H এর জারণ সংখ্যা = + 1,
O এর জারণ সংখ্যা = - 2
ধরি, P এর জারণ সংখ্যা = X
H4P2O7
(4* + 1) + (X*2) + ( - 2*7) = 0
+ 4 + 2X - 14 = 0
2X = + 14 - 4
X = + 5
নাইট্রিক এসিড যার রাসায়নিক সংকেত HNO3, যা একুয়া ফর্টিস এবং স্পিরিট অফ নাইটার নামে পরিচিত, একটি সক্রিয় খনিজ এসিড। যৌগটি বিশুদ্ধ অবস্থায় বর্ণহীন, পুরাতন এসিড হলুদাভ রঙ ধারণ করে কারণ এটা ভেঙে নাইট্রোজেনের অক্সাইড এবং পানি তৈরি করে। বাণিজ্যিক ভাবে উৎপন্ন নাইট্রিক এসিডের ঘনত্ব ৬৮%। যখন নাইট্রিক এসিডের ঘনত্ব ৮৬% এর বেশি হয় তখন একে "'ধূমায়িত নাইট্রিক অ্যাসিড "' বলে। নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইডের উপস্থিতির ভিত্তিতে ধূমায়িত নাইট্রিক এসিড সাদা এবং লাল দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ৯৫% এর বেশি ঘনত্বের নাইট্রিক এসিড নাইট্রেশান বিক্রিয়ার প্রধান রিএজেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। নাইট্রিক এসিড সাধারণত দৃঢ় জারন উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বিশুদ্ধ নাইট্রিক এসিডের ঘনমাত্রা 24 (M)
সাজিমাটিতে সোডিয়াম কার্বনেট যৌগটি বিদ্যমান।
সোডিয়াম কার্বনেট একটি অজৈব রাসায়নিক যৌগ যার আণবিক সংকেত Na2CO3। এটি ওয়াশিং সোডা, সোডা অ্যাশ এবং সোডা ক্রিস্টাল নামেও পরিচিত।
সোডিয়াম সমৃদ্ধ মাটিতে উৎপন্ন উদ্ভিদ যেমন মধ্য প্রাচ্যের সব্জি স্কটল্যান্ডের কেল্প ও স্পেইনের সামুদ্রিক আগাছা থেকে সোডিয়াম পৃথক করা যায়। এই ধরনের উদ্ভিদের ছাই থেকে পাওয়া যায় বলে একে সোডা অ্যাশ বলা হয়। নানা বাণিজ্যিক পণ্য উৎপাদনে এটি ব্যবহৃত হয়।
অগ্র মস্তিষ্কের প্রধান অংশের একটি হচ্ছে হাইপোথ্যালামাস । এটি থ্যালামাসের ঠিক নিচে অবস্থিত এবং গ্রে ম্যাটার নির্মিত । এটি একটি সূক্ষ্ম অংশের সাহায্যে পিটুইটারি গ্রন্থির সাথে সংযুক্ত। উল্লেখযোগ্য কাজ গুলো হলো -
দেহে তাপ নিয়ন্ত্রণ করা
স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুকেন্দ্রের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করা
ক্ষুধা, তৃষ্ণা, ঘাম, ঘুম, রাগ, পীড়ন, ভালোলাগা, ঘৃণা, উদ্বেগ প্রভৃতির কেন্দ্র হিসেবে কাজ করা ।
”ইরাটম” উন্নত জাতের ধান।
ইরাটম - ২৪
জাতের বৈশিষ্ট্যঃ
এটি একটি মধ্যম স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন জাত।
জীবনকাল বোরো মৌসুমে ১৪০ - ১৫০ দিন ও আউশ মৌসুমে ১২৫ - ১৩০ দিন।
গাছ মাঝারী আকারের লমবা (৮০ - ৮৫ সেমি)
জাতটি পাতা পোড়া রোগ প্রতিরোধী।
প্রতি গুছিতে কুশির সংখ্যা ১৭ - ২০ টি, ছড়া ২১ সে.মি. লম্বা ও ১৪০ - ১৫০ টি ধান ধরে ।
চাল মাঝারী সরু ও লম্বা।
চালে এ্যামাইলোজের পরিমাণ ২৬ - ২৮% ও আমিষের পরিমাণ ৮.২১ - ৮.৩৮%।
ভাত সহজে নষ্ট হয় না।
প্রশ্ন : কোন গ্রন্থটি মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচনা করেন?
উত্তর:বত্রিশ সিংহাসন।
বর্ণনা: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার (1762 (আনুমানিক) সালে মেদিনীপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন বাংলা গদ্যের উন্মেষ যুগের অন্যতম লেখক । ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে অধ্যাপনা কালে পাঠ্যপুস্তক এর অভাব অনুভূত হলে (1802) সালে বত্রিশ সিংহাসন নামক গ্রন্থ রচনা করেন। তার অন্যান্য গ্রন্থ হলো - হিতোপদেশ (1808), রাজাবলি (1808), চন্দ্রিকা (1817 ), প্রবোধচন্দ্রিকা (1833)।
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
সাধারণ বিজ্ঞান
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।