<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাবনাচিন্তাহীন</strong>।</p>
<p>'খোদার খাসি' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা। কোনো রকম দুশ্চিন্তা না করে, স্বাধীনভাবে বা নিজের খেয়ালে জীবন কাটায় এমন অলস ও পরনির্ভরশীল মানুষকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। সহজ কথায়, যার মনে কোনো কাজের বা ভবিষ্যতের কোনো ভাবনা থাকে না, তাকেই এককথায় 'খোদার খাসি' বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লুঙ্গি</strong>। কারণ এটি বাংলা ভাষার কোনো তদ্ভব শব্দ নয়, বরং এটি একটি বিদেশি শব্দ (বর্মি ভাষা থেকে আগত)।</p>
<p>তদ্ভব শব্দগুলো প্রাকৃত বা অপভ্রংশ হয়ে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, যেমন—হাত, চাঁদ, দাঁত ইত্যাদি প্রাকৃতের হাত ধরে আজকের রূপ পেয়েছে। অন্যদিকে, 'লুঙ্গি' সরাসরি অন্য ভাষা থেকে বাংলায় প্রবেশ করেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দা + তব্য</strong>। খুব সহজে বিষয়টি মনে রাখার একটা দারুণ উপায় রয়েছে:</p>
<ul>
<li>প্রথমে মূল ধাতু বা কাজটি খুঁজে বের করতে হবে, এখানে ‘দাতব্য’ শব্দের মূল ধাতু হলো <strong>দা</strong> (যার অর্থ দান করা)।</li>
<li>এর সাথে যোগ্য বা উপযুক্ত অর্থে ‘যোগ্যতা’ বা ‘বাধ্যবাধকতা’ বোঝাতে <strong>তব্য</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>সব মিলিয়ে <strong>দা + তব্য</strong> মিলে তৈরি হয় ‘দাতব্য’, যার অর্থ যা দান করার যোগ্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধুমাখা</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে পূর্বপদের দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত যেকোনো বিভক্তি লোপ পায়।</p>
<ul>
<li>'মধুমাখা' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>মধু দিয়ে মাখা</strong>।</li>
<li>এখানে পূর্বপদের 'দিয়ে' (তৃতীয়া বিভক্তি) লোপ পেয়ে 'মধুমাখা' সমস্তপদটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু বিভক্তি লোপ পেয়ে এই সমাস তৈরি হয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই <strong>তৎপুরুষ সমাস</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দশম-একাদশ শতকে</strong>। প্রাচীনকাল থেকেই বাংলা লিপির বিবর্তন শুরু হলেও, এই সময়ে এসে বাংলা অক্ষর তার নিজস্ব স্বতন্ত্র রূপ লাভ করে এবং পুরো বাংলা জুড়েই এর একচ্ছত্র প্রভাব ও ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে। ইতিহাস ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের বিচারে এই সময়টিকেই বাংলা ভাষার লিপি বিকাশের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হিসেবে ধরা হয়।</p>
১০৩৫৭
মাধবাচর্যের 'শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল' কাব্যে ভাগবতের কোন স্কন্ধকে গুরত্ব দেয়া হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দশম স্কন্ধ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারেন, শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল কাব্যে কৃষ্ণের জন্ম, বাল্যলীলা ও নানা শৈশবের চমৎকার কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। আর ভাগবত পুরাণের <strong>দশম স্কন্ধেই</strong> মূলত শ্রীকৃষ্ণের এই লীলা ও জীবনের প্রধান অংশগুলো বিস্তারিতভাবে বর্ণিত আছে। তাই মাধবাচার্যের কাব্যেও এই স্কন্ধটিকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সপ্তম থেকে দ্বাদশ</strong> শতক।</p>
<p>চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন ও সাহিত্যিক উপদান। পন্ডিতদের মতে, চর্যাপদগুলোর রচনাকাল নিয়ে কিছুটা মতভেদ থাকলেও এর সূচনার সময়কাল ধরা হয় সপ্তম শতাব্দী থেকে এবং এর শেষ প্রান্ত বিস্তৃত ছিল দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত। তাই সার্বিকভাবে চর্যাপদের রচনাকাল হিসেবে <strong>সপ্তম থেকে দ্বাদশ</strong> শতককেই প্রামাণিক হিসেবে ধরা হয়।</p>
১০৩৫৯
'নীল দর্পণ' নাটকের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করার জন্য রেভারেন্ড লঙ সাহেবকে কত টাকা জরিমানা করা হয়েছিল?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>এক হাজার টাকা</strong>।</p>
<p>দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত 'নীল দর্পণ' নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত, আর এটি প্রকাশ করেছিলেন রেভারেন্ড জেমস লং। এই অনুবাদ প্রকাশের কারণে ব্রিটিশ সরকার লং সাহেবের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে বিচারালয়ে তলব করে এবং তাঁকে নাটকের সত্য প্রকাশের অপরাধে <strong>১০০০ (এক হাজার) টাকা</strong> অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করে ও এক মাসের কারাদণ্ড দেয়। এই জরিমানার পুরো অর্থটি সেদিন ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর পকেট থেকে পরিশোধ করেছিলেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দশ গুণোত্তর পদ্ধতি</strong>। কারণ এক থেকে একশ পর্যন্ত সংখ্যা গণনার সময় আমরা প্রতিবার দশটি করে নতুন একক বা ধাপ হিসাব করি, যেমন— দশ দশ একশ। এই দশের গুণিতক হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার নিয়মটিকেই মূলত দশ গুণোত্তর পদ্ধতি বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: মরণ পর্যন্ত - আমরণ</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক মনে রেখো, যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় (যেমন: আ, প্রতি, বি, যথা ইত্যাদি) যুক্ত হয়ে অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং সাধারণত কর্মধারা বা তৎপুরুষের মতো বিভক্তির লোপ পায় না, তাকেই অব্যয়ীভাব সমাস বলে।</p>
<ul>
<li>'মরণ পর্যন্ত' এর ব্যাসবাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো <strong>'আমরণ'</strong>, যেখানে 'আ' উপসর্গটি 'পর্যন্ত' অর্থে ব্যবহৃত হয়ে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করেছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দশ আনন আছে যার</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় এটি একটি বহুব্রীহি সমাস। নিয়ম অনুযায়ী, যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন বা তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। এখানে 'দশ আনন' বলতে দশটি মাথা বা মুখ বোঝায় না, বরং এর দ্বারা বিশেষ কোনো পৌরাণিক চরিত্রকে (যেমন: রাবণ) নির্দেশ করা হয়। তাই এটি 'যার' বা 'যিনি' দিয়ে ব্যাসবাক্য হয়ে বহুব্রীহি সমাস গঠন করেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দশ</strong>। চর্যাপদের পদগুলো মূলত গীত বা গান হিসেবে রচিত হয়েছিল এবং এর বেশিরভাগ পদই গঠিত হয়েছে <strong>দশটি করে চরণে</strong>। যেমন, চর্যাপদের মূল আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্তری-এর মতে প্রাপ্ত পদগুলোর গঠনশৈলী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অধিকাংশ পদের ক্ষেত্রেই এই ১০ চরণের নিয়মটি বজায় রয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: একগুয়ে</strong>।</p>
<p>‘নেই আঁকড়া’ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ গোঁয়ার বা অতিরিক্ত জেদি স্বভাবের মানুষ। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি সহজে কোনো কিছুতে ছাড় দিতে চায় না এবং নিজের জেদে অটল থাকে, তাকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দলনেতা ধরা পড়েছে</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে ইংরেজি বাক্যটির অর্থ বুঝতে চাইলে শব্দগুলোর দিকে তাকাতে হবে:</p>
<ul>
<li><strong>Ring leader</strong> কথাটির বাংলা অর্থ হলো মূলহোতা বা অপরাধচক্রের <strong>দলনেতা</strong>।</li>
<li><strong>Caught</strong> মানে হলো <strong>ধরা পড়েছে</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই পুরো বাক্যটির সঠিক ও স্বাভাবিক বাংলা অনুবাদ দাঁড়াচ্ছে—দলনেতা ধরা পড়েছে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।