<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তি</strong>। কারণ মানুষের নৈতিকতা, আচার-আচরণ এবং সমাজের ভালো-মন্দের ধারণা মূলত ধর্মীয় দর্শন দ্বারাই সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই যেকোনো সমাজের সামাজিক মূল্যবোধ গড়ে ওঠার পেছনে ধর্মীয় দর্শন একটি শক্তিশালী ভিত হিসেবে কাজ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য</strong>।</p>
<p>গণতন্ত্র মানে কেবল শাসনব্যবস্থা নয়, এটি মানুষের জীবনযাপনের একটি সুন্দর মাধ্যম। সমাজে প্রতিটি মানুষের নিজস্ব মতামত প্রকাশ, চলাফেরা এবং স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ মানুষের এই মৌলিক অধিকার ও <strong>ব্যক্তি স্বাধীনতা</strong> অক্ষুণ্ণ রাখতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী পন্থা</strong>। খুব সহজ কথায়, কোনো বিষয়ে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি বা ছাড়িয়ে না গিয়ে মাঝামাঝি বা ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখাকেই 'সুবর্ণ মধ্যক' বলা হয়। এটি আমাদের জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে চরম সিদ্ধান্ত এড়িয়ে চলার একটি দারুণ দর্শন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>'ক' ও 'গ' নামক ক্রিয়া</strong> (অর্থাৎ ঐচ্ছিক ও অনৈচ্ছিক ক্রিয়া)।</p>
<p>নীতিবিদ্যা মূলত মানুষের কাজের ভালো-মন্দ বা উচিত-অনুচিত বিচার করে। আর মানুষের যেসব কাজের পেছনে নিজস্ব ইচ্ছা, বিবেক এবং নৈতিক দায়বদ্ধতা জড়িত থাকে, কেবল সেই সমস্ত ক্রিয়াই নীতিবিদ্যার আলোচ্য বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার বিষয়টি আলোচিত হয়েছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুচ্ছেদ ১৮</strong>। আমাদের সংবিধানের এই অনুচ্ছেদটি মূলত জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেয়। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>অনুচ্ছেদ ১৮</strong>-এর মূল লক্ষ্য হলো জনগণের পুষ্টির স্তর উন্নয়ন এবং জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন করা।</li>
<li>একই সাথে, এই অনুচ্ছেদে মাদকদ্রব্য ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেষজ বা অন্যান্য পানীয়ের ব্যবহার নিষিদ্ধ করার বিষয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্বের কথা বলা হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, দেশের মানুষের স্বাস্থ্য ভালো রাখা এবং নৈতিক অবক্ষয় রোধে রাষ্ট্রের যে অঙ্গীকার, তা এই অনুচ্ছেদেই স্পষ্টভাবে লেখা আছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: সোহরাওয়ার্দী উদ্যান</strong>।</p>
<p>১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক এই স্থানেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের মুক্তি বাহিনী ও ভারতের মিত্রবাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানই (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক সেই দলিল স্বাক্ষরের সাক্ষী।</p>
৭
সমাজের শিক্ষিত শ্রেণীর যে অংশ সরকার বা কর্পোরেট গ্রুপে থাকে না, কিন্তু সকলের উপর প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা রাধে -
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুশীল সমাজ</strong>। কারণ, এরা সরাসরি সরকার বা কোনো কর্পোরেট দলের অংশ না হয়েও সমাজের বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী বিষয়ে নিজেদের মতামত ও প্রভাব ঠিকই বজায় রাখতে পারে।</p>
<ul>
<li>সরকার বা ক্ষমতার বাইরে থেকে জনগণের অধিকার নিয়ে কথা বলে।</li>
<li>বিভিন্ন ইস্যুতে জনমত গঠনে বড় ভূমিকা রাখে।</li>
<li>সমাজের অন্যায় বা অনিয়মের বিরুদ্ধে নৈতিক চাপ সৃষ্টি করে।</li>
</ul>
৮
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান কর্তৃক ঘোষিত স্ট্রাটেজিক ডিফেন্স ইনিসিয়েটিভ (এস. ডি. আই) এর জনপ্রিয় নাম ছিল :
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তারকা যুদ্ধ</strong> বা <strong>Star Wars</strong>। রোনাল্ড রিগানের এই উচ্চাভিলাষী প্রতিরক্ষা প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল মহাকাশে লেজার বা উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র মোতায়েন করে শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>এই প্রকল্পটি তৎকালীন সময়ে সায়েন্স ফিকশন সিনেমা 'স্টার ওয়ার্স'-এর মতো অসম্ভব এবং জাঁকজমকপূর্ণ মনে হয়েছিল।</li>
<li>তাই সংবাদমাধ্যম এবং সাধারণ মানুষ মজা করে একে <strong>তারকা যুদ্ধ</strong> বা <strong>Star Wars</strong> নামে ডাকা শুরু করে।</li>
<li>এটি মূলত সোভিয়েত ইউনিয়নের পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষা করার একটি ঢাল বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত ছিল।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>থমাস হবসন, হুগো গ্রোসিয়াস ও জন লক এর লেখনী থেকে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>প্রাকৃতিক আইনের আধুনিক ধারণার মূল ভিত্তি তৈরি করেছিলেন এই দার্শনিকরা।</li>
<li><strong>হুগো গ্রোসিয়াস</strong>কে প্রাকৃতিক আইনের জনক বলা হয়, যিনি আইনকে ধর্মতত্ত্ব থেকে আলাদা করে যুক্তিনির্ভর করার চেষ্টা করেছিলেন।</li>
<li><strong>জন লক</strong> তার লেখনীতে মানুষের সহজাত অধিকার বা প্রাকৃতিক অধিকারের কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।</li>
<li><strong>থমাস হবসন</strong> (বা হবস) তার সামাজিক চুক্তির তত্ত্বে প্রাকৃতিক আইনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন।</li>
</ul>
<p>মূলত, এই দার্শনিকদের লেখনীর মাধ্যমেই প্রাকৃতিক আইন আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। তাই এই অপশনটিই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত।</p>
১০
কোন বছর ইউ এন ডি পি (UNDP) সুশাসনের সংজ্ঞা প্রবর্তন করে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>1997</strong>।</p>
<p>জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) ১৯৯৭ সালে তাদের একটি নীতিমালায় প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে সুশাসনের (Good Governance) সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা ও এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো প্রবর্তন করে।</p>
১১
সুশাসনের কোন নীতি সংগঠনের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অংশগ্রহণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো জনগণের মতামত প্রকাশের সুযোগ।</p>
<ul>
<li>সুশাসনের ক্ষেত্রে <strong>অংশগ্রহণ</strong> বলতে বোঝায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সকল নাগরিকের সরাসরি বা প্রতিনিধিদের মাধ্যমে যুক্ত থাকার অধিকার।</li>
<li>যখন মানুষ কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে, তখনই তাদের <strong>সংগঠন করার স্বাধীনতা</strong> বা নিজস্ব মতামত প্রকাশের পথ প্রশস্ত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ ছাড়া সংগঠনের স্বাধীনতা চর্চা করা সম্ভব নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
১২
নিচের কোন রিপোর্টে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করেছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শাসন প্রক্রিয়া এবং উন্নয়ন</strong>। বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালে তাদের একটি বিখ্যাত রিপোর্টে সুশাসনের এই সংজ্ঞাটি প্রদান করে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বিশ্বব্যাংকের মূল কাজ হলো বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক <strong>উন্নয়ন</strong> নিশ্চিত করা।</li>
<li>এই উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য তারা যে প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কাঠামোর ওপর জোর দেয়, তাকেই তারা <strong>শাসন প্রক্রিয়া</strong> (Governance) হিসেবে চিহ্নিত করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, একটি দেশের উন্নয়নের জন্য যে কার্যকর শাসন ব্যবস্থা প্রয়োজন, সেটিই বিশ্বব্যাংকের সংজ্ঞার মূল ভিত্তি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নৈতিক শাসন</strong>। বিষয়টি একটু বুঝিয়ে বলি, সুশাসনের মূল ভিত্তিগুলো হলো এমন কিছু নিয়ম বা চর্চা যা একটি রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠানকে স্বচ্ছ ও কার্যকর করে তোলে।</p>
<p>সুশাসনের প্রধান উপাদানগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো এই তালিকাটি:</p>
<ul>
<li><strong>অংশগ্রহণ:</strong> সিদ্ধান্ত গ্রহণে সবার মতামত নেওয়া।</li>
<li><strong>স্বচ্ছতা:</strong> সব কাজ সবার চোখের সামনে থাকা।</li>
<li><strong>জবাবদিহিতা:</strong> কাজের জন্য দায়বদ্ধ থাকা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সুশাসন মূলত কাঠামোগত এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত। 'নৈতিক শাসন' বিষয়টি ব্যক্তিগত মূল্যবোধ বা দর্শনের সাথে সম্পর্কিত, কিন্তু এটি প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের স্বীকৃত কোনো উপাদান নয়। তাই পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন এলে মনে রাখবেন, সুশাসনের উপাদানগুলো সবসময়ই প্রশাসনিক ও কাঠামোগত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: আইন</strong>।</p>
<p>সংস্কৃতি হলো মানুষের জীবনযাত্রার সামগ্রিক রূপ, যার মধ্যে মানুষের বিশ্বাস, চিন্তা, আচার-আচরণ, ভাষা, প্রতীক এবং মূল্যবোধ অন্তর্ভুক্ত থাকে। এগুলো সমাজ কর্তৃক গঠিত ও শেয়ারকৃত মানসিক ও আত্মিক অর্জন। পক্ষান্তরে, <strong>আইন</strong> হলো রাষ্ট্র কর্তৃক প্রণীত এবং আনুষ্ঠানিকভাবে প্রযুক্ত নিয়মকানুন, যা মূলত সমাজ নিয়ন্ত্রণের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোর অংশ, সংস্কৃতির মৌলিক উপাদান নয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপরের সবগুলো</strong>। কারণ মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণের এমন এক মাপকাঠি, যা দিয়ে আমরা জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ বিচার করি। এর মূল কাজগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>ভালো ও মন্দ:</strong> কোনো কাজ আমাদের জন্য কল্যাণকর নাকি ক্ষতিকর, তা মূল্যবোধের মাধ্যমেই নির্ধারিত হয়।</li>
<li><strong>ন্যায় ও অন্যায়:</strong> সমাজে কোনটি সঠিক আর কোনটি ভুল, সেই পার্থক্য করার ক্ষমতা আমাদের মূল্যবোধ থেকেই আসে।</li>
<li><strong>নৈতিকতা ও অনৈতিকতা:</strong> মানুষের চারিত্রিক গুণাবলি এবং আচরণের শুদ্ধতা যাচাই করার প্রধান ভিত্তিই হলো মূল্যবোধ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আমাদের বিবেক যখন কোনো কাজকে বিচার-বিশ্লেষণ করে, তখন সে এই তিনটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করেই সিদ্ধান্ত নেয়। তাই এই সবগুলোই মূল্যবোধের আওতাভুক্ত।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
নৈতিকতা ও মূল্যবোধ
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।