<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উদাসীন</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো— 'নিমগ্ন' শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছুতে গভীরভাবে মগ্ন বা যুক্ত থাকা। এর বিপরীত অবস্থাতেই মানুষ কোনো কিছু থেকে দূরে সরে থাকে বা মন দেয় না, যাকে বলে 'উদাসীন'। তাই সঠিক উত্তরটি হবে উদাসীন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>Option A: উৎ + স্থাপন</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত্ বা দ্-এর পরে যদি 'স্' থাকে, তবে ত্ বা দ্-এর জায়গায় 'ৎ' এবং 'স্' এর জায়গায় 'ছ্' হয়। এই নিয়মে উৎ-এর ত্ এবং স্থাপন-এর স্ মিলে 'ত্থ' তৈরি হয়েছে। তাই 'উত্থাপন' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>উৎ + স্থাপন</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রশান্ত</strong>।</p>
<p>'উচাটন' শব্দটির অর্থ হলো উতলা, অস্থির বা ব্যাকুল মন। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অবস্থা হলো শান্ত বা স্থির থাকা। তাই এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে <strong>প্রশান্ত</strong> ব্যবহৃত হয়।</p>
৭৯৯৯
সমাস গঠন প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম কী?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমস্তপদ</strong>। কারণ সমাস প্রক্রিয়ায় একাধিক পদ মিলে যে নতুন একটি মাত্র পদ তৈরি হয়, তাকে ব্যাকরণের ভাষায় সমস্তপদ বলা হয়।</p>
<ul>
<li>যে পদগুলো মিলে সমাস হয়, তাদের বলে <strong>সমস্যমান পদ</strong>।</li>
<li>সমস্তপদকে ভেঙে যে বাক্যাংশ বা বাক্য তৈরি করা হয়, তাকে বলে <strong>ব্যাসবাক্য</strong> বা বিগ্রহবাক্য।</li>
<li>সমাসবদ্ধ পদের শেষের পদটিকে বলা হয় <strong>উত্তরপদ</strong> বা পরপদ।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তরটি হলো সমস্তপদ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উত্তরপদ</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, সমাসের ক্ষেত্রে দুটি পদ থাকে—প্রথমে যেটি থাকে তাকে বলে 'পূর্বপদ' বা 'প্রথম পদ', আর পরে বা শেষে যে পদটি থাকে তাকে বলা হয় 'পরপদ' বা 'উত্তরপদ'। অর্থাৎ, 'পর' এবং 'উত্তর' শব্দ দুটি এখানে প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমস্ত পদ</strong>। কারণ ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, একাধিক পদ মিলে একপদ হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে এবং এই প্রক্রiyার ফলে যে নতুন পদটি তৈরি হয়, তাকেই সমস্ত পদ বলা হয়।</p>
<ul>
<li>একাধিক পদের মিলন ঘটলে তাকে <strong>সমস্ত পদ</strong> বা সমাসবদ্ধ পদ বলে।</li>
<li>যেমন: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন। এখানে 'সিংহাসন' হলো সমস্ত পদ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উত্তম-মধ্যম</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো:</p>
<ul>
<li>'সাপে-নেউলে', 'আদায়-কাঁচকলা' এবং 'অহি-নকুল'—এই তিনটি বাগধারার অর্থই হলো তীব্র শত্রুতা বা দুটি চিরশত্রু ভাবের সম্পর্ক।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>উত্তম-মধ্যম</strong> বাগধারাটির অর্থ হলো 'প্রচণ্ড প্রহার' বা ভালোমতো মারধর করা।</li>
<li>যেহেতু বাকি তিনটি একই অর্থ প্রকাশ করে এবং এটি সম্পূর্ণ আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটিই ভিন্নার্থক।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: সাবেক</strong>।</p>
<p>'হাল' শব্দের অর্থ হলো বর্তমান বা আধুনিক। এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'সাবেক' শব্দটি, যার অর্থ হলো প্রাচীন, পুরনো বা আগের। তাই সঠিক উত্তরটি হবে সাবেক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: ভদ্র</strong>।</p>
<p>'ইতর' শব্দটির সাধারণ অর্থ নিচ, ছোটলোক বা হীন। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'ভদ্র' শব্দটি, যার অর্থ মার্জিত, শিষ্ট বা ভালো চরিত্রের মানুষ। তাই বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'ভদ্র' একদম সঠিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উৎকর্ষ</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'উৎকৃষ্ট' শব্দের সাথে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ গঠনের সময় কিছুটা সতর্কতা প্রয়োজন। 'উৎকৃষ্ট' মানেই যা ভালো বা উন্নত। এর সাথে অতিরিক্ত 'তা' প্রত্যয় যোগ করে 'উৎকর্ষতা' লেখা একটি সাধারণ ভুল (প্রত্যয়গত শুদ্ধি বা বাহুল্য দোষ)।</p>
<ul>
<li>'উৎকৃষ্ট' বা 'উন্নত' গুণের ভাব প্রকাশ করতে সরাসরি <strong>'উৎকর্ষ'</strong> শব্দটি ব্যবহার করাই ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ।</li>
<li>শুদ্ধ শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো অতিরিক্ত প্রত্যয় বা শব্দের পুনরাবৃত্তি এড়ানো।</li>
</ul>
৮০০৬
নিখুঁত, নিখোঁজ প্রভৃতি শব্দের 'নি' উপসর্গটি কি অর্থে ব্যবহৃত ?
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার টেকনিক হলো:</p>
<ul>
<li>'নিখুঁত' মানে যার কোনো খুঁত বা দোষ <strong>নাই</strong>।</li>
<li>'নিখোঁজ' মানে যাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না অর্থাৎ যার কোনো খোঁজ <strong>নাই</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে 'নি' উপসর্গটি ঠিক অভাব বা নেতিবাচক অর্থে অর্থাৎ <strong>'নাই'</strong> অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: উৎ+যোগ</strong>। খুব সহজেই এটি মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি নিয়ম অনুযায়ী, ত্ বা দ্-এর পরে যদি জ্ থাকে, তবে ত্ বা দ্ জায়গায় জ্-যুক্ত হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে 'উৎ' শব্দের ত্ এবং 'যোগ' শব্দের জ মিলে একসঙ্গে 'দ্যো' হয়ে <strong>উদ্যোগ</strong> গঠিত হয়েছে।</li>
<li>তাই নিয়ম মেনে সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদটি হবে <strong>উৎ + যোগ</strong>।</li>
</ul>
৮০০৮
‘ত (ৎ) এর পর ‘ম’ থাকলে ত (ৎ) স্থলে ন হয়’ সূত্রের উদাহরণ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: মৃৎ + ময় = মৃন্ময়</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই বিষয়টি মনে রাখতে পারেন এভাবে:</p>
<ul>
<li>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বর্গের প্রথম বর্ণ (ত বা ৎ) এর পরে যদি নাসিক্য বর্ণ ('ম') থাকে, তবে প্রথম বর্ণটি পরিবর্তিত হয়ে সেই বর্গেরই নাসিক্য রূপ অর্থাৎ 'ন' হয়ে যায়।</li>
<li>যেমন— এখানে 'ম'-এর আগে 'ৎ' থাকায় সেটি বদলে 'ন' হয়ে গেছে। ফলে <strong>মৃৎ + ময়</strong> মিলে তৈরি হয়েছে <strong>মৃন্ময়</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: উৎ + যোগ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখার একটা দারুণ নিয়ম আছে:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত-বর্গীয় বা দ-বর্গীয় ধ্বনির সাথে যদি জ-ফলা বা 'জ' যুক্ত হয়, তবে আগের 'ত' বা 'দ' বদলে গিয়ে খণ্ড-ত (ৎ) হয়ে যায়।</li>
<li>যেমন: <strong>उत्</strong> এর সাথে <strong>योग</strong> যুক্ত হয়ে তৈরি হয় <strong>‘উদ্যোগ’</strong>।</li>
</ul>
<p>এভাবেই একটু কৌশল মনে রাখলে ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মগুলো আর ভুল হবে না!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উৎ + ভিদ</strong>।</p>
<p>সংস্কৃত ব্যাকরণের ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত্ বা দ্-এর পরে যদি 'ভ' থাকে, তবে ত্ বা দ্-এর জায়গায় 'দ্' এবং পরবর্তী 'ভ'-এর জায়গায় 'ভ্' বা ঘের নিয়ম প্রযোজ্য হয়। তবে প্রমিত নিয়ম ও উৎস অনুসারে 'উৎ + ভিদ' মিলেই 'উদ্ভিদ' শব্দটি গঠিত হয়, যেখানে 'উৎ' হলো উপসর্গ বা প্রত্যয়জাত অংশ এবং 'ভিদ' হলো মূল ধাতু। তাই সঠিক বিশ্লেষণটি হলো <strong>উৎ + ভিদ</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।