<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দশম শতাব্দী</strong>। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ অধিকাংশ ভাষাবিদের মতে, বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ রচনার সময়কাল থেকেই এই ভাষার মূল ভিত্তি গড়ে ওঠে। ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিচার বিশ্লেষণে তাই বাংলা ভাষার উদ্ভবকাল হিসেবে <strong>দশম শতাব্দী</strong>কেই সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নবদ্বীপে</strong>। কারণ শ্রী চৈতন্যদেব ১৪৮৬ খ্রিস্টাব্দের ফাল্গুনী পূর্ণিমার রাতে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার নবদ্বীপ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ভক্তিবাদী এই মহামানব তাঁর আজীবন প্রচার ও সংকীর্তনের মাধ্যমে বাংলার আধ্যাত্মিক ইতিহাসে এক অনন্য বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নব + অন্ন</strong>। খুব সহজেই এটি মনে রাখতে পারite পারেন:</p>
<ul>
<li>শব্দটির শুরুতে রয়েছে <strong>'নব'</strong> এবং শেষে রয়েছে <strong>'অন্ন'</strong>।</li>
<li>সন্ধির নিয়মানুযায়ী, 'নব' শব্দের শেষের অ (অ-কার) এবং 'অন্ন' শব্দের শুরুর 'অ' মিলে একসঙ্গে আকার (আ-কার) হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, $অ + অ = আ$, যা যুক্ত হয়ে তৈরি করে <strong>'নবান্ন'</strong> ($\text{নব} + \text{অন্ন} = \text{নবান্ন}$)।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নব + ঊঢ়া</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার কিংবা আ-কারের পর যদি উ-কার বা ঊ-কার থাকে, তবে উভয় মিলে 'ও-কার' ($ও$) হয়। এই নিয়মকে বলা হয় গুণসন্ধি।</p>
<ul>
<li>শব্দের প্রথম অংশ: <strong>নব</strong> (যার শেষে 'অ' আছে)</li>
<li>শব্দের দ্বিতীয় অংশ: <strong>ঊঢ়া</strong> (যার শুরুতে 'ঊ' আছে)</li>
<li>নিয়ম: $\text{অ/আ} + \text{উ/ঊ} = \text{ও}$</li>
<li>মিলিত রূপ: $\text{নব} + \text{ঊঢ়া} = \text{নবোঢ়া}$</li>
</ul>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার কৌশল হলো— 'নবোঢ়া' শব্দটিকে ভাঙলে শেষে 'ঊঢ়া' (দীর্ঘ ঊ দিয়ে) লিখতে হয়, যা এই সন্ধির ক্ষেত্রে সঠিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নব যে পৃথিবী</strong>। কারণ এটি একটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।</p>
<p>যেখানে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ মিলে অভেদ বা সমতা বোঝাতে 'যে' পদটি ব্যবহার করে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয়। ঠিক একইভাবে 'নব' (নতুন) এবং 'পৃথিবী' মিলে তৈরি হয়েছে <strong>নব যে পৃথিবী</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নব + অন্ন</strong>। খুব সহজে বিষয়টি মনে রাখার একটা দারুণ টেকনিক আছে!</p>
<ul>
<li>শব্দটির মাঝখানে যদি 'আ' কার ($_ा$) বা দীর্ঘ স্বরধ্বনি থাকে, তবে সাধারণত সেটি স্বরসন্ধি হয়।</li>
<li>'নবান্ন' শব্দটিকে ভাঙলে পাই: <strong>নব</strong> (যার শেষ ধ্বনি 'অ') এবং <strong>অন্ন</strong> (যার শুরু 'অ')।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ + অ মিলে আ হয় ($অ + অ = আ$)।</li>
<li>তাই 'নব' এর সাথে 'অন্ন' যোগ হয়ে সুন্দরভাবে তৈরি হয় <strong>নবান্ন</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নব + ঊঢ়া</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ বা আ-এর পর যদি উ বা ঊ থাকে, তবে উভয় মিলে 'ও-কার' ($ও$) হয় এবং তা আগের বর্ণে যুক্ত হয়ে যায়।</p>
<ul>
<li><strong>নব</strong> শব্দের শেষে 'অ' আছে।</li>
<li>পরের শব্দ <strong>ঊঢ়া</strong>-র শুরুতে 'ঊ' আছে।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী অ + ঊ মিলে 'ও' (ো) কার হয়েছে, যা ব-এর সাথে যুক্ত হয়ে 'নবোঢ়া' রূপ নিয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুলটা</strong>। কারণ এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।</p>
<p>ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম মেনে সব সন্ধি হয় না। কিছু শব্দ কোনো রকম নিয়ম বা সূত্র না মেনেই প্রাকৃতিকভাবে গঠিত হয়, যেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ বলা হয়। 'কুলটা' শব্দটি 'কুল + অল্টা' ভেঙে এই নিয়মের আওতাতেই গঠিত হয়েছে, তাই এর ক্ষেত্রে সাধারণ সন্ধির কোনো নিয়ম খাটবে না।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: নদী মাতা যার</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! 'নদীমাতৃক' হলো একটি বহুব্রীহি সমাস। এই ধরনের শব্দে পূর্বপদ ও পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ করে। 'নদীমাতৃক' শব্দটির ব্যাসববাক্য করলে দাঁড়ায় 'নদী মাতা যার' অর্থাৎ যে দেশকে নদী মায়ের মতো স্নেহ ও লালন-পালন করে। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর হিসেবে এটিই নির্বাচিত হবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভিটা</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক মনে রেখো—যেসব শব্দ প্রাকৃত ভাষার বিবর্তনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে সরাসরি বাংলা ভাষায় জায়গা করে নিয়েছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলে। সংস্কৃত 'বিষ্টি' বা প্রাকৃত 'বিট্টি' থেকে পরিবর্তিত হয়ে আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের <strong>ভিটা</strong> শব্দটি এসেছে। তাই এটি একটি খাঁটি তদ্ভব শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: রাত</strong>। খুব সহজে মনে রাখার জন্য মনে রাখবেন, 'শর্বরী' একটি সুন্দর ঐতিহ্যবাহী শব্দ যার বাংলা প্রতিশব্দ হলো রাত্রি বা রাত। বাংলা ব্যাকরণে ও কাব্যে এই শব্দটি প্রায়ই রাতের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মেঘ</strong>। খুব সহজে মনে রাখার একটা দারুণ টেকনিক হলো, বাংলা ব্যাকরণে শব্দের শেষে 'দ' যুক্ত হলে সাধারণত তা 'জল বা পানি দেয়' এমন কিছুকে বোঝায়।</p>
<ul>
<li>জল + দ = জলদ, অর্থাৎ যে জল দান করে বা দেয়।</li>
<li>আমরা জানি আকাশ থেকে জল বা বৃষ্টি বর্ষণ করে একমাত্র মেঘ।</li>
<li>অন্যদিকে, 'জলধি' বা 'জলধিঃ' মানে সাগর, কারণ সেখানে জল ধারণ করে রাখা হয় (শেষে 'ধি' থাকলে ধারণ করা বোঝায়)।</li>
</ul>
<p>তাই একটু খেয়াল রাখলেই বোঝা যায়, জল দেয় বলে 'জলদ' কথাটি সরাসরি <strong>মেঘ</strong>-এর প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নথিপত্র</strong>।</p>
<p>বাংলা বানান নিয়মে 'থ' বর্ণের আগের বর্ণে সাধারণত মূর্ধন্য <strong>ণ</strong> না হয়ে দন্ত্য <strong>ন</strong> হয়। যেমন— গ্রন্থ, পন্থা, অন্ধ ইত্যাদি। এই নিয়ম অনুযায়ী 'নথি' শব্দটির সাথে 'পত্র' যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি হবে <strong>নথিপত্র</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নতুন</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার একটি ট্রিক হলো— 'অর্বাচীন' শব্দটির ব্যাখ্যামূলক অর্থ হলো যা সবেমাত্র জন্ম নিয়েছে বা আধুনিক। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'প্রাচীন' (পুরোনো)। তাই প্রাচীন মানে যদি পুরোনো হয়, তবে অর্বাচীন মানে দাঁড়ায় একদম <strong>নতুন</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।