<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>একই স্বভাবের লোক</strong>।</p>
<p>‘ঝাঁকের কৈ’ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো একই ঝাঁকে বা দলে চলা কৈ মাছ। রূপক অর্থে এর দ্বারা এমন একদল মানুষকে বোঝানো হয়, যাদের সবার স্বভাব, চরিত্র বা পছন্দ একরকম হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুই প্রকার</strong>। কারণ অর্থ বা ভাবের দিক থেকে বর্ণনামূলক বাক্য বা নির্দেশাত্মক বাক্য মূলত দু'টি ভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>অস্তিমূচক বা হ্যাঁ-বোধক বাক্য</li>
<li>নেতিবাচক বা না-বোধক বাক্য</li>
</ul>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার জন্য, কোনো কিছু সাধারণভাবে স্বীকার করলে তা হ্যাঁ-বোধক এবং অস্বীকার করলে তা না-বোধক বর্ণনামূলক বাক্য হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>এক ধরনের খাবার</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, 'সুশি' ও 'সাশিমী' হলো জাপানের অত্যন্ত জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী ও মুখরোচক খাবার। মূলত সামুদ্রিক মাছ ও ভাত দিয়ে সুশি এবং বিশেষভাবে কাটা কাঁচা মাছের টুকরো দিয়ে সাশিমী তৈরি করা হয়, যা বিশ্বজুড়ে বেশ পরিচিত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>এক + দশ</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই বিষয়টি মনে রাখতে পারেন এভাবে:</p>
<ul>
<li>'একাদশ' শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>এক</strong> এবং <strong>দশ</strong> মিলে।</li>
<li>এটি সংখ্যাবাচক শব্দের একটি বিশেষ সন্ধি, যেখানে পদের অর্থের মিল রেখে সরাসরি দুটি অংশ যুক্ত হয়ে 'একাদশ' তৈরি হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>এক + ছত্র</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই এটি মনে রাখতে পারо ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের কথা:</p>
<ul>
<li>পূর্বপদের শেষে যদি অ-কার বা আ-কার থাকে এবং পরপদের শুরুতে যদি <strong>ছ</strong> থাকে, তবে সেই <strong>ছ</strong> এর জায়গায় একটি অতিরিক্ত <strong>চ</strong> (চ্) যুক্ত হয়ে যায়।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী: এক + ছত্র = এক<strong>চ্</strong>ছত্র।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>এক + আকর</strong>।</p>
<p>সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়ম অনুযায়ী, 'একাকার' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই <strong>এক</strong> (যা সংখ্যা বা নির্দেশক) এবং <strong>আকর</strong> (যার অর্থ খনি বা আধার)। দুটি অংশ মিলে তৈরি হয় 'একাকার', যার অর্থ সব এক হয়ে যাওয়া বা মিশে যাওয়া। খুব সহজেই এভাবে মনে রাখতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>এক</strong>। প্রশ্নটিতে মূলত শব্দের অর্থের বিপরীত বা বিপরীতার্থক শব্দ জানতে চাওয়া হয়েছে।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার একটি কৌশল হলো— 'নানা' মানে অনেক বা বহু। তাই 'নানা' শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো <strong>এক</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>(Option B: এত+দূর)</strong>। কারণ ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত-বর্গের বা দ-এর পরে যদি দ কিংবা ধ থাকে, তবে প্রথম ত বা দ স্থানে দ-ই বজায় থাকে বা নিয়ম অনুযায়ী 'ত' স্থানে 'দ' হয়।</p>
<ul>
<li>শব্দটিকে ভেঙে আমরা পাই: <strong>এত + দূর</strong>।</li>
<li>সন্ধির নিয়মে প্রথম পদের শেষের <strong>ৎ</strong> এবং পরের পদের শুরুর <strong>দ</strong> মিলে এই পরিবর্তন সাধিত হয়।</li>
<li>এটি খুব সহজে মনে রাখার জন্য শুধু মূল শব্দটির উচ্চারণ খেয়াল করলেই এর সঠিক রূপটি চিনে নেওয়া যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঐ, ঔ</strong>। কারণ বাংলা বর্ণমালায় মোট ১১টি স্বরবর্ণের মধ্যে দুটি বর্ণকে যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বা দ্বি-স্বর বর্ণ বলা হয়।</p>
<ul>
<li>'ঐ' গঠিত হয় <strong>অ + ই</strong> (বা এ + ই) মিলে।</li>
<li>'ঔ' গঠিত হয় <strong>অ + উ</strong> (বা ও + উ) মিলে।</li>
</ul>
<p>একাধিক স্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হয় বলে এদের যৌগিক স্বরবর্ণ বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চূড়ান্ত মীমাংসা</strong>।</p>
<p>'এসপার ওসপার' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা। দৈনন্দিন কথাবার্তায় কোনো বিষয়ের কোনো রাখঢাক না রেখে একেবারে শেষ বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোকে বোঝাতে এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। সহজ কথায়, ঝুলিয়ে না রেখে কোনো কিছুর একটা নিস্পত্তি বা চূড়ান্ত মীমাংসা করা হলো 'এসপার ওসপার'।</p>
৭৮৮৭
অ -কার কিংবা আ -কারের পর ই- কার কিংবা ঈ -কার থাকলে উভয় মিলে কি ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option D: এ -কার</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়মে ব্যপারটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>অ কিংবা আ-কারের পরে যদি ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকে, তবে উভয় মিলে সবসময় <strong>এ -কার</strong> ($\text{এ}$) হয়।</li>
<li>যেমন: যথা + ইষ্ট = যথএষ্ট নয়, বরং নিয়ম অনুযায়ী এটি হয়ে যায় <strong>যথেষ্ট</strong>। এখানে অ + ই মিলে এ-কার তৈরি হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঋষিকবি</strong>।</p>
<p>কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো— যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে বা দুটি পদের একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে সমাস গঠিত হয়। 'ঋষিকবি'-এর ব্যাসবাক্য হলো 'যিনি ঋষি তিনিই কবি'। এখানে ঋষি এবং কবি একই ব্যক্তি হওয়ায় এটি কর্মধারয় সমাসের চমৎকার একটি উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢেউ</strong>। কারণ 'উর্মি' শব্দের সাধারণ অর্থ হলো পানির তরঙ্গ বা ঢেউ। বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য শব্দের মূল অর্থ জানাটা খুব জরুরি। ঠিক যেমন নদীর পানি বাতাসের কারণে কেঁপে উঠলে তাকে আমরা ঢেউ বা উর্মি বলে থাকি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঋজু</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, 'বঙ্কিম' শব্দটির অর্থ হলো বাঁকা বা বক্র। আর এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এমন একটি সুন্দর শব্দ হলো 'ঋজু', যার অর্থ হলো সোজা বা সরল। তাই বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বঙ্কিম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ঋজু-ই সবচেয়ে নিখুঁত এবং সঠিক।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।