<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যোগ্যতা</strong>। কারণ, বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী একটি সার্থক বাক্যের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো এর অর্থসংগতি বা ভাবগত মেলবন্ধন।</p>
<p>বাক্যে ব্যবহৃত শব্দগুলোর অর্থের মধ্যে যদি মিল বা সামঞ্জস্য না থাকে, তবে তাকে যোগ্যতার অভাব বলা হয়। উপমা প্রয়োগের ক্ষেত্রেও যদি অসামঞ্জস্য বা ভুল কিছু ব্যবহার করা হয়, তবে তা বাক্যের অর্থকে নষ্ট করে এবং বাক্যের <strong>যোগ্যতা</strong> নষ্ট হয়।</p>
৮২৮২
'গান শেষ হলে বাড়ি ফিরব'- বাক্যটিতে কোন গুণের অভাব আছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মাধুর্য</strong>।</p>
<p>একটি সুন্দর ও অর্থপূর্ণ বাক্য গঠনের জন্য ব্যাকরণগতভাবে ৩টি প্রধান গুণ থাকা জরুরি—আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা। বাক্যটিতে শ্রুতিকটু শব্দের ব্যবহার বা অর্থের অসামঞ্জস্যতার কারণে শোনার ক্ষেত্রে কানের মধুরতা বা <strong>মাধুর্য</strong> গুণের অভাব ঘটেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অভিপ্রায়</strong>। কারণ একটি সার্থক বা অর্থপূর্ণ বাক্য গঠনের জন্য মূলত তিনটি প্রধান গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা বাধ্যতামূলক—আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি এবং যোগ্যতা।</p>
<ul>
<li><strong>আকাঙ্ক্ষা:</strong> বাক্যের অর্থ পুরোপুরি বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা, তাই আকাঙ্ক্ষা।</li>
<li><strong>আসত্তি:</strong> বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষা করে পদগুলোকে ঠিকঠাকমতো সাজিয়ে বসার বিন্যাসই হলো আসত্তি।</li>
<li><strong>যোগ্যতা:</strong> পদগুলোর অর্থের মিল ও ভাবগত সংগতি রক্ষাই হলো যোগ্যতা।</li>
</ul>
<p>তাই 'অভিপ্রায়' শব্দটির সাথে ব্যাকরণগতভাবে বাক্যের বৈশিষ্ট্যের কোনো সম্পর্ক নেই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বৃষ্টি</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে এবং আবহাওয়ার বিচারে 'আসার' শব্দটি সাধারণত বর্ষা বা বৃষ্টির সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি আষাঢ় মাসের সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত, যেখানে আকাশ মেঘে ঢেকে থাকে এবং অবিরাম বৃষ্টিপাত হয়। তাই শব্দটির মূল ভাব বা অর্থ হিসেবে 'বৃষ্টি' কেই সবচেয়ে নিখুঁতভাবে বেছে নেওয়া যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রসাদ</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার টেকনিক হলো, বাংলা শব্দার্থে 'প্রাসাদ' (দন্ত্য-স দিয়ে) মানে হলো রাজপ্রাসাদ, বড় দালান বা অট্টালিকা। অন্যদিকে 'প্রসাদ' (শ-দাঁতের বা তালব্য-শ দিয়ে নয়, কিন্তু উচ্চারণে কাছাকাছি) হলো কৃপা বা নৈবেদ্য। তাই দালান বা অট্টালিকা বোঝালে সঠিক শব্দটি হবে <strong>প্রসাদ</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: গুরুচণ্ডালী</strong>।</p>
<p>শব্দটি ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখবেন, এখানে তৎসম শব্দ 'শব' এবং তদ্ভব বা দেশি শব্দ 'পোড়া' একসাথে ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলায় তৎসম ও তদ্ভব শব্দের এই ধরনের অমেল মিশ্রণকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>গুরুচণ্ডালী দোষ</strong> বলা হয়। এই দোষ এড়াতে হয় 'সবিনয়ে' মৃতদেহ পোড়া কিংবা 'শবদাহ' অথবা 'মরা পোড়া' লেখা উচিত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আকুঞ্চন</strong>।</p>
<p>'প্রসারণ' শব্দের সাধারণ অর্থ হলো কোনো কিছু ছড়িয়ে যাওয়া বা বড় হওয়া। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'আকুঞ্চন', যার অর্থ হলো কোনো কিছু সংকুচিত হওয়া বা গুটিয়ে আসা। তাই খুব সহজেই বলা যায় প্রসারণ-এর বিপরীত শব্দ হলো আকুঞ্চন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শাহাদাৎ হোসেন</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার জন্য মাথায় রাখুন, বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় ঐতিহাসিক ও সামাজিক নাটক 'মসনদের মোহ' এর সফল রচয়িতা হলেন কবি ও নাট্যকার শাহাদাৎ হোসেন। পরীক্ষার হলে এই ধরণের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই নাটকের নাম দেখেই যেন সরাসরি লেখকের নাম মনে ভেসে ওঠে!</p>
৮২৮৯
ধাতুর পর কোন প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য বুঝায়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আই</strong>। ধাতুর সাথে এই প্রত্যয় যুক্ত করে খুব সহজেই ভাববাচক বিশেষ্য পদ তৈরি করা যায়। যেমন—চল্ ধাতু এর সাথে 'আই' প্রত্যয় যুক্ত করলে হয় <strong>চল্লাই</strong>, ঘাট্ থেকে <strong>ঘাট্টাই</strong> বা চোষ্ থেকে <strong>চোষাই</strong>। এভাবে কোনো কাজের ভাব বা অবস্থাকে প্রকাশ করতে 'আই' প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।</p>
৮২৯০
ভাববাচক বিশেষ্য পদ গঠনে ধাতুর পরে কোন প্রত্যয় যুক্ত হয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আই</strong>।</p>
<p>ভাববাচক বিশেষ্য (যা কাজের বা ভাবের নাম বোঝায়) গঠনের সময় অনেক সময় মূল ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে 'আই' প্রত্যয় যুক্ত করা হয়। যেমন— ঘুর + আই = ঘোরাই, চল + আই = চালাই, দেখ + আই = দেখাই। এই সহজ কৌশলটি মনে রাখলেই পরীক্ষার হলে খুব দ্রুত সঠিক উত্তরটি বের করা সম্ভব!</p>
৮২৯১
ধাতুর পরে কোন প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য বোঝায় ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আই</strong>। ধাতুর পরে এই প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে মূলত ভাববাচক বিশেষ্য বা কাজের নাম বোঝায়। যেমন—চল্ + আই = চালাই, ঘুর্ + আই = ঘুরাই (বা ঘূর্ণি)। এই সহজ শর্টকাট কৌশলটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে খুব দ্রুত সঠিক উত্তরটি বের করা সম্ভব।</p>
৮২৯২
ধাতুর পর কোন প্রত্যয় যুক্ত হলে ভাববাচক বিশেষ্য হয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আও</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার নিয়ম হলো—ধাতুর সঙ্গে <strong>আও</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সাধারণত ভাববাচক বিশেষ্য পদ গঠিত হয়। যেমন: চল্ + আও = চলাও, ঘুর্ + আও = ঘুরাও। এখানে শব্দগুলো কোনো কাজের ভাব বা অবস্থাকে প্রকাশ করে, যা ব্যাকরণের নিয়মে ভাববাচক বিশেষ্য।</p>
৮২৯৩
'কিন্ডারগার্টেন' শব্দটি কোন ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: জার্মান</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজ—'কিন্ডারগার্টেন' (Kindergarten) একটি জার্মান শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ হলো শিশুদের বাগান (Kinder মানে শিশু এবং Garten মানে বাগান)। শিক্ষাবিদ ফ্রেডরিখ ফ্রোবেল ১৮৩৭ সালে জার্মানিতে এই শিশুকিশোরদের প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় পদ্ধতি চালু করেন, যার ফলেই শব্দটি জার্মান ভাষা থেকে সরাসরি ইংরেজি ভাষায় প্রবেশ করে।</p>
৮২৯৪
'কিন্ডারগার্টেন' শব্দটি কোন ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চন্দ্র</strong>।</p>
<p>যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং রূপের কোনো পরিবর্তন হয়নি, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। 'চন্দ্র' শব্দটি একটি খাঁটি সংস্কৃত শব্দ যা বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।