<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবিনশ্বর</strong>। কথাটি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়— 'নশ্বর' মানে যার বিনাশ বা ধ্বংস আছে, আর এর আগে 'অ' যুক্ত করে তৈরি হয়েছে 'অবিনশ্বর', যার মানে হলো যা কখনো নষ্ট বা ধ্বংস হয় না।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবিনশ্বর</strong>। কারণ 'যা কখনো নষ্ট হয় না'—এই বাক্যটির অর্থ প্রকাশ করতে এক কথায় <strong>অবিনশ্বর</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এর মূল গঠন হলো 'নিনাশ' বা 'নশ' (নষ্ট হওয়া) ধাতুর সাথে 'অ' এবং 'ঈশ্বর' বা এ জাতীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি তৈরি হয়েছে, যার সোজা মানে হলো যার কোনো বিনাশ বা ধ্বংস নেই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নগেন্দ্র</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই বিষয়টি বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>নৃপতি</strong>, <strong>ভূপতি</strong> এবং <strong>নরেন্দ্র</strong>—এই তিনটি শব্দের অর্থই হলো রাজা বা সম্রাট।</li>
<li>পক্ষান্তরে, <strong>নগেন্দ্র</strong> শব্দের অর্থ হলো পর্বতমালার রাজা বা পাহাড় (নগ + ইন্দ্র)।</li>
<li>অর্থের দিক থেকে বাকি তিনটি রাজা বোঝালেও এটি ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: দ্বিজ কানাই</strong>।</p>
<p>ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম জনপ্রিয় ও বিখ্যাত পালা হলো 'মহুয়া'। এই করুণ প্রেমের পালাটি সংগ্রহ ও রূপদান করেছেন কবি <strong>দ্বিজ কানাই</strong>। এই নাট্যরূপী গীতিকায় মহুয়া ও নদের চাঁদের প্রেমের এক অমর কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে, যা বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নয়ছয়</strong>। কারণ 'সঞ্চয়' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু জমিয়ে রাখা বা গুছিয়ে রাখা। আর এর একদম উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'নয়ছয়' শব্দটি, যার অর্থ হলো অপচয় করা বা নষ্ট করে ফেলা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নভোতল</strong>।</p>
<p>শব্দার্থ মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো, 'শিতিতল' শব্দটি মূলত আকাশ বা মহাশূন্যের বিশালতাকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়, যার সহজ অর্থ হলো <strong>নভোতল</strong> বা আকাশ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: সোম</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল হলো— চন্দ্র বা চাঁদের অনেকগুলো কাব্যিক ও পৌরাণিক নাম রয়েছে। এর মধ্যে <strong>‘সোম’</strong> হলো চাঁদের একটি জনপ্রিয় এবং সরাসরি সমার্থক শব্দ। তাছাড়া চন্দ্রের অন্যান্য পরিচিত সমার্থক শব্দগুলোর মধ্যে শশাঙ্ক, চাঁদ, বিধু, সুধাংশু ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। তাই অপশনগুলোর মধ্যে ‘সোম’ দেখলেই নিশ্চিতভাবে দাগিয়ে ফেলা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option C: নৌ + ইক</strong>। খুব সহজ একটা ট্রিক দিয়ে বিষয়টি মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, সন্ধির সময় যদি প্রথম শব্দের শেষে <strong>'ও'</strong> বা <strong>'ঔ'</strong> কার থাকে এবং তার পরে যদি কোনো স্বরধ্বনি বসে, তবে সেটির জায়গায় যথাক্রমে <strong>'অব'</strong> বা <strong>'আব'</strong> হয়ে যায়।</li>
<li>যেমন— <strong>নৌ + ইক</strong> মিলে হয়ে যায় <strong>নাবিক</strong> (নৌ-এর ঔ + ই = আবি)।</li>
<li>তাই একটু খেয়াল করলেই এই ধরনের অয়াাদি সন্ধিগুলো খুব সহজে চিনে ফেলা যায়।</li>
</ul>
১০০৬০
'তিনি ব্যক্তি নহেন, তিনি একটি প্রতিষ্ঠান' - উক্তিটি কার?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: আচার্য ক্ষিতিমোহন সেনের</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত উক্তিটি মূলত পন্ডিত ও গবেষক আচার্য ক্ষিতিমোহন সেন সম্পর্কে করা হয়েছিল। তাঁর বহুমুখী প্রতিভা, বিশাল ব্যক্তিত্ব এবং জ্ঞানচর্চার পরিধি এতটাই বিস্তৃত ছিল যে তাঁকে একক কোনো ব্যক্তি হিসেবে না দেখে একটি আস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: প্রমথ চৌধুরী</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক দিয়ে মনে রাখতে পারেন: বাংলা সাহিত্যে প্রমথ চৌধুরী তার বিদ্রূপাত্মক ও প্রগতিশীল লেখালেখির জন্য 'বীরবল' ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন। তার সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকা 'সবুজপত্র'-এ এই ছদ্মমুখে তিনি অনেক লেখা লিখেছিলেন। তাই পরীক্ষার হলে 'বীরবল' দেখলেই চোখ বন্ধ করে প্রমথ চৌধুরী দাগিয়ে দেওয়া যায়!</p>
১০০৬২
কোন লেখক ব্যক্তিগত রচনাগুলো ‘রৈবতক’ ছদ্মনামে লিখতেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অজিত দত্ত</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক অজিত দত্ত তাঁর অনেক সুন্দর সুন্দর ব্যক্তিগত রচনা বা লঘু প্রবন্ধ লেখার সময় <strong>‘রৈবতক’</strong> ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন। পরীক্ষার জন্য তথ্যটি সরাসরি এভাবেই মনে রাখতে পারো।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিহারীলাল</strong>।</p>
<p>বাংলা গীতি কবিতার ভোরের পাখি ও ছান্দসিক কবি হিসেবে পরিচিত <strong>বিহারীলাল চক্রবর্তীর</strong> একটি অন্যতম বিখ্যাত ও জনপ্রিয় কাব্য হলো এই 'সারদামঙ্গল'। ১৮৭৯ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ইসলামী চেতনাসম্পৃক্ত</strong>। কারণ, বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিশেষ করে দোভাষী পুথিতে ইসলামী ইতিহাস, ঐতিহ্য, কেচ্ছা-কাহিনী এবং ধর্মীয় অনুশাসন অত্যন্ত সহজ-সরল ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হতো। এই সাহিত্যধারার মূল লক্ষ্যই ছিল সাধারণ মুসলমান পাঠকদের মধ্যে ধর্মীয় চেতনা ও নৈতিক শিক্ষা জাগিয়ে তোলা। তাই পুথি সাহিত্য বলতেই মূলত ইসলামী ভাবধারাপুষ্ট সাহিত্যকে বোঝায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নবরত্ন</strong>। কারণ এটি একটি বহুব্রীহি সমাস বা সংখ্যাবাচক শব্দগুলোর মিলনে তৈরি শব্দ। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, নয়টি রত্নের সমাহার এককথায় প্রকাশ করলে তা হয় <strong>নবরত্ন</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।