<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: তার সমান</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! 'তৎসম' শব্দটা মূলত দুটি পদের মিলে তৈরি—'তৎ' মানে তার এবং 'সম' মানে সমান। যেহেতু এই শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই অবিকল বাংলা ভাষায় চলে এসেছে, তাই এদের অর্থ দাঁড়ায় 'তার (সংস্কৃতের) সমান'।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তদ্ধিত প্রত্যয়</strong>। কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'প্রচুর' একটি শব্দ বা প্রাতিপদিক (বিশেষণ পদ)।</li>
<li>শব্দমূল বা প্রাতিপদিকের সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে <strong>তদ্ধিত প্রত্যয়</strong> বলে।</li>
<li>পক্ষান্তরে, ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সাথে যা যুক্ত হয় তা হলো কৃৎ প্রত্যয়।</li>
</ul>
<p>যেহেতু 'প্রচুর' কোনো ধাতু নয়, তাই এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মেই গঠিত হয়েছে।</p>
১০৮৪৮
দীনেশচন্দ্র সেনকে 'রায়বাহাদুর' উপাধিতে ভূষিত করেন কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভারত সরকার</strong>। ড. দীনেশচন্দ্র সেন তাঁর অসাধারণ সাহিত্যিক অবদান এবং বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯২১ সালে ভারত সরকার কর্তৃক 'রায়বাহাদুর' উপাধিতে ভূষিত হন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি + আরবি</strong>।</p>
<p>শব্দটি মনে রাখার খুব সহজ একটা টেকনিক আছে:</p>
<ul>
<li>'চৌ' শব্দটি হলো ফারসি ভাষা থেকে আসা, যার অর্থ চার।</li>
<li>আর 'হদ্দি' শব্দটি হলো আরবি ভাষা থেকে, যার অর্থ সীমানা।</li>
</ul>
<p>এই দুটি ভিন্ন ভাষা মিলে তৈরি হয়েছে দারুণ একটি মিশ্র শব্দ <strong>‘চৌহদ্দি’</strong>, যার অর্থ চার সীমানা।</p>
১০৮৫০
‘কিন্ডার গার্ডেন’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জার্মান</strong>।</p>
<p>‘কিন্ডার গার্ডেন’ (Kindergarten) একটি জার্মান শব্দ। জার্মান ভাষা থেকেই এই শব্দটি প্রথমে ইংরেজি ভাষায় এবং পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়। এর আক্ষরিক অর্থ হলো শিশুদের বাগান (Kinder = শিশু, Garten = বাগান), যেখানে ছোট শিশুরা খেলাধুলা ও আনন্দের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদেশী</strong>। কারণ বাংলা ভাষায় বিদেশী শব্দে কখনোই মূর্ধন্য 'ষ' (ষ-ত্ব বিধান অনুযায়ী) ব্যবহার করা হয় না।</p>
<p>একনজরে মনে রাখার সহজ নিয়ম:</p>
<ul>
<li>বিদেশী শব্দে (যেমন: স্টেশন, স্টুডিও, নাশপাতি, কিসমিস ইত্যাদি) সবসময় দন্ত্য 'স' বসে।</li>
<li>তৎসম, তদ্ভব বা সংস্কৃত শব্দে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য 'ষ' এর ব্যবহার দেখা যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধিত ধাতু</strong>। কারণটা খুব সহজ—</p>
<ul>
<li>বিশেষ্য, বিশেষণ বা অব্যয়ের পরে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে সাধিত ধাতু বলে।</li>
<li>'শূন্' শব্দটি হলো 'শূন্য' শব্দের একটি রূপ, যা বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ থেকে এসেছে এবং এর সাথে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সাধিত ধাতু গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পতঞ্জলি</strong>।</p>
<p>সন্ধির সাধারণ নিয়ম বা ব্যাকরণের নিয়মিত সূত্র মেনে সব শব্দ গঠিত হয় না। কিছু শব্দ কোনো নিয়ম বা সূত্র না মেনেই প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়, যেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>পতঞ্জলি শব্দটি ভেঙে কোনো সাধারণ নিয়মের মধ্যে ফেলা যায় না।</li>
<li>এটি ব্যাকরণের চিরাচরিত নিয়ম ভেঙে সরাসরি গঠিত হয়েছে, তাই এটি একটি নিখুঁত নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>।</p>
<p>‘না’ একটি খাসা বা খাঁটি উপসর্গ না হলেও বাংলা ভাষায় এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উপসর্গ যা মূলত ফারসি ভাষা থেকে এসেছে। যেমন— নাবালক, নারাজ, নায়েব, নাজির ইত্যাদি শব্দগুলোতে ‘না’ উপসর্গটি ‘নেই’ বা ‘অভাব’ অর্থে ফারসি রীতিতেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো, 'খোশ' একটি বৈদেশিক উপসর্গ যা মূলত ফারসি ভাষা থেকে আমাদের বাংলা ভাষায় এসেছে। এর অর্থ 'ভাল' বা 'আনন্দদায়ক' (যেমন: খোশগল্প, খোশমেজাজ)। বাংলা ব্যাকরণে এই ধরনের উপসর্গগুলো চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো শব্দটির উৎসমূল খেয়াল করা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আরবি</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই এটি মনে রাখতে পারো যে, বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু বিদেশি উপসর্গের মধ্যে 'আম' (যেমন- আমদরবার, আমমোক্তার) হলো একটি<strong>আরবি</strong> উপসর্গ, যা মূলত 'সাধারণ' বা 'বিশেষ নয়' অর্থে ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত</strong> উপসর্গ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায় হলো— বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা মোট ২০টি। এর মধ্যে একটি পরিচিত উপসর্গ হলো <strong>'প্রতি'</strong> (যেমন: প্রতিক্ষণ, প্রতিধ্বনি, প্রতিদ্বন্দ্বী)। তাই এটি সরাসরি সংস্কৃত উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপভ্রংশ</strong>। কারণ প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার পরিবর্তিত রূপ বা প্রাকৃত ভাষার পরবর্তী স্তর হিসেবে অপভ্রংশ থেকেই মূলত বাংলা ভাষার জন্ম ও বিকাশ ঘটেছে। সহজ কথায়, প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার হাত ধরেই বাংলা ভাষা তার নিজস্ব রূপ পেতে শুরু করে, তাই বাংলা ভাষা ও সাহিত্য প্রত্যক্ষভাবে অপভ্রংশের কাছে ঋণী।</p>
১০৮৫৯
বাংলাদেশে প্রচলিত বিদ্যাপতির পদাবলী কোন ভাষায় রচিত?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রজবুলি</strong>। কারণ বিদ্যাপতি মৈথিলি কবি হলেও তাঁর পদগুলো বাংলা ভাষার সঙ্গে মিশে একটি বিশেষ কৃত্রিম ভাষায় রচিত হয়েছিল, যা <strong>ব্রজবুলি</strong> নামে পরিচিত। এটি মূলত বাংলা ও মৈথিলি ভাষার একটি মিশ্র রূপ, যা বৈষ্ণব পদাবলীতে বহুল ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংক্ষেপণ</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, 'সমাস' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো ছোট করা, সংক্ষেপ করা বা একাধিক পদকে একটি পদে পরিণত করা। যেমন— 'সিংহ চিহ্নিত আসন' না বলে আমরা সংক্ষেপে বলি 'সিংহাসন'। ব্যাকরণে বড় বাক্যাংশ বা একাধিক পদকে মিলিয়ে একটি সুন্দর ও ছোট শব্দ তৈরি করাই হলো সমাসের মূল কাজ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।