<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পদ</strong>। কারণ বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত প্রতিটি অর্থপূর্ণ শব্দকেই এক একটি পদ বলা হয়। যখন কোনো স্বাধীন শব্দ বিভক্তিযুক্ত হয়ে বাক্যে স্থান নেয়, তখন তা বাক্যের একক বা পদ হিসেবে গণ্য হয়।</p>
৭৯২২
শব্দ গঠনের উদ্দেশ্যে শব্দ বা নাম প্রকৃতির এবং ক্রিয়া প্রকৃতির পরে যে শব্দাংশ যুক্ত হয় তাকে কি বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রত্যয়</strong>।</p>
<p>শব্দ গঠন বা নতুন শব্দ তৈরির জন্য শব্দমূল বা ধাতু (ক্রিয়া প্রকৃতি ও নাম প্রকৃতি)-র শেষে যে নতুন শব্দাংশ বা ধ্বনি যুক্ত হয়, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় প্রত্যয় বলা হয়। যেমন: চল্ (ধাতু) + অ = চল। খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো—প্রকৃতির পরে বসে যা নতুন শব্দ তৈরি করে, সেটাই হলো প্রত্যয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়বাচক শব্দ</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো— অনুসর্গগুলো মূলত স্বাধীন বা স্বতন্ত্র অব্যয় পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। এরা শব্দের পরে বসে কারক বা বিভক্তির কাজ প্রকাশ করে। যেমন: 'থেকে', 'হচ্ছে', 'দ্বারা', 'কর্তৃক' ইত্যাদি সবই এক একটি অব্যয়বাচক শব্দ, যা বাক্যের অর্থের সৌন্দর্য ও সম্পর্ক ফুটিয়ে তোলে।</p>
৭৯২৪
বাক্যের ক্রিয়ার সাথে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক থাকে তাকে কী বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কারক</strong>। খুব সহজ কথায় মনে রাখার টেকনিক হলো— বাক্যে ব্যবহৃত ক্রিয়াপদের সাথে বিশেষ বা সর্বনাম পদের যে সরাসরি সম্পর্ক বা জোড়া থাকে, তাকেই কারক বলে। যেমন— কে কাজটি করছে, কিসের দ্বারা হচ্ছে বা কোথা থেকে উৎপন্ন হচ্ছে, এই সবকিছুর সম্বন্ধই হলো কারক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: ভূমিকা</strong>।</p>
<p>‘গৌরচন্দ্রিকা’ একটি খুব পরিচিত বাংলা বাগধারা। এর সহজ অর্থ হলো কোনো কিছু শুরু করার আগে তার দীর্ঘ বা প্রাসঙ্গিক <strong>ভূমিকা</strong> তৈরি করা। অর্থাৎ, আসল কথায় না গিয়ে একটু ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে বা নানা কথা বলে মূল বিষয়বস্তুর দিকে যাওয়াকে 'গৌরচন্দ্রিকা' বলা হয়। তাই যেকোনো রচনায় বা বক্তব্যে মূল কথা শুরু করার আগের অংশটুকুই হলো এর সঠিক নির্দেশক।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li>'অচল', 'ভূধর' এবং 'অদ্রি'—এগুলো সবগুলোর অর্থই হলো যা চলে না বা পাহাড়/পর্বত।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>'উপল'</strong> শব্দের অর্থ হলো পাথর বা প্রস্তর, যা পর্বত নয়। তাই এটি পর্বত শব্দের সমার্থক নয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপরের সবগুলো</strong>। কারণ হরতন, রুইতন এবং তুরুপ—এই তিনটি শব্দই তাস খেলার সাথে সম্পর্কিত এবং আমাদের বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ওলন্দাজ (ডাচ) শব্দ। ডাচদের সাথে ঐতিহাসিক যোগাযোগের কারণে তাস খেলার এসব পরিভাষা আমাদের ভাষায় স্থায়ীভাবে রয়ে গেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপরের সবকটি</strong>। কারণ <strong>তারাপতি</strong>, <strong>ইন্দু</strong> এবং <strong>শশাঙ্ক</strong>—এই তিনটি শব্দই চাঁদের বিভিন্ন সুন্দর নাম বা সমার্থক শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপরের সবকটি</strong>। কারণ <strong>”ইতিকথা”</strong> বাগধারাটির আক্ষরিক ও প্রচলিত অর্থ বেশ ব্যাপক। এটি দিয়ে মূলত <strong>ইতিহাস</strong>, <strong>উপকথা</strong> এবং যেকোনো ধরনের <strong>কাহিনী</strong>—সবকিছুকেই বোঝানো হয়ে থাকে। তাই অপশনে থাকা এই তিনটি অর্থই সঠিক হওয়ায় সঠিক উত্তরটি হবে ‘উপরের সবকটি’।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপরের তিনজনই</strong>। কারণ বাংলা সাহিত্যে 'জঙ্গনামা' বা ঐতিহাসিক যুদ্ধভিত্তিক কাব্য রচনার জন্য এই তিনজন কবিই বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li>দৌলত উজির বাহরাম খান রচনা করেছেন বিখ্যাত 'লাইলি-মজনু' ও 'জঙ্গনামা'।</li>
<li>ফকির গরীবুল্লাহ মধ্যযুগের একজন জনপ্রিয় কবি যিনি কারবালার বিষাদময় ঘটনা নিয়ে 'জঙ্গনামা' লিখেছন।</li>
<li>মুহাম্মদ খানও ইসলামী যুদ্ধ ও ঐতিহাসিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে 'জঙ্গনামা' কাব্য রচনা করেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই তিনজন কবিই সফলভাবে 'জঙ্গনামা' কাব্য রচনা করেছেন বলে সঠিক উত্তরটি হবে <strong>উপরের তিনজনই</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: দেশি উপসর্গ</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো—</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'কদ' (যেমন: কদাকার, কদবেল, কদর্য) একটি খাঁটি <strong>দেশি উপসর্গ</strong> হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>শব্দের শুরুতেই বসে এটি অর্থের পরিবর্তন বা বিশেষ ভাব প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপরের কোনোটিই নয়</strong>। কারণ হলো—</p>
<ul>
<li>বাংলা শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত শব্দের সন্ধি করা অনুচিত—এই নিয়মটি ব্যাকরণে সঠিক (যেমন: পকেট + মার = পকেটমার, এগুলো সাধারণত মিশে যায় তবে নিয়ম অনুযায়ী প্রাকৃত বা খাঁটি বাংলায় অনেক সময় বর্জন করা হয়, কিন্তু এখানে অপশনগুলোর ক্ষেত্রে অন্যগুলোও সত্য)।</li>
<li>আসলে বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে সন্ধি করা বাধ্যতামূলক নয় বা অনুচিত যেমন: সমাসবদ্ধ পদে, ধাতুর সঙ্গে প্রযুক্ত উপসর্গে ইত্যাদি।</li>
<li>যেহেতু প্রশ্নটিতে উল্লেখিত সবগুলো অপশনই (বা বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে ক্ষেত্রগুলোতে সন্ধি হয় না বা করা উচিত নয়) সঠিক, তাই সঠিক উত্তর হবে <strong>উপরের কোনোটিই নয়</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কপালকুণ্ডলা নবকুমারকে</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাসের শুরুতেই সপ্তগ্রামের উপকূলে সমুদ্র সৈকতে পথ হারিয়ে ফেলা নবকুমারকে উদ্দেশ করে কপালকুণ্ডলা এই বিখ্যাত কথাটি বলেছিল। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং জনপ্রিয় সংলাপ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।