<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যোম, অন্তরীক্ষ, শূন্য</strong>। খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো, আকাশের মতো যেসব শব্দে খালি বা ফাঁকা জায়গা বোঝায়, সেটাই এর প্রতিশব্দ।</p>
<ul>
<li><strong>ব্যোম</strong> মানেই হলো মহাশূন্য বা আকাশ।</li>
<li><strong>অন্তরীক্ষ</strong> কথাটির অর্থ পৃথিবী ও স্বর্গের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থান বা আকাশ।</li>
<li><strong>শূন্য</strong> মানেও খালি জায়গা বা আকাশ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই এই তিনটি শব্দই 'আকাশ' শব্দের একদম নিখুঁত প্রতিশব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ললাট</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, 'কেশ' শব্দের অর্থ হলো চুল বা মাথার চুল। আর 'কুন্তল', 'চুল' ও 'অলক'—এগুলো সবই কেশ বা চুলের সমার্থক শব্দ। কিন্তু <strong>ললাট</strong> শব্দের অর্থ হলো কপাল, যা কেশ-এর সমার্থক নয়। তাই এটিই আলাদা বা সঠিক উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্বাচীন</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারেন যে, 'প্রাচীন' শব্দের অর্থ হলো পুরনো বা প্রাচীনকালের। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'অর্বাচীন' শব্দটি, যার অর্থ হলো আধুনিক, নবীন বা সাম্প্রতিককালের। তাই সঠিক উত্তরটি হবে অর্বাচীন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সত্যসুন্দর দাস</strong>। সাহিত্যচর্চার শুরুর দিকে মোহিতলাল মজুমদার এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন। সাহিত্যজগতে তাঁর মূল পরিচিতি এবং খ্যাতি তাঁর নিজের নামেই হলেও, বিভিন্ন লেখায় তিনি এই ছদ্মনামের আশ্রয় নিয়েছিলেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ধেক</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে প্রমিত বা শিষ্ট রূপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কথ্য রূপের অনেক শব্দের নিখুঁত মার্জিত রূপ রয়েছে। 'অর্ধেক' শব্দটি হলো 'অর্ধেক'-এর একটি অত্যন্ত সুন্দর এবং প্রমিত রূপ, যা বাংলা ভাষায় আনুষ্ঠানিকভাবে সর্বজনগ্রাহ্য ও নিখুঁত হিসেবে স্বীকৃত।</p>
৮৩৬১
উনা ভাতে দুলা বল, বাক্যের উনা উপসর্গের অর্থ দ্যোতকতা কি ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কম</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, বাংলা ব্যাকরণে <strong>'উনা'</strong> (বা উন) একটি উপসর্গ যা কোনো কিছুর পরিমাণ বা সংখ্যা কিছুটা কম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন— 'উনা ভাত' মানে হলো পেটভরা ভাত নয়, বরং পরিমাণে একটু কম ভাত। ঠিক তেমনি 'ঊনপঞ্চাশ' বলতে বোঝায় ৫০ থেকে ১ কম ($50 - 1 = 49$)। তাই এখানে সঠিক উত্তরটি হবে কম।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পাদচ্ছেদ</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে যতি বা ছেদচিহ্নগুলোর মধ্যে কমা (,) কে বলা হয় <strong>পাদচ্ছেদ</strong>। বাক্য পাঠের সময় অল্প বিরতির প্রয়োজন হলে কমা বা পাদচ্ছেদ ব্যবহার করা হয়। আর পূর্ণচ্ছেদ হলো ফুলস্টপ (.) এবং অর্ধচ্ছেদ হলো সেমিকোলন (;)।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দেশী শব্দ</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>আমাদের দেশের আদিবাসীদের (যেমন: কোল, ভিল, সাঁওতাল ইত্যাদি) ভাষা থেকে যে শব্দগুলো দীর্ঘদিন ধরে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে, সেগুলোকে দেশী শব্দ বলে।</li>
<li><strong>ঢেঁকি</strong>, <strong>কুলা</strong>, <strong>পেট</strong>, কুঁড়েঘর, চোঙা, গঞ্জ—এসব শব্দ আমাদের গ্রামীণ জনপদের অতি পরিচিত এবং নিজস্ব সংস্কৃতির সাথে জড়িত। তাই এগুলো সরাসরি দেশী শব্দের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম উপসর্গ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘সু’, ‘বি’, ‘প্র’, ‘পরি’—এ ধরনের উপসর্গগুলো মূলত সংস্কৃত বা <strong>তৎসম উপসর্গ</strong>।</li>
<li>‘তীক্ষ্ণ’ একটি সংস্কৃত শব্দ, তাই এর সাথে যুক্ত ‘সু’ উপসর্গটিও তৎসম বা সংস্কৃত নিয়মেই এসেছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ধ-তৎসম</strong>। কারণ, সংস্কৃত 'জ্যোৎস্না' শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে প্রাকৃত বা মানুষের মুখে মুখে বিকৃত হয়ে বাংলায় 'জোছনা' রূপ ধারণ করেছে। যেসব সংস্কৃত শব্দ সামান্য পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলা হয়। যেমন— গৃহিণী থেকে গিন্নি, শ্রাদ্ধ থেকে সারাদ, আর তেমনি জ্যোতিষ্মান বা জ্যোৎস্না থেকে জোছনা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ধ-তৎসম</strong>। কারণ, সংস্কৃত 'গৃহিণী' শব্দটি প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে 'গিন্নী' রূপে প্রচলিত হয়েছে।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দ যখন কিছুটা বদলে বা বিকৃত হয়ে আমাদের কথ্য ভাষায় চলে আসে, সেগুলোকে আমরা <strong>অর্ধ-তৎসম</strong> বা তৎসমের প্রায় কাছাকাছি শব্দ বলি।</li>
<li>যেমন: গৃহিণী থেকে গিন্নী, জোছনা থেকে যোছনা, শ্রাদ্ধ থেকে সারাদ, বৈষ্ণব থেকে বোষ্টম।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার হলে এমন শব্দ দেখলে খেয়াল রাখবে, এগুলো মূল সংস্কৃত শব্দের পরিবর্তিত ও সহজ রূপ!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা ট্রিক দিয়ে এটা মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>যেসব শব্দ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে <strong>তৎসম শব্দ</strong> বলে।</li>
<li>'ধূম্র' শব্দটি হুবহু সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে, তাই এটি একটি খাঁটি তৎসম শব্দ। (এর তদ্ভব রূপ হলো 'ধোঁয়া')।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মৌলিক শব্দ</strong>। খুব সহজে মনে রাখার নিয়ম হলো, যে শব্দগুলোকে ভেঙে বা বিশ্লেষণ করা যায় না এবং যার সাথে কোনো প্রত্যয় বা উপসর্গ যুক্ত থাকে না, সেগুলোই হলো মৌলিক শব্দ। আর এই মৌলিক শব্দগুলোই হলো ভাষার মূল ভিত্তি বা উপকরণ। যেমন— হাত, নাক, কলম ইত্যাদি শব্দগুলো বিশ্লেষণ করা যায় না, তাই এগুলো মৌলিক শব্দ এবং ভাষা গঠনে এগুলোর ভূমিকাই সবার আগে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ধতৎসম</strong>। কারণ, সংস্কৃত শব্দ সরাসরি বাংলায় আসার পর উচ্চারণের সুবিধার জন্য কিছুটা পরিবর্তিত বা বিকৃত হয়ে গেছে, সেগুলোকে অর্ধতৎসম শব্দ বলে।</p>
<p>যেমন—</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দ <strong>'গৃহিণী'</strong> পরিবর্তিত হয়ে প্রথমে 'গিন্নি' এবং পরবর্তীতে কথ্য ভাষায় <strong>'গিন্নী'</strong> রূপ নিয়েছে।</li>
<li>অন্যান্য সাধারণ উদাহরণের মধ্যে রয়েছে— জোছনা (জ্যোৎস্না), কুৎসিত (কুৎসিত), বোষ্টম (বৈষ্ণব) ইত্যাদি।</li>
</ul>
<p>তাই একটু খেয়াল করলেই বোঝা যায়, তৎসম শব্দ যখন কিছুটা ভেঙে বা বদলে আমাদের মুখে প্রচলিত হয়, সেটাই মূলত অর্ধতৎসম শব্দ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।