<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হরপ্রসাদ শাস্ত্রী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন <strong>'চর্যাপদ'</strong>-এর পাণ্ডুলিপিটি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে উদ্ধার করেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি 'হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই চর্যাপদ আবিষ্কারের কৃতিত্ব পুরোপুরি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর। এই তথ্যটি মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষায় সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
৬৯০২
হিন্দি ‘পদুমাবৎ’ এর অবলম্বনে ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের রচয়িতা-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলাওল</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল তাঁর অমর সৃষ্টি <strong>‘পদ্মাবতী’</strong> কাব্যটি রচনা করেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li>মূলত হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর বিখ্যাত কাব্য <strong>‘পদুমাবৎ’</strong>-এর কাহিনী অবলম্বনে আলাওল এটি বাংলায় রূপান্তর করেন।</li>
<li>আরাকান রাজসভার রোসাঙ্গ রাজদরবারের আশ্রয়ে থেকে তিনি এই মহাকাব্যটি রচনা করেছিলেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে অনুবাদ বা ভাবানুবাদমূলক কাব্যের ক্ষেত্রে আলাওলের ‘পদ্মাবতী’ সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী একটি কাজ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮৪৩ সালে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই পত্রিকাটির সাথে জড়িয়ে আছে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম।</p>
<ul>
<li>তত্ত্ববোধিনী সভা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৩৯ সালে।</li>
<li>এর ঠিক চার বছর পর, অর্থাৎ <strong>১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট</strong> অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় 'তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা' প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>তৎকালীন সময়ে বাংলা ভাষা ও সমাজ সংস্কারে এই পত্রিকাটির ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৮৪৩ সালটি মনে রাখলেই আপনার উত্তরটি একদম সঠিক হয়ে যাবে।</p>
৬৯০৪
যে ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার, তাকে বলা হয়-
মুক্তামুক্তা (ইংরেজি: Pearl) ঝিনুক বা মুক্তির মধ্যকার রত্নবিশেষ। এর অন্য নাম মোতি। আঞ্চলিক ভাষায় অনেক সময় মুক্তাকে মুকুতা নামেও ডাকা হয়। মুক্তা এক ধরনের শম্বুক জাতীয় প্রাণী ঝিনুকের মাধ্যমে তৈরী হয়। এটি দেখতে ছোট এবং প্রায়শঃই সাদা রঙের হয়ে থাকে। তবে কখনো কখনো পাণ্ডুর বা ফ্যাকাশে রঙ - সহ কালো রঙেরও হতে পারে। সাধারণতঃ মোতি দেখতে গোলাকৃতি ধরনের হয়। এছাড়া, অর্ধ - গোলাকার, ডিম্বাকৃতি কিংবা অন্য যে - কোন বিভিন্ন আকৃতিরও হতে পারে। অলঙ্কার জগতে এর অসম্ভব জনপ্রিয়তা ও সুনাম রয়েছে। জুন মাসে জন্মগ্রহণকারী জাতকগণ জন্মপাথররূপে মুক্তা ধারণ করে থাকেন।
<p>‘ষড়ঋতু’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>ষট্ + ঋতু</strong>। বিষয়টি বোঝার জন্য নিচের সহজ নিয়মটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বর্গের প্রথম বর্ণের (ক, চ, ট, ত, প) পরে যদি কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে প্রথম বর্ণটি তার নিজ বর্গের তৃতীয় বর্ণে পরিণত হয়।</li>
<li>এখানে ‘ট’ বর্ণটি সন্ধির ফলে তার বর্গের তৃতীয় বর্ণ ‘ড’-এ রূপান্তরিত হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>ষট্ + ঋতু</strong> মিলে হয় <strong>ষড়্ + ঋতু</strong>, যা একত্রে লিখলে দাঁড়ায় <strong>ষড়ঋতু</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে থাকা ‘ট’ কারান্ত রূপটি সন্ধির নিয়মে ‘ড’ হয়ে যায়, তাই মূল শব্দ হিসেবে আমরা <strong>ষট্</strong>-কেই বেছে নিই।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আরবি ভাষা থেকে</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>‘লাপাত্তা’ শব্দটিতে ব্যবহৃত ‘লা’ একটি আরবি উপসর্গ, যার অর্থ হলো ‘না’ বা ‘অভাব’।</li>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি উপসর্গের মধ্যে ‘লা’ একটি অন্যতম আরবি উপসর্গ।</li>
<li>একইভাবে ‘লাজওয়াব’ বা ‘ওয়ারিশহীন’ শব্দের মতো আরও অনেক শব্দে এই উপসর্গের ব্যবহার দেখা যায়, যা সরাসরি আরবি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘লা’ উপসর্গ দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>আরবি</strong> দাগিয়ে দেওয়াটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
৬৯০৮
”মধুরচেয়ে আছে মধুর সে আমার এই দেশের মাটি আমার দেশের পথের ধুলা খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি” । কবিতার এই অংশবিশেষের রচিয়তা -
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong>। তিনি বাংলা সাহিত্যের 'ছন্দের জাদুকর' হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির নাম <strong>'আমার দেশ'</strong>।</li>
<li>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত তার ছন্দের কারুকাজ এবং দেশপ্রেমমূলক কবিতার জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই লাইনটি আসে, তাই কবির নাম মনে রাখতে <strong>'সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত'</strong> এবং <strong>'দেশের মাটি'</strong>—এই দুটি শব্দকে একসাথে মনে রাখার চেষ্টা করুন।</li>
</ul>
৬৯০৯
শব্দার্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমষ্টিকে ভাগ করা যায় -
<p>বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে গঠন বা উৎস অনুযায়ী নয়, বরং অর্থের দিক থেকে বিচার করলে এদের প্রধানত <strong>তিন ভাগে</strong> ভাগ করা যায়। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>যৌগিক শব্দ:</strong> যে সব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই। যেমন: গায়ক (গৈ + অক)।</li>
<li><strong>রূঢ়ি শব্দ:</strong> যে সব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। যেমন: হস্তী (হস্ত আছে যার)।</li>
<li><strong>যোগরূঢ় শব্দ:</strong> সমাসনিষ্পন্ন যে সব শব্দ সম্পূর্ণভাবে অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ করে। যেমন: পঙ্কজ (পঙ্কে জন্মে যা—অর্থাৎ পদ্মফুল)।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, অর্থের গভীরতা ও ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী এই তিনটি ভাগই বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাতিপদিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, কোনো শব্দের সাথে যখন কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না, তখন সেই মূল শব্দটিকে বলা হয় প্রাতিপদিক।</li>
<li>সহজ কথায়, বিভক্তিহীন নাম শব্দই হলো প্রাতিপদিক। যেমন: 'হাত', 'বই', বা 'কলম'—এগুলোর সাথে কোনো বিভক্তি নেই, তাই এগুলো সবই প্রাতিপদিক।</li>
<li>যখনই এই শব্দগুলোর সাথে বিভক্তি (যেমন: -এ, -কে, -এর) যুক্ত হয়, তখন সেটি আর প্রাতিপদিক থাকে না, বরং পদ হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সহজ কৌশল হলো: <strong>বিভক্তিহীন শব্দ = প্রাতিপদিক</strong>।</p>
<p>বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক হলো <strong>শব্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>আমরা যখন কথা বলি বা লিখি, তখন কতগুলো অর্থবোধক ধ্বনি বা বর্ণ মিলে তৈরি হয় একটি <strong>শব্দ</strong>।</li>
<li>এই শব্দগুলো যখন বাক্যের মধ্যে বসে এবং নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে মনের ভাব প্রকাশ করে, তখনই তা একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠন করে।</li>
<li>ভাষার বিচারে বাক্যের গঠনশৈলীতে শব্দই হলো সেই মৌলিক উপাদান, যা ছাড়া বাক্য তৈরি করা অসম্ভব।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাক্য তৈরির জন্য শব্দের ব্যবহারই হলো প্রাথমিক ধাপ, তাই ব্যাকরণ অনুযায়ী বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক হিসেবে <strong>শব্দ</strong>-কেই ধরা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উচ্চারণের সুবিধা</strong>।</p>
<p>সন্ধির মূল কাজ হলো পাশাপাশি থাকা দুটি ধ্বনিকে এক করে ফেলা। এর ফলে কথা বলার সময় বা পড়ার সময় জীবের ওপর চাপ কমে এবং উচ্চারণ অনেক সহজ ও সাবলীল হয়। তাই বাংলা ব্যাকরণে দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যে কথা বলার জন্য সন্ধির গুরুত্ব অপরিসীম।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমীচীন</strong>। কারণ বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী 'সমীচীন' শব্দটিতে প্রথমে 'স', এরপর ম-দীর্ঘীকার ($মী$) এবং চ-দীর্ঘীকার ($চী$) ও ণ ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ, এই শব্দের উভয় ই-কারই দীর্ঘ ই-কার ($ী$) হবে এবং শেষে মূর্ধন্য ণ ($ণ$) বসবে। এই নিয়মটি মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকে না।</p>
<p>কাজী ইমদাদুল হকের 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো <strong>তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র</strong>। এই উপন্যাসটি পড়ার সময় কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল চরিত্র আব্দুল্লাহর জীবনের মধ্য দিয়ে তৎকালীন রক্ষণশীল মুসলিম সমাজের নানা কুসংস্কার ও সীমাবদ্ধতা ফুটে উঠেছে।</li>
<li>লেখকের মূল লক্ষ্য ছিল সেই সময়ের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত মুসলিম পরিবারের টানাপোড়েন এবং তাদের মানসিক বিকাশের পথগুলো তুলে ধরা।</li>
<li>এটি কেবল একটি চরিত্র নয়, বরং পুরো সমাজের একটি দর্পণ, যেখানে মধ্যবিত্তের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও সামাজিক সংকটের বাস্তব প্রতিফলন ঘটেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আব্দুল্লাহ চরিত্রটি সেই সময়ের মুসলিম মধ্যবিত্তের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছে, তাই এই উপন্যাসের মূল ভিত্তি হলো ওই সময়ের সমাজচিত্র।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option D: Honesty is the best policy</strong>।</p>
<p>প্রবাদবাক্য বা চিরন্তন সত্য কোনো কথার ইংরেজি অনুবাদ করার সময় হুবহু শব্দার্থ না করে প্রচলিত সঠিক ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয়। 'সততা সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা'—এই বাংলা প্রবাদটির সর্বজনস্বীকৃত এবং সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হলো <strong>"Honesty is the best policy"</strong>। তাই এখানে অন্য কোনো অপশন না ভেবে সরাসরি এই প্রবাদটি মনে রাখলেই উত্তর করা সহজ হয়ে যায়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।