<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়</strong>। এটি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যনাট্য।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>এই নাটকটি মূলত আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের শেষ সময়ের প্রেক্ষাপটে লেখা।</li>
<li>নাটকটির মূল উপজীব্য হলো পাকিস্তানি বাহিনীর পরাজয় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয়ের আগমুহূর্তের টানটান উত্তেজনা।</li>
<li>শিরোনামের 'পায়ের আওয়াজ' বলতে মূলত মুক্তিযোদ্ধাদের এগিয়ে আসার শব্দকে বোঝানো হয়েছে, যা হানাদার বাহিনীর মনে ভয়ের সৃষ্টি করে।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখা খুব সহজ—যখনই মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা কোনো নাটকের কথা আসবে, তখন <strong>সৈয়দ শামসুল হকের</strong> এই কালজয়ী নাটকটির নাম সবার আগে মাথায় রাখবেন।</p>
<p>সৈয়দ শামসুল হকের কালজয়ী নাটক ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’-এর মূল প্রেক্ষাপট হলো <strong>মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি</strong>। নাটকটি মূলত ১৯৭১ সালের উত্তাল দিনগুলোর ওপর ভিত্তি করে লেখা।</p>
<ul>
<li>নাটকটিতে মুক্তিযুদ্ধের ঠিক আগের মুহূর্তের অস্থিরতা এবং সাধারণ মানুষের মনে স্বাধীনতার যে তীব্র আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, তা ফুটে উঠেছে।</li>
<li>এখানে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা এবং সেই পরিস্থিতির বিপরীতে গ্রামবাংলার মানুষের সংগঠিত হওয়ার চিত্রটিই প্রধান উপজীব্য।</li>
<li>সহজ কথায়, যুদ্ধের দামামা বাজার পূর্ববর্তী সময় এবং সেই সময়ে মানুষের মানসিক প্রস্তুতির গল্পই এই নাটকের মূল ভিত্তি।</li>
</ul>
<p>‘আনন্দের মৃত্যু’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের একজন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী লেখক।</li>
<li>তার লেখা উপন্যাসের তালিকায় ‘আনন্দের মৃত্যু’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় কাজ।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে লেখকের নামের সাথে বইটির শিরোনাম মিলিয়ে একটি ছোট ছন্দ বা কি-ওয়ার্ড তৈরি করে নিতে পারেন, যা আপনাকে দীর্ঘসময় মনে রাখতে সাহায্য করবে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে কাব্যনাট্যের ক্ষেত্রে সৈয়দ শামসুল হকের অবদান অনন্য।</p>
<ul>
<li><strong>নুরুলদীনের সারা জীবন</strong> নাটকটি মূলত রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি কালজয়ী কাব্যনাট্য।</li>
<li>সৈয়দ শামসুল হক এই নাটকে ইতিহাসের চরিত্র নুরুলদীনকে এমনভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যে, এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি মাইলফলক হয়ে আছে।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য মাথায় রাখুন: <strong>নুরুলদীন = সৈয়দ শামসুল হক</strong>—এই সমীকরণটি মনে থাকলেই উত্তরটি আর ভুল হবে না।</li>
</ul>
<p>‘রক্ত গোলাপ’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের একজন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী লেখক।</li>
<li>তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকায় নাটক, উপন্যাস এবং কবিতার পাশাপাশি ‘রক্ত গোলাপ’-এর মতো কাব্যগ্রন্থগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখার জন্য লেখকের নামের সাথে বইটির নাম একবার মিলিয়ে পড়লেই হবে।</li>
</ul>
১৭১
মুক্তিযুদ্ধ অবলম্বনে সবচেয়ে সার্থক ও মঞ্চসফল নাটকের রচয়িতা কে
<p>মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা সবচেয়ে সার্থক ও মঞ্চসফল নাটক হলো <strong>'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়'</strong>। আর এই কালজয়ী নাটকটির রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যে কাব্যনাট্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
<li>তার এই নাটকটি কাব্যনাট্য ধারার এক অনন্য সৃষ্টি, যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মঞ্চে অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।</li>
<li>মঞ্চসফলতা এবং শিল্পমান—উভয় দিক থেকেই এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক মাইলফলক হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
১৭২
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’-গ্রন্থের মূল উপজীব্য বিষয় হল-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুক্তিযুদ্ধ</strong>। সৈয়দ শামসুল হকের লেখা এই কাব্যনাট্যটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>এই নাটকের মূল পটভূমি হলো ১৯৭১ সালের উত্তাল সময় এবং পাকিস্তানি বাহিনীর পরাজয়ের ঠিক আগের মুহূর্ত।</li>
<li>নাটকটিতে মুক্তিযুদ্ধের শেষ সময়ের অবরুদ্ধ পরিস্থিতির এক জীবন্ত চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>এখানে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে অত্যন্ত শৈল্পিক ও শক্তিশালী ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নাটকের প্রতিটি সংলাপ ও দৃশ্যপট আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সেই রক্তক্ষয়ী দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়, তাই এর মূল উপজীব্য বিষয় হলো <strong>মুক্তিযুদ্ধ</strong>।</p>
<p>‘নিষিদ্ধ লোবান’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম একটি শক্তিশালী কাজ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>এই উপন্যাসটি মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার অবরুদ্ধ বাংলাদেশের চিত্র তুলে ধরে।</li>
<li>সৈয়দ শামসুল হকের লেখনীতে মুক্তিযুদ্ধ ও দেশপ্রেমের গভীর ছাপ পাওয়া যায়, যা এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নাম মনে রাখতে <strong>‘নিষিদ্ধ লোবান’ = সৈয়দ শামসুল হক</strong>—এই সমীকরণটি মাথায় গেঁথে নিন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। ‘পরানের গহীন ভিতর’ কাব্যগ্রন্থটি মূলত সৈয়দ শামসুল হকের একটি কালজয়ী সৃষ্টি। এই কাব্যগ্রন্থের বিশেষত্ব হলো:</p>
<ul>
<li>এটি সম্পূর্ণভাবে কুড়িগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষায় রচিত।</li>
<li>সৈয়দ শামসুল হক তাঁর এই কাব্যগ্রন্থে গ্রামীণ জীবনের গভীর আবেগ ও লোকজ ভাষাকে অসাধারণ শৈল্পিকতায় ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘পরানের গহীন ভিতর’-এর কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে সৈয়দ শামসুল হকের নামটা মনে রাখলেই চলবে!</p>
১৭৫
সৈয়দ শামসুল হকের কোন গ্রন্থে মুক্তিযুদ্ধের বিষয়টি ফুটে উঠেছে?
<p>সৈয়দ শামসুল হকের <strong>নীল দংশন</strong> উপন্যাসটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি অসাধারণ সৃষ্টি। এই উপন্যাসটি কেন গুরুত্বপূর্ণ, তা খুব সহজে বুঝে নেওয়া যাক:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সেই সময়ের অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতি।</li>
<li>লেখক এখানে তৎকালীন সমাজের সংকট এবং যুদ্ধের ভয়াবহতাকে অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র ও ঘটনার বুনন এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যা পাঠককে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বাস্তবতাকে ধারণ করার কারণেই <strong>নীল দংশন</strong> সৈয়দ শামসুল হকের অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নাম না জানা ভোর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ সৈয়দ শামসুল হকের সাহিত্যকর্মের তালিকা বেশ সুনির্দিষ্ট।</p>
<ul>
<li>সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্যের একজন বহুমুখী লেখক, যার বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে <em>খেলারাম খেলে যা</em>, <em>দেয়ালের দেশ</em> এবং <em>সীমানা ছাড়িয়ে</em> অন্যতম।</li>
<li>অন্যদিকে, <em>নাম না জানা ভোর</em> তাঁর কোনো মৌলিক রচনা নয়।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাসের একটি তালিকা ছোট করে নোটবুকে লিখে রাখলে এমন প্রশ্নগুলো খুব দ্রুত সমাধান করা যায়।</li>
</ul>
১৭৭
সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের নাম কি?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নীল দংশন</strong>। সৈয়দ শামসুল হকের লেখা এই উপন্যাসটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের কথা বললে প্রথমেই <strong>নীল দংশন</strong>-এর নাম আসে।</li>
<li>উপন্যাসটিতে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার অস্থিরতা এবং মানুষের মানসিক টানাপোড়েন খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এটি একটি কমন প্রশ্ন, তাই লেখকের নাম এবং উপন্যাসের নাম একসাথে মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
<p>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কালজয়ী উপন্যাস <strong>লালসালু</strong>-এর রচনাকাল হলো <strong>১৯৪৮</strong> সাল। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস, যা প্রকাশের পর থেকেই সমাজ ও মনস্তত্ত্বের গভীর চিত্র তুলে ধরার জন্য সমাদৃত হয়েছে।</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির প্রথম প্রকাশকাল: <strong>১৯৪৮</strong></li>
<li>লেখক: <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong></li>
<li>মূল প্রেক্ষাপট: গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার ও ধর্মের অপব্যবহার।</li>
</ul>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য, দেশভাগের ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ১৯৪৮ সালেই এই অসাধারণ সৃষ্টিটি প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার এক অনন্য মাইলফলক।</p>
<p>লালসালু উপন্যাসটির সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়। এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>এটি গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার ও ধর্মের অপব্যবহার নিয়ে লেখা একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</li>
<li>উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র 'মজিদ' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী একটি চরিত্র।</li>
<li>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখনশৈলী এবং সমাজ বিশ্লেষণের গভীরতার কারণেই এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে অনন্য মর্যাদা পেয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'লালসালু'র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>-র নাম মনে রাখলেই হবে!</p>
১৮০
ফরাসী ও ইংরেজী ভাষায় অনুদিত সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ রচিত উপন্যাসের নাম-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>লাল-সালু</strong>। সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর এই কালজয়ী উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>লাল-সালু</strong> উপন্যাসটি লেখকের সবচেয়ে আলোচিত কাজ, যা ফরাসি ভাষায় <em>L'Arbre sans racines</em> এবং ইংরেজি ভাষায় <em>Tree Without Roots</em> নামে অনূদিত হয়েছে।</li>
<li>এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার ও ধর্মের অপব্যবহারের চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে, যা বিশ্বপাঠকের কাছে একে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মনে রাখবেন, সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর এই একটি উপন্যাসই বিদেশি ভাষায় অনুবাদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি খ্যাতি অর্জন করেছে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।