা হলেন <strong>আবদুল গাফফার চৌধুরী</strong>।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের ঘটনার পরপরই তিনি এই কালজয়ী গানটি লিখেছিলেন।</li>
<li>পরবর্তীতে এই গানে সুর দিয়েছিলেন শহীদ আলতাফ মাহমুদ, যা গানটিকে অমরত্ব দান করে।</li>
<li>পরীক্ষায় গুলিয়ে না ফেলার জন্য মনে রাখবেন—গানটির <strong>কথা বা রচনার</strong> দায়িত্বে ছিলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী, আর <strong>সুরকার</strong> হিসেবে পরিচিত আলতাফ মাহমুদ।</li>
</ul>
৬৩৮৫

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুযারির ’ রচয়িতা-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আবদুল গাফফার চৌধুরী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>আমাদের ভাষা আন্দোলনের অমর এই গানটির গীতিকার হলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী।</li>
<li>তিনি ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের হোস্টেলে বসে এই কালজয়ী গানটি লিখেছিলেন।</li>
<li>পরবর্তীতে আলতাফ মাহমুদ এই গানে সুরারোপ করেন, যা গানটিকে আরও বেশি জনপ্রিয় করে তোলে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, গানের কথা বা রচনার কথা বললে সবসময় <strong>আবদুল গাফফার চৌধুরী</strong>-এর নামটাই মনে রাখবেন।</p>
৬৩৮৬

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুযারী আমি কি ভুলিতে পারি’। - এ গানের প্রথম সুরকার কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা:
<p>‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির প্রথম সুরকার হলেন <strong>আব্দুল লতিফ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>গানটির রচয়িতা আব্দুল গাফফার চৌধুরী হলেও, ১৯৫২ সালে গানটি প্রথম প্রকাশিত হওয়ার সময় এর সুর করেছিলেন আব্দুল লতিফ।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯৫৪ সালে আলতাফ মাহমুদ গানটির বর্তমান জনপ্রিয় সুরটি তৈরি করেন, যা আমরা এখন নিয়মিত শুনে থাকি।</li>
<li>পরীক্ষায় যদি ‘প্রথম সুরকার’ জানতে চাওয়া হয়, তবে চোখ বন্ধ করে <strong>আব্দুল লতিফ</strong>-কে বেছে নেবেন।</li>
</ul>
৬৩৮৭

‘আমার যত কথা’ গ্রন্থের লেখকের নাম -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গোলাম সারওয়ার
ব্যাখ্যা:
<p>‘আমার যত কথা’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সম্পাদক <strong>গোলাম সারওয়ার</strong>। এটি মূলত তাঁর লেখা কলাম ও বিভিন্ন সময়ের অভিজ্ঞতার একটি সংকলন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>গোলাম সারওয়ার মূলত তাঁর সাংবাদিকতা এবং সাবলীল গদ্যের জন্য পরিচিত।</li>
<li>তাঁর এই গ্রন্থটি পাঠকদের কাছে তাঁর জীবনদর্শন ও সমসাময়িক চিন্তার প্রতিফলন হিসেবে সমাদৃত।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু নামটির সাথে বইয়ের শিরোনামটি কয়েকবার মিলিয়ে নিলেই হবে: <strong>গোলাম সারওয়ার = আমার যত কথা</strong>।</li>
</ul>
৬৩৮৮

‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ কার প্রার্থনা ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বর পাটনী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বর পাটনী</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের একটি চরিত্র হলেন ঈশ্বর পাটনী।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>অন্নদামঙ্গল</strong>-এ ঈশ্বর পাটনী চরিত্রটি পাওয়া যায়।</li>
<li>গল্পের প্রেক্ষাপটে, দেবী অন্নপূর্ণার কাছে বর চাওয়ার সময় ঈশ্বর পাটনী এই বিখ্যাত উক্তিটি করেছিলেন।</li>
<li>তার এই প্রার্থনার মূল অর্থ ছিল—তার সন্তান যেন সারাজীবন অভাবমুক্ত থাকে এবং খেয়ে-পরে সুখে শান্তিতে দিন কাটাতে পারে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ঈশ্বর পাটনীই সেই চরিত্র যিনি দেবী অন্নপূর্ণার কাছে এই অমোঘ প্রার্থনাটি করেছিলেন, যা আজও বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়।</p>
৬৩৮৯

‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ কার প্রার্থনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরী পাটনী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরী পাটনী</strong>।</p>

<p>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যে এই বিখ্যাত উক্তিটি পাওয়া যায়। এর পেছনের কারণটি খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>ঈশ্বরী পাটনী ছিলেন একজন সাধারণ খেয়া পারাপারের মাঝি।</li>
<li>দেবী অন্নপূর্ণা যখন তার কাছে পারাপারের পারিশ্রমিক চাইলেন, তখন ঈশ্বরী পাটনী কোনো পার্থিব ধন-সম্পদ বা ঐশ্বর্য চাননি।</li>
<li>তিনি কেবল চেয়েছিলেন তার পরিবার যেন সবসময় দুধে-ভাতে, অর্থাৎ অভাবমুক্ত ও শান্তিতে থাকে।</li>
</ul>

<p>তার এই সরল ও মানবিক প্রার্থনার কারণেই উক্তিটি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে।</p>
৬৩৯০

‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে’ চরণটি কোন কাব্যের?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অন্নদামঙ্গল
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্নদামঙ্গল</strong>। এই বিখ্যাত পঙক্তিটি কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের লেখা ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের অন্তর্গত।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই কাব্যে ঈশ্বরী পাটনী দেবী অন্নপূর্ণার কাছে নিজের পরিবারের জন্য অন্ন বা খাবারের প্রার্থনা করেছিলেন।</li>
<li>‘দুধে-ভাতে’ থাকা বলতে মূলত অভাবমুক্ত ও সচ্ছল জীবনযাপনকে বোঝানো হয়েছে, যা এই কাব্যের মূল ভাবনার সাথে মিলে যায়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই কাব্যটি দেবী অন্নপূর্ণার মাহাত্ম্য প্রচারের জন্যই রচিত হয়েছিল।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।