eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৬৮৮৬

‘আমীর হামজা’ কাব্য রচনা করেন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ফকির গরীবুল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফকির গরীবুল্লাহ</strong>। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে ইসলামি ধারার কাব্যচর্চায় তিনি একজন অত্যন্ত পরিচিত নাম।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>‘আমীর হামজা’ কাব্যটি মূলত ফারসি কাব্য অবলম্বনে রচিত একটি জনপ্রিয় আখ্যান।</li>
<li>ফকির গরীবুল্লাহ এই কাব্যটি রচনা করেন এবং পরবর্তীতে সৈয়দ হামজা এর অসমাপ্ত অংশ সম্পন্ন করেন।</li>
<li>পরীক্ষায় যখনই ‘আমীর হামজা’ কাব্যের রচয়িতা জানতে চাওয়া হয়, তখন মূল রচয়িতা হিসেবে <strong>ফকির গরীবুল্লাহ</strong>-এর নামই প্রধানত গৃহীত হয়।</li>
</ul>
৬৮৮৭

বাংলা ভাষার আদি স্তরের স্হিতিকাল কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার আদি স্তরের সঠিক সময়কাল হলো <strong>দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী</strong>। এই সময়কালটি মূলত বাংলা ভাষার জন্মলগ্ন এবং এর প্রাথমিক বিকাশের যুগ হিসেবে পরিচিত।</p>

<ul>
<li><strong>দশম শতাব্দী:</strong> এই সময় থেকেই বাংলা ভাষার স্বতন্ত্র অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়, যার সবচেয়ে বড় নিদর্শন হলো 'চর্যাপদ'।</li>
<li><strong>চতুর্দশ শতাব্দী:</strong> এই সময় পর্যন্ত বাংলা ভাষা তার আদি রূপ ধরে রেখেছিল। এরপর পঞ্চদশ শতাব্দী থেকে বাংলা ভাষা মধ্যযুগের ধারায় প্রবেশ করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার ইতিহাসের শুরুর এই সময়টুকু (দশম-চতুর্দশ শতাব্দী) মূলত প্রাচীন বাংলা বা আদি স্তরের সময় হিসেবে স্বীকৃত।</p>
৬৮৮৮

যৌগিক বাক্যের অন্যতম গুণ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন
ব্যাখ্যা:
<p>যৌগিক বাক্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্যকে কোনো অব্যয় বা যোজক দিয়ে জুড়ে তৈরি করা হয়। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন</strong>, কারণ বিষয়টি খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>যৌগিক বাক্যে দুটি বা তার বেশি <strong>সরল বাক্য</strong> পাশাপাশি বসে।</li>
<li>এই বাক্যগুলোকে যুক্ত করার জন্য সাধারণত 'ও', 'এবং', 'আর', 'অথবা', 'কিন্তু' ইত্যাদি অব্যয় ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, দুটি আলাদা সরল বাক্য যখন একটি যোজক দিয়ে মিলে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশ করে, তখনই তাকে আমরা যৌগিক বাক্য বলি।</li>
</ul>

<p>উদাহরণস্বরূপ, "সে বাজারে গেল এবং মাছ কিনল" — এখানে "সে বাজারে গেল" এবং "মাছ কিনল" দুটিই সরল বাক্য, যা 'এবং' অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়ে একটি যৌগিক বাক্য তৈরি করেছে।</p>
৬৮৮৯

‘রাবণের চিতা’ বাগধারা টির অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চির অশান্তি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চির অশান্তি</strong>।</p>

<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, রাবণের চিতা বা তার দাহকার্য কখনোই পুরোপুরি শেষ হয়নি বলে ধরা হয়।</li>
<li>এই ধারণা থেকেই 'রাবণের চিতা' বাগধারাটি এমন কোনো পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা কখনোই শেষ হয় না বা যা সবসময় অশান্তি বয়ে আনে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে অশান্তি বা যন্ত্রণা কোনোভাবেই মেটে না, তাকেই আমরা <strong>চির অশান্তি</strong> বা 'রাবণের চিতা' বলে থাকি।</li>
</ul>
৬৮৯০

কোন প্রবচনটি ‘হতভাগ্য’ অর্থে ব্যবহৃত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আট কপালে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আট কপালে</strong>। প্রবাদ বা বাগধারার ক্ষেত্রে 'আট কপালে' শব্দটির অর্থ হলো যার ভাগ্য খুব খারাপ বা যে ব্যক্তি হতভাগ্য।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>আট কপালে:</strong> এটি সাধারণত এমন কাউকে বোঝায় যার কপাল বা ভাগ্য সবসময় খারাপ থাকে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে ব্যক্তি সব কাজে ব্যর্থ হয় বা যার ভাগ্যে কোনো সুখ নেই, তাকেই আমরা চলতি ভাষায় 'আট কপালে' বলে থাকি।</li>
</ul>
৬৮৯১

‘বউ কথা কও, বউ কথা কও, কও কথা অভিমানী, সেধে সেধে কেঁদে কেঁদে, যাবে কত যামিনী’- এই কবিতাংশটুকুর কবি কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>

<p>এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের <strong>'বউ কথা কও'</strong> কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতাটি মূলত কবির প্রকৃতিপ্রেম এবং রোমান্টিক ভাবনার এক অনন্য প্রকাশ। মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>

<ul>
<li>কবিতাটির নাম এবং পঙ্‌ক্তিটি নজরুল ইসলামের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সৃষ্টি।</li>
<li>এটি তার <strong>'দোলনচাঁপা'</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে, তাই কবির এই বিশেষ কাব্যশৈলী বা শব্দচয়ন মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তরটি চিহ্নিত করা যায়।</li>
</ul>
৬৮৯২

যার কোন মূল্য নেই,তাকে বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করলে কোনটা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঢাকের বাঁয়া
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢাকের বাঁয়া</strong>।</p>

<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>ঢাক বাজানোর সময় মূল শব্দ বা তাল আসে ডান দিকের অংশ থেকে।</li>
<li>বাম দিকের অংশটি বা 'ঢাকের বাঁয়া' মূলত কোনো শব্দ তৈরি করে না বা এর কোনো বিশেষ কার্যকারিতা নেই।</li>
<li>তাই কোনো কিছুর গুরুত্ব বা মূল্যহীনতা বোঝাতে আমরা বাগধারা হিসেবে <strong>ঢাকের বাঁয়া</strong> ব্যবহার করি।</li>
</ul>
৬৮৯৩

কোনটি বিশেষণ বাক্যের শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জীবনী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বিশেষণ বলতে আমরা বুঝি এমন শব্দ যা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।</p>

<ul>
<li><strong>জীবনী</strong> শব্দটি মূলত 'জীবন' বিশেষ্য থেকে তৈরি একটি বিশেষণ পদ, যা কোনো ব্যক্তির জীবনবৃত্তান্ত বা জীবনসংক্রান্ত বিষয়কে নির্দেশ করে।</li>
<li>বাক্যে যখন আমরা বলি 'জীবনীমূলক গ্রন্থ', তখন 'জীবনী' শব্দটি বিশেষ্য বা অন্য কোনো পদের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে, তাই এটি একটি বিশেষণ।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো (জীবন, জীবিকা, জীবাণু) মূলত বিশেষ্য পদ, যা কোনো কিছুর নাম বোঝায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুর বৈশিষ্ট্য বোঝাতে আমরা যখন বিশেষ্য থেকে বিশেষণ তৈরি করি, তখন 'জীবন' থেকে 'জীবনী' রূপটিই বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
৬৮৯৪

ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক</strong> বা বর্ণ হলো মূলত <strong>ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>আমরা যখন কথা বলি, তখন মুখ দিয়ে যে আওয়াজ বের হয় তা হলো <strong>ধ্বনি</strong>।</li>
<li>এই ধ্বনিকে যখন আমরা লিখে প্রকাশ করি বা চোখের সামনে কোনো চিহ্নের মাধ্যমে দেখি, তখন সেটিই হয়ে যায় <strong>বর্ণ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, ধ্বনি হলো কানে শোনার বিষয়, আর সেই শোনার বিষয়টিকে যখন আমরা কোনো প্রতীকের মাধ্যমে রূপ দিই, তখনই তা হয়ে ওঠে <strong>শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ</strong>।</li>
</ul>

<p>তাই ধ্বনিকে চেনার বা বোঝার জন্য আমরা যে প্রতীক ব্যবহার করি, তা-ই ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ হিসেবে পরিচিত।</p>
৬৮৯৫

কবি জসীমউদ্দীনের জীবনকাল কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৯০৩-১৯৭৬ ইং
ব্যাখ্যা:
<p>পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের সঠিক জীবনকাল হলো <strong>১৯০৩-১৯৭৬</strong> সাল। এটি মনে রাখার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>তার মৃত্যু হয় ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ ঢাকায়।</li>
</ul>

<p>সাহিত্যিকদের জন্ম ও মৃত্যুসাল মনে রাখার জন্য তাদের বিখ্যাত কোনো কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল বা বিশেষ কোনো ঘটনার সাথে মিলিয়ে নিলে বিষয়টি দীর্ঘস্থায়ীভাবে মনে থাকে। জসীমউদ্দীনের ক্ষেত্রে এই <strong>১৯০৩</strong> এবং <strong>১৯৭৬</strong> সংখ্যা দুটি বারবার চর্চা করলে সহজেই আয়ত্তে চলে আসবে।</p>
৬৮৯৬

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতায় কবির উপলব্ধি হচ্ছে-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যত বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভবিষ্যত বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময়</strong>।</p>

<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতাটি মূলত কবির মনের এক নতুন জাগরণের বহিঃপ্রকাশ। এখানে কবির উপলব্ধিগুলো খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>কবিতার মূল সুর হলো জড়তা ভেঙে অজানাকে জানার প্রবল আকাঙ্ক্ষা।</li>
<li>কবি অনুভব করেছেন যে, তার চারপাশের জগত এবং সামনের দিনগুলো অসীম সম্ভাবনায় ভরা।</li>
<li>পুরানো গণ্ডি পেরিয়ে তিনি যখন মুক্তির স্বাদ পেলেন, তখন তার কাছে মনে হলো সামনের <strong>ভবিষ্যত বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময়</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কবির ভেতরের সুপ্ত প্রতিভা যখন জেগে উঠল, তখন তিনি বুঝতে পারলেন যে তার সামনে পড়ে আছে এক বিশাল পৃথিবী, যেখানে নতুন কিছু করার সুযোগ অফুরন্ত।</p>
৬৮৯৭

জাতিবাচক বিশেষ্যের দৃষ্টান্ত-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নদী
৬৮৯৮

'লাঠালাঠি'- এটি কোন সমাস ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ব্যাতিহার বহূব্রীহি সমাস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার একটি কৌশল আছে:</p>

<ul>
<li>যখন কোনো সমাসে একই বিশেষ্য পদের পারস্পরিক ক্রিয়া বা কাজ বোঝায়, তখন তাকে ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।</li>
<li>এখানে 'লাঠালাঠি' বলতে বোঝায়—লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ বা লড়াই।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো কাজের মধ্যে পারস্পরিক আদান-প্রদান বা সংঘর্ষ থাকে, তখনই সেটি ব্যাতিহার বহুব্রীহি হয়।</li>
</ul>

<p>যেমন: হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি, তেমনি লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই = লাঠালাঠি। তাই এটি চোখ বন্ধ করে ব্যাতিহার বহুব্রীহি সমাস!</p>
৬৮৯৯

অক্ষির সমীপে- এর সংক্ষেপণ হল-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সমক্ষ
ব্যাখ্যা:
<p>অক্ষির সমীপে—এর সঠিক সংক্ষেপণ হলো <strong>সমক্ষ</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো কিছু চোখের সামনে বা চোখের কাছাকাছি থাকে, তখন তাকে এক কথায় 'সমক্ষ' বলা হয়।</p>

<ul>
<li><strong>অক্ষি</strong> মানে হলো চোখ।</li>
<li><strong>সমীপে</strong> মানে হলো কাছে বা সামনে।</li>
<li>তাই চোখের সামনে বা অক্ষির সমীপে যা, তা-ই হলো <strong>সমক্ষ</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চোখের সামনে কোনো কিছু উপস্থিত থাকলে আমরা তাকে সমক্ষ বলি। বিষয়টি মনে রাখার জন্য 'সম' (সামনে) এবং 'অক্ষ' (চোখ)—এই দুটি শব্দের যোগফল খেয়াল রাখলেই চলবে।</p>
৬৯০০

উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের পার্থক্য-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যায় থাকে পেছনে
ব্যাখ্যা:
<p>উপসর্গ এবং প্রত্যয়ের মূল পার্থক্যটা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়। এদের কাজ মূলত শব্দ গঠন করা হলেও এদের অবস্থানের দিক থেকে আকাশ-পাতাল তফাত রয়েছে:</p>

<ul>
<li><strong>উপসর্গ:</strong> এটি সবসময় শব্দের <strong>সামনে</strong> বা শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। যেমন: 'হার' শব্দের আগে 'প্র' যোগ করলে হয় 'প্রহার'।</li>
<li><strong>প্রত্যয়:</strong> এটি সবসময় শব্দের <strong>পেছনে</strong> বা শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে। যেমন: 'চল' শব্দের সাথে 'অন্ত' যোগ করলে হয় 'চলন্ত'।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে বসলে তা উপসর্গ আর শেষে বসলে তা প্রত্যয়—এই ছোট ট্রিকটি মনে রাখলেই আর কখনো ভুল হবে না!</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।