<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চিন্তাবিপ্লব</strong>। কারণটা খুব সহজ—ভারতবর্ষে ইসলাম ও সুফিমতের আগমনের ফলে এখানকার মানুষের জীবনদর্শন ও চিন্তাধারায় এক বিশাল পরিবর্তন এসেছিল।</p>
<ul>
<li>সুফি সাধকরা সাম্য, মৈত্রী এবং একত্ববাদের বাণী প্রচার করেছিলেন, যা তৎকালীন প্রচলিত কঠোর সমাজব্যবস্থাকে নাড়িয়ে দিয়েছিল।</li>
<li>মানুষের চিন্তার জগতে এই নতুন দৃষ্টিভঙ্গি যোগ হওয়ায় ধর্মীয় ও সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে এক ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ তৈরি হয়।</li>
<li>ইতিহাসে এই ব্যাপক পরিবর্তনকেই মূলত <strong>চিন্তাবিপ্লব</strong> হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়, কারণ এটি কোনো অস্ত্র বা রাষ্ট্রক্ষমতার পরিবর্তন ছিল না, বরং ছিল মানুষের মন ও চিন্তার আমূল রূপান্তর।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আবীরা</strong>। কারণ ‘আবীরা’ শব্দটি অগ্নি বা আগুনের কোনো সমার্থক শব্দ নয়। অন্যদিকে, অগ্নিকে বোঝাতে আমরা সাধারণত নিচের শব্দগুলো ব্যবহার করি:</p>
<ul>
<li><strong>বহ্নি:</strong> আগুনের একটি প্রচলিত নাম।</li>
<li><strong>বায়ুসখা:</strong> আগুন বাতাসের সাহায্য নিয়ে জ্বলে ওঠে বলে একে বায়ুর বন্ধু বা সখা বলা হয়।</li>
<li><strong>বৈশ্বানর:</strong> এটি আগুনের একটি পৌরাণিক ও কাব্যিক নাম।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অগ্নি বা আগুনের সমার্থক শব্দগুলো হলো বহ্নি, বায়ুসখা, বৈশ্বানর, অনল, পাবক ইত্যাদি। যেহেতু ‘আবীরা’ এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</p>
৬৮৫৮
‘দেশের যত নদীর ধারা জল না, ওরা অশ্রুধারা।’- ওই উক্তিটি নিচের কোন পারিভাষিক অলংকার দ্বারা শোভিত?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপহ্নুতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো বস্তুকে অন্য কিছু বলে অস্বীকার করা হয় এবং তার পরিবর্তে অন্য কোনো বস্তুকে সত্য বলে প্রতিষ্ঠা করা হয়, তখনই তাকে <strong>অপহ্নুতি অলংকার</strong> বলে।</li>
<li>উক্তিটিতে নদীর ধারাকে 'জল' হিসেবে স্বীকার না করে সরাসরি 'অশ্রুধারা' বলা হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, এখানে জলকে অস্বীকার করে অশ্রুধারাকে সত্য বলে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, তাই এটি স্পষ্টতই অপহ্নুতি অলংকারের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>‘যথারীতি’ শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয় ‘রীতিকে অতিক্রম না করে’ বা ‘যথা রীতি’।</li>
<li>যেসব সমাসে পূর্বপদে <strong>‘যথা’</strong> অব্যয় থাকে এবং পুরো শব্দটি একটি অব্যয়ের মতো কাজ করে, তাকেই অব্যয়ীভাব সমাস বলে।</li>
<li>এখানে ‘যথা’ উপসর্গ বা অব্যয়টি যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থকে নির্দিষ্ট করেছে, তাই এটি চোখ বন্ধ করে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৃন্ময়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো কিছু 'মৃত্তিকা' বা মাটি দিয়ে তৈরি বোঝাতে 'মৃৎ' শব্দের সাথে 'ময়' প্রত্যয় যুক্ত হয়।</p>
<ul>
<li>এখানে মূল শব্দটি হলো <strong>মৃৎ</strong> (মাটি)।</li>
<li>এর সাথে <strong>ময়</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সন্ধিজাত শব্দ হিসেবে তৈরি হয় <strong>মৃন্ময়</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, মাটির তৈরি যেকোনো কিছুকেই এক কথায় <strong>মৃন্ময়</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন দেখলে সরাসরি <strong>মৃন্ময়</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
৬৮৬১
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গোয়ালঘর থেকে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯০৯ সালে বসন্ত রঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির <strong>গোয়ালঘর</strong> থেকে এই পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক বিস্ময়কর ঘটনা, কারণ অবহেলার আড়ালে থাকা একটি গোয়ালঘর থেকেই মধ্যযুগের এই অমূল্য সম্পদটি খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখবেন, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি কোনো রাজদরবার বা পাঠশালা নয়, বরং একটি সাধারণ <strong>গোয়ালঘর</strong> থেকে আবিষ্কৃত হয়েছিল।</p>
৬৮৬২
‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে।’-এই মনোবাঞ্ছাটি কার?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরী পাটুনীর</strong>। অন্নদামঙ্গল কাব্যে ঈশ্বরী পাটুনী যখন দেবী অন্নপূর্ণার কাছে বর চাইলেন, তখন তিনি খুব সাধারণ কিন্তু গভীর একটি প্রার্থনা করেছিলেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>ঈশ্বরী পাটুনী ছিলেন একজন সাধারণ খেয়া পারাপারকারী।</li>
<li>তিনি দেবীর কাছে কোনো বিশাল ঐশ্বর্য বা রাজত্ব চাননি।</li>
<li>তিনি কেবল চেয়েছিলেন তার পরিবার যেন সারাজীবন খেয়ে-পরে সুখে-স্বাচ্ছন্দ্যে বেঁচে থাকে।</li>
<li>এই বিখ্যাত উক্তিটি মূলত তার সেই সাধারণ জীবনবোধ ও পারিবারিক ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কবিতার কথা</strong>। এখানে প্রশ্নটি একটু ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাই বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।</p>
<p>সহজ কথায় বিষয়টি হলো:</p>
<ul>
<li><strong>কবিতার কথা</strong> কোনো উপন্যাস নয়, এটি মূলত জীবনানন্দ দাশের লেখা একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ।</li>
<li>অন্যদিকে, বাকি তিনটি অপশনই বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার হলে মনে রাখার সহজ উপায় হলো, যখনই কোনো বইয়ের নামের সাথে 'কবিতা' শব্দটি থাকবে, তখনই সতর্ক হতে হবে। যেমন, <strong>শেষের কবিতা</strong> রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস হলেও, <strong>কবিতার কথা</strong> কিন্তু প্রবন্ধ। তাই নাম দেখে উপন্যাস মনে হলেও বিষয়বস্তুর দিকে খেয়াল রাখলেই উত্তরটি সহজে বের করা যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৃণালিনী</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক উপন্যাস ‘মৃণালিনী’-র অন্যতম প্রধান নারী চরিত্র হলো মনোরমা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট হলো তুর্কি আক্রমণ এবং তৎকালীন বাংলার পরিস্থিতি।</li>
<li>মনোরমা চরিত্রটি এই উপন্যাসের রহস্যময়তা এবং ঘটনার মোড় ঘোরানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</li>
<li>বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাসের চরিত্রের সাথে গুলিয়ে না ফেলে, মনে রাখুন যে মনোরমা এবং মৃণালিনী একই উপন্যাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ।</li>
</ul>
৬৮৬৫
‘ব্যক্ত প্রেম’ ও ‘গুপ্ত প্রেম’ কবিতা দুটি রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মানসী</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>মানসী</strong> একটি মাইলফলক, যেখানে তিনি ব্যক্তিগত অনুভূতির প্রকাশ ঘটিয়েছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের কাব্যজীবনের প্রথম দিকের রোমান্টিক ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো <strong>মানসী</strong>।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থের মূল সুরই হলো প্রেম, সৌন্দর্য এবং মানসলোকের কল্পনা।</li>
<li>‘ব্যক্ত প্রেম’ ও ‘গুপ্ত প্রেম’ কবিতা দুটি এই কাব্যগ্রন্থের প্রেমের কবিতার ধারায় এক অনন্য সংযোজন, যা কবির ব্যক্তিগত আবেগ ও অনুভূতির গভীরতাকে ফুটিয়ে তোলে।</li>
</ul>
৬৮৬৬
‘সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’-কার রচিত পঙ ক্তি-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কামিনী রায়</strong>। এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তাঁর <strong>'পরার্থপরতা'</strong> কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল বিষয় হলো মানুষের জন্য মানুষের ভালোবাসা ও সহমর্মিতা।</li>
<li>কামিনী রায়ের সাহিত্যকর্মে মানবিকতা ও পরোপকারের বিষয়টি খুব স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে, যা এই পঙক্তিটির সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ কামিনী রায়ের এই লাইনটি আজও আমাদের একে অপরের পাশে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করে।</li>
</ul>
৬৮৬৭
‘খোকা’ ও ‘রঞ্জু’ মাহমুদুল হক-এর কোন উপন্যাসের চরিত্র?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবন আমার বোন</strong>। মাহমুদুল হকের এই বিখ্যাত উপন্যাসটি মূলত ১৯৭১ সালের উত্তাল মার্চ মাসের প্রেক্ষাপটে লেখা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল চরিত্র হলো <strong>খোকা</strong>, যে একজন অস্থির ও সংবেদনশীল তরুণ।</li>
<li><strong>রঞ্জু</strong> হলো খোকার বোন, যার নামানুসারেই উপন্যাসের নামকরণ করা হয়েছে।</li>
<li>পুরো গল্পটি আবর্তিত হয়েছে খোকার মানসিক দোদুল্যমানতা এবং সেই সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখা খুব সহজ—যখনই মাহমুদুল হকের উপন্যাসে 'খোকা' চরিত্রের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>জীবন আমার বোন</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীনতম মুসলমান কবি হিসেবে <strong>শাহ্ মুহাম্মাদ সগীর</strong>-কে গণ্য করা হয়। তিনি সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকালে (১৩৮৯-১৪১০ খ্রিষ্টাব্দ) তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'ইউসুফ-জুলেখা'</strong> রচনা করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> তিনি চতুর্দশ শতাব্দীর শেষভাগের কবি, যা তাঁকে বাংলা সাহিত্যের আদি ধারার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব করে তুলেছে।</li>
<li><strong>অবদান:</strong> তাঁর 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্যটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানগুলোর মধ্যে অন্যতম, যা বাংলা সাহিত্যের বিকাশে মাইলফলক হিসেবে কাজ করেছে।</li>
</ul>
<p>তাই, প্রাচীনতম বাঙ্গালী মুসলমান কবি হিসেবে তাঁর নামই সবার আগে আসে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।