<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অভিসেক</strong>। কারণ বাংলা ব্যাকরণের ষ-ত্ব বিধান অনুযায়ী, ই-কার বা উ-কারান্ত উপসর্গের পর যদি 'স' থাকে, তবে সেটি পরিবর্তিত হয়ে 'ষ' হয়।</p>
<ul>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, 'অভি' একটি ই-কারান্ত উপসর্গ। এর সাথে 'সেক' যুক্ত হলে 'স' পরিবর্তিত হয়ে 'ষ' হবে।</li>
<li>তাই সঠিক বানানটি হবে <strong>অভিষেক</strong>।</li>
<li>যেহেতু প্রশ্নে 'অভিসেক' বানানটি দেওয়া হয়েছে, তাই এটিই ভুল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ই-কার বা উ-কারের পরে দন্ত্য-স (স) থাকলে সেটি সাধারণত মূর্ধন্য-ষ (ষ)-এ পরিণত হয়, যা এখানে মানা হয়নি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলালের ঘরের দুলাল</strong>। বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত প্যারীচাঁদ মিত্রের এই বইটিতেই 'ঠক চাচা' চরিত্রটি পাওয়া যায়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>আলালের ঘরের দুলাল</strong> উপন্যাসটি মূলত তৎকালীন সমাজের ভণ্ডামি ও কুসংস্কার নিয়ে লেখা।</li>
<li>এই উপন্যাসের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো <strong>ঠক চাচা</strong> চরিত্রটি, যে তার চতুরতা ও অদ্ভুত সব কথাবার্তার মাধ্যমে সমাজের অসঙ্গতিগুলো ফুটিয়ে তোলে।</li>
<li>বাংলা গদ্যের 'আলালী ভাষা' বা চলিত রীতির প্রথম প্রয়োগ হিসেবে এই উপন্যাসটি বিখ্যাত, আর ঠক চাচা চরিত্রটি সেই ভাষার প্রাণ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পথের পাঁচালী</strong>। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী এই উপন্যাসের মূল প্রাণই হলো অপু ও দুর্গা।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>পথের পাঁচালী</strong> উপন্যাসে গ্রামীণ বাংলার শৈশব ও প্রকৃতির যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তার প্রধান দুই চরিত্রই হলো ভাই-বোন অপু ও দুর্গা।</li>
<li>বিভূতিভূষণের লেখনীতে এই চরিত্র দুটি এতটাই জীবন্ত যে, বাংলা সাহিত্যের যেকোনো আলোচনায় তাদের নাম সবার আগে আসে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই অপু ও দুর্গার কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নিতে পারেন এটি <strong>পথের পাঁচালী</strong> উপন্যাসেরই অংশ।</p>
৪৬৯
জাগো বাহে কুণ্ঠে সবাই’- এই অবিস্মরণীয় আহ্বানউচ্চারণরণ করে কোন চরিত্রটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ শামসুল হকের ‘নূরুল দীনের সারাজীবন’ নাটকের নূরুল দীন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। এই বিখ্যাত উক্তিটি মূলত ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। এর পেছনের কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:</strong> রংপুর অঞ্চলের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নূরুল দীন যখন সাধারণ মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জেগে ওঠার ডাক দেন, তখনই তিনি এই কালজয়ী উক্তিটি করেছিলেন।</li>
<li><strong>নাটকের মূল সুর:</strong> সৈয়দ শামসুল হকের এই কাব্যনাট্যে নূরুল দীনকে একজন প্রতিবাদী ও দেশপ্রেমিক নেতা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যার কণ্ঠে শোষিত মানুষের জাগরণের সুর ধ্বনিত হয়।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> ‘জাগো বাহে’—এই আঞ্চলিক সম্বোধনটিই মূলত নূরুল দীনের চরিত্রের সাথে গভীরভাবে মিশে আছে, যা নাটকের শুরুতেই দর্শকদের মনোযোগ কেড়ে নেয়।</li>
</ul>
<p>অমিত ও লাবণ্য চরিত্র দুটির রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। এই চরিত্র দুটি তাঁর কালজয়ী উপন্যাস <strong>'শেষের কবিতা'</strong>-র প্রধান আকর্ষণ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির নাম: <strong>শেষের কবিতা</strong>।</li>
<li>প্রকাশকাল: ১৯২৯ সাল।</li>
<li>অমিত রায় ও লাবণ্যর মধ্যকার বুদ্ধিবৃত্তিক প্রেম ও কথোপকথন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই 'শেষের কবিতা' এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামটা একসাথে মনে রাখলেই আপনার কাজ হয়ে যাবে!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কবর</strong>। মুনীর চৌধুরীর লেখা এই বিখ্যাত নাটকটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<p>নাটকটির মূল বিষয়বস্তু ও চরিত্রগুলো মনে রাখার জন্য এই সহজ বিষয়টি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>কবর</strong> নাটকটি মূলত ভাষা শহীদদের স্মরণে এবং তৎকালীন রাজনৈতিক অস্থিরতাকে ফুটিয়ে তোলার জন্য লেখা হয়েছে।</li>
<li>এখানে <strong>মুর্দা ফকির</strong> চরিত্রটি অত্যন্ত প্রতীকী। সে মৃত ব্যক্তিদের প্রতিনিধি হিসেবে কথা বলে, যা নাটকের ট্র্যাজেডিকে আরও গভীর করে তোলে।</li>
<li>নাটকটির পটভূমি যেহেতু একটি কবরস্থানকে কেন্দ্র করে, তাই চরিত্রগুলোর নাম ও সংলাপের সাথে 'কবর' নাটকের নামটি সরাসরি সম্পর্কিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা মুনীর চৌধুরীর কালজয়ী এই নাটকের প্রধান একটি চরিত্র হলো এই মুর্দা ফকির।</p>
<p>মনসামঙ্গলের প্রধান নারী চরিত্র হলো <strong>সনকা</strong>। সনকা ছিলেন চাঁদ সদাগরের স্ত্রী। দেবী মনসার প্রতি ভক্তি না থাকা এবং নিজের স্বামীর জেদের কারণে সনকাকে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়, যা মনসামঙ্গল কাব্যের মূল কাহিনীর একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>মনসামঙ্গল:</strong> এই কাব্যের কেন্দ্রীয় চরিত্রগুলো হলো চাঁদ সদাগর, বেহুলা, লখিন্দর এবং সনকা।</li>
<li><strong>সনকা:</strong> তিনি চাঁদ সদাগরের স্ত্রী হিসেবে দেবী মনসার পূজা প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চণ্ডীমঙ্গল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চণ্ডীমঙ্গল কাব্য।</p>
<ul>
<li>এই কাব্যের কাহিনী মূলত দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত—<strong>আখেটি খণ্ড</strong> এবং <strong>বণিক খণ্ড</strong>।</li>
<li>বণিক খণ্ডের মূল চরিত্র হলো ধনপতি সদাগর।</li>
<li>এই ধনপতি সদাগরের দুই স্ত্রী হলেন <strong>লহনা</strong> এবং <strong>খুল্লনা</strong>।</li>
<li>তাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ও সংসারের নানা ঘটনা নিয়েই এই কাব্যের কাহিনী এগিয়েছে, তাই এই চরিত্র দুটি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তিনটিই</strong>। কারণ ধর্মমঙ্গল কাব্য মূলত লাউসেন নামক বীরের কাহিনীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠলেও, এর কাহিনিতে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র রয়েছে।</p>
<ul>
<li><strong>লাউসেন:</strong> ইনি ধর্মমঙ্গল কাব্যের প্রধান নায়ক বা কেন্দ্রীয় চরিত্র।</li>
<li><strong>ইছাই ঘোষ:</strong> ইনি লাউসেনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বা খলনায়ক হিসেবে পরিচিত।</li>
<li><strong>মদনা:</strong> ইনি লাউসেনের একজন বিশ্বস্ত অনুচর বা ডোমনী চরিত্র, যিনি কাব্যের বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, এই তিনটি চরিত্রই ধর্মমঙ্গল কাব্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চণ্ডীদাস</strong>। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের প্রধান তিনটি চরিত্রের মধ্যে বড়াই ও ধারা অন্যতম।</p>
<ul>
<li><strong>বড়াই:</strong> শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের অন্যতম প্রধান চরিত্র, যিনি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের মিলনে দূতী বা ঘটকের ভূমিকা পালন করেন।</li>
<li><strong>ধারা:</strong> এটিও এই কাব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র, যা চণ্ডীদাসের লেখনীতে অত্যন্ত জীবন্ত হয়ে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি আবিষ্কৃত হওয়ার পর থেকেই এর রচয়িতা হিসেবে <strong>চণ্ডীদাস</strong>-এর নাম সর্বজনস্বীকৃত, কারণ এই কাব্যের ভাষা ও শৈলী তাঁর কাব্যরীতির সাথে হুবহু মিলে যায়।</p>
<p>শকুন্তলা চরিত্রটির স্রষ্টা হলেন <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মহাকবি কালিদাসের বিখ্যাত সংস্কৃত নাটক 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম'-এর কাহিনি অবলম্বনে বিদ্যাসাগর ১৮৫৪ সালে <strong>'শকুন্তলা'</strong> গ্রন্থটি রচনা করেন।</li>
<li>এটি বাংলা গদ্য সাহিত্যের ইতিহাসে একটি মাইলফলক, কারণ তিনি সংস্কৃতের জটিল ভাষা থেকে কাহিনিটিকে অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল বাংলা গদ্যে রূপান্তর করেছিলেন।</li>
<li>তাই বাংলা সাহিত্যে 'শকুন্তলা' বললেই আমাদের ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নামই সবার আগে মনে রাখতে হবে।</li>
</ul>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী ছোটগল্প 'ছুটি'-র প্রধান চরিত্র হলো ফটিক এবং তার ছোট ভাই মাখন। গল্পের শুরুতেই আমরা দেখি ফটিক ও মাখনের দুষ্টুমি আর তাদের মধ্যকার খুনসুটি, যা পুরো গল্পের প্রেক্ষাপট তৈরি করে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ক ও খ</strong>।</p>
<ul>
<li><strong>ফটিক:</strong> গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র, যে তার মামার বাড়িতে গিয়ে মানিয়ে নিতে না পেরে এক গভীর নিঃসঙ্গতায় ভোগে।</li>
<li><strong>মাখন:</strong> ফটিকের ছোট ভাই, যার সাথে ফটিকের সম্পর্কের টানাপোড়েন গল্পের শুরুতে বেশ গুরুত্ব পেয়েছে।</li>
</ul>
<p>গয়া এই গল্পের চরিত্র নয়, তাই ফটিক ও মাখন—এই দুই চরিত্রই সঠিক উত্তরের অন্তর্ভুক্ত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মামলার ফল</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'মামলার ফল' ছোটগল্পের অন্যতম প্রধান চরিত্র হলো গয়া।</p>
<p>গল্পটি পড়ার সময় এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>গল্পের মূল প্রেক্ষাপট হলো জমিজমা সংক্রান্ত আইনি জটিলতা।</li>
<li>এই জটিলতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা অন্যতম চরিত্র হলো গয়া।</li>
<li>গল্পের নাম এবং চরিত্রের নাম মনে রাখার জন্য গয়া ও মামলার আইনি প্যাঁচের সম্পর্কটি মাথায় রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তিনটিই</strong>। প্যারীচাঁদ মিত্রের লেখা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস <strong>'আলালের ঘরের দুলাল'</strong>-এর প্রধান চরিত্রগুলো বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়:</p>
<ul>
<li><strong>ঠকচাচা:</strong> উপন্যাসের অন্যতম প্রধান ও প্রভাবশালী চরিত্র, যার নামানুসারে 'আলালী ভাষা'র উদ্ভব হয়েছে।</li>
<li><strong>বাঞ্ছারাম:</strong> উপন্যাসের কাহিনীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী একটি চরিত্র।</li>
<li><strong>বাবু রাম বাবু:</strong> উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মতিলালের বাবা, যিনি এই কাহিনীর অন্যতম প্রধান অংশ।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, এই তিনটি চরিত্রই এই উপন্যাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তাই সঠিক উত্তরটি হবে তিনটিই।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শেষের কবিতা</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এই কালজয়ী উপন্যাসের প্রধান দুই চরিত্র হলো অমিত রায় এবং লাবণ্য।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অমিত রায়:</strong> অক্সফোর্ড ফেরত ব্যারিস্টার, যার ব্যক্তিত্ব বেশ আধুনিক ও বুদ্ধিদীপ্ত।</li>
<li><strong>লাবণ্য:</strong> শিলংয়ের পাহাড়ে থাকা এক শান্ত ও বিদুষী নারী।</li>
</ul>
<p>তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক প্রেম এবং কথোপকথনের জন্য এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে অনন্য। তাই যখনই অমিত ও লাবণ্যের নাম শুনবেন, চোখ বন্ধ করে <strong>শেষের কবিতা</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।