<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অকল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই ঐতিহাসিক চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড শহরকে বেছে নেওয়া হয়েছিল।</p>
<ul>
<li><strong>TTP (Trans-Pacific Partnership)</strong> চুক্তিটি মূলত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যের প্রসারের জন্য করা হয়েছিল।</li>
<li>২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে ১২টি দেশের প্রতিনিধিরা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</li>
<li>আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ইতিহাসে এটি একটি বড় মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অর্থনৈতিক জোট হিসেবে এই চুক্তির কেন্দ্রবিন্দু ছিল নিউজিল্যান্ডের এই শহরটি।</p>
২
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের প্রথম নারী প্রেসিডেন্টের নাম কি?
<p>মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হলেন <strong>হিলদা হাইনে</strong>। তিনি ২০১৬ সালে দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ইতিহাসে তিনিই প্রথম নারী যিনি এই সর্বোচ্চ পদে আসীন হয়েছেন।</li>
<li>তার নাম মনে রাখতে <strong>'হিলদা'</strong> অংশটি মাথায় রাখুন, কারণ মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের রাজনীতিতে এই নামটিই সবচেয়ে বেশি পরিচিত।</li>
<li>তার পুরো নাম <strong>হিলদা হাইনে</strong>, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বেশ আলোচিত একটি নাম।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নারী নেতৃত্বের কথা বললেই সবার আগে <strong>হিলদা হাইনে</strong>-এর নাম চলে আসে।</p>
৩
সৌরশক্তি চালিত বিশ্বের প্রথম পার্লামেন্টে ভবনের অধিকারী কোন দেশ?
<p>সৌরশক্তি চালিত বিশ্বের প্রথম পার্লামেন্ট ভবন হলো <strong>পাকিস্তান</strong>। পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ভবন বা 'মজলিস-ই-শুরা' পুরোপুরি সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>২০১৬ সালে পাকিস্তান তাদের পার্লামেন্ট ভবনকে সম্পূর্ণ সৌরশক্তির আওতায় নিয়ে আসে।</li>
<li>এই প্রজেক্টটি বাস্তবায়নে চীন সহায়তা করেছিল।</li>
<li>এর ফলে পার্লামেন্ট ভবনটি জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ নেওয়ার পরিবর্তে নিজেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে ওঠে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশ্বের প্রথম পার্লামেন্ট হিসেবে পাকিস্তান এই অনন্য নজির স্থাপন করেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ইদ্রিস দেবি (শাদ)</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ২০১৬ সালের ৩০ জানুয়ারি ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায় অনুষ্ঠিত আফ্রিকান ইউনিয়নের ২৬তম শীর্ষ সম্মেলনে চাদের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইদ্রিস দেবিকে এক বছরের জন্য এই পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> ২০১৬ সাল।</li>
<li><strong>ব্যক্তি:</strong> ইদ্রিস দেবি।</li>
<li><strong>দেশ:</strong> শাদ (Chad)।</li>
</ul>
<p>আন্তর্জাতিক রাজনীতির এই ধরনের তথ্যগুলো সাধারণত সামিট বা সম্মেলনের সাল অনুযায়ী মনে রাখলে পরীক্ষার জন্য সুবিধা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শিনজো অ্যাবে (জাপান)</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ২০১৬ সালে জি-৭ (জি-৮ থেকে রাশিয়া বাদ পড়ার পর এটি জি-৭ নামে পরিচিত) শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ ছিল জাপান।</p>
<ul>
<li>জি-৭ বা জি-৮ এর সভাপতিত্ব প্রতি বছর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আবর্তিত হয়।</li>
<li>২০১৬ সালে জাপানের ইসে-শিমাতে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।</li>
<li>সেই সময় জাপানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে <strong>শিনজো অ্যাবে</strong> এই সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে দেশ সম্মেলন আয়োজন করে, সেই দেশের সরকার প্রধানই ওই বছরের জন্য জি-৭ বা জি-৮ এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালে আয়োজক দেশ জাপান হওয়ায় শিনজো অ্যাবে এই দায়িত্বে ছিলেন।</p>
৬
আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থা (IMO)-এর বর্তমান (২০১৬) মহাসচিব কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাইটেক লিম (দক্ষিণ কোরিয়া)</strong>। আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থা বা IMO-এর মহাসচিব হিসেবে তিনি ২০১৬ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>IMO-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক সংস্থায় নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়ার মতো সমুদ্রনির্ভর অর্থনীতির দেশগুলো সাধারণত এগিয়ে থাকে।</li>
<li>কাইটেক লিম ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে এই দায়িত্ব পালন করেছেন, তাই সাধারণ জ্ঞান বা সাম্প্রতিক তথ্যের প্রশ্নে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম।</li>
</ul>
৭
জাতিসংঘ শিল্পোন্নয়ন সংস্থা (UNIDO)-এর বর্তমান (২০১৬) সদস্য দেশ কতটি?
<p>জাতিসংঘ শিল্পোন্নয়ন সংস্থা বা <strong>UNIDO</strong>-এর সদস্য সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই। ২০১৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, এই সংস্থার সদস্য দেশের সংখ্যা ছিল <strong>170</strong> টি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>UNIDO</strong> মূলত উন্নয়নশীল দেশগুলোর শিল্পায়নে কাজ করে।</li>
<li>২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী, তাদের সদস্য তালিকাভুক্ত দেশের মোট সংখ্যা ছিল ঠিক <strong>170</strong>।</li>
<li>আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য সংখ্যা সময়ের সাথে পরিবর্তিত হতে পারে, তাই পরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট সালের তথ্যটি মনে রাখাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
৮
৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ কোন দেশ জাতিসংঘ শিল্পোন্নয়ন সংস্থা (UNIDO)-এর ১৭০তম সদস্যপদ লাভ করে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কিরিবাতি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা বেশ সহজ, কারণ এটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি দ্বীপরাষ্ট্র।</p>
<ul>
<li>জাতিসংঘ শিল্পোন্নয়ন সংস্থা বা <strong>UNIDO</strong>-এর সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে কিরিবাতি ২০১৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ১৭০তম দেশ হিসেবে যুক্ত হয়।</li>
<li>আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সদস্যপদ সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞান মনে রাখার জন্য সাল এবং তারিখের সাথে দেশটির নাম মিলিয়ে একটি ছোট নোট করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখটি কিরিবাতির জন্য একটি মাইলফলক ছিল, যা তাদের বৈশ্বিক শিল্পোন্নয়ন প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত করে।</p>
৯
৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ কোন দেশ শিল্পোন্নয়ন সংস্থা (UNIDO)-এর সদস্যপদ প্রত্যাহার করে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেলজিয়াম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সদস্যপদ নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা দেশের নিজস্ব রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত থাকে।</p>
<ul>
<li>জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থা বা <strong>UNIDO</strong>-এর কার্যক্রম থেকে বেলজিয়াম ২০১৫ সালের শেষ দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।</li>
<li>তাদের এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ ছিল মূলত সংস্থার বাজেট এবং প্রশাসনিক ব্যয় কমানোর ক্ষেত্রে বেলজিয়াম সরকারের নিজস্ব নীতি।</li>
<li>এটি একটি ঐতিহাসিক তথ্য, তাই মনে রাখার জন্য শুধু সালটি (<strong>২০১৫</strong>) এবং দেশটির নাম (<strong>বেলজিয়াম</strong>) মনে রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
<p>২০১৫ সালে চাল আমদানিতে শীর্ষ দেশ ছিল <strong>চীন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ হওয়ায় চীনে খাদ্যের চাহিদা ও ব্যবহার অনেক বেশি।</li>
<li>২০১৫ সালের দিকে চীন তাদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে এবং মজুত বাড়াতে বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি করেছিল।</li>
<li>সেই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে চালের চাহিদার বড় একটি অংশ ছিল চীনের দখলে, যা তাদের তালিকার শীর্ষে নিয়ে আসে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিশাল জনসংখ্যা এবং খাদ্য নিরাপত্তার খাতিরেই চীন ওই বছর চাল আমদানিতে এক নম্বর অবস্থানে ছিল।</p>
<p>২০১৫ সালে চাল উৎপাদনে শীর্ষ দেশ হলো <strong>চীন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বিশ্বের মোট চাল উৎপাদনের একটি বিশাল অংশ আসে চীন থেকে।</li>
<li>ভৌগোলিক অবস্থান এবং অনুকূল জলবায়ুর কারণে চীন দীর্ঘ সময় ধরে ধান চাষে বিশ্বে এক নম্বর স্থান দখল করে আছে।</li>
<li>পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চীন প্রতি বছর প্রায় $200$ মিলিয়ন মেট্রিক টনেরও বেশি চাল উৎপাদন করে, যা তাদের বিশাল জনসংখ্যার খাদ্যের চাহিদা মেটাতে বড় ভূমিকা রাখে।</li>
</ul>
<p>তাই চাল উৎপাদনের কথা আসলেই সবার আগে <strong>চীন</strong>-এর নামটাই মাথায় রাখা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
<p>২০১৫ সালে খাদ্যশস্য উৎপাদনে শীর্ষ দেশ ছিল <strong>চীন</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ চীন ঐতিহাসিকভাবেই বিশ্বের বৃহত্তম কৃষিপ্রধান দেশগুলোর একটি।</p>
<ul>
<li>চীনের বিশাল ভৌগোলিক এলাকা এবং উন্নত সেচ ব্যবস্থা তাদের ধান, গম ও ভুট্টার মতো প্রধান খাদ্যশস্য উৎপাদনে বিশ্বজুড়ে একচ্ছত্র আধিপত্য ধরে রাখতে সাহায্য করেছে।</li>
<li>পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সেই সময়ে চীনের বার্ষিক খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিমাণ ছিল প্রায় <strong>৬০০ মিলিয়ন মেট্রিক টনের</strong> বেশি, যা বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় অনেক বেশি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিশাল আবাদি জমি এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের কারণেই চীন সেই বছর খাদ্যশস্য উৎপাদনে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছিল।</p>
১৩
২০১৫ সালে খাদ্যশস্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১০ম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ২০১৫ সালের কৃষি পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশ ধান ও অন্যান্য খাদ্যশস্য উৎপাদনে বিশ্বব্যাপী বেশ ভালো অবস্থানে ছিল।</p>
<ul>
<li>জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) তথ্যমতে, ওই সময়ে বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ এবং সামগ্রিক খাদ্যশস্য উৎপাদনে শীর্ষ ১০টি দেশের তালিকায় নিজের জায়গা করে নেয়।</li>
<li>আমাদের দেশের কৃষকদের কঠোর পরিশ্রম এবং আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতির ব্যবহারের ফলে উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশ এই গৌরব অর্জন করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে বাংলাদেশের এই অর্জন আমাদের অর্থনীতির জন্য একটি বড় মাইলফলক ছিল।</p>
<p>অস্ত্র রপ্তানির বাজারে বর্তমানে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে আছে <strong>যুক্তরাষ্ট্র</strong>। বিশ্ববাজারে আধুনিক প্রযুক্তির যুদ্ধাস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জামের চাহিদার বড় একটি অংশ তারাই পূরণ করে থাকে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কারণ:</p>
<ul>
<li><strong>প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব:</strong> বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত ও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের দখলে।</li>
<li><strong>রাজনৈতিক প্রভাব:</strong> বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সাথে তাদের শক্তিশালী সামরিক জোট ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে, যা তাদের রপ্তানি বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখে।</li>
<li><strong>বাজারের হিসেব:</strong> স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (SIPRI)-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক অস্ত্র রপ্তানির প্রায় $40\%$ থেকে $42\%$ এককভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকেই আসে।</li>
</ul>
<p>তাই পরিসংখ্যান ও বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ অনুযায়ী, অস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ হিসেবে <strong>যুক্তরাষ্ট্র</strong> সবার উপরে অবস্থান করছে।</p>
<p>অস্ত্র আমদানির ক্ষেত্রে বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ দেশ হলো <strong>ভারত</strong>। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (SIPRI)-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ভারত দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্বের বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে।</p>
<p>বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>ভারত তার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করতে এবং নিজস্ব সক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিতভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, মিসাইল সিস্টেম ও সাবমেরিন আমদানি করে।</li>
<li>বিশ্বের মোট অস্ত্র আমদানির একটি বড় অংশ এককভাবে ভারতের দখলে থাকে, যা দেশটিকে তালিকার শীর্ষে নিয়ে এসেছে।</li>
<li>ভৌগোলিক নিরাপত্তা এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সামরিক ভারসাম্যের কথা মাথায় রেখে ভারত প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বাজেট অস্ত্র সংগ্রহের পেছনে ব্যয় করে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ভারত</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।