<p>‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থটির লেখক হলেন <strong>শেখ মুজিবুর রহমান</strong>। এটি মূলত তার নিজের লেখা একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।</p>
<ul>
<li>বইটি মূলত শেখ মুজিবুর রহমানের জেলজীবনের ডায়েরি থেকে সংকলিত।</li>
<li>এটি তার রাজনৈতিক জীবন, আদর্শ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপট বুঝতে সাহায্য করে।</li>
<li>তার এই লেখাটি ২০১২ সালে প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য দলিল।</li>
</ul>
৬৩৬২
'আ মরি বাংলা ভাষা'- এ চরণে 'আ' দ্বারা কী প্রকাশ পেয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আনন্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ কবি যখন কোনো কিছুকে গভীর মমতা ও ভালোবাসার সাথে সম্বোধন করেন, তখন সেখানে এক ধরনের উচ্ছ্বাস বা আনন্দের বহিঃপ্রকাশ ঘটে।</p>
<ul>
<li>'আ মরি' শব্দগুচ্ছটি মূলত বিস্ময়সূচক একটি অব্যয়।</li>
<li>এখানে বাংলা ভাষার প্রতি কবির গভীর মমতা, মুগ্ধতা এবং হৃদয়ের গভীর থেকে আসা এক ধরনের <strong>আনন্দ</strong> বা পুলক প্রকাশ পেয়েছে।</li>
<li>তাই এই চরণে 'আ' শব্দটি কোনো সাধারণ আবেগ নয়, বরং ভাষার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে প্রকাশ করা এক বিশেষ আনন্দকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>‘আকাশলীনা’ কবিতার রচয়িতা হলেন <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>। বাংলা আধুনিক কবিতার জগতে তিনি রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জীবনানন্দ দাশের কাব্যশৈলী এবং শব্দচয়নের যে অনন্য বৈশিষ্ট্য, তা ‘আকাশলীনা’ কবিতায় স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>এই কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>‘সাতটি তারার তিমির’</strong>-এর অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন, জীবনানন্দ দাশের কবিতায় প্রকৃতি ও নির্জনতার যে গভীরতা থাকে, ‘আকাশলীনা’ তার একটি অন্যতম সেরা উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>’আগুন পাখি’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>হাসান আজিজুল হক</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং কালজয়ী উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই উপন্যাসে দেশভাগের যন্ত্রণা এবং একজন নারীর আত্মপরিচয়ের সংকট খুব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>হাসান আজিজুল হক মূলত তাঁর গভীর জীবনবোধ এবং আঞ্চলিক ভাষার নিপুণ ব্যবহারের জন্য পরিচিত, যা এই উপন্যাসেও স্পষ্টভাবে দেখা যায়।</li>
<li>সাহিত্যিক মহলে এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হুমায়ূন আহমেদ</strong>।</p>
<p>‘আগুনের পরশমণি’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপন্যাস, যা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা। এই উপন্যাসটি নিয়ে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>এটি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক <strong>হুমায়ূন আহমেদের</strong> লেখা একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</li>
<li>উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং একটি সাধারণ পরিবারের ওপর যুদ্ধের প্রভাব।</li>
<li>পরবর্তীতে হুমায়ূন আহমেদ নিজেই এই উপন্যাস অবলম্বনে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন, যা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা এই অসাধারণ উপন্যাসটির রচয়িতা হিসেবে হুমায়ূন আহমেদের নামই সবার আগে মনে রাখতে হবে।</p>
<p>‘আগুনের পরশমণি’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>হুমায়ূন আহমেদ</strong>। এটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি কালজয়ী উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা।</li>
<li>হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় সৃষ্ট চরিত্র 'হিমু' বা 'মিসির আলি'র মতো এই উপন্যাসের কাহিনীও পাঠক মহলে দারুণ সমাদৃত।</li>
<li>পরবর্তীতে তিনি নিজেই এই উপন্যাস অবলম্বনে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন, যা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দোলনচাঁপা</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘দোলনচাঁপা’ থেকেই এই কবিতাটি নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>দোলনচাঁপা</strong> কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থের অধিকাংশ কবিতাই প্রেম ও প্রকৃতির জয়গানে ভরপুর, যার মধ্যে ‘আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ অন্যতম।</li>
<li>নজরুলের কাব্যধারায় এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় সৃষ্টি, যা পরীক্ষার জন্য বারবার মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের লেখক হলেন <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। এই বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়।</li>
<li>১৮৮২ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি থেকেই বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান <strong>‘বন্দে মাতরম’</strong> নেওয়া হয়েছে।</li>
<li>সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে রচিত এই উপন্যাসটি তৎকালীন সময়ে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক প্রতিভার অন্যতম সেরা নিদর্শন হলো এই ‘আনন্দমঠ’।</p>
<p>‘আনোয়ারা’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>নজিবর রহমান</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>নজিবর রহমান</strong> মূলত তাঁর এই সামাজিক উপন্যাসটির জন্যই বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।</li>
<li>উপন্যাসটি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং সেই সময়ে মুসলিম সমাজের পারিবারিক ও সামাজিক চিত্র তুলে ধরার জন্য এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখার জন্য লেখক ও উপন্যাসের নাম একসাথে কয়েকবার পড়ে নিলে আর ভুল হবে না।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মোহাম্মদ নজিবর রহমান</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>মোহাম্মদ নজিবর রহমান</strong> ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক।</li>
<li>তার লেখা <strong>'আনোয়ারা'</strong> উপন্যাসটি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>তৎকালীন মুসলিম সমাজচিত্র এবং পারিবারিক জীবনের নানা দিক এই উপন্যাসে খুব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে, যা একে পাঠকদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় করে তুলেছে।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মনে রাখবেন, এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী ইমদাদুল হক</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস হলো ‘আবদুল্লাহ’। এই উপন্যাসটি সম্পর্কে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>
<ul>
<li><strong>কাজী ইমদাদুল হক</strong> ১৯৩৩ সালে এই কালজয়ী উপন্যাসটি রচনা করেন।</li>
<li>উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলো তৎকালীন মুসলিম সমাজের কুসংস্কার, গোঁড়ামি এবং মধ্যবিত্ত সমাজের জীবনসংগ্রাম।</li>
<li>আবদুল্লাহ চরিত্রটি তৎকালীন সমাজের একজন শিক্ষিত কিন্তু অসহায় যুবকের প্রতীক, যে তার চারপাশের প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মুসলিম সমাজ সংস্কারের প্রেক্ষাপটে লেখা এই অসাধারণ উপন্যাসটির স্রষ্টা হলেন কাজী ইমদাদুল হক।</p>
৬৩৭২
‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে’ কাব্য পঙক্তিটির রচয়িতা হচ্ছেন -
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি জীবনানন্দ দাশের <strong>'রূপসী বাংলা'</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এই কবিতাটি পড়ার সময় কিছু বিষয় মাথায় রাখলে মনে রাখা সহজ হয়:</p>
<ul>
<li>জীবনানন্দ দাশকে বলা হয় <strong>'রূপসী বাংলার কবি'</strong>।</li>
<li>বাংলার প্রকৃতি, নদী এবং গ্রামবাংলার প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা এই পঙক্তিটির মাধ্যমে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>'ধানসিঁড়ি' নদীটি মূলত ঝালকাঠি জেলায় অবস্থিত, যা কবির কবিতায় বারবার এক নস্টালজিক আবহ তৈরি করে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'ধানসিঁড়ি' বা বাংলার প্রকৃতির কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে জীবনানন্দ দাশকে মনে রাখলেই চলবে!</p>
৬৩৭৩
‘আবার আসিব ফিরে, ধান সিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়’ - পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি জীবনানন্দ দাশের 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>জীবনানন্দ দাশকে বলা হয় <strong>'রূপসী বাংলার কবি'</strong>।</li>
<li>তার কবিতায় বাংলার প্রকৃতি, নদী এবং গ্রামবাংলার প্রতি এক গভীর মমতা ফুটে ওঠে।</li>
<li>'ধান সিঁড়ি' নদীটি মূলত ঝালকাঠি জেলায় অবস্থিত, যা কবির প্রিয় বাংলার রূপকেই তুলে ধরে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই বাংলার প্রকৃতি নিয়ে এমন মায়াবী কোনো পঙক্তি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নিতে পারেন এটি জীবনানন্দ দাশেরই সৃষ্টি!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনোটিই নয়</strong>। কারণ, বিখ্যাত <strong>‘আবার আসিব ফিরে’</strong> কবিতাটি লিখেছেন রূপসী বাংলার কবি <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>।</p>
<ul>
<li>কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>‘রূপসী বাংলা’</strong>-র অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>যেহেতু অপশনগুলোতে জীবনানন্দ দাশের নাম নেই, তাই সঠিক উত্তর হবে <strong>কোনোটিই নয়</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকুমার রায়</strong>। বাংলা শিশুসাহিত্যের জগতে ‘আবোল তাবোল’ একটি কালজয়ী নাম। এর পেছনের কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সুকুমার রায় ছিলেন বাংলা সাহিত্যে ‘ননসেন্স রাইম’ বা খামখেয়ালি ছড়ার জনক।</li>
<li>তাঁর অমর সৃষ্টি ‘আবোল তাবোল’ ১৯২৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই বইয়ের প্রতিটি ছড়া ও অলঙ্করণ তিনি নিজেই করেছিলেন, যা আজও ছোট-বড় সবার কাছে সমান জনপ্রিয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ছড়ার জাদুকর সুকুমার রায়ের অনন্য প্রতিভার স্বাক্ষর বহন করছে এই বইটি।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।