দেহের কোথাও ক্ষত সৃষ্টির ফলে কোনো রক্তবাহিকার এন্ডোথেলিয়াম ক্ষতিগ্রস্থ হলে রক্তপাত বন্ধের উদ্দেশে ও সংক্রমণ প্রতিরোধে যে জটিল জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ফাইব্রিন জালক সৃষ্টির মাধ্যমে ক্ষতস্থানে রক্তকে থকথকে পিণ্ডে পরিণত করে সে প্রক্রিয়াকে রক্তের জমাট বাঁধা বা রক্ত তঞ্চন বলে । এ প্রক্রিয়ায় অণুচক্রিকা ও রক্তরসে অবস্থিত ১৩ ধরনের ক্লটিং ফ্যাক্টর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।ফ্যাক্টরগুলো নাম নিম্নরূপ :• ফ্যাক্টর-I বা ফাইব্রিনোজেন• ফ্যাক্টর-II বা প্রোথ্রম্বিন• ফ্যাক্টর-III বা থ্রম্বোপ্লাস্টিন• ফ্যাক্টর-IV বা ক্যালসিয়াম আয়ন• ফ্যাক্টর-V বা ল্যাবাইল ফ্যাক্টর বা প্রোঅ্যাকসেলারিন• ফ্যাক্টর-VI বা অ্যাকসেলারিন• ফ্যাক্টর-VII বা স্টেবল ফ্যাক্টর বা প্রোকনভারটিন• ফ্যাক্টর-VIII বা অ্যান্টিহিমোফিলিক ফ্যাক্টর (AHF)• ফ্যাক্টর-IX বা ক্রিস্টমাস ফ্যাক্টর• ফ্যাক্টর-X বা স্টুয়ার্ট ফ্যাক্টর• ফ্যাক্টর-XI বা প্লাজমা থ্রম্বোপ্লাস্টিন• ফ্যাক্টর-XII বা হ্যাগম্যান ফ্যাক্টর• ফ্যাক্টর-XIII বা ফাইব্রিন স্টেবিলাইজিং ফ্যাক্টর
অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে পর্যবেক্ষণ করলে, অগ্ন্যাশয়ের একটি রঞ্জিত প্রস্থচ্ছেদ-এ দুই ধরনের প্যারেনকাইমাল কোষ দেখা যায়। হালকা রং-এ রঞ্জিত কোষ গুলো কে বলা হয় "আইলেটস অব ল্যাংগারহ্যান্স"। এগুলো হরমোন তৈরী করে এবং অন্তঃক্ষরা কার্যাবলীর অন্তরগত।
যার সংখ্যা বেশি, তাকে বলা হয় সিস্টোলিক চাপ এবং যার সংখ্যা কম, তাকে বলা হয় ডায়াস্টোলিক চাপ। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোনও ব্যক্তির রক্তচাপ ১২০/৮০ mmHg হলে ১২০ হল সিস্টোলিক নম্বর এবং ৮০ হল ডায়াস্টোলিক নম্বর। সাধারণত এক জন সুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে আদর্শ ব্লাড প্রেশার হল-- ১২০/৮০ মিলিমিটার মার্কারি।
সালোকসংশ্লেষে অক্সিজেনের উৎস হল H20(জল)। জল এ কার্বন ডাই অক্সাইড যখন পাতার মধ্যে আসে তখন ক্লোরোপ্লাস্ট ( সবুজ প্লাসটিড) সূর্যালোকের সাহায্যে গ্লুকোজ বানায়। অক্সিজেন পাতা থেকে হাওয়ায় বেরিয়ে যায় ।
যে বাড়ীতে সর্পগন্ধা থাকে সে বাড়ীতে সাপ আসে না। গাছের মূল নানা প্রকার রোগের চিকিত্সায় লাগে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসে। সর্পগন্ধার মূল চুর্ণ করে অল্প পরিমাণ খেলে উত্তেজনা প্রশমিত হয় ও ঘুম ভাল হয়। দৈহিক দুবর্লতা ও মানসিক অবসাদজনিত রোগেও মূলের চূর্ণ ব্যবহৃত হয়। স্কিটসোফ্রিনিয়ার রোগীরা এতে উপকৃত হয়। সাধারণ জ্বর এবং পেটের গোলমালেও উপকারী। তবে ব্রঙ্কাইটিস, হাঁপানি, গ্যাসট্রিক আলসারে এর ব্যবহার ক্ষতিকর।
জাইলেম ও ফ্লোয়েমের মধ্যে পার্থক্য :জাইলেম : (i) জাইলেম প্রধানত মৃত টিস্যু(ii) জাইলেমে ভেসেল, ট্রাকিড, জাইলেম ফাইবার ও জাইলেম প্যারেনকাইমা উপাদানসমূহ বিদ্যমান(iii) জাইলেমে একমাত্র জীবিত উপাদান হলো উড প্যারেনকাইমা(iv) জাইলেম কান্ডের কেন্দ্রের দিকে থাকে(v) পানি ও খাদ্যরস পরিবহন এবং দেহকে দৃঢ়তা প্রদান করাই জাইলেমের কাজ(vi) জাইলেমের মাধ্যমে ঊর্ধ্বমুখী সংবহন হয়ফ্লোয়েম : (i) ফ্লোয়েম প্রধানত জীবিত টিস্যু(ii) ফ্লোয়েমে সীভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম ফাইবার ও ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা উপাদানসমূহ বিদ্যমান(iii) ফ্লোয়েমে একমাত্র মৃত উপাদান হলো ফ্লোয়েম ফাইবার(iv) ফ্লোয়েম কান্ডের পরিধির দিকে থাকে(v) খাদ্য পরিবহন ও খাদ্য সঞ্চয় করাই ফ্লোয়েমের কাজ(vi) ফ্লোয়েমের মাধ্যমে নিম্নমুখী বা উভমুখী সংবহন হয়
ভাইরাসের দেহে কোন নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম নেই; কেবল প্রোটিন এবং নিউক্লিক এসিড দিয়ে দেহ গঠিত। কেবলমাত্র উপযুক্ত পোষকদেহের অভ্যন্তরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে। এদের অভ্যন্তরীণ তথ্য বহনকারী সূত্রক দুই প্রকারের হতে পারে: ডিএনএ এবং আরএনএ।
অরীয় (Radial) ➞ যে ভাস্কুলার বান্ডলে জাইলেম এবং ফ্লোয়েম একত্রে একটি বান্ডলের সৃষ্টি না করে পৃথক পৃথকভাবে ভিন্ন ভিন্ন বান্ডলের সৃষ্টি করে এবং পাশাপাশি অবস্থান করে তাকে অরীয় ভাস্কুলার বান্ডল বলে । পুষ্পক উদ্ভিদের মূলে এ ধরনের ভাস্কুলার বান্ডল দেখা যায় । দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলে জাইলেম অথবা ফ্লোয়েম বান্ডল এর সংখ্যা সাধারণত পাঁচ এর কম থাকে (২-৪) কিন্তু একবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলে এদের প্রত্যেকের সংখ্যা সাধারণত ছয় এর অধিক
মাইটোকন্ড্রিয়া দ্বি-স্তরবিশিষ্ট আবরণী ঝিল্লি দ্বারা সীমিত সাইটোপ্লাজমস্থ যে অঙ্গাণুতে ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট ইত্যাদি ঘটে থাকে এবং শক্তি উৎপন্ন হয় সেই অঙ্গাণুকে মাইট্রোকন্ডিয়া বলে। (ইংরেজি: Mitochondria) এটি এক প্রকার কোষীয় অঙ্গানু, যা সুকেন্দ্রিক কোষে পাওয়া যায়।
১০৬২
সালেকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় o2 পানি থেকে আসে। এ তথ্য কে আবিষ্কার করেন?
১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দের রবিন হিল নামক ইংরেজ প্রাণরসায়নবিদ একটি পরীক্ষা করেন। তিনি কার্বন-ডাই-অক্সাইডের অনুপস্থিতিতে পৃথককৃত ক্লোরোপ্লাস্ট, পানি এবং কিছু অজৈব জারক তথা হাইড্রোজেন গ্রাহক একত্রে আলোতে রাখেন। পরীক্ষা শেষে দেখা যায়, কার্বন ডাই অক্সাইড এর অনুপুস্থিতিতে কোন শর্করা তৈরি হয় না, কিন্তু অক্সিজেন নির্গত হয়। আসলে পানি হাইড্রোজেন অজৈব জারক তথা হাইড্রোজেন গ্রাহককে বিজারিত করে এবং অক্সিজেন বের হয়ে আসে। হিলের এ পরীক্ষা থেকে প্রমাণিত হয় যে, সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নির্গত অক্সিজেনের উৎস পানি। হিল বিক্রিয়াটি নিম্নরূপঃ2A (অজৈব জারক) + 2H₂O → 2AH₂ + O₂ ↑
Euglena একক কোষের ফ্ল্যাজেলেট ইউক্যারিওটসের একটি প্রজাতি। এটি Euglenoidea শ্রেণীর সবচেয়ে পরিচিত এবং সর্বাধিক অধ্যয়ন করা সদস্য, একটি বৈচিত্র্যময় গোষ্ঠী যার মধ্যে প্রায় 54টি বংশ এবং কমপক্ষে 200টি প্রজাতি রয়েছে। ইউগলেনার প্রজাতি মিঠা পানি এবং লবণ পানিতে পাওয়া যায়। এটি সায়ানোব্যাকটেরিয়া নয় |
১০৬৪
আমাদের জাতীয় ফুলের বৈজ্ঞানিক নামের সঠিক বানান কোনটি?
• বাংলাদেশের জাতীয় মাছের নাম ➞ Tenualosa ilisha (ইলিশ মাছ)• বাংলাদেশের জাতীয় পশুর নাম ➞ Panthera tigris (রয়েল বেঙ্গল টাইগার/বাঘ)• বাংলাদেশের জাতীয় পাখির নাম ➞ Copsychus saularis (দোয়েল)• বাংলাদেশের জাতীয় ফলের নাম ➞ Artocarpus heterophyllus (কাঁঠাল)• বাংলাদেশের জাতীয় ফুলের নাম ➞ Nymphaea nouchali (শাপলা)
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।