<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবচেতন</strong>।</p>
<p>মনোবিজ্ঞানের ভাষায় মানুষের মনের বিভিন্ন স্তর রয়েছে। এর মধ্যে পুরোপুরি সজাগ অবস্থাকে বলা হয় সচেতন এবং যে মন পুরোপুরি ঘুমিয়ে থাকে বা কাজের বাইরে থাকে তাকে বলে অচেতন। আর এই দুইয়ের মধ্যবর্তী বা ঠিক তলানিতে থাকা মনের অবস্থাকেই ইংরেজি পরিভাষায় <strong>Subconscious</strong> বা বাংলায় <strong>অবচেতন</strong> বলা হয়। তাই সঠিক উত্তরটি হবে অবচেতন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবচেতন</strong>।</p>
<p>'Subconscious' ইংরেজি শব্দটির সঠিক এবং প্রচলিত বাংলা পরিভাষা হলো <strong>অবচেতন</strong>, যা আমাদের মনের এমন একটি স্তরকে বোঝায় যা পুরোপুরি চেতন নয়, আবার সম্পূর্ণ অচেতনও নয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: অবচেতন</strong>।</p>
<p>ইংরেজি 'Subconscious' শব্দটির খুব পরিচিত ও সরাসরি বাংলা পরিভাষা হলো 'অবচেতন'। মনস্তত্ত্বের ভাষায় এটি এমন একটি স্তরকে বোঝায়, যা আমাদের পূর্ণ সচেতনতার নিচে অবস্থান করে কিন্তু প্রয়োজনমতো সহজে মনে করা যায়।</p>
৮৩৭৫
স্বরধ্বনি কোন আকারে ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়ে ব্যবহৃত হয় ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংক্ষিপ্ত আকারে</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! যখন কোনো স্বরধ্বনি ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন সেটি পূর্ণরূপে না বসে তার একটি সংক্ষিপ্ত রূপ ধারণ করে। ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার এই সংক্ষিপ্ত রূপটিকেই মূলত <strong>কার</strong> বলা হয় (যেমন: আ-কার, ই-কার ইত্যাদি)।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option C: ছাগীর দুগ্ধ = ছাগদুগ্ধ</strong>। কারণ ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ষষ্টি তৎপুরুষ সমাসে ব্যাসবাক্যের শেষের পদ বা পূর্বপদের বিভক্তি (এখানে 'এর') লোপ পেয়ে সমস্তপদ গঠিত হয়। ছাগীর দুগ্ধ মিলে খুব সুন্দরভাবে শুদ্ধ সমস্তপদটি তৈরি হয়েছে <strong>ছাগদুগ্ধ</strong>। বাকি অপশনগুলোতে সমস্তপদ গঠনের ক্ষেত্রে সামান্য ভুল বা অসামঞ্জস্য রয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ধ তৎসম</strong>। কারণ, সংস্কৃত শব্দগুলো প্রাকৃত ভাষার বিবর্তনের মাধ্যমে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে অর্ধ তৎসম শব্দ বলা হয়।</p>
<p>যেমন—</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দ 'গৃহিণী' পরিবর্তিত হয়ে প্রথমে হলো 'গিন্নি' এবং পরবর্তীতে কথ্য ভাষায় তা হয়েছে <strong>'গিন্নী'</strong>।</li>
<li>ঠিক একইভাবে, 'জ্যোৎস্না' থেকে 'জোছনা', এবং 'শ্রাদ্ধ' থেকে 'ছেরাদ্দ' শব্দগুলোও অর্ধ তৎসম শব্দের চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>তাই একটু খেয়াল করলেই দেখবেন, সংস্কৃত শব্দের কিছুটা বিকৃত বা পরিবর্তিত রূপই হলো অর্ধ তৎসম!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্থের কু-প্রভাব</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবেন, তামা যেমন একসময় নষ্ট হয়ে যায় বা তার গুণ হারিয়ে ফেলে, ঠিক তেমনি অতিরিক্ত অর্থের কারণে মানুষের নৈতিকপতন বা তার ওপর টাকার যে খারাপ প্রভাব পড়ে, সেটাই এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্থবোধকতা</strong>। কারণ, একটি সার্থক বাক্য তৈরি হতে হলে পদের পাশাপাশি তাতে মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ পাওয়ার মতো অর্থবোধকতা থাকতে হবে। অর্থাৎ, বাক্যটি শোনার পর শ্রোতার কাছে তার অর্থ একদম পরিষ্কার হওয়া জরুরি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্থবোধক শব্দসমষ্টি</strong>। কারণ, কেবল কিছু শব্দ পাশাপাশি বসলেই তাকে বাক্য বলা যায় না; সেই শব্দগুলোকে অবশ্যই একত্রে মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ ও পরিষ্কার অর্থ প্রকাশ করতে হবে। মনের ভাব পুরোপুরি প্রকাশের জন্য শব্দের এমন সুবিন্যস্ত মেলবন্ধনই হলো একটি আদর্শ বাক্য।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: ধ্বনি দৃশ্যমান</strong>, কারণ এই বাক্যটি সঠিক নয়।</p>
<ul>
<li><strong>ধ্বনি কী?</strong> মানুষের মুখ থেকে উৎপাদিত আওয়াজ বা বাচন হলো ধ্বনি, যা আমরা কান দিয়ে শুনি।</li>
<li><strong>দৃশ্যমান নয় কেন?</strong> ধ্বনি মূলত শ্রবণীয় (শোনার বিষয়) এবং উচ্চারণীয় (বলার বিষয়), কিন্তু এটি চোখে দেখা যায় না। তাই ধ্বনি দৃশ্যমান—এই তথ্যটি ভুল।</li>
</ul>
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। বাংলা ভাষায় যে সকল প্রক্রিয়ায় নতুন পদ বা শব্দ তৈরি হয় সমাস তার একটি। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। যেমন: দোয়াত ও কলম = দোয়াতকলম, পীত অম্বর যার = পীতাম্বর (শ্রীকৃষ্ণ)। সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটিকে বলে সমস্ত পদ। যেমন: এখানে দোয়াতকলম, পীতাম্বর হলো সমস্ত পদ। সমস্ত পদ কতগুলো পদের মিলিত রুপ, এই প্রতিটি পদকে বলে সমস্যমান পদ। সমস্ত পদকে বিস্তৃত করে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলে সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য। সমাস শব্দের ব্যুৎপত্তি হলো সম + অস(ধাতু) + অ । সমাসের উদ্দেশ্য অল্পকথায় অধিক ভাব প্রকাশ করা । একটা বিরাট শব্দগুচ্ছকে সমাসের মাধ্যমে সংক্ষেপণ করা যায়। তবে সাহিত্যিক প্রয়োজনেই সংস্কৃত ভাষায় সমাসের আবির্ভাব হয়েছিল বলে মনে করা হয়। কারণ সাহিত্যমূলক কর্মে সমাসের ব্যবহার একে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যোগ্যতা</strong>। বাক্য তৈরির সময় পদের অর্থগত মিল ও ভাবপূর্ণতার একটা ব্যাপার থাকে, যাকে ব্যাকরণের ভাষায় যোগ্যতার বলা হয়।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, বাক্যে যদি এমন সব শব্দ ব্যবহার করা হয় যা প্রচলিত নয় বা যার অর্থ সহজে বোঝা যায় না, তবে বাক্যের ভাব প্রকাশ করার ক্ষমতা বা <strong>যোগ্যতা</strong> নষ্ট হয়ে যায়। তাই সুন্দর ও অর্থপূর্ণ বাক্যগঠনে দুর্বোধ্য শব্দ বর্জন করা উচিত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপতত্ত্বে</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার উপায় হলো—</p>
<ul>
<li>বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক হলো <strong>ধ্বনি</strong>, যা আলোচিত হয় ধ্বনিতত্ত্বে।</li>
<li>আর ধ্বনি দিয়ে তৈরি হয় <strong>শব্দ</strong> এবং শব্দের বিভিন্ন রূপ (যেমন: পদ, বচন, লিঙ্গ, কারক, সমাস ইত্যাদি), যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী আলোচিত হয় <strong>রূপতত্ত্বে</strong> বা শব্দতত্ত্বে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।