<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফকির গরীবুল্লাহ</strong>। কারণ মধ্যযুগের পুথি সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক কাব্য 'জঙ্গনামা' রচনা করেছেন কবি ফকির গরীবুল্লাহ। ঐতিহাসিক নানা যুদ্ধ ও বীরত্বগাথার কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে তিনি এই অমর কাব্যটি সৃষ্টি করেন, যা আমাদের সাহিত্য ইতিহাসে দারুণভাবে সমাদৃত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: মুহাম্মদ মুকিম</strong>। কারণ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট পুথি সাহিত্যিক মুহাম্মদ মুকিম ফার্সি কাহিনীর অনুসরণে জনপ্রিয় রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান <strong>‘গুল-ই-বকাওলী’</strong> গ্রন্থটি রচনা করেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গাজী মিয়া</strong>। মীর মোশাররফ হোসেন তার বিখ্যাত 'গাজী মিয়ার বস্তানী' গ্রন্থটি লেখার সময় এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করেছিলেন। এই মজার ও ব্যঙ্গাত্মক রচনার মাধ্যমেই তিনি তৎকালীন সমাজের নানা অসংগতি তুলে ধরেছিলেন, তাই লেখকের নাম হিসেবে 'গাজী মিয়া' বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সব্যসাচী</strong>। কথাটি খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারেন—যিনি ডান ও বাম দুই হাতেই সমান দক্ষতায় কাজ করতে পারেন, তাঁকে এককথায় সব্যসাচী বলা হয়। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বানানের ক্ষেত্রে এটি <strong>সব্যসাচী</strong> (শেষে দীর্ঘী-ঈ কার) হিসেবে লেখা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। কারণ, এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন, যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা ও উপাসনার গান ছিল। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। বাংলা সাহিত্যের সূচনালগ্ন এবং প্রাচীন ইতিহাসের সবচেয়ে প্রামাণিক দলিল হিসেবে একেই প্রথম কবিতা সংকলন হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: দুল্+না</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'দোলনা' শব্দটির মূল বা ধাতু হলো 'দুল্' (যার অর্থ হলো দুলা বা দুলনি)।</li>
<li>এর সাথে 'না' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সন্ধি বা প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মূল ধাতুটিকে চিনে রাখা জরুরি, তাই 'দুল্' ধাতু থেকেই সঠিক রূপটি আসে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: দুল্+অন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'দোলনা' শব্দটি এসেছে <strong>দুল্</strong> ধাতুর সাথে <strong>অন</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে।</li>
<li>কৃৎপ্রত্যয় সাধিত এই শব্দটিতে 'দুল্' ধাতুর উ-কার ওকারে পরিবর্তিত হয়ে 'দোলনা' রূপ ধারণ করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দোলনা</strong>। কারণ 'দোল' মূল শব্দের সাথে <strong>'অনা'</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদটি গঠিত হয়েছে, যার অর্থ হলো যা দিয়ে দোল খাওয়া হয়। খুব সহজেই শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়: দোল + অনা = দোলনা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>‘সুরঞ্জনা, ওইখানে যেও নাকো তুমি’</strong>। কারণ বাক্যটিতে কাউকে কোনো কিছু না করার জন্য বারণ বা নিষেধ করা হয়েছে, আর ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অনুরোধ বা নিষেধ বোঝাতে অনুজ্ঞাসূচক বাক্য ব্যবহৃত হয়। এখানে বক্তা সুরঞ্জনাকে নির্দিষ্ট স্থানে যেতে নিষেধ করার মাধ্যমে এক ধরনের অনুরোধ প্রকাশ করেছেন।</p>
১০২৪২
বিদেশাগত বাংলা শব্দের মধ্যে ভিন্ন জাতীয় শব্দগুচ্ছ কোনগুলো?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আড়ং, রং, মোরগ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারো—</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ মিশে আছে, যার মধ্যে কিছু শব্দ এসেছে ফার্সি, আরবি বা অন্য ভাষা থেকে।</li>
<li>কিন্তু <strong>আড়ং</strong> (দেশি শব্দ), <strong>রং</strong> (অস্ট্রিক বা দেশি শব্দ) এবং <strong>মোরগ</strong> (দেশি বা কোল ভাষা থেকে আগত)—এই শব্দগুলো বিদেশি নয়।</li>
<li>অন্য অপশনগুলোর শব্দগুলো মূলত ফার্সি, আরবি বা অন্য বিদেশি ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় এসেছে। তাই ভিন্ন জাতীয় বা দেশি শব্দের এই গুচ্ছটিই এখানে সঠিক।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধুপ</strong>। কারণ 'মধুপ' শব্দটির অর্থ হলো যে মধু পান করে, আর ভ্রমর বা মৌমাছিও ফুলের মধু পান করে উড়ে বেড়ায়। তাই 'ভ্রমর' শব্দের একটি সুন্দর ও প্রচলিত প্রতিশব্দ হলো মধুপ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়</strong>।</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'দীন' শব্দের সাথে 'য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দৈন্য' শব্দটি গঠিত হয়। তাই এর সাথে আবার অতিরিক্ত 'তা' যুক্ত করে 'দৈন্যতা' লেখা পুরোপুরি ভুল।</li>
<li>অন্যদিকে, 'মহৎ' শব্দের সাথে ভাব অর্থে 'ত্ব' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'মহত্ত্ব' শব্দটি সঠিক হয়েছে (এখানে ত্ত যুক্তবর্ণটি হবে)।</li>
<li>তাই শুদ্ধ রূপটি হলো <strong>"দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়"</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: সব্যসাচী</strong>।</p>
<p>যিনি ডান ও বাম—উভয় হাত সমান দক্ষতায় ব্যবহার করতে পারেন, তাঁকেই এক কথায় <strong>সব্যসাচী</strong> বলা হয়। যেমন, মহাভারতের অর্জুন উভয় হাতে তীর চালাতে পারতেন বলে তাঁকে সব্যসাচী বলা হতো। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এটি একটি বহুল ব্যবহৃত এবং প্রমিত বাংলা এককথায় প্রকাশ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।