<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নঞ তৎপুরুষ</strong>। খুব সহজেই এটি চেনার চমৎকার একটি উপায় আছে:</p>
<ul>
<li>যে সমাসে পূর্বপদে না বা অ-সূচক উপসর্গ (যেমন: ন, না, নাই, অ, অন্) থাকে এবং পদের মাধ্যমে না-বোধক অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে <strong>নঞ তৎপুরুষ সমাস</strong> বলে।</li>
<li>এখানে 'অলৌকিক' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>ন লৌকিক</strong>। অর্থাৎ, যা লৌকিক নয়।</li>
<li>যেহেতু এখানে সামনে 'ন' বা না-বোধক অর্থ যুক্ত হয়ে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই নঞ তৎপুরুষ সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: অলুক দ্বন্দ্ব</strong>।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>'দেশে বিদেশে' কথাটিতে দুটি পদই সমান গুরুত্ব পায় এবং মাঝের সংযোজক অব্যয় ('ও') উহ্য থাকে, যা দ্বন্দ্ব সমাসের বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>পাশাপাশি, সমস্ত পদে প্রথম পদ অর্থাৎ 'দেশে'-এর বিভক্তি (এ) লোপ পায়নি। </li>
<li>যে দ্বন্দ্ব সমাসের কোনো পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে <strong>অলুক দ্বন্দ্ব</strong> সমাস বলে। ঠিক একইভাবে 'দেশে-বিদেশে', 'ঘেটে-পাতে' এগুলো অলুক দ্বন্দ্ব সমাসের দারুণ উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎপুরুষ</strong>।</p>
<p>সহজ একটা শর্টকাট মনে রাখার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>ব্যাসবাক্যটি লক্ষ্য করো: <strong>'ছায়াতে শীতল'</strong>।</li>
<li>এখানে পূর্বপদে <strong>'তে'</strong> সপ্তমী বিভক্তির চিহ্ন লুকিয়ে আছে।</li>
<li>যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (এখানে সপ্তমী: তে) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে <strong>সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস</strong> বলে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>। কারণ ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় 'মহা যে ঋষি' = মহর্ষি।</p>
<ul>
<li>যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে <strong>কর্মধারয় সমাস</strong> বলে।</li>
<li>এখানে 'মহা' (মহান) হলো ঋষির গুণ বা বৈশিষ্ট্য (বিশেষণ) এবং 'ঋষি' হলো বিশেষ্য পদ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বন্দ্ব</strong> সমাস।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>যে সমাসে সমাসবদ্ধ পদের উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান থাকে, তাকেই দ্বন্দ্ব সমাস বলে।</li>
<li>যেমন: 'মা ও বাবা' মিলে <strong>'মা-বাবা'</strong>। এখানে 'মা' এবং 'বাবা'—দুটি পদের অর্থই সমানভাবে গুরুত্ব পায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে বোঝার শর্ટકாট:</p>
<ul>
<li>'গোঁফ খেজুরে' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>গোঁফ খেজুরে যে ছাঁটের</strong> (বা যে গোঁফ খেজুরের মতো)।</li>
<li>এখানে সমাসবদ্ধ পদে মাঝের পদগুলো ('খেজুরে যে ছাঁটের' বা 'এর মতো') সম্পূর্ণ লোপ পেয়ে একটি নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে এবং সমস্ত পদটি একটি বিশেষণে পরিণত হয়েছে।</li>
<li>যে বহুব্রীহি সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদগুলো লোপ পায়, তাকেই <strong>মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: অলুক দ্বন্দ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>যে দ্বন্দ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে <strong>অলুক দ্বন্দ</strong> বলে।</li>
<li>'দুধেভাতে' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>দুধে ও ভাতে</strong>।</li>
<li>লক্ষ করুন, এখানে 'দুধে' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি এবং 'ভাতে' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে, যা সমস্তপদেও অপরিবর্তিত রয়েছে। বিভক্তি লোপ না পাওয়ার কারণেই এটি অলুক দ্বন্দ সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! 'শ্বেতবস্ত্র' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো— <strong>শ্বেত যে বস্ত্র</strong>। যেখানে 'শ্বেত' (সাদা) হলো বিশেষণ এবং 'বস্ত্র' হলো বিশেষ্য পদ।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার টেকনিক হলো:</p>
<ul>
<li>যে সমাসে একটি পদ অপর পদের <strong>বিশেষণ</strong> বা বিশেষভাবাপন্ন হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে বোঝায়, তাকেই কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>এখানে বস্ত্রের বিশেষ গুণ বা রঙ প্রকাশ পাচ্ছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই কর্মধারয় সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিগু</strong> সমাস। খুব সহজেই চেনার উপায় হলো—</p>
<ul>
<li>যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে এবং সমাসের মাধ্যমে একটি সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।</li>
<li>'সপ্তর্ষি' কথাটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>সপ্ত ঋষির সমাহার</strong>।</li>
<li>এখানে 'সপ্ত' (সাত) একটি সংখ্যাবাচক শব্দ এবং 'ঋর্ষি' হলো বিশেষ্য পদ।</li>
<li>যেহেতু এটি সমাহার বা সমষ্টি বোঝাচ্ছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই দ্বিগু সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব</strong> সমাস।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>'বেমানান' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'বি' উপসর্গ যোগে, যার অর্থ মানানোর অভাব বা না-বাচকতা প্রকাশ করছে।</li>
<li>যে সমাসে পূর্বপদে কোনো উপসর্গ বসে অব্যয়ের অর্থে এবং মূলত উপসর্গের অর্থই প্রধানভাবে বোঝায়, তাকেই <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong> বলে।</li>
<li>এখানে 'বে' উপসর্গটি 'অভাব' অর্থে ব্যবহৃত হয়ে সমস্তপদটিকে অব্যয়ীভাব সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ওষ্ঠ্য ধ্বনি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক:</p>
<ul>
<li>যে ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় ওপরের ও নিচের ঠোঁট একে অপরকে স্পর্শ করে বা ঠোঁটের সাহায্য নেয়, সেগুলোকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>ওষ্ঠ্য ধ্বনি</strong> বলা হয়।</li>
<li>যেমন— প, ফ, ব, ভ, ম উচ্চারণ করার সময় আমাদের ঠোঁটের প্রধান ভূমিকা থাকে। তাই এগুলো ওষ্ঠ্য ধ্বনি হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দিব্+লোক</strong>।</p>
<p>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি। তাই এর কোনো সাধারণ নিয়ম খাটে না, সরাসরি <strong>দিব্ + লোক = দ্যুলোক</strong> হিসেবে মুখস্থ রাখতে হয়। পরীক্ষার হলে এই ধরনের ব্যতিক্রমী সন্ধিগুলোর ক্ষেত্রে সরাসরি সঠিক রূপটি দাগাতে হয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।