<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অলুক সমাস</strong>। খুব সহজ একটা ট্রিক দিয়ে বিষয়টি মনে রাখতে পারো— 'অ' মানে হলো না, আর 'লুক' মানে হলো লোপ পাওয়া বা মিলিয়ে যাওয়া। অর্থাৎ, যে সমাসে সমাস করার পরেও পদের বিভক্তি গায়েব বা লোপ পায় না, সেটাই হলো অলুক সমাস।</p>
<ul>
<li>যেমন: গায়ে পদ, মুখে ভাত—এখানে 'গায়ে'-এর 'এ' এবং 'মুখে'-এর 'এ' বিভক্তি ঠিকই থেকে গেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় বিভক্তিযুক্ত পদ দেখলে আর বিভক্তি লোপ না পেলে চোখ বন্ধ করে অলুক সমাস দাগিয়ে দেবে!</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: ব্যধিকরণ বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে বোঝার শর্টকাট:</p>
<ul>
<li>যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ এবং পরপদ দু'টিই বিশেষ্য পদ হয় এবং তাদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে <strong>ব্যধিকরণ বহুব্রীহি</strong> বলে।</li>
<li>'বীণাপাণি' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>বীণা পাণিতে যার</strong>।</li>
<li>এখানে 'বীণা' (বিশেষ্য) এবং 'পাণি' বা হাত (বিশেষ্য)—দু'টি পদই বিশেষ্য এবং এদের বিভক্তি বহাল রয়েছে, যা বীণাপাণি দেবী সরস্বতীকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সহার্থক বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক দিয়ে এটা মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদে 'সহ' বা 'স' (সঙ্গে বা শহীদ অর্থ) থাকে এবং তা বহুব্রীহি সমাস বোঝায়, তাকে সহার্থক বহুব্রীহি বলে।</li>
<li>যেমন— 'অর্থের সহিত বর্তমান' = সার্থক। এখানে 'সহ' বা 'স' যুক্ত হয়ে সহবত বা কোনো কিছুর উপস্থিতি বোঝাচ্ছে, তাই এটি নির্দ্বিধায় সহার্থক বহুব্রীহি সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যধিকরণ বহুব্রীহি</strong>। খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো, যে বহুব্রীহি সমাসের প্রথম পদ এবং শেষ পদ দুটির কোনোটিই বিশেষণ নয় (অর্থাৎ উভয় পদই বিশেষ্য পদ), তাকেই ব্যধিকরণ বহুব্রীহি বলে।</p>
<p>যেমন— 'বীণাপাণি' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'বীণা পাণিতে যার' (বীণা ও পাণি দুটিই বিশেষ্য)। যেহেতু এখানে পরপদটি বিশেষ্য, তাই এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের চমৎকার একটি উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নংঞ তৎপুরুষ</strong>। সমাসটি খুব সহজে চেনার একটা দারুণ উপায় হলো এর গঠন বা অর্থ।</p>
<ul>
<li>'নাতিশীতোষ্ণ' শব্দটিকে ভাঙলে পাওয়া যায়: <strong>ন অতি শীতোষ্ণ</strong>।</li>
<li>এখানে 'ন' বা 'না' অব্যয়টি যুক্ত হয়ে মূলত না-বোধক বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে।</li>
<li>যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে না-বাচক অব্যয় (যেমন: অ, ন, না, নাই) বসে এবং পরের পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, তাকেই <strong>নংঞ তৎপুরুষ</strong> সমাস বলে।</li>
</ul>
<p>তাই খুব সহজেই বলা যায়, এটি নংঞ তৎপুরুষ সমাসের একটি দারুণ উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong>। সমাস চেনার উপায়টা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>কৃৎ পদ বলতে বোঝায় কোনো ক্রিয়ামূলের সাথে প্রত্যয়যুক্ত শব্দকে।</li>
<li>যখন কোনো কৃদন্ত পদের আগে একটি বিশেষ পদ বা উপপদ থাকে এবং তাদের মধ্যে সমাস হয়, তখন তাকে এককথায় <strong>উপপদ তৎপুরুষ সমাস</strong> বলা হয়।</li>
<li>যেমন: পঙ্কে জন্ম যার = পঙ্কজ। এখানে 'পঙ্ক' হলো উপপদ এবং 'জ' হলো কৃদন্ত পদ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিত্যসমাস</strong>।</p>
<p>যে সমাসে ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না বা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্যসমাস বলে। 'কেবল দর্শন' একটি নিত্যসমাসের উদাহরণ, যেখানে 'কেবল' পদটি দিয়ে নিশ্চিতভাবে নির্দিষ্ট কোনো ভাব প্রকাশ করা হয়েছে। তাই এটি অন্য কোনো সমাসের নিয়মে পড়ে না।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নঞ্ তৎপুরুষ</strong> সমাস।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন—</p>
<ul>
<li>'অনেক' শব্দটিকে ব্যাসবাক্য করলে হয় <strong>'ন এক'</strong>।</li>
<li>যে সমাসে পূর্বপদে না বোধক বা নঞ্ অর্থ (ন, নাই, নেই) প্রকাশ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে <strong>নঞ্ তৎপুরুষ সমাস</strong> বলে।</li>
<li>এখানে 'ন' বা না-সূচক অব্যয় যোগে 'এক' এর বিপরীত বা অভাব অর্থে 'অনেক' শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নঞর্থক বহুব্রীহি</strong> সমাস। খুব সহজ একটা ট্রিক দিয়ে এটি চেনা যায়:</p>
<ul>
<li>যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদে না বা সূচক অব্যয় (যেমন: অ, না, নি, বে) থাকে এবং সমস্তপদটি দ্বারা কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাকে <strong>নঞর্থক বহুব্রীহি</strong> বলে।</li>
<li>'নিষ্কলঙ্ক' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>নিয় বা নাই কলঙ্ক যার</strong>। </li>
<li>এখানে 'নি-' উপসর্গটি না-বোধক অর্থ প্রকাশ করে এবং সমস্তপদটি দিয়ে এমন একজনকে বোঝায় যার কোনো কলঙ্ক নেই। তাই এটি নিশ্চিতভাবেই নঞর্থক বহুব্রীহি সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: প্রাদি</strong> সমাস।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায় হলো— 'উদ্বাস্তু' শব্দটিতে 'উৎ' উপসর্গ যুক্ত রয়েছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, প্রাদি সমাসের ক্ষেত্রে উপসর্গ বা প্রাদি পদের সঙ্গে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয়, তাকে প্রাদি সমাস বলে। এখানে 'উৎ' উপসর্গের সাথে 'বাস্তু' পদের যোগে এই শব্দ গঠিত হয়েছে, যা প্রাদি সমাসের চমৎকার একটি উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভিটা</strong>। কারণ প্রাকৃত ভাষার বিবর্তনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে যে শব্দগুলো সরাসরি বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়। 'ভিটা' শব্দটি সংস্কৃত 'ভিস্তিকা' বা প্রাকৃত 'ভিট্টি' থেকে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, তাই এটি একটি তদ্ভব শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অগভীর সতর্ক নিদ্রা</strong>।</p>
<p>‘কাকনিদ্রা’ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা। কাকেরা খুব সামান্য শব্দেই বা সামান্য আভাবেই সজাগ হয়ে ওঠে এবং গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকে না। এই স্বভাব থেকেই মূলত যে ঘুম বা নিদ্রা খুব হালকা হয় এবং একটুতেই ভেঙে যায়, তাকেই খুব সুন্দরভাবে <strong>‘কাকনিদ্রা’</strong> বা <strong>অগভীর সতর্ক নিদ্রা</strong> বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ম্যাকলুহান</strong>।</p>
<p>বিশ্বগ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজ (Global Village) ধারণাটি প্রথম সবার সামনে নিয়ে আসেন কানাডীয় যোগাযোগ তাত্ত্বিক <strong>মার্শাল ম্যাকলুহান</strong> (Marshall McLuhan)। তিনি ১৯৬০-এর দশকে তাঁর বিখ্যাত বইয়ে প্রযুক্তির প্রসারে পুরো পৃথিবী কীভাবে একটি ছোট্ট গ্রামের মতো একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে গেছে, সেই ধারণাই তুলে ধরেছিলেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অলঙ্কার</strong>। কারণ সারাংশ মানে হলো কোনো বড় রচনাকে মূলভাব ঠিক রেখে ছোট করে ফুটিয়ে তোলা।</p>
<ul>
<li>সারাংশে লেখার সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য কোনো ধরনের রূপক, অলঙ্কার বা অতিরিক্ত বাড়িয়ে বলার প্রয়োজন হয় না।</li>
<li>এটি সবসময় সহজ, সরল এবং প্রাঞ্জল ভাষায় প্রকাশ করতে হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অলম + কার</strong>।</p>
<p>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ব্যঞ্জনধ্বনির সাথে ম-কার যুক্ত হয়ে অনুস্বার ($ं$) এ রূপান্তরিত হয়। তাই সন্ধি করার সময় 'ম' স্থানে অনুস্বার বসে এবং শব্দটি হয়:</p>
<ul>
<li>$\text{অলম} + \text{কার} = \text{অলঙ্কার}$</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ম-ফলার বা ম-কার যুক্ত ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে এই নিয়মটি মনে রাখলেই উত্তরটি খুব সহজে বের করা যায়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।