<p>‘আমারও পরাণ যাহা চায়’ গানটির রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। এটি তাঁর বিখ্যাত ‘প্রেম’ পর্যায়ের একটি কালজয়ী গান।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের <strong>গীতবিতান</strong> গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>এটি মূলত একটি রবীন্দ্রসংগীত, যা তাঁর গভীর আবেগ ও সুরের মূর্ছনায় অনন্য হয়ে আছে।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথের অধিকাংশ জনপ্রিয় গানের মতো এটিও তাঁর নিজস্ব কাব্যশৈলী ও সুরের আদলে তৈরি, যা আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে সমানভাবে জায়গা করে আছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম শক্তিশালী কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নামই হলো 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি'। এই কবিতাটি মূলত আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং শিকড়ের কথা বলে। পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো:</p>
<p>এই দুটি নাম একসাথে কয়েকবার পড়লেই বিষয়টি আপনার মাথায় গেঁথে যাবে। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কবিতা, তাই কবির নাম মনে রাখাটা জরুরি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাব্যগ্রন্থ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর লেখা এই বিখ্যাত সাহিত্যকর্মটি মূলত একটি কবিতা বা কাব্য সংকলন।</p>
<ul>
<li>‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’ কবিতাটি কবির <strong>‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’</strong> নামক কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতা।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক ধরণ অনুযায়ী এটি কোনো উপন্যাস, নাটক বা গল্প নয়, বরং এটি একটি <strong>কাব্যগ্রন্থ</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ</strong>।</p>
<p>কবিতাটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল বা বিষয় মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’ কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী ও প্রতিবাদী একটি সৃষ্টি।</li>
<li>এর রচয়িতা <strong>আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ</strong>, যিনি মূলত তাঁর কাব্যশৈলী এবং দেশপ্রেমের জন্য পরিচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই কবির নাম মনে রাখার জন্য 'কিংবদন্তী' শব্দটির সাথে 'ওবায়দুল্লাহ' নামটি বারবার মিলিয়ে পড়লে সহজেই মনে থাকবে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ</strong>।</p>
<p>কবিতাটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল ব্যবহার করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’ কবিতাটি আমাদের লোকজ ঐতিহ্য ও ইতিহাসের এক অনন্য দলিল।</li>
<li>এই কালজয়ী কবিতাটির রচয়িতা হলেন আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি <strong>আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ</strong>।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই কবির নাম এবং কবিতার শিরোনামটি একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
<p>বিখ্যাত কবি ও ছড়াকার সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'বাংলা' কবিতা থেকে এই চরণটি নেওয়া হয়েছে। কবিতাটির মূল ভাব ও ছন্দের সাথে মিল রেখে শূন্যস্থানে 'হাজার' শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত। এটি কবির নিজের ভাষায় বাংলা ও বাঙালির প্রতি গভীর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।</p>
<ul>
<li>কবিতার লাইনটি হলো: "আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি, আমি বাংলার আলপথ দিয়ে <strong>হাজার</strong> বছর চলি।"</li>
<li>এখানে 'হাজার' শব্দটি বাঙালির সুদীর্ঘ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতাকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>
৬৩৯৮
‘আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি।’ চরণটি কোন কবিতার?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্রোহী</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি।</p>
<ul>
<li>এই চরণটি মূলত কবির <strong>বিদ্রোহী</strong> কবিতার শুরুর দিকের অংশ।</li>
<li>কবিতাটিতে কবি নিজেকে ধ্বংস ও সৃষ্টির প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছেন, যেখানে তিনি সব ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।</li>
<li>‘আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি’—এই লাইনটি দিয়ে কবি তার অদম্য সাহস এবং প্রতিকূলতার মাঝেও জয়ের আনন্দ খুঁজে পাওয়ার মানসিকতাকে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
<p>‘আমীর হামজা’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ হামজা</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্য। এই কাব্যটি মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li>কাব্যটির নাম ‘আমীর হামজা’ এবং এর রচয়িতার নামের শেষাংশও ‘হামজা’।</li>
<li>নামের এই মিলটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা যায়।</li>
</ul>
<p>সৈয়দ হামজা মূলত এই কাব্যটি ফারসি ‘দাস্তান-ই-আমীর হামজা’ অবলম্বনে রচনা করেছিলেন, যা সেই সময়ে বেশ জনপ্রিয় ছিল।</p>
<p>‘আয়নাবাজি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক হলেন <strong>অমিতাভ রেজা</strong>। তিনি একজন জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন নির্মাতা এবং এই সিনেমাটির মাধ্যমেই তিনি চলচ্চিত্র পরিচালনায় নিজের মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সিনেমাটির নাম: <strong>আয়নাবাজি</strong>।</li>
<li>পরিচালক: <strong>অমিতাভ রেজা চৌধুরী</strong>।</li>
<li>এটি ২০১৬ সালে মুক্তি পায় এবং মুক্তির পর থেকেই সিনেমাটি দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।</li>
</ul>
<p>‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>জহির রায়হান</strong>। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই উপন্যাসটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>বিষয়বস্তু:</strong> একুশে ফেব্রুয়ারি ও ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোর বাস্তব চিত্র এখানে ফুটে উঠেছে।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটি বাংলা ভাষার প্রথম দিকের সার্থক রাজনৈতিক উপন্যাসগুলোর মধ্যে একটি।</li>
<li><strong>লেখক পরিচিতি:</strong> জহির রায়হান শুধু একজন লেখকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একাধারে চলচ্চিত্রকার ও সাংবাদিক। তাঁর লেখনীতে দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও রাজনৈতিক সচেতনতা সবসময়ই স্পষ্ট।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জহির রায়হান</strong>।</p>
<p>‘আরেক ফাল্গুন’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। এই বইটি সম্পর্কে মনে রাখার কিছু সহজ বিষয়:</p>
<ul>
<li>এটি ১৯৫২ সালের <strong>ভাষা আন্দোলনের</strong> প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস।</li>
<li>জহির রায়হান এই উপন্যাসে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ এবং সেই সময়ের উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>বাংলা ভাষা আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে লেখা শ্রেষ্ঠ উপন্যাসগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম, যা আমাদের জাতীয় চেতনার প্রতীক।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও আবেগ নিয়ে লেখা এই অনবদ্য সৃষ্টির রচয়িতা হলেন জহির রায়হান।</p>
<p>‘আর্তনাদ’ উপন্যাসের সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাষা আন্দোলন</strong>। এই উপন্যাসটি মূলত ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটি ভাষা আন্দোলনের উত্তাল সময়ের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।</li>
<li>তৎকালীন ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের ভাষার অধিকার আদায়ের সংগ্রামই এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।</li>
<li>লেখক অত্যন্ত নিপুণভাবে সেই সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতাকে উপন্যাসের ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাষা আন্দোলনের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাসকে কেন্দ্র করেই এই উপন্যাসের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।</p>
<p>‘আর্যগাথা’ এবং ‘আষাঢ়ে’—এই বিখ্যাত গ্রন্থ দুটির রচয়িতা হলেন <strong>দ্বিজেন্দ্রলাল রায়</strong>। বাংলা সাহিত্যে তিনি মূলত তাঁর ব্যঙ্গাত্মক কবিতা এবং দেশাত্মবোধক গানের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>দ্বিজেন্দ্রলাল রায়</strong> তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘আর্যগাথা’ (১ম ও ২য় ভাগ) এবং হাস্যরসাত্মক কাব্য ‘আষাঢ়ে’-এর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য স্থান দখল করে আছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের কাব্য রচনার ধারায় ‘আর্যগাথা’ তাঁর কবিত্বশক্তির পরিচয় দেয়, আর ‘আষাঢ়ে’ তাঁর রসবোধের পরিচয় বহন করে।</li>
</ul>
৬৪০৫
‘আলালের ঘরের দুলাল’ উপন্যাস প্রথমে কোন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাসিক পত্রিকা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ প্যারীচাঁদ মিত্রের লেখা এই বিখ্যাত উপন্যাসটি ১৮৫৪ সালে প্রকাশিত <strong>মাসিক পত্রিকা</strong>-তেই প্রথম ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়েছিল।</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির লেখক: <strong>প্যারীচাঁদ মিত্র</strong> (টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে)।</li>
<li>প্রকাশের মাধ্যম: <strong>মাসিক পত্রিকা</strong>।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা গদ্যের চলিত রূপের প্রথম ব্যবহার এবং উপন্যাসের ধারা শুরু হয়েছিল এই পত্রিকার মাধ্যমেই। তাই এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।