<p>ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা না দেওয়ার সিদ্ধান্তটি মূলত <strong>ইতিবাচক</strong> এবং <strong>উদ্দেশ্যগত</strong> উভয় মূল্যবোধের অন্তর্ভুক্ত। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>ইতিবাচক মূল্যবোধ:</strong> সততা এবং নৈতিকতার জায়গা থেকে এটি একটি মহৎ কাজ। অন্যায়কে প্রশ্রয় না দিয়ে নিজের যোগ্যতায় পরীক্ষা দেওয়ার মানসিকতা একটি ইতিবাচক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য।</li>
<li><strong>উদ্দেশ্যগত মূল্যবোধ:</strong> যেকোনো কাজের পেছনে একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য থাকে। এখানে শিক্ষার্থীর মূল উদ্দেশ্য হলো মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করা এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে কলুষমুক্ত রাখা, যা এই মূল্যবোধের প্রতিফলন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই সিদ্ধান্তটি একই সাথে নৈতিকভাবে সঠিক এবং একটি মহৎ উদ্দেশ্য দ্বারা পরিচালিত, তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ক ও খ</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রিটিশ আমলে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই আইনটি মূলত তৎকালীন ভারতীয় উপমহাদেশের সামাজিক কুসংস্কার দূর করার জন্য ব্রিটিশ সরকার প্রণয়ন করেছিল।</p>
<ul>
<li>১৮৯১ সালে ব্রিটিশ সরকার এই আইনটি পাস করে, যা ইতিহাসে <strong>'এজ অব কনসেন্ট অ্যাক্ট'</strong> বা সম্মতি আইন নামে পরিচিত।</li>
<li>এই আইনের মূল লক্ষ্য ছিল বাল্যবিবাহ রোধ করা এবং নারীদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স নির্ধারণ করে দেওয়া।</li>
<li>যেহেতু আইনটি ১৮৯১ সালে পাস হয়েছিল, তাই এটি সরাসরি ব্রিটিশ শাসনামলের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।</li>
</ul>
৯৩
সুন্দর জীবনের স্বার্থেই আইন বিদ্যমান থাকে। উক্তিটি কার?
<p>এরিস্টটলকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। তিনি মনে করতেন, রাষ্ট্র বা আইন কোনো সাধারণ বিষয় নয়, বরং মানুষের জীবনকে সুন্দর, সুশৃঙ্খল এবং পরিপূর্ণ করার জন্যই আইনের প্রয়োজন। তার বিখ্যাত দর্শন অনুযায়ী, আইন মানুষের নৈতিক উৎকর্ষ সাধনে সাহায্য করে, যা একটি সুন্দর ও আদর্শ জীবন যাপনের মূল ভিত্তি। তাই রাষ্ট্রচিন্তার ক্ষেত্রে এই উক্তিটি সরাসরি এরিস্টটলের দর্শনের সাথে মিলে যায়।</p>
৯৪
‘Man is born free and everywhere he is in chains.’ উক্তিটি কার?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জ্যঁ জ্যাক রুশো</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত উক্তিটি রুশোর লেখা <strong>'দ্য সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট'</strong> (The Social Contract) বইয়ের একদম শুরুর দিকে পাওয়া যায়। উক্তিটির পেছনের মূল কথাটি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন এবং মুক্ত।</li>
<li>কিন্তু সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন নিয়ম-কানুন ও শৃঙ্খল মানুষকে সেই স্বাধীনতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখে।</li>
</ul>
<p>রুশো মূলত বোঝাতে চেয়েছেন যে, মানুষ স্বাধীন হয়ে জন্ম নিলেও সমাজব্যবস্থা তাকে নানাভাবে বেঁধে ফেলে। এই গভীর দর্শনটিই ইতিহাসের পাতায় তাকে অমর করে রেখেছে।</p>
৯৫
ক্লাসিক্যাল অর্থনীতি, মুক্ত বাজার ও অর্থনৈতেক উদারতাবাদের প্রবর্তক -
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অ্যাডাম স্মিথ</strong>। অর্থনীতি শাস্ত্রের জনক হিসেবে পরিচিত এই মহান চিন্তাবিদকে আধুনিক অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপনের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।</p>
<p>কেন তিনি এই ধারণার প্রবর্তক, তা খুব সহজে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>মুক্ত বাজার (Free Market):</strong> তিনি বিশ্বাস করতেন, সরকারি হস্তক্ষেপ ছাড়াই বাজার ব্যবস্থা নিজে থেকেই ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে।</li>
<li><strong>অদৃশ্য হাত (Invisible Hand):</strong> তার বিখ্যাত তত্ত্ব অনুযায়ী, ব্যক্তি যখন নিজের স্বার্থে কাজ করে, তখন সমাজ ও অর্থনীতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপকৃত হয়।</li>
<li><strong>অর্থনৈতিক উদারতাবাদ:</strong> তিনি রাষ্ট্রকে অর্থনীতির জটিল বিষয় থেকে দূরে রেখে বাণিজ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার পক্ষে ছিলেন, যা আজও বিশ্ব অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৭৭৬ সালে তার লেখা <em>'দ্য ওয়েলথ অব নেশনস'</em> বইটিই মূলত আধুনিক অর্থনীতির পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে, যার ফলে তাকেই এই ধারার প্রবর্তক বলা হয়।</p>
<p>‘বৈজ্ঞানিক-ব্যবস্থাপনা’ বা Scientific Management-এর জনক হলেন <strong>F.W. Taylor</strong>। তিনি ব্যবস্থাপনা জগতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রবর্তন করে কাজের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কাজের প্রতিটি ধাপকে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিখুঁত করার ধারণাটি তিনিই প্রথম নিয়ে আসেন।</li>
<li>তার এই যুগান্তকারী অবদানের কারণেই তাকে <strong>'বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার জনক'</strong> হিসেবে অভিহিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফ্রান্স</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের ইউরোপে সামন্ততান্ত্রিক বা ফিউডাল প্রথা মূলত ফ্রাঙ্কিশ সাম্রাজ্য থেকেই বিস্তার লাভ করেছিল।</li>
<li>অষ্টম শতাব্দীতে শার্লিমেনের শাসনামলে ফ্রান্সে এই ব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়।</li>
<li>পরবর্তীতে এই ব্যবস্থা ফ্রান্স থেকে ধীরে ধীরে ইউরোপের অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে।</li>
</ul>
<p>তাই ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে সামন্তবাদের সূতিকাগার হিসেবে <strong>ফ্রান্সকেই</strong> ধরা হয়।</p>
৯৮
রাষ্ট্র ও সমাজে দুর্নীতি প্রবণতার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী -
<p>রাষ্ট্র ও সমাজে দুর্নীতি প্রবণতার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী হলো <strong>নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অভাব</strong>। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা:</strong> যখন মানুষের ভেতর থেকে সঠিক-ভুল বা ন্যায়-অন্যায়ের বোধ হারিয়ে যায়, তখন বাইরের কোনো আইন বা শাসন দিয়ে তাকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না।</li>
<li><strong>মূল ভিত্তি:</strong> দুর্নীতি কেবল একটি আইনি সমস্যা নয়, এটি মূলত একটি চারিত্রিক স্খলন। একজন মানুষের নৈতিক ভিত্তি মজবুত থাকলে সে লোভ বা প্রলোভনের মুখেও নিজের অবস্থান থেকে বিচ্যুত হয় না।</li>
<li><strong>সামাজিক প্রভাব:</strong> সমাজ যখন নৈতিকতাকে গুরুত্ব না দিয়ে কেবল বস্তুগত অর্জনকে বড় করে দেখে, তখন দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। তাই সবকিছুর মূলে রয়েছে ব্যক্তির নৈতিক ও মূল্যবোধের সংকট।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আইন বা নজরদারি দিয়ে দুর্নীতি সাময়িকভাবে কমানো গেলেও, দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য মানুষের নৈতিক সচেতনতাই সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার।</p>
৯৯
প্রাথমিকভাবে একজন মানুষের মানবীয় গুণাবলী ও সামাজিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে -
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পরিবারে</strong>। কারণ, একটি শিশুর জীবনের প্রথম পাঠশালা হলো তার পরিবার।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে চিন্তা করুন:</p>
<ul>
<li>মানুষের সামাজিকীকরণের প্রথম ধাপ শুরু হয় জন্ম থেকেই, যা ঘটে পরিবারের গণ্ডিতে।</li>
<li>পরিবার থেকেই শিশু ভালোবাসা, স্নেহ, সহযোগিতা এবং নৈতিকতার প্রাথমিক শিক্ষা পায়।</li>
<li>স্কুল বা সমাজ পরে আসে, কিন্তু একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব ও মূল্যবোধের ভিত্তি তৈরি হয় পরিবারের সদস্যদের সাথে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমেই।</li>
</ul>
<p>তাই, মানবীয় গুণাবলী ও সামাজিক মূল্যবোধের বিকাশে <strong>পরিবার</strong> সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</p>
<p>সততার জন্য সদিচ্ছার কথা বলেছেন <strong>ইমানুয়েল কান্ট</strong>। নৈতিক দর্শনে কান্টের মতে, কোনো কাজের ফলাফল যাই হোক না কেন, যদি কাজটি করার পেছনে মানুষের উদ্দেশ্য বা সদিচ্ছা (Good Will) সৎ থাকে, তবেই সেটি নৈতিকভাবে সঠিক।</p>
<p>সহজ কথায় বিষয়টি এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>সদিচ্ছা:</strong> কান্টের মতে, সদিচ্ছা হলো একমাত্র জিনিস যা কোনো শর্ত ছাড়াই ভালো।</li>
<li><strong>কর্তব্যবোধ:</strong> তিনি মনে করেন, মানুষ যখন কেবল 'কর্তব্য' পালনের খাতিরে কোনো ভালো কাজ করে, তখনই সেটি প্রকৃত নৈতিক কাজ।</li>
<li><strong>ফলাফলের চেয়ে গুরুত্ব:</strong> কাজের পরিণাম বা ফলাফল কী হলো তার চেয়ে কাজের পেছনের উদ্দেশ্য বা সদিচ্ছাই এখানে প্রধান।</li>
</ul>
<p>তাই নৈতিকতার বিচারে কান্ট সবসময় সদিচ্ছাকেই সর্বোচ্চ স্থান দিয়েছেন।</p>
১০১
যে গুণের মাধ্যমে মানুষ ‘ভুল’ ও ‘শুদ্ধ’ এর পার্থক্য নির্ধারণ করতে পারে, তা হচ্ছে -
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মূল্যবোধ</strong>। বিষয়টি একদম সহজ—আমাদের সমাজে কোনটি সঠিক আর কোনটি ভুল, তা বিচার করার যে অভ্যন্তরীণ মাপকাঠি বা বোধ কাজ করে, তাকেই মূলত মূল্যবোধ বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>মূল্যবোধ</strong> হলো মানুষের আচরণের এমন এক মানদণ্ড, যা তাকে ভালো-মন্দের পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে।</li>
<li>এটি আমাদের বিবেককে জাগ্রত রাখে, যার ফলে আমরা কোনো কাজ করার আগে বুঝতে পারি সেটি নৈতিকভাবে শুদ্ধ নাকি ভুল।</li>
<li>সহজ কথায়, মানুষের চরিত্রের যে অংশটি তাকে সঠিক পথে চলতে উদ্বুদ্ধ করে, সেটিই হলো তার মূল্যবোধ।</li>
</ul>
<p>জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল অনুযায়ী, <strong>‘শুদ্ধাচার’</strong> বলতে মূলত একজন ব্যক্তির ভেতরের নৈতিক গুণাবলিকে বোঝায়। এটি কেবল নিয়ম মেনে চলা নয়, বরং নিজের কাজকে সততা ও নৈতিকতার মাপকাঠিতে বিচার করে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা।</p>
<p>সহজ কথায়, শুদ্ধাচারের মূল ভিত্তি হলো:</p>
<ul>
<li><strong>সততা:</strong> নিজের কাজে স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠা বজায় রাখা।</li>
<li><strong>নৈতিকতা:</strong> সঠিক ও ভুলের পার্থক্য বুঝে দায়িত্ব পালন করা।</li>
<li><strong>আচরণগত উৎকর্ষ:</strong> এই গুণগুলোর সমন্বয়ে কাজের মানকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া।</li>
</ul>
<p>তাই, <strong>সততা ও নৈতিকতা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষই</strong> হলো শুদ্ধাচারের প্রকৃত সংজ্ঞা, যা একজন ব্যক্তিকে পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে আরও দায়িত্বশীল করে তোলে।</p>
১০৩
বাংলাদেশে দুর্নীতিকে দণ্ডনীয় ঘোষণা করা হয়েছে যে বিধানে -
<p>বাংলাদেশে দুর্নীতি প্রতিরোধে বিভিন্ন সময়ে আইন ও বিধিমালা তৈরি করা হয়েছে। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপরের সবগুলোতে</strong>, কারণ প্রতিটি বিধানই দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনি সুরক্ষা দেয়:</p>
<ul>
<li><strong>১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি (Penal Code):</strong> এটি আমাদের দেশের ফৌজদারি আইনের মূল ভিত্তি, যেখানে সরকারি কর্মচারীদের ঘুষ গ্রহণ বা দুর্নীতির মতো অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে।</li>
<li><strong>২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইন:</strong> এই আইনটি বিশেষভাবে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) ক্ষমতা প্রদান করে, যাতে তারা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান ও তদন্ত করতে পারে।</li>
<li><strong>২০১৮ সালের সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা:</strong> সরকারি চাকরিতে সততা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই বিধিমালার মাধ্যমে দুর্নীতিপরায়ণ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।</li>
</ul>
মূলত, এই তিনটি আইনি কাঠামোই বাংলাদেশে দুর্নীতিকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করে এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের পথ প্রশস্ত করে।
<p>অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়। এর পেছনের কারণটা খুব সহজ ও যৌক্তিক:</p>
<ul>
<li><strong>নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তা:</strong> সুশাসন থাকলে ব্যবসায়িক পরিবেশ স্বচ্ছ হয়, ফলে বিনিয়োগকারীরা তাদের মূলধন হারানোর ভয় পান না।</li>
<li><strong>সহজ প্রক্রিয়া:</strong> আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমে যাওয়ায় নতুন ব্যবসা শুরু করা বা বিনিয়োগ করা অনেক সহজ হয়ে যায়।</li>
<li><strong>আস্থার পরিবেশ:</strong> স্বচ্ছ নীতিমালা এবং জবাবদিহিতা থাকায় দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে আগ্রহী হয়ে ওঠেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোতে সুশাসন থাকে, তখন ঝুঁকি কমে যায় এবং মুনাফার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই আস্থার কারণেই মূলত <strong>বিনিয়োগের হার</strong> বহুগুণ বেড়ে যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>UNCAC</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এর নামের মধ্যেই এর পরিচয় লুকিয়ে আছে।</p>
<ul>
<li><strong>UNCAC</strong>-এর পূর্ণরূপ হলো <strong>United Nations Convention against Corruption</strong>।</li>
<li>নামের শেষ অংশ <strong>Corruption</strong> বা দুর্নীতি শব্দ থেকেই বোঝা যায় এটি মূলত দুর্নীতি প্রতিরোধের আন্তর্জাতিক সনদ।</li>
<li>জাতিসংঘের এই কনভেনশনটি ২০০৩ সালে গৃহীত হয়, যা বিশ্বজুড়ে দুর্নীতি দমনে একটি শক্তিশালী আইনি কাঠামো হিসেবে কাজ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, দুর্নীতি বা <strong>Corruption</strong> দমনের সাথে সম্পর্কিত বলেই এর নাম <strong>UNCAC</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
নৈতিকতা ও মূল্যবোধ
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।