<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option D: দ্বিঃ + লোক</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গ (ঃ) এর পরে যদি ল-বর্ণ থাকে, তবে বিসর্গটি উঠে গিয়ে তার আগের স্বরধ্বনিটি ও-কারে পরিণত হয়। যেমন:</p>
<ul>
<li>দ্বিঃ + লোক = দ্যুলোক</li>
</ul>
<p>খুব সহজ এই নিয়মটি মনে রাখলেই এমন সন্ধিগুলো পরীক্ষার হলে নিমিষেই দাগিয়ে ফেলা যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তারকা</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার একটি উপায় হলো— ফার্সি বা আরবি সংস্কৃতিতে 'সেতারা' শব্দটির সাথে আকাশের নক্ষত্র বা তারার একটি গভীর মিল রয়েছে। বাংলা ভাষায় এটি প্রায়ই কবিতা বা সাহিত্যে নক্ষত্র বা <strong>তারকা</strong> অর্থে ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অষ্টাদশ শতাব্দীতে</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে পুথি সাহিত্য মূলত মধ্যযুগের শেষভাগে এবং আধুনিক যুগের প্রাক্কালে বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে। এই ধারার সূত্রপাত হয়েছিল মূলত <strong>অষ্টাদশ শতাব্দীতে</strong>, যখন সৈয়দ হামজা, দৌলত উজির বাহরাম খাঁ কিংবা ফকির গরীবুল্লাহর মতো প্রখ্যাত পুথি লেখকেরা সাধারণ মানুষের বোধগম্য ভাষায় নানা কাব্য ও পির-গাজী কালীর কাহিনী রচনা করেন। তাই সহজ কথায় পুথি সাহিত্যের মূল স্বর্ণযুগ বা উদ্ভবকাল হিসেবে অষ্টাদশ শতাব্দীকেই ধরা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয় সমাস</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক দিয়ে এটা চেনা যায়:</p>
<ul>
<li>পুরুষসিংহ-এর ব্যাসবাক্য হলো— <strong>পুরুষ সিংহের ন্যায়</strong>।</li>
<li>যেখানে উপমান বা উপমিত বোঝায় এবং একটি পদের সাথে অন্য পদের তুলনা করা হয়, সেটাই মূলত কর্মধারয় সমাস।</li>
<li>এখানে পুরুষকে সিংহের সাথে তুলনা করা হয়েছে, তাই এটি <strong>উপমিত কর্মধারয় সমাস</strong> (যা কর্মধারয় সমাসেরই একটি রূপ)।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অলুক সমাস</strong>। খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো, 'অ' মানে না এবং 'লুক' মানে লোপ পাওয়া। অর্থাৎ, যে সমাসে বিভক্তি লোপ পায় না, তাকেই অলুক সমাস বলে।</p>
<ul>
<li>ব্যাস বাক্যের পূর্ব পদে যে বিভক্তি থাকে (যেমন: গায়ে পদ, জলে চর), সমাসবদ্ধ পদেও সেই বিভক্তি হুবহু বজায় থাকে (গায়েপড়া, জলেচর)।</li>
<li>বিভক্তি অদৃশ্য বা লোপ পায় না বলেই এটি <strong>অলুক</strong> (অ + লুক) নামে পরিচিত।</li>
</ul>
১০২০৮
বিশেষণ পদের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে কোন সমাস বলে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>। খুব সহজেই মনে রাখার একটা দারুণ টেকনিক আছে—যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সঙ্গে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের মিলন ঘটে এবং পরপদের অর্থই প্রধান হয়, তাকেই মূলত কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: নীল যে আকাশ = নীলাকাশ (এখানে 'নীল' হলো বিশেষণ এবং 'আকাশ' হলো বিশেষ্য)। তাই পরীক্ষার হলে এমন প্রশ্ন দেখলে চোখ বন্ধ করে কর্মধারয় দাগিয়ে দিতে পারো!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহী</strong>। কারণ, কানাকানি শব্দটি দিয়ে এমন একটি বিশেষ অর্থ বোঝায় যা কান বা কোনো পদের সরাসরি অর্থ প্রকাশ করে না।</p>
<ul>
<li>কানে কানে যে কথা বা কানাহা কানাহা যোগে যে কথাবার্তা হয়, তাকে ‘কানাকানি’ বলা হয়।</li>
<li>যেখানে সমাসবদ্ধ পদটি সমস্ত পদের অর্থ বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন বা তৃতীয় অর্থ প্রকাশ করে, সেটাই মূলত ব্যতিহার বহুব্রীহী সমাসের নিয়ম।</li>
<li>এই নিয়মে একই পদের পুনরাবৃত্তি ঘটে এবং এর দ্বারা পারস্পরিক বা যৌথ কোনো ক্রিয়া বোঝায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! একটু খেয়াল করো:</p>
<ul>
<li>এখানে 'ক্ষুধিত' (যিনি ক্ষুধার্ত) হলো বিশেষণ পদ এবং 'পাষাণ' হলো বিশেষ্য পদ।</li>
<li>যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে <strong>কর্মধারয় সমাস</strong> বলে।</li>
<li>এর ব্যাসবাক্য করলে হয়— 'ক্ষুধিত যে পাষাণ'। তাই এটি নিশ্চিতভাবেই কর্মধারয় সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার টেকনিক হলো—যেসব শব্দ দিয়ে হাতাহাতি, চুলোচুলি, গালাগালি বা লাঠালাটির মতো পারস্পরিক বা উভয় পক্ষের বোঝায়, সেগুলো সবসময় <strong>ব্যতিহার বহুব্রীহি</strong> সমাস হয়। অর্থাৎ, হাতে হাতে যে লড়াই বা মারামারি—এভাবেই মূলত বহুব্রীহি সমাসের নিয়মে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: অব্যয়ীভাব</strong>।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>'উপ' একটি অব্যয় বা উপসর্গ।</li>
<li>ব্যাসবাক্য হলো 'কথার সদৃশ = উপকথা'।</li>
<li>যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বা উপসর্গ বসে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, তাকে <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong> বলে। এখানে 'উপ' উপসর্গের অর্থই মূলত প্রকাশ পেয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>ব্যাসবাক্যটি লক্ষ্য করুন: <strong>সু (সুন্দর) গন্ধ যার</strong> —এখানে 'সু' এবং 'গন্ধ' কোনো পদের অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ (এমন কিছু যার সুবাস বা ভালো গন্ধ আছে) বোঝাচ্ছে।</li>
<li>যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কারোর অর্থ না বুঝিয়ে সম্পূর্ণ আলাদা বা অন্য কোনো পদকে বোঝায়, সেটাই মূলত বহুব্রীহি সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong> সমাস।</p>
<p>'কদাচার' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'কু যে আচার'। এখানে 'কু' (কদ) উপসর্গটি বিশেষণের কাজ করেছে এবং 'আচার' হলো বিশেষ্য পদ। সমাসের নিয়ম অনুযায়ী, যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে <strong>কর্মধারয় সমাস</strong> বলে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।