<p>ধাতুর ক্ষয় বা মরিচা পড়া রোধ করার জন্য এখানে উল্লিখিত প্রতিটি পদ্ধতিই অত্যন্ত কার্যকর। সঠিক উত্তর হলো <strong>সবগুলোই</strong>, কারণ প্রতিটি পদ্ধতিই ধাতুর উপরিভাগকে বাতাস ও জলীয় বাষ্পের সংস্পর্শ থেকে আলাদা রাখে।</p>
<ul>
<li><strong>গ্রীজ:</strong> ধাতুর ওপর তেলের বা গ্রীজের প্রলেপ দিলে তা বাতাসের অক্সিজেন ও আর্দ্রতার সাথে ধাতুর বিক্রিয়া বন্ধ করে দেয়।</li>
<li><strong>তড়িৎ প্রলেপন:</strong> ইলেকট্রোপ্লেটিং পদ্ধতিতে একটি সক্রিয় ধাতুর ওপর অন্য একটি কম সক্রিয় বা নিষ্ক্রিয় ধাতুর পাতলা আস্তরণ তৈরি করা হয়, যা মূল ধাতুকে সুরক্ষিত রাখে।</li>
<li><strong>গ্যালভানাইজিং:</strong> লোহার ওপর দস্তার বা জিংকের প্রলেপ দেওয়ার এই বিশেষ প্রক্রিয়াটি লোহাকে মরিচা থেকে দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা দেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই পদ্ধতিগুলো ধাতুর ওপর একটি প্রতিরক্ষামূলক আবরণ তৈরি করে, ফলে ধাতু দীর্ঘকাল নতুনের মতো থাকে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফিউশন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, সূর্যের ভেতরে প্রচণ্ড তাপ ও চাপে হালকা মৌলগুলো মিলে ভারী মৌল তৈরি হয়।</p>
<ul>
<li>সূর্যের কেন্দ্রে মূলত হাইড্রোজেনের চারটি নিউক্লিয়াস মিলে একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস তৈরি করে।</li>
<li>এই প্রক্রিয়ায় ভরের সামান্য অংশ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, যা আইনস্টাইনের বিখ্যাত সমীকরণ $E = mc^2$ মেনে চলে।</li>
<li>এই বিপুল পরিমাণ শক্তিই আলো ও তাপ হিসেবে আমাদের কাছে পৌঁছায়, যাকে আমরা <strong>নিউক্লীয় ফিউশন</strong> বা সংযোজন বিক্রিয়া বলি।</li>
</ul>
১৮
কণা পরিসংখ্যান তত্ত্ব এর জন্য বিখ্যাত কোন বিজ্ঞানী ?
<p>কণা পরিসংখ্যান বা কোয়ান্টাম স্ট্যাটিস্টিকস নিয়ে কাজ করার জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত বিজ্ঞানী হলেন <strong>সতেন্দ্র নাথ বসু</strong>। তাঁর এই যুগান্তকারী কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ আজও পদার্থবিজ্ঞানে এক বিশেষ ধরনের কণার নামকরণ করা হয়েছে তাঁর নামানুসারে, যাকে আমরা <strong>বোসন (Boson)</strong> কণা বলে চিনি।</p>
<p>সহজ কথায়, তাঁর অবদানের মূল দিকগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>তিনি আলবার্ট আইনস্টাইনের সাথে মিলে <strong>বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান</strong> উদ্ভাবন করেন।</li>
<li>এই তত্ত্বটি মূলত সেইসব কণার আচরণ ব্যাখ্যা করে, যাদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা (যেমন: $0, 1, 2, \dots$)।</li>
<li>আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুযায়ী, মহাবিশ্বের মৌলিক বলের বাহক কণাগুলো এই পরিসংখ্যান মেনেই চলে।</li>
</ul>
<p>সংক্ষেপে, কোয়ান্টাম জগতের জটিল পরিসংখ্যানকে সহজভাবে ব্যাখ্যা করার কারণেই তিনি পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।</p>
<p>বিবর্তনের জনক হিসেবে <strong>এপিডোক্লোসি</strong>-কে ধরা হয়। যদিও চার্লস ডারউইন বিবর্তনবাদের আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি স্থাপন করেছেন, কিন্তু বিবর্তনের ধারণার বীজ অনেক আগেই রোপণ করেছিলেন গ্রিক দার্শনিক এপিডোক্লোসি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রাচীনকালে যখন বিজ্ঞানের আধুনিক যন্ত্রপাতি ছিল না, তখনই তিনি জীবজগতের পরিবর্তন নিয়ে প্রথম চিন্তাভাবনা শুরু করেন।</li>
<li>তার দর্শন অনুযায়ী, প্রকৃতিতে টিকে থাকার জন্য জীবের বিভিন্ন অঙ্গের পরিবর্তন ঘটে, যা আধুনিক বিবর্তনবাদের আদি ধারণা হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তাই ইতিহাসের পাতায় বিবর্তনবাদের প্রথম প্রবক্তা হিসেবে <strong>এপিডোক্লোসি</strong>-র নামই সবার আগে আসে।</li>
</ul>
<p>আমাদের কান শুধু শোনার কাজই করে না, এটি শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতেও দারুণ ভূমিকা পালন করে। কানের ভেতরে থাকা বিশেষ কিছু অংশ আমাদের শরীরের অবস্থান এবং নড়াচড়া সম্পর্কে মস্তিষ্ককে সংকেত পাঠায়, যার ফলে আমরা সোজা হয়ে দাঁড়াতে বা হাঁটতে পারি।</p>
<p>সহজ কথায়, কানের কাজগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>শব্দ গ্রহণ:</strong> বাইরের শব্দ তরঙ্গকে মস্তিষ্কে পৌঁছে দেওয়া।</li>
<li><strong>ভারসাম্য রক্ষা:</strong> কানের ভেতরের ভেস্টিবুলার সিস্টেম আমাদের শরীরের ভারসাম্য ঠিক রাখে, যাতে আমরা পড়ে না যাই।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ভারসাম্য রক্ষা</strong>। এটি আমাদের শরীরের এমন একটি স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া যা আমরা টেরই পাই না, কিন্তু এটি ছাড়া আমাদের চলাফেরা করা অসম্ভব হয়ে পড়ত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চোখ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, ক্যাটার্যাক্ট বা ছানি পড়া মূলত চোখের একটি রোগ।</p>
<ul>
<li>আমাদের চোখের লেন্সের ওপর যখন প্রোটিনের আস্তরণ জমে ঘোলাটে হয়ে যায়, তখনই তাকে ক্যাটার্যাক্ট বলা হয়।</li>
<li>এর ফলে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে আসে এবং সময়মতো চিকিৎসা না করলে মানুষ অন্ধও হয়ে যেতে পারে।</li>
<li>সহজ কথায়, এটি চোখের লেন্সের স্বচ্ছতা নষ্ট হওয়ার একটি সমস্যা, যা সাধারণত বয়সের কারণে হয়ে থাকে।</li>
</ul>
<p>বাংলাদেশে সাধারণত স্বাদু পানির ঝিনুকের <strong>৬টি</strong> প্রজাতি পাওয়া যায়। আমাদের দেশের নদী-নালা ও জলাশয়ে এই ঝিনুকগুলো প্রাকৃতিকভাবেই বংশবিস্তার করে থাকে।</p>
<ul>
<li>বাংলাদেশে প্রাপ্ত ঝিনুকের প্রধান প্রজাতিগুলোর মধ্যে <em>Lamellidens marginalis</em> এবং <em>Parreysia corrugata</em> অন্যতম।</li>
<li>এগুলো মূলত মুক্তা চাষ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</li>
<li>বিজ্ঞানীদের মতে, ভৌগোলিক অবস্থান ও পানির গুণাগুণের কারণে আমাদের দেশে মোট <strong>৬</strong> প্রজাতির ঝিনুকের অস্তিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফার্ণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ফার্ণ জাতীয় উদ্ভিদ ফুল বা বীজ তৈরি করতে পারে না। এদের বংশবৃদ্ধির প্রধান মাধ্যম হলো <strong>অণুবীজ</strong> বা স্পোর (Spore)।</p>
<ul>
<li>ফার্ণের পাতার নিচের দিকে ছোট ছোট বাদামী রঙের গোল দাগের মতো অংশ থাকে, যাকে <strong>সোরাস</strong> (Sorus) বলে।</li>
<li>এই সোরাসের ভেতরেই অসংখ্য অণুবীজ তৈরি হয়।</li>
<li>অনুকূল পরিবেশে এই অণুবীজগুলো ছড়িয়ে পড়ে এবং নতুন ফার্ণ উদ্ভিদের জন্ম দেয়।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য অপশনগুলোর (সরিষা, পাট, গম) ক্ষেত্রে বংশবৃদ্ধি হয় সরাসরি বীজের মাধ্যমে, তাই এদের অণুবীজের প্রয়োজন হয় না।</p>
<p>ক্যান্সার চিকিৎসায় গামা বিকিরণের উৎস হিসেবে মূলত <strong>কোবাল্ট-৬০</strong> ($^{60}\text{Co}$) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। এখানে সঠিক উত্তরটি হলো <strong>কোবাল্ট-৬০</strong>, যা মূলত একটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ।</p>
<ul>
<li>গামা রশ্মি অত্যন্ত উচ্চ ভেদনক্ষমতাসম্পন্ন একটি তড়িৎচৌম্বকীয় বিকিরণ।</li>
<li>ক্যান্সার কোষের ডিএনএ (DNA) ধ্বংস করে তাদের বংশবৃদ্ধি রোধ করতে এই রশ্মি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে 'কোবাল্ট থেরাপি' বলা হয়, যেখানে কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি টিউমার বা ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত এই শক্তিশালী গামা রশ্মি ক্যান্সার চিকিৎসায় অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।</p>
২৫
কোন জ্বালানি পোড়ালে সালফার ডাই অক্সাইড বাতাসে আসে ?
<p>হীরক বা হীরা উজ্জ্বল দেখানোর মূল কারণ হলো <strong>পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>হীরকের প্রতিসরাঙ্ক অনেক বেশি, যার ফলে এর সংকট কোণ (critical angle) খুব কম হয় (প্রায় $24^\circ$)।</li>
<li>যখন আলো হীরকের ভেতরে প্রবেশ করে, তখন এটি এমনভাবে নকশা করা হয় যে আলো বারবার হীরকের অভ্যন্তরীণ দেয়ালে $24^\circ$-এর চেয়ে বড় কোণে আপতিত হয়।</li>
<li>এর ফলে আলো বাইরে বেরিয়ে না এসে বারবার ভেতরেই প্রতিফলিত হতে থাকে, যাকে আমরা <strong>পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন</strong> বলি।</li>
<li>এই আটকে পড়া আলোই হীরককে চারপাশ থেকে অত্যন্ত উজ্জ্বল ও ঝকঝকে দেখায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাইবোজোম থাকে</strong>। কারণটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>ভাইরাস হলো অকোষীয় বা অকোষীয় জীব, যার মানে এদের কোনো কোষীয় অঙ্গাণু নেই।</li>
<li>যেহেতু ভাইরাসে কোনো প্রোটিন তৈরির কারখানা বা <strong>রাইবোজোম</strong> থাকে না, তাই এরা নিজেরা প্রোটিন তৈরি করতে পারে না।</li>
<li>এরা বংশবৃদ্ধির জন্য পুরোপুরি অন্য কোনো পোষক কোষের রাইবোজোম ও অন্যান্য যন্ত্রপাতির ওপর নির্ভরশীল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রাইবোজোম থাকা কোষের বৈশিষ্ট্য, আর ভাইরাস যেহেতু প্রকৃত কোষ নয়, তাই এতে রাইবোজোম থাকার প্রশ্নই আসে না।</p>
<p>রাসায়নিক অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রগুলো মূলত আগুনের ত্রিভুজ (Fuel, Heat, Oxygen) ভেঙে কাজ করে। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে</strong>, কারণ বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>আগুন জ্বলার জন্য অবিরাম <strong>অক্সিজেন</strong> প্রয়োজন।</li>
<li>অগ্নিনির্বাপক থেকে নির্গত রাসায়নিক পদার্থ আগুনের চারপাশে একটি আস্তরণ তৈরি করে।</li>
<li>এই আস্তরণটি বাতাসের অক্সিজেনকে আগুনের সংস্পর্শে আসতে বাধা দেয়।</li>
<li>ফলে অক্সিজেনের অভাবে আগুন দ্রুত নিভে যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আগুনকে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলাই হলো এই প্রক্রিয়ার মূল কৌশল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কিডনী</strong>। ডায়াবেটিস দীর্ঘস্থায়ী হলে এটি শরীরের রক্তনালীগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, যার ফলে কিডনীর কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যায়। একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় 'ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি' বলা হয়।</p>
<p>সহজ কথায় বিষয়টি এভাবে কাজ করে:</p>
<ul>
<li>রক্তে অতিরিক্ত শর্করার মাত্রা কিডনীর সূক্ষ্ম ছাঁকন যন্ত্র বা ফিল্টারগুলোকে নষ্ট করে ফেলে।</li>
<li>এর ফলে কিডনী শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করতে হিমশিম খায়।</li>
<li>দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস থাকলে কিডনী পুরোপুরি অকেজো হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।</li>
</ul>
<p>তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা কিডনী সুস্থ রাখার জন্য সবচেয়ে জরুরি।</p>
<p>কিডনীর গঠন ও কাজের একক হলো <strong>নেফ্রন</strong>। আমাদের প্রতিটি কিডনিতে প্রায় ১০ থেকে ১২ লক্ষ নেফ্রন থাকে, যা মূলত রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে প্রস্রাব তৈরির কাজ করে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>নেফ্রন</strong> হলো কিডনীর ফিল্টার বা ছাঁকনি।</li>
<li>রক্তের দূষিত পদার্থ দূর করে শরীরকে সুস্থ রাখতে এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</li>
<li>তাই কিডনীর যেকোনো কাজের মূল ভিত্তি হিসেবে নেফ্রনকেই ধরা হয়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
সাধারণ বিজ্ঞান
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।