<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঋক্ + বেদ</strong>। ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বর্গের প্রথম বর্ণ (ক্, চ്, ট্, ত্, প্) এর পরে যদি কোনো ঘোষ ধ্বনি (যেমন ব, গ, ঘ ইত্যাদি) থাকে, তবে প্রথম বর্ণটি তার নিজ বর্গের তৃতীয় বর্ণে রূপান্তরিত হয়। কিন্তু এখানে 'বেদ' শব্দটির সাথে যুক্ত হওয়ার সময় ক্-এর জায়গায় খাস নিয়ম মেনে <strong>ঋক্ + বেদ</strong> যুক্ত হয়ে 'ঋগবেদ' গঠিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: উৎ + লাস</strong>।</p>
<p>ব্যঞ্জনসন্ধির একটি খুব মজার ও সহজ নিয়ম আছে—ত্ বা দ্-এর পরে যদি 'ল' থাকে, তবে ত্ বা দ্ বদলে ল-য়ে পরিণত হয়। যেমন:</p>
<ul>
<li>উৎ + লাস = উল্লাস</li>
<li>উৎ + লীন = উল্লীন</li>
<li>বিৎ + লাভ = বিল্লাভ</li>
</ul>
<p>তাই নিয়মটি মাথায় রাখলে পরীক্ষার হলে এক সেকেন্ডেই সঠিক উত্তরটি বের করা সম্ভব!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উমা + ঈশ</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ বা আ-এর পরে দীর্ঘ ঈ (ঈ) থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ ঈ-কার ($\text{ঈ}$) হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একার ($\text{এ}$) রূপ নেয়।</p>
<ul>
<li>প্রথম শব্দ: <strong>উমা</strong> (যার শেষ বর্ণে 'আ' আছে)</li>
<li>দ্বিতীয় শব্দ: <strong>ঈশ</strong> (যার শুরুতেই 'ঈ' আছে)</li>
<li>সূত্র: আ + ঈ = এ (উম + আ + ঈশ = উম + এ + শ = উমেশ)</li>
</ul>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার কৌশল হলো, ঈশ বানানে সবসময় দীর্ঘ ঈ ($\text{ঈ}$) হয় এবং উমা শব্দে দীর্ঘ ঊ ($\text{ঊ}$) হয় না, হ্রস্ব উ ($\text{উ}$) হয়। তাই সঠিক রূপটি হবে <strong>উমা + ঈশ</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: এ -কার</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-বর্ণ বা আ-বর্ণের পরে যদি 'এ' বা 'ঐ' থাকে, তবে উভয় মিলে সবসময় <strong>'এ -কার'</strong> ($($এ$)$) গঠিত হয়। যেমন: জন + এক = জনৈক (এখানে ন-এর সাথে থাকা 'অ' এবং 'এ' মিলে 'ঐ-কার' হওয়ার কথা থাকলেও বিশেষ নিয়মে বা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে তা 'এ-কার' বা সঠিক রূপ নেয়)। খুব সহজে মনে রাখার জন্য এই সূত্রটি আয়ত্ত করে নিতে পারো!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উদক</strong>। কারণ 'উদক' শব্দটি পানির একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। সংস্কৃত ব্যাকরণ ও বাংলা শব্দভান্ডারে পানি, জল, নীর, বারি, সলিল এবং উদক—সবগুলোই পানির সমার্থক হিসেবে গণ্য করা হয়। খুব সহজেই এটি মনে রাখতে পারো যে প্রমিত বাংলা শব্দার্থে 'উদক' সরাসরি পানির বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উর্দ্ধ</strong>, কারণ এটি একটি অশুদ্ধ বানান।</p>
<p>বানানটি শুদ্ধ করে লিখলে হবে <strong>ঊর্ধ্ব</strong>। দীর্ঘ 'ঊ' এবং ধ-এর নিচে রেফ ($\text{র্}+$\text{ধ}$) যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়, যা অনেক সময় আমরা ভুল করে ছোট 'উ' দিয়ে লিখে ফেলি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খরোষ্ঠী লিপি</strong>।</p>
<p>খরোষ্ঠী লিপি প্রাচীনকালের একটি বিশেষ লিপি যা ডান দিক থেকে বাম দিকে লেখা হতো (ঠিক যেমন বর্তমানের আরবি বা উর্দু লেখা হয়)। এর উৎপত্তি মূলত প্রাচীন গান্ধার অঞ্চলে (বর্তমান পাকিস্তান ও আফগানিস্তান এলাকা)।</p>
৭৯০১
‘লাপাত্তা’ শব্দের ‘লা’ উপসর্গটি বাংলা ভাষায় এসেছে-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: আরবি ভাষা থেকে</strong>।</p>
<p>‘লাপাত্তা’ শব্দটি তৈরি হয়েছে <strong>‘লা’</strong> উপসর্গ এবং <strong>‘পাত্তা’</strong> যোগে। এখানে ‘লা’ একটি আরবি উপসর্গ, যার অর্থ ‘নাই’ বা ‘নেই’। যেমন— লাপাত্তা (যার কোনো পাত্তা বা খোঁজ নেই), লাওয়ারিশ ইত্যাদি। বাংলা ভাষায় বিদেশি উপসর্গ হিসেবে আরবি ভাষার বেশ কিছু শব্দের প্রচলন রয়েছে, যার মধ্যে ‘লা’ একটি অন্যতম জনপ্রিয় উপসর্গ।</p>
৭৯০২
পূর্ব ভারতীয় বর্ণমালা (কুটিল) থেকে কোন বর্ণমালার উদ্ভব?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাংলা বর্ণমালা</strong>। খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল হলো, প্রাচীন পূর্ব ভারতীয় বর্ণমালার বা কুটিল লিপির গর্ভ থেকেই মূলত আমাদের আধুনিক বাংলা লিপির জন্ম হয়েছে। হাজার বছর আগেকার এই লিপি বিবর্তিত হয়ে আজকের এই সুন্দর রূপ পেয়েছে।</p>
৭৯০৩
দৌলত কাজী কোন কাব্য অবলম্বনে 'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী' (প্রথম অংশ) রচনা করেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হিন্দি কবি সাধনের 'মৈনাসত'</strong>।</p>
<p>মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি দৌলত কাজী তাঁর অমর সৃষ্টি <strong>'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী'</strong> কাব্যের প্রথম অংশ রচনা করার জন্য হিন্দি কবি সাধন রচিত <strong>'মৈনাসত'</strong> (মৃণাবতী) কাব্যকে ভিত্তি বা উৎস হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে এই কাব্যের অসমাপ্ত অংশ শেষ করেন আরেক বিখ্যাত কবি সৈয়দ আলাওল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তুর্কি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবেন, যেসব শব্দের শেষে 'চি' বা 'র্চি' থাকে (যেমন— বাবুর্চি, তোপচি, দারোগা নয় তবে সাগরেদ বা চাকর জাতীয় শব্দ), তার বেশিরভাগই তুর্কি ভাষা থেকে আমাদের বাংলায় এসেছে। তাই 'বাবুর্চি' শব্দটি একটি তুর্কি শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হিন্দি</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার টেকনিক হলো, আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহৃত অনেক মুখরোচক খাবারের নাম হিন্দি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় চলে এসেছে। এর মধ্যে 'চানাচুর' শব্দটি হিন্দি 'चनाचूर' (চানাচুর) থেকে আমাদের ভাষায় এসেছে। এ ধরনের বৈদেশিক শব্দগুলো মনে রাখতে শব্দের উৎস ও গঠনের মিলগুলো খেয়াল রাখলেই পরীক্ষার হলে খুব সহজে উত্তর করা যায়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।