<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নি + ঊন</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়ম অনুযায়ী, 'নি' উপসর্গের সঙ্গে 'ঊন' যুক্ত হয়ে 'ন্যূণ' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এখানে ই-কার বা ঈ-কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে ই/ঈ স্থানে য-ফলা ($্য$) হয় এবং পরবর্তী দীর্ঘ স্বরধ্বনি তার কারচিহ্ন হিসেবে যুক্ত থাকে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিঃ + ঠুর</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর যদি 'ঠ' থাকে, তবে সেই বিসর্গটি মূর্ধন্য 'ষ' (ষ্) এ রূপান্তরিত হয়। যেমন:</p>
<ul>
<li>নিঃ + ঠুর = নিষ্ঠুর</li>
<li>নিঃ + স্থান = নিষ্ঠিত</li>
</ul>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার জন্য, বিসর্গের জায়গায় একটি বিসর্গযুক্ত পদ বসিয়ে দিলেই সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদটি পেয়ে যাবেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিঃ + আকর</strong>। কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ (ঃ)-এর পর স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গ লোপ পেয়ে কিংবা বিসর্গ স্থানে র/রেফ হয়ে এই ধরনের শব্দ গঠিত হয়।</p>
<ul>
<li>প্রথমে মূল শব্দটি ভেঙে <strong>নিঃ</strong> এবং <strong>আকর</strong> আলাদা করা হয়।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের সাথে 'আ' যুক্ত হয়ে 'রা' তৈরি করে এবং শব্দটি মিলে যায় <strong>নিরাকার</strong>-এ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আনি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় উপসর্গগুলো নির্দিষ্ট কিছু শব্দ বা অব্যয় যা শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।</p>
<ul>
<li><strong>প্রতি</strong>, <strong>অপি</strong> এবং <strong>নি</strong>—এগুলো বাংলা বা সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী স্বীকৃত উপসর্গ।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>আনি</strong> কোনো উপসর্গ নয়। এটি মূলত কোনো শব্দের শেষে যুক্ত হওয়া একটি প্রত্যয় বা বিভক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে, কিন্তু শব্দের শুরুতে বসে নতুন কোনো অর্থ তৈরি করার ক্ষমতা এর নেই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উপসর্গ চেনার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শব্দের শুরুতে এদের অবস্থান খেয়াল করা। যেহেতু 'আনি' শব্দের শুরুতে বসে অর্থ পরিবর্তন করতে পারে না, তাই এটি উপসর্গ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: দন্ত্য</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার একটা দারুণ উপায় হলো বাংলা বর্ণমালার উচ্চারণ স্থানগুলোর বর্গীয় বিভাজন। একটু খেয়াল করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়:</p>
<ul>
<li>ক-বর্গীয় ধ্বনিগুলো হলো কণ্ঠ্য (ক, খ, গ, ঘ, ঙ)</li>
<li>চ-বর্গীয় ধ্বনিগুলো হলো তালব্য (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ)</li>
<li>ট-বর্গীয় ধ্বনিগুলো হলো মূর্ধন্য (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ)</li>
<li><strong>ত-বর্গীয় ধ্বনিগুলো হলো দন্ত্য (ত, থ, দ, ধ, ন)</strong></li>
<li>প-বর্গীয় ধ্বনিগুলো হলো ওষ্ঠ্য (প, ফ, ব, ভ, ম)</li>
</ul>
<p>যেহেতু 'ত' বর্ণটি ত-বর্গীয় এবং উচ্চারণ করার সময় আমাদের জিহ্বা দাঁতে স্পর্শ করে, তাই এটি একটি <strong>দন্ত্য</strong> ধ্বনি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সেলিনা হোসেন</strong>।</p>
<p>‘যাপিত জীবন’ কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রশংসিত উপন্যাস। এই উপন্যাসে তিনি অসাধারণভাবে তৎকালীন সমাজবাস্তবতা ও মানুষের জীবনের নানামুখী সংগ্রাম তুলে ধরেছেন।</p>
<p>‘মনসাবিজয়’ কাব্যের রচয়িতা হলেন <strong>বিপ্রদাস পিপিলাই</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মনসামঙ্গল কাব্যের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে তিনি পরিচিত।</p>
<ul>
<li>বিপ্রদাস পিপিলাইয়ের এই কাব্যটি মূলত ১৪৯৫ সালে রচিত হয়েছিল।</li>
<li>তিনি তাঁর কাব্যে তৎকালীন সমাজব্যবস্থা এবং মনসা দেবীর মাহাত্ম্য অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তাঁর এই সৃষ্টিটি বাংলা সাহিত্যের ধারায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</li>
</ul>
<p>‘দৃষ্টিপাত’ উপন্যাসের লেখক ‘যাযাবর’-এর প্রকৃত নাম হলো <strong>বিনয় মুখোপাধ্যায়</strong>। বাংলা সাহিত্যের পাঠকদের কাছে তিনি তাঁর ছদ্মনাম ‘যাযাবর’ হিসেবেই বেশি পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>যাযাবর</strong> ছদ্মনামটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি ও উপন্যাস <strong>‘দৃষ্টিপাত’</strong>-এর মাধ্যমেই তিনি সাহিত্য জগতে বিশেষ পরিচিতি পান।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই ছদ্মনাম থেকে প্রশ্ন আসে, তাই মনে রাখবেন: <strong>যাযাবর = বিনয় মুখোপাধ্যায়</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>একাদশ</strong>। কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট নিয়মের তোয়াক্কা না করে সরাসরি প্রাকৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। অর্থাৎ, এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।</p>
<ul>
<li>শব্দটি ভাঙলে সাধারণ কোনো সন্ধির নিয়ম খাপ খায় না, তাই একে সরাসরি মুখস্থ রাখতে হয়।</li>
<li>অন্য অপশনগুলো যেমন— পশ্বাধাম, গায়ক বা নায়ক নির্দিষ্ট স্বরসন্ধি বা অন্য ব্যাকরণগত নিয়মের মাধ্যমেই গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো <strong>নারী/নারি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী, যেসব তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে দীর্ঘ-ই-কার (ী) ব্যবহৃত হয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে সাধারণত দীর্ঘ-ই-কারই বজায় থাকে।</li>
<li><strong>নারী</strong> একটি তৎসম শব্দ, তাই এখানে দীর্ঘ-ই-কার ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, বাংলা ভাষায় অনেক ক্ষেত্রে শব্দের শেষে দীর্ঘ-ই-কারের পরিবর্তে হ্রস্ব-ই-কার (ি) ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে, তবে <strong>নারি</strong> শব্দটি অনেক সময় বিশেষ প্রেক্ষাপটে বা চলিত রীতিতে ব্যবহৃত হতে দেখা যায়।</li>
<li>মূলত, শব্দের গঠন ও ব্যাকরণিক নিয়ম অনুযায়ী এই দুটি বানানই নির্দিষ্ট শব্দভাণ্ডারে শুদ্ধ হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নাম বিশেষণ</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, যে পদ বা শব্দ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ করে এবং বিশেষ্য পদের ঠিক আগে বসে তার বিশেষত্ব বোঝায়, তাকে নাম বিশেষণ বলে। যেমন—'নীল আকাশ' এখানে 'নীল' শব্দটি আকাশ (বিশেষ্য) পদের গুণ প্রকাশ করছে।</p>
১০০৩২
সভয়ে লোকটি বলল, বাঘ আসছে। এখানে ‘সভয়ে’ পদটি কোন বিশেষণের উদাহরণ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষণের বিশেষণ</strong>। কারণটা খুব সহজ—</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে <strong>'বলল'</strong> হলো একটি ক্রিয়াপদ এবং লোকটি কীভাবে বলল তা বোঝাতে <strong>'সভয়ে'</strong> (ভয়ের সাথে) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ক্রিয়ার ভাব বা অবস্থাকে প্রকাশ করছে।</li>
<li>যখন কোনো পদ ক্রিয়াপদের কাজের ধরন বা ভাব প্রকাশ করে, তখন তাকে <strong>ক্রিয়া বিশেষণ</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>একটু খেয়াল করলেই বিষয়টি পানির মতো পরিষ্কার হয়ে যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জবান</strong>। খুব সহজে মনে রাখার জন্য শব্দার্থের বিষয়টি সরাসরি মুখস্থ রাখতে হয়, যেখানে ফার্সি বা আরবি ভাষা থেকে আসা 'জব' শব্দের অর্থ হিসেবে 'জবান' বা কথা ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পয়োধি</strong>। কারণটা খুব সহজ—বাকি শব্দগুলোর সাথে 'হত' শব্দের অর্থের সরাসরি মিল রয়েছে।</p>
<ul>
<li>'হত' মানে হলো যা মারা গেছে বা ধ্বংস হয়ে গেছে। সেই হিসেবে <strong>নষ্ট</strong>, <strong>মৃত</strong> এবং <strong>নাপিত</strong> (পুরানো বা আঞ্চলিক অর্থে অনেক সময় ব্যবহৃত হয়) শব্দগুলো এই ভাবার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>পয়োধি</strong> শব্দটির অর্থ হলো সমুদ্র বা সাগর। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ বহন করে, তাই এটি 'হত' শব্দের প্রতিশব্দ হওয়ার কোনো সুযোগই নেই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দার্থের দিক থেকে পয়োধি এখানে একদমই বেমানান!</p>
<p>শায়েররা যে সাহিত্য রচনা করেছেন তাকে <strong>দোভাষী সাহিত্য</strong> বলা হয়। এর পেছনের কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে আরবি, ফারসি ও হিন্দি শব্দের মিশ্রণে এক বিশেষ ধরনের মিশ্র ভাষার সৃষ্টি হয়েছিল।</li>
<li>এই মিশ্র ভাষায় রচিত সাহিত্যকেই মূলত <strong>দোভাষী সাহিত্য</strong> বা দোভাষী পুঁথি বলা হয়।</li>
<li>শায়েররা মূলত এই ধারার মাধ্যমেই তাদের কাব্যচর্চা করতেন, তাই এই সাহিত্যিক ধারাটি তাদের নামেই পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাষার এই সংমিশ্রণই এই সাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য, যা একে অন্যান্য সাহিত্য থেকে আলাদা করেছে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।