<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধু রীতি</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, বাংলা ভাষার সাধু রীতিতে তৎসম অর্থাৎ সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয়। এই রীতিতে ভাষার রূপটা একটু গম্ভীর, তৎসম শব্দবহুল এবং তৎসম পদের গঠন ও অনুসর্গের ব্যবহার বেশি দেখা যায়, যা একে কথ্য ভাষা থেকে আলাদা করে তোলে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: সাত সাগর এর মাঝি</strong>।</p>
<p>কবি ফররুখ আহমদের সবচেয়ে বিখ্যাত এবং শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ হলো 'সাত সাগরের মাঝি'। এই কাব্যগ্রন্থে তার অসাধারণ ইসলামিক স্বত্বা, ঐতিহ্য এবং রেনেসাঁর ভাবধারা ফুটে উঠেছে, যা বাংলা সাহিত্যে তাকে অমর করে রেখেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো, তাঁর জনপ্রিয় ভ্রমণকাহিনী ও রম্যরচনায় বিভিন্ন চমৎকার চরিত্রের দেখা মেলে; যার মধ্যে 'চাচা' চরিত্রটি এবং এই বিখ্যাত কাহিনীটি তাঁরই সৃষ্টি। তাঁর লেখালেখির মুন্সিয়ানা ও রসাত্মক ভাষার মাধ্যমেই এটি খুব সহজে চিনে নেওয়া যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বেগম রোকেয়া</strong>। কারণ তিনিই আমাদের সমাজে মুসলিম নারীদের শিক্ষা, অধিকার ও মুক্তির আন্দোলন সবার আগে শুরু করেছিলেন। তাঁকে বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত ও রূপকার বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বডু চণ্ডিদাস</strong>। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অমূল্য নিদর্শন 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটির একমাত্র আবিষ্কারক ও রচয়িতা হলেন এই আদি কবি। বাংলার প্রাচীনতম নিদর্শনগুলোর মধ্যে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং এর ভণিতায় 'বডু চণ্ডিদাস' নামটি পাওয়া যায় বলেই একে তাঁর রচনা হিসেবে নিশ্চিত করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ</strong>।</p>
<p>মনোযোগ দিয়ে মনে রাখার শর্টকাট কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li>পর্তুগিজ মিশনারি মানোএল দা আস্সুম্পসাঁও বাংলা গদ্য ও কথ্যভাষার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।</li>
<li>তার রচিত <strong>'কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ'</strong> (এবং 'ব্রেহ্ম্ত্ত্ব পর্তুগিজ ও বাংলা ছাঁদে') গ্রন্থটিই মূলত বাংলা কথ্যভাষার আদি মুদ্রিত গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>খ্রিস্টধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে গুরুত্ব দিয়ে এই গ্রন্থগুলো রচনা করা হয়েছিল, যা বাংলা কথ্যভাষার ইতিহাসে প্রথম দলিল।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফতেহাবাদ পরগনা</strong>। কারণ সপ্তদশ শতকের এই মহামহিম কবি চট্টগ্রামের ফতেহাবাদ পরগনার জালালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি আরাকান রাজসভায় খ্যাতি অর্জন করলেও তাঁর জন্মস্থান নিয়ে এই ঐতিহাসিক তথ্যটিই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও পরীক্ষামূলকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রলয়োল্লাস</strong>। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে। এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের একদম প্রথম বা সূচনা কবিতা হলো 'প্রলয়োল্লাস'। কবিতাটিতে ধ্বংসের মাঝে নতুন সৃষ্টির কেতন ও মুক্তির আনন্দবার্তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা খুব সহজেই মনে রাখা যায়।</p>
৭০৫৯
বাংলা সাহিত্যে কথ্যরীতি প্রচলনে কোন পত্রিকার অবদান বেশি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সবুজপত্র</strong>। কারণ বাংলা সাহিত্যে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকার হাত ধরেই মূলত চলিত বা কথ্যরীতির সার্থক প্রচলন ও বিস্তার ঘটেছিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: জন+এক</strong>। কারণ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী 'অ' বা 'আ'-এর পরে 'এ' বা 'ঐ' থাকলে উভয় মিলে 'ঐ' কার ($\text{ৈ}$) হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়।</p>
<ul>
<li>শব্দটির শুরুতে রয়েছে 'জন' (যার শেষে অদৃশ্য একটি 'অ' আছে)।</li>
<li>তার সাথে যুক্ত হয়েছে 'এক' (যার শুরুতে 'এ' রয়েছে)।</li>
<li>নিয়ম মেনে 'অ' + 'এ' মিলে তৈরি হয়েছে 'ঐ' (নৈ), ফলে 'জন + এক' মিলে খুব সহজে তৈরি হয় <strong>'জনৈক'</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও যোগ্যতা</strong>। কারণ একটি সার্থক বাক্য তৈরি হতে হলে এই তিনটি গুণের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।</p>
<ul>
<li><strong>আকাঙ্ক্ষা:</strong> বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা, তাই আকাঙ্ক্ষা।</li>
<li><strong>আসক্তি:</strong> বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষা করার জন্য সুবিন্যস্ত পদগুলোকে সঠিকভাবে সাজিয়ে লেখাকে আসক্তি বা নৈকট্য বলে।</li>
<li><strong>যোগ্যতা:</strong> বাক্যের পদগুলোর অর্থের সাথে মিল বা ভাবের সংগতি থাকাই হলো যোগ্যতা।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারো—নাম শুনেই বোঝা যায় 'একাত্তরের চিঠি' মানে একাত্তরের দিনগুলোতে রণাঙ্গনে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লেখা চিঠিপত্রগুলোর একটি সংকলন বা সংগ্রহ। এই বইটিতে আমাদের সাহসী মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে তাদের পরিবার বা প্রিয়জনদের কাছে যেসব চিঠি পাঠিয়েছিলেন, সেগুলোর এক অপূর্ব ও ঐতিহাসিক দলিল তুলে ধরা হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: ১৯৫৫ খ্রি.</strong>। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে নিয়ে গবেষণা, চর্চা এবং এর সঠিক বিকাশের উদ্দেশ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয়েছিল। সালটি মনে রাখার জন্য এভাবে ভাবতে পারেন যে, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঠিক তিন বছর পর অর্থাৎ <strong>১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর</strong> আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলা একাডেমীর যাত্রা শুরু হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। কারণ বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সফল প্রবর্তন করেন।</p>
<ul>
<li>তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের অনুসরণে বাংলায় সনেট লেখার প্রচলন করেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত সনেট সংকলন হলো <strong>'চতুর্দশপদী কবিতাবলী'</strong>।</li>
</ul>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবেন, বাংলা সনেটের জনক বললেই সবার আগে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম আসবে!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মাত্রাবৃত্ত</strong> ছন্দ। কারণ, চর্যাপদের পদগুলো মূলত মাত্রাবৃত্ত ছন্দের নিয়মে রচিত, যা বাংলা কবিতার আদি রূপ হিসেবে পরিচিত। এই ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর ধ্বনি বা মাত্রা গণনা করে ছন্দ মেলানো, যেখানে প্রতিটি চরণে নির্দিষ্ট মাত্রার বিন্যাস থাকে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।