<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফকির গরীবুল্লাহ</strong>। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে ইসলামি ধারার কাব্যচর্চায় তিনি একজন অত্যন্ত পরিচিত নাম।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>‘আমীর হামজা’ কাব্যটি মূলত ফারসি কাব্য অবলম্বনে রচিত একটি জনপ্রিয় আখ্যান।</li>
<li>ফকির গরীবুল্লাহ এই কাব্যটি রচনা করেন এবং পরবর্তীতে সৈয়দ হামজা এর অসমাপ্ত অংশ সম্পন্ন করেন।</li>
<li>পরীক্ষায় যখনই ‘আমীর হামজা’ কাব্যের রচয়িতা জানতে চাওয়া হয়, তখন মূল রচয়িতা হিসেবে <strong>ফকির গরীবুল্লাহ</strong>-এর নামই প্রধানত গৃহীত হয়।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষার আদি স্তরের সঠিক সময়কাল হলো <strong>দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী</strong>। এই সময়কালটি মূলত বাংলা ভাষার জন্মলগ্ন এবং এর প্রাথমিক বিকাশের যুগ হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li><strong>দশম শতাব্দী:</strong> এই সময় থেকেই বাংলা ভাষার স্বতন্ত্র অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়, যার সবচেয়ে বড় নিদর্শন হলো 'চর্যাপদ'।</li>
<li><strong>চতুর্দশ শতাব্দী:</strong> এই সময় পর্যন্ত বাংলা ভাষা তার আদি রূপ ধরে রেখেছিল। এরপর পঞ্চদশ শতাব্দী থেকে বাংলা ভাষা মধ্যযুগের ধারায় প্রবেশ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার ইতিহাসের শুরুর এই সময়টুকু (দশম-চতুর্দশ শতাব্দী) মূলত প্রাচীন বাংলা বা আদি স্তরের সময় হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<p>যৌগিক বাক্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্যকে কোনো অব্যয় বা যোজক দিয়ে জুড়ে তৈরি করা হয়। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন</strong>, কারণ বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>যৌগিক বাক্যে দুটি বা তার বেশি <strong>সরল বাক্য</strong> পাশাপাশি বসে।</li>
<li>এই বাক্যগুলোকে যুক্ত করার জন্য সাধারণত 'ও', 'এবং', 'আর', 'অথবা', 'কিন্তু' ইত্যাদি অব্যয় ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, দুটি আলাদা সরল বাক্য যখন একটি যোজক দিয়ে মিলে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করে, তখনই তাকে আমরা যৌগিক বাক্য বলি।</li>
</ul>
<p>উদাহরণস্বরূপ, "সে বাজারে গেল এবং মাছ কিনল" — এখানে "সে বাজারে গেল" এবং "মাছ কিনল" দুটিই সরল বাক্য, যা 'এবং' অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়ে একটি যৌগিক বাক্য তৈরি করেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চির অশান্তি</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, রাবণের চিতা বা তার দাহকার্য কখনোই পুরোপুরি শেষ হয়নি বলে ধরা হয়।</li>
<li>এই ধারণা থেকেই 'রাবণের চিতা' বাগধারাটি এমন কোনো পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা কখনোই শেষ হয় না বা যা সবসময় অশান্তি বয়ে আনে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে অশান্তি বা যন্ত্রণা কোনোভাবেই মেটে না, তাকেই আমরা <strong>চির অশান্তি</strong> বা 'রাবণের চিতা' বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আট কপালে</strong>। প্রবাদ বা বাগধারার ক্ষেত্রে 'আট কপালে' শব্দটির অর্থ হলো যার ভাগ্য খুব খারাপ বা যে ব্যক্তি হতভাগ্য।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>আট কপালে:</strong> এটি সাধারণত এমন কাউকে বোঝায় যার কপাল বা ভাগ্য সবসময় খারাপ থাকে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে ব্যক্তি সব কাজে ব্যর্থ হয় বা যার ভাগ্যে কোনো সুখ নেই, তাকেই আমরা চলতি ভাষায় 'আট কপালে' বলে থাকি।</li>
</ul>
৬৮৯১
‘বউ কথা কও, বউ কথা কও, কও কথা অভিমানী, সেধে সেধে কেঁদে কেঁদে, যাবে কত যামিনী’- এই কবিতাংশটুকুর কবি কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের <strong>'বউ কথা কও'</strong> কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতাটি মূলত কবির প্রকৃতিপ্রেম এবং রোমান্টিক ভাবনার এক অনন্য প্রকাশ। মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির নাম এবং পঙ্ক্তিটি নজরুল ইসলামের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সৃষ্টি।</li>
<li>এটি তার <strong>'দোলনচাঁপা'</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে, তাই কবির এই বিশেষ কাব্যশৈলী বা শব্দচয়ন মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তরটি চিহ্নিত করা যায়।</li>
</ul>
৬৮৯২
যার কোন মূল্য নেই,তাকে বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করলে কোনটা হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢাকের বাঁয়া</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>ঢাক বাজানোর সময় মূল শব্দ বা তাল আসে ডান দিকের অংশ থেকে।</li>
<li>বাম দিকের অংশটি বা 'ঢাকের বাঁয়া' মূলত কোনো শব্দ তৈরি করে না বা এর কোনো বিশেষ কার্যকারিতা নেই।</li>
<li>তাই কোনো কিছুর গুরুত্ব বা মূল্যহীনতা বোঝাতে আমরা বাগধারা হিসেবে <strong>ঢাকের বাঁয়া</strong> ব্যবহার করি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বিশেষণ বলতে আমরা বুঝি এমন শব্দ যা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।</p>
<ul>
<li><strong>জীবনী</strong> শব্দটি মূলত 'জীবন' বিশেষ্য থেকে তৈরি একটি বিশেষণ পদ, যা কোনো ব্যক্তির জীবনবৃত্তান্ত বা জীবনসংক্রান্ত বিষয়কে নির্দেশ করে।</li>
<li>বাক্যে যখন আমরা বলি 'জীবনীমূলক গ্রন্থ', তখন 'জীবনী' শব্দটি বিশেষ্য বা অন্য কোনো পদের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে, তাই এটি একটি বিশেষণ।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো (জীবন, জীবিকা, জীবাণু) মূলত বিশেষ্য পদ, যা কোনো কিছুর নাম বোঝায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুর বৈশিষ্ট্য বোঝাতে আমরা যখন বিশেষ্য থেকে বিশেষণ তৈরি করি, তখন 'জীবন' থেকে 'জীবনী' রূপটিই বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক</strong> বা বর্ণ হলো মূলত <strong>ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>আমরা যখন কথা বলি, তখন মুখ দিয়ে যে আওয়াজ বের হয় তা হলো <strong>ধ্বনি</strong>।</li>
<li>এই ধ্বনিকে যখন আমরা লিখে প্রকাশ করি বা চোখের সামনে কোনো চিহ্নের মাধ্যমে দেখি, তখন সেটিই হয়ে যায় <strong>বর্ণ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, ধ্বনি হলো কানে শোনার বিষয়, আর সেই শোনার বিষয়টিকে যখন আমরা কোনো প্রতীকের মাধ্যমে রূপ দিই, তখনই তা হয়ে ওঠে <strong>শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই ধ্বনিকে চেনার বা বোঝার জন্য আমরা যে প্রতীক ব্যবহার করি, তা-ই ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের সঠিক জীবনকাল হলো <strong>১৯০৩-১৯৭৬</strong> সাল। এটি মনে রাখার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>তার মৃত্যু হয় ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ ঢাকায়।</li>
</ul>
<p>সাহিত্যিকদের জন্ম ও মৃত্যুসাল মনে রাখার জন্য তাদের বিখ্যাত কোনো কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল বা বিশেষ কোনো ঘটনার সাথে মিলিয়ে নিলে বিষয়টি দীর্ঘস্থায়ীভাবে মনে থাকে। জসীমউদ্দীনের ক্ষেত্রে এই <strong>১৯০৩</strong> এবং <strong>১৯৭৬</strong> সংখ্যা দুটি বারবার চর্চা করলে সহজেই আয়ত্তে চলে আসবে।</p>
৬৮৯৬
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতায় কবির উপলব্ধি হচ্ছে-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভবিষ্যত বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময়</strong>।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতাটি মূলত কবির মনের এক নতুন জাগরণের বহিঃপ্রকাশ। এখানে কবির উপলব্ধিগুলো খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>কবিতার মূল সুর হলো জড়তা ভেঙে অজানাকে জানার প্রবল আকাঙ্ক্ষা।</li>
<li>কবি অনুভব করেছেন যে, তার চারপাশের জগত এবং সামনের দিনগুলো অসীম সম্ভাবনায় ভরা।</li>
<li>পুরানো গণ্ডি পেরিয়ে তিনি যখন মুক্তির স্বাদ পেলেন, তখন তার কাছে মনে হলো সামনের <strong>ভবিষ্যত বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময়</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কবির ভেতরের সুপ্ত প্রতিভা যখন জেগে উঠল, তখন তিনি বুঝতে পারলেন যে তার সামনে পড়ে আছে এক বিশাল পৃথিবী, যেখানে নতুন কিছু করার সুযোগ অফুরন্ত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার একটি কৌশল আছে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসে একই বিশেষ্য পদের পারস্পরিক ক্রিয়া বা কাজ বোঝায়, তখন তাকে ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।</li>
<li>এখানে 'লাঠালাঠি' বলতে বোঝায়—লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ বা লড়াই।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো কাজের মধ্যে পারস্পরিক আদান-প্রদান বা সংঘর্ষ থাকে, তখনই সেটি ব্যাতিহার বহুব্রীহি হয়।</li>
</ul>
<p>যেমন: হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি, তেমনি লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই = লাঠালাঠি। তাই এটি চোখ বন্ধ করে ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাস!</p>
<p>অক্ষির সমীপে—এর সঠিক সংক্ষেপণ হলো <strong>সমক্ষ</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো কিছু চোখের সামনে বা চোখের কাছাকাছি থাকে, তখন তাকে এক কথায় 'সমক্ষ' বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>অক্ষি</strong> মানে হলো চোখ।</li>
<li><strong>সমীপে</strong> মানে হলো কাছে বা সামনে।</li>
<li>তাই চোখের সামনে বা অক্ষির সমীপে যা, তা-ই হলো <strong>সমক্ষ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চোখের সামনে কোনো কিছু উপস্থিত থাকলে আমরা তাকে সমক্ষ বলি। বিষয়টি মনে রাখার জন্য 'সম' (সামনে) এবং 'অক্ষ' (চোখ)—এই দুটি শব্দের যোগফল খেয়াল রাখলেই চলবে।</p>
<p>উপসর্গ এবং প্রত্যয়ের মূল পার্থক্যটা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়। এদের কাজ মূলত শব্দ গঠন করা হলেও এদের অবস্থানের দিক থেকে আকাশ-পাতাল তফাত রয়েছে:</p>
<ul>
<li><strong>উপসর্গ:</strong> এটি সবসময় শব্দের <strong>সামনে</strong> বা শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। যেমন: 'হার' শব্দের আগে 'প্র' যোগ করলে হয় 'প্রহার'।</li>
<li><strong>প্রত্যয়:</strong> এটি সবসময় শব্দের <strong>পেছনে</strong> বা শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। যেমন: 'চল' শব্দের সাথে 'অন্ত' যোগ করলে হয় 'চলন্ত'।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে বসলে তা উপসর্গ আর শেষে বসলে তা প্রত্যয়—এই ছোট ট্রিকটি মনে রাখলেই আর কখনো ভুল হবে না!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।