<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অ স্বরধ্বনি</strong>। খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, বাংলা বর্ণমালায় প্রতিটি ব্যঞ্জনবর্ণ একা একা পুরোপুরি উচ্চারিত হতে পারে না। ব্যঞ্জনবর্ণগুলো উচ্চারণ করার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাহায্য নেয় <strong>অ</strong>-এর। যেমন— 'ক' উচ্চারণ করতে গেলে শেষ পর্যন্ত 'অ' ধ্বনিটি চলে আসে। তাই উচ্চারণের সুবিধা এবং পূর্ণতা দেওয়ার জন্য ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে সবসময় <strong>অ স্বরধ্বনি</strong> যুক্ত থাকে।</p>
৮২৯৮
‘আনচান’, ‘আনমনা’ শব্দগুলোতে কোন উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: আন উপসর্গ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>‘আনচান’ ও ‘আনমনা’ শব্দগুলোতে মূল শব্দের আগে <strong>‘আন’</strong> যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করেছে।</li>
<li>যেমন— ‘মন’ এর সাথে ‘আন’ যুক্ত হয়ে ‘আনমনা’ (যার মন অন্য কোথাও) এবং ‘চান’ এর সাথে যুক্ত হয়ে ‘আনচান’ শব্দগুলো গঠিত হয়েছে।</li>
<li>তাই এখানে ‘আন’ হলো একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ।</li>
</ul>
৮২৯৯
ঢাকা + ঈশ্বরী = ঢাকেশ্বরী -নিচের কোন নিয়মে এ সন্ধি হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option D: আ + ঈ = এ</strong>। বিষয়টি খুব সহজেই মনে রাখতে পারেন এভাবে:</p>
<ul>
<li>'ঢাকা' শব্দটির শেষে আ-কার আছে, অর্থাৎ এখানে <strong>আ</strong> ধ্বনি রয়েছে।</li>
<li>'ঈশ্বরী' শব্দটির শুরুতে দীর্ঘ-ঈ আছে, অর্থাৎ এখানে <strong>ঈ</strong> ধ্বনি রয়েছে।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, আ + ঈ মিলে একত্রে <strong>এ</strong>-কার (এ) তৈরি হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই 'ঢাকা + ঈশ্বরী' যুক্ত হয়ে 'ঢাকেশ্বরী' শব্দটি গঠন করেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আ + আ</strong>। খুব সহজেই বিষয়টি বুঝে নেওয়া যাক:</p>
<ul>
<li>সন্ধি মানেই তো দুই ধ্বনির মিলন। 'বিদ্যালয়' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই: <strong>বিদ্যা + আলয়</strong>।</li>
<li>প্রথম শব্দ 'বিদ্যা'-র শেষে রয়েছে দীর্ঘ <strong>আ</strong> ধ্বনি ($\text{বিধ্} + \text{আ}$)।</li>
<li>দ্বিতীয় শব্দ 'আলয়'-এর শুরুতে রয়েছে দীর্ঘ <strong>আ</strong> ধ্বনি।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম শব্দের শেষের <strong>আ</strong> এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর <strong>আ</strong> মিলে একসঙ্গে দীর্ঘ <strong>আ</strong> ($--\text{আ} + \text{আ} = \text{আ}--$) হয়ে যায়। যেমন: $\text{বিদ্যা} + \text{আলয়} = \text{বিদ্যালয়}$।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঐ</strong>। কারণ এটি একটি যৌগিক স্বরধ্বনি বা দিভথং (Diphthong)।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ বা দ্বিস্বর দুটি: <strong>ঐ</strong> এবং <strong>ঔ</strong>।</li>
<li><strong>ঐ</strong> উচ্চারিত হয় <strong>অ + ই</strong> এর মিলিত রূপ হিসেবে।</li>
<li>অন্যদিকে 'ও', 'এ' এবং 'আ' হলো মৌলিক স্বরধ্বনি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পীতাম্বর</strong>।</p>
<p>যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে। খুব সহজে মনে রাখার কৌশল হলো, সমাস করার পরেও যদি পদের বিভক্তি (যেমন: এ, তে, য়) ঠিক তেমনই বজায় থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে অলুক সমাস দাগিয়ে দেওয়া যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপকূল</strong>।</p>
<p>অব্যয়ীভাব সমাস চেনার উপায় হলো— এই সমাসে সবসময় পূর্বপদে একটি অব্যয় (যেমন: উপ, প্রতি, নি, আ ইত্যাদি) যুক্ত থাকে এবং সাধারণত উপসর্গ যোগেই এই সমাস গঠিত হয়।</p>
<ul>
<li>এখানে 'উপকূল' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'উপ' (সামীপে অর্থে) অব্যয় বা উপসর্গ যোগে।</li>
<li>যার ব্যাসবাক্য হলো— কূলের সমীপে = উপকূল।</li>
<li>যেহেতু শুরুতে 'উপ' অব্যয়টি প্রধান ভূমিকা পালন করেছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অহি নকুল</strong>।</p>
<p>দ্বন্দ্ব সমাসের চেনার উপায় হলো—যে সমাসে উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান থাকে এবং ব্যাসবাক্যে মাঝখানে 'ও', 'এবং', 'বা' ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>'অহি' অর্থ সাপ এবং 'নকুল' অর্থ নেউল।</li>
<li>সাপ ও নেউলের মধ্যে স্বভাবগত শত্রুতা রয়েছে।</li>
<li>এর ব্যাসবাক্য হলো <strong>অহি ও নকুল</strong>, যা দ্বন্দ্ব সমাসের নিয়ম পুরোপুরি মেনে চলে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রঙ্গনা</strong>। 'ফুল' শব্দের অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে, যার মধ্যে রঙ্গনা একটি সুন্দর ফুল এবং এর গাছ ও ফুল বেশ পরিচিত। তাই সরাসরি বিকল্পগুলোর মধ্য থেকে 'রঙ্গনা' কেই ফুল শব্দের সমার্থক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অহঃ + নিশা</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ, বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়মে এটি সাধিত হয়েছে। নিয়মটি হলো—</p>
<ul>
<li>বিসর্গের পূর্বে 'অ' বা 'আ' এবং বিসর্গের পরে যদি বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম বর্ণ, অন্তস্থ বর্ণ (য, র, ল, ব) কিংবা হ থাকে, তবে বিসর্গটি 'র্' (রেফ) হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে 'অহঃ' শব্দের বিসর্গের পর 'ন' (দন্ত্য ন) থাকায় বিসর্গটি পরিবর্তিত হয়ে 'র্' হয়েছে এবং পরের 'নিশা' শব্দটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে 'র্নিশ' রূপ ধারণ করেছে।</li>
<li>সন্ধির সময় মূল শব্দের অর্থ ঠিক রাখতে 'নিশা' শব্দটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে শব্দটি হয়েছে <strong>অহর্নিশ</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অহঃ + অহ</strong>। এটি খুব সহজেই মনে রাখতে পারো বিসর্গ সন্ধির নিয়মের সাহায্যে।</p>
<ul>
<li>বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের ($\circ$) আগে ও পরে যদি 'অ' থাকে, তবে পূর্ববর্তী 'অ' ও বিসর্গ মিলে 'ও' কার হয় এবং পরবর্তী 'অ' লুপ্ত হয়ে তার পরিবর্তে লোপ চিহ্ন বা এস (ঽ) হয়।</li>
<li>সেই নিয়ম মেনেই <strong>অহঃ + অহ</strong> মিলে তৈরি হয়েছে 'অহরহ'।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অহংকারী</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, 'পায়াভারি' বাগধারাটি দিয়ে মানুষের গরিমা বা অহংকার প্রকাশ করা হয়। যখন কেউ নিজের যোগ্যতা বা ক্ষমতার বাইরে গিয়ে নিজেকে অনেক বড় কিছু মনে করে এবং অন্যদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে, তখন তার এই অবস্থাকে বোঝাতে 'পায়াভারি' বা অহংকারী বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্পষ্টভাষী</strong>।</p>
<p>'ঠোঁট কাটা' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ ভিন্ন হলেও বিশেষ অর্থে এটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি কোনো রাখঢাক না রেখে মুখের ওপর সত্যি কথা বলে দেন বা খুব স্পষ্ট ভাষায় কথা বলেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অহঃ+অহ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, এটি বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার নিয়ম।</p>
<ul>
<li>বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের ($\text{ः}$) আগে ও পরে যদি 'অ' থাকে, তবে পূর্ববর্তী 'অ' ও বিসর্গ মিলে 'ও' কার হয় এবং পরবর্তী 'অ' লুপ্ত হয়ে তার পরিবর্তে লোপ বা এস্রাফ চিহ্ন (') বসে।</li>
<li>এই নিয়মে <strong>অহঃ + অহ</strong> মিলে তৈরি হয় <strong>অহরহ</strong>।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।