<p>পল্লীকবি জসীমউদ্দীন সম্পর্কে এই তথ্যটি মনে রাখা খুব সহজ। তিনি জীবনভর গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও মানুষের কথা লিখে গেলেও, তার জীবনের শেষ সময়টা কেটেছিল ঢাকায়।</p>
<ul>
<li><strong>জন্মস্থান:</strong> ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রাম।</li>
<li><strong>মৃত্যুস্থান:</strong> ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ তিনি <strong>ঢাকায়</strong> মৃত্যুবরণ করেন।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য মনে রাখার সহজ কৌশল হলো—তার জন্ম ফরিদপুরে হলেও, তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন ঢাকার মাটিতে।</p>
<p>'বোবা কাহিনী' হলো পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত <strong>উপন্যাস</strong>। এটি তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে বেশ স্বতন্ত্র একটি সৃষ্টি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জসীমউদ্দীন মূলত তাঁর কাব্যগ্রন্থের জন্য পরিচিত হলেও, তিনি গদ্য সাহিত্যেও সমান পারদর্শী ছিলেন।</li>
<li>'বোবা কাহিনী' তাঁর একমাত্র মৌলিক <strong>উপন্যাস</strong> হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>এই উপন্যাসে তিনি গ্রামীণ জীবনের সহজ-সরল মানুষের আবেগ ও বাস্তবতাকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
১৫০৩
রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় জসীমউদ্দীনকে ডি.লিট ডিগ্রি প্রদান করেন কত সালে?
<p>পল্লীকবি জসীমউদ্দীনকে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ডি.লিট ডিগ্রি প্রদান করে <strong>১৯৬৯</strong> সালে। বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>জসীমউদ্দীনের সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা দেওয়া হয়।</li>
<li>সালটি মনে রাখতে এভাবে ভাবতে পারেন: তিনি ১৯৬৯ সালে এই বিশেষ সম্মাননাটি অর্জন করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কবি জসীমউদ্দীনের কর্মজীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি ছিল এই ডিগ্রি, যা তিনি ১৯৬৯ সালে লাভ করেন।</p>
১৫০৪
'আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও'- পংক্তিটি কোন কবির লেখা?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জসীমউদ্দীন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। জসীমউদ্দীনকে আমরা মূলত <strong>'পল্লীকবি'</strong> হিসেবে চিনি। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'নকশী কাঁথার মাঠ'</strong>-এর অন্তর্গত 'আসমানী' কবিতাটি গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে লেখা। এই কবিতার প্রথম লাইনটি হলো:</p>
<ul>
<li>'আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও, রহিমুদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।'</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'আসমানী' বা গ্রামের সহজ-সরল মানুষের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে জসীমউদ্দীনের নাম মনে রাখলেই চলবে!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কলেজে পড়েন</strong>। জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি। এই কবিতাটি নিয়ে একটি মজার তথ্য হলো:</p>
<ul>
<li>জসীমউদ্দীন যখন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে <strong>কলেজে</strong> (আই.এ ক্লাসে) পড়তেন, তখনই তিনি এই কালজয়ী কবিতাটি রচনা করেন।</li>
<li>কবিতাটি ১৯২৫ সালে 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়, যা সেই সময়েই তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ছাত্রাবস্থায় কলেজে পড়ার সময়ই তার কবি প্রতিভার এই অসাধারণ বিকাশ ঘটেছিল।</p>
১৫০৬
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের পল্লীগানসমূহ সংকলিত হয়েছে কোন গ্রন্থে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাখালী</strong>। জসীমউদ্দীনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>রাখালী</strong> কাব্যগ্রন্থটি মূলত পল্লীগীতি বা লোকজ গানের সংকলন।</li>
<li>পল্লীকবি জসীমউদ্দীন তাঁর এই গ্রন্থে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবন, প্রকৃতি এবং লোকসংগীতের সুরকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু মনে রাখুন: <strong>রাখালী = পল্লীগান</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাখালী</strong>। জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ <strong>রাখালী</strong>-এর অন্তর্ভুক্ত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জসীমউদ্দীনকে বলা হয় 'পল্লীকবি'।</li>
<li>তাঁর সাহিত্যকর্মের মূল ভিত্তিই হলো গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন।</li>
<li>১৯২৭ সালে প্রকাশিত <strong>রাখালী</strong> কাব্যগ্রন্থটি তাঁর কবিখ্যাতির সূচনা করে, যার প্রধান আকর্ষণই ছিল এই কালজয়ী 'কবর' কবিতাটি।</li>
</ul>
১৫০৮
জসীমউদ্দীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসাবে যোগদেন কত সালে?
<p>পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন <strong>১৯৩৮</strong> সালে। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>জসীমউদ্দীন ১৯৩৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন।</li>
<li>তাঁর এই যোগদানের সময়কালটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বেশ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মাধ্যমেই তিনি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাদানের সাথে সরাসরি যুক্ত হন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৯৩৮ সালটি তাঁর কর্মজীবনের একটি মাইলফলক হিসেবে মনে রাখলে পরীক্ষার জন্য বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে।</p>
<p>পল্লীকবি জসীমউদ্দীন মৃত্যুবরণ করেন <strong>১৩ মার্চ ১৯৭৬</strong> সালে। এই তারিখটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>জসীমউদ্দীনের জন্ম ও মৃত্যু উভয়ই মার্চ মাসে।</li>
<li>জন্ম: ১ জানুয়ারি ১৯০৩ (যদিও অনেক ক্ষেত্রে মার্চ মাসের সাথে মিল রেখে মনে রাখা সহজ হয়)।</li>
<li>মৃত্যু: <strong>১৩ মার্চ ১৯৭৬</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মার্চ মাসের ১৩ তারিখটি কবির প্রয়াণ দিবস হিসেবে মনে রাখলে পরীক্ষার খাতায় আর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সোজন বাদিয়ার ঘাট</strong>। জসিম উদ্দীনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি কালজয়ী গাথাকাব্য বা আখ্যানকাব্য।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জসিম উদ্দীনকে বলা হয় <strong>পল্লিকবি</strong>, কারণ তার লেখায় গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জীবন দারুণভাবে ফুটে ওঠে।</li>
<li><strong>সোজন বাদিয়ার ঘাট</strong> কাব্যগ্রন্থটি মূলত একটি প্রেম ও ট্র্যাজেডির আখ্যান, যা গাথাকাব্যের সকল বৈশিষ্ট্য বহন করে।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি যে, এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি যা লোকজ ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে রচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বোবা কাহিনী</strong>। পল্লীকবি জসিম উদ্দীনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জসিম উদ্দীন মূলত গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ ও জীবনসংগ্রাম নিয়ে তার সাহিত্য সাজিয়েছেন।</li>
<li><strong>বোবা কাহিনী</strong> তার সেই গ্রামীণ জীবনভিত্তিক গদ্য রচনার একটি অনন্য উদাহরণ।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই তার কাব্যগ্রন্থের পাশাপাশি এই গদ্যগ্রন্থটি থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এটি মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
১৫১২
কাজী নজরুল ইসলামের পর সাহিত্য সবচেয়ে বেশী আরবি ফারসি শব্দ ব্যবহার করেন-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>। বাংলা সাহিত্যে আরবি ও ফারসি শব্দের সার্থক ও শৈল্পিক ব্যবহারের জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ মুজতবা আলী দীর্ঘ সময় বিদেশে (যেমন- আফগানিস্তান, মিশর, জার্মানি) কাটিয়েছেন।</li>
<li>বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির সাথে নিবিড় পরিচয়ের কারণে তার লেখায় আরবি ও ফারসি শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত সাবলীল ও চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>কাজী নজরুল ইসলামের পর তিনিই বাংলা গদ্যে এই শব্দগুলোর সবচেয়ে বেশি এবং যথাযথ প্রয়োগ ঘটিয়েছেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>। বাংলা সাহিত্যে রম্য রচনার কথা উঠলেই সবার আগে তাঁর নাম আসে। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>তাঁর লেখার ভঙ্গি অত্যন্ত প্রাণবন্ত, হাস্যরসাত্মক এবং সাবলীল।</li>
<li>তিনি তাঁর ভ্রমণকাহিনি ও প্রবন্ধগুলোতে এমনভাবে রস মিশিয়েছেন যা পাঠককে খুব সহজেই আনন্দ দেয়।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত বই <strong>'দেশে বিদেশে'</strong> বা <strong>'পঞ্চতন্ত্র'</strong> পড়লেই বোঝা যায়, কেন তাঁকে বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ রম্য রচয়িতা বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের কারুকাজ আর বুদ্ধিবৃত্তিক রসবোধের মিশেলে তিনি বাংলা রম্য সাহিত্যকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।</p>
<p>‘দেশে বিদেশে’ ভ্রমণকাহিনিটির লেখক হলেন <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনি, যেখানে লেখক আফগানিস্তানের কাবুল ভ্রমণের অভিজ্ঞতার কথা খুব চমৎকার ও সরস ভাষায় তুলে ধরেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>বইটি মূলত লেখকের কাবুল ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে লেখা।</li>
<li>সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তার হাস্যরসাত্মক ও প্রাণবন্ত বর্ণনাভঙ্গি, যা এই বইটিতেও দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>বাংলা ভ্রমণসাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।