eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
১৫০১

পল্লীকবি মৃত্যুবরণ করেন কোথায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঢাকায়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢাকায়</strong>।</p>

<p>পল্লীকবি জসীমউদ্দীন সম্পর্কে এই তথ্যটি মনে রাখা খুব সহজ। তিনি জীবনভর গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও মানুষের কথা লিখে গেলেও, তার জীবনের শেষ সময়টা কেটেছিল ঢাকায়।</p>

<ul>
<li><strong>জন্মস্থান:</strong> ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রাম।</li>
<li><strong>মৃত্যুস্থান:</strong> ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ তিনি <strong>ঢাকায়</strong> মৃত্যুবরণ করেন।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষার জন্য মনে রাখার সহজ কৌশল হলো—তার জন্ম ফরিদপুরে হলেও, তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন ঢাকার মাটিতে।</p>
১৫০২

'বোবা কাহিনী' জসীমউদ্দীনের কোন ধরনের রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা:
<p>'বোবা কাহিনী' হলো পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত <strong>উপন্যাস</strong>। এটি তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে বেশ স্বতন্ত্র একটি সৃষ্টি।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জসীমউদ্দীন মূলত তাঁর কাব্যগ্রন্থের জন্য পরিচিত হলেও, তিনি গদ্য সাহিত্যেও সমান পারদর্শী ছিলেন।</li>
<li>'বোবা কাহিনী' তাঁর একমাত্র মৌলিক <strong>উপন্যাস</strong> হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>এই উপন্যাসে তিনি গ্রামীণ জীবনের সহজ-সরল মানুষের আবেগ ও বাস্তবতাকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
১৫০৩

রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় জসীমউদ্দীনকে ডি.লিট ডিগ্রি প্রদান করেন কত সালে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
1969
ব্যাখ্যা:
<p>পল্লীকবি জসীমউদ্দীনকে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ডি.লিট ডিগ্রি প্রদান করে <strong>১৯৬৯</strong> সালে। বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>জসীমউদ্দীনের সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা দেওয়া হয়।</li>
<li>সালটি মনে রাখতে এভাবে ভাবতে পারেন: তিনি ১৯৬৯ সালে এই বিশেষ সম্মাননাটি অর্জন করেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কবি জসীমউদ্দীনের কর্মজীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি ছিল এই ডিগ্রি, যা তিনি ১৯৬৯ সালে লাভ করেন।</p>
১৫০৪

'আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও'- পংক্তিটি কোন কবির লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জসীমউদ্দীন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জসীমউদ্দীন</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। জসীমউদ্দীনকে আমরা মূলত <strong>'পল্লীকবি'</strong> হিসেবে চিনি। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'নকশী কাঁথার মাঠ'</strong>-এর অন্তর্গত 'আসমানী' কবিতাটি গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে লেখা। এই কবিতার প্রথম লাইনটি হলো:</p>

<ul>
<li>'আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও, রহিমুদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।'</li>
</ul>

<p>তাই যখনই 'আসমানী' বা গ্রামের সহজ-সরল মানুষের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে জসীমউদ্দীনের নাম মনে রাখলেই চলবে!</p>
১৫০৫

জসীমউদ্দীন 'কবর' কবিতা রচনার সময়ে-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কলেজে পড়েন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কলেজে পড়েন</strong>। জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি। এই কবিতাটি নিয়ে একটি মজার তথ্য হলো:</p>

<ul>
<li>জসীমউদ্দীন যখন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে <strong>কলেজে</strong> (আই.এ ক্লাসে) পড়তেন, তখনই তিনি এই কালজয়ী কবিতাটি রচনা করেন।</li>
<li>কবিতাটি ১৯২৫ সালে 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়, যা সেই সময়েই তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ছাত্রাবস্থায় কলেজে পড়ার সময়ই তার কবি প্রতিভার এই অসাধারণ বিকাশ ঘটেছিল।</p>
১৫০৬

পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের পল্লীগানসমূহ সংকলিত হয়েছে কোন গ্রন্থে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রাখালী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাখালী</strong>। জসীমউদ্দীনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>রাখালী</strong> কাব্যগ্রন্থটি মূলত পল্লীগীতি বা লোকজ গানের সংকলন।</li>
<li>পল্লীকবি জসীমউদ্দীন তাঁর এই গ্রন্থে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবন, প্রকৃতি এবং লোকসংগীতের সুরকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু মনে রাখুন: <strong>রাখালী = পল্লীগান</strong>।</li>
</ul>
১৫০৭

'কবর' কবিতা কোন কাব্যের অন্তর্গত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রাখালী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাখালী</strong>। জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ <strong>রাখালী</strong>-এর অন্তর্ভুক্ত।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জসীমউদ্দীনকে বলা হয় 'পল্লীকবি'।</li>
<li>তাঁর সাহিত্যকর্মের মূল ভিত্তিই হলো গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন।</li>
<li>১৯২৭ সালে প্রকাশিত <strong>রাখালী</strong> কাব্যগ্রন্থটি তাঁর কবিখ্যাতির সূচনা করে, যার প্রধান আকর্ষণই ছিল এই কালজয়ী 'কবর' কবিতাটি।</li>
</ul>
১৫০৮

জসীমউদ্দীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসাবে যোগদেন কত সালে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
1938
ব্যাখ্যা:
<p>পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন <strong>১৯৩৮</strong> সালে। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>জসীমউদ্দীন ১৯৩৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন।</li>
<li>তাঁর এই যোগদানের সময়কালটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বেশ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মাধ্যমেই তিনি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাদানের সাথে সরাসরি যুক্ত হন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ১৯৩৮ সালটি তাঁর কর্মজীবনের একটি মাইলফলক হিসেবে মনে রাখলে পরীক্ষার জন্য বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে।</p>
১৫০৯

জসীমউদ্দীন মৃত্যুবরণ করেন ১৯৭৬ সালের কোন তারিখে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৩ মার্চ
ব্যাখ্যা:
<p>পল্লীকবি জসীমউদ্দীন মৃত্যুবরণ করেন <strong>১৩ মার্চ ১৯৭৬</strong> সালে। এই তারিখটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>জসীমউদ্দীনের জন্ম ও মৃত্যু উভয়ই মার্চ মাসে।</li>
<li>জন্ম: ১ জানুয়ারি ১৯০৩ (যদিও অনেক ক্ষেত্রে মার্চ মাসের সাথে মিল রেখে মনে রাখা সহজ হয়)।</li>
<li>মৃত্যু: <strong>১৩ মার্চ ১৯৭৬</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মার্চ মাসের ১৩ তারিখটি কবির প্রয়াণ দিবস হিসেবে মনে রাখলে পরীক্ষার খাতায় আর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</p>
১৫১০

জসিম উদ্দীন রচিত গাথাকাব্য কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সোজন বাদিয়ার ঘাট
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সোজন বাদিয়ার ঘাট</strong>। জসিম উদ্দীনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি কালজয়ী গাথাকাব্য বা আখ্যানকাব্য।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জসিম উদ্দীনকে বলা হয় <strong>পল্লিকবি</strong>, কারণ তার লেখায় গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জীবন দারুণভাবে ফুটে ওঠে।</li>
<li><strong>সোজন বাদিয়ার ঘাট</strong> কাব্যগ্রন্থটি মূলত একটি প্রেম ও ট্র্যাজেডির আখ্যান, যা গাথাকাব্যের সকল বৈশিষ্ট্য বহন করে।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি যে, এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি যা লোকজ ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে রচিত।</li>
</ul>
১৫১১

কোনটি জসিম উদ্দীনের লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বোবা কাহিনী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বোবা কাহিনী</strong>। পল্লীকবি জসিম উদ্দীনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জসিম উদ্দীন মূলত গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ ও জীবনসংগ্রাম নিয়ে তার সাহিত্য সাজিয়েছেন।</li>
<li><strong>বোবা কাহিনী</strong> তার সেই গ্রামীণ জীবনভিত্তিক গদ্য রচনার একটি অনন্য উদাহরণ।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই তার কাব্যগ্রন্থের পাশাপাশি এই গদ্যগ্রন্থটি থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এটি মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
১৫১২

কাজী নজরুল ইসলামের পর সাহিত্য সবচেয়ে বেশী আরবি ফারসি শব্দ ব্যবহার করেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>। বাংলা সাহিত্যে আরবি ও ফারসি শব্দের সার্থক ও শৈল্পিক ব্যবহারের জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ মুজতবা আলী দীর্ঘ সময় বিদেশে (যেমন- আফগানিস্তান, মিশর, জার্মানি) কাটিয়েছেন।</li>
<li>বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির সাথে নিবিড় পরিচয়ের কারণে তার লেখায় আরবি ও ফারসি শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত সাবলীল ও চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>কাজী নজরুল ইসলামের পর তিনিই বাংলা গদ্যে এই শব্দগুলোর সবচেয়ে বেশি এবং যথাযথ প্রয়োগ ঘটিয়েছেন।</li>
</ul>
১৫১৩

রম্য রচনা লেখক হিসেবে সুপরিচিত-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>। বাংলা সাহিত্যে রম্য রচনার কথা উঠলেই সবার আগে তাঁর নাম আসে। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>তাঁর লেখার ভঙ্গি অত্যন্ত প্রাণবন্ত, হাস্যরসাত্মক এবং সাবলীল।</li>
<li>তিনি তাঁর ভ্রমণকাহিনি ও প্রবন্ধগুলোতে এমনভাবে রস মিশিয়েছেন যা পাঠককে খুব সহজেই আনন্দ দেয়।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত বই <strong>'দেশে বিদেশে'</strong> বা <strong>'পঞ্চতন্ত্র'</strong> পড়লেই বোঝা যায়, কেন তাঁকে বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ রম্য রচয়িতা বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের কারুকাজ আর বুদ্ধিবৃত্তিক রসবোধের মিশেলে তিনি বাংলা রম্য সাহিত্যকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।</p>
১৫১৪

‘চাচা কাহিনী’র লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মুজতবা আলী
১৫১৫

‘দেশে বিদেশে' বইটির লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা:
<p>‘দেশে বিদেশে’ ভ্রমণকাহিনিটির লেখক হলেন <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ভ্রমণকাহিনি, যেখানে লেখক আফগানিস্তানের কাবুল ভ্রমণের অভিজ্ঞতার কথা খুব চমৎকার ও সরস ভাষায় তুলে ধরেছেন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>বইটি মূলত লেখকের কাবুল ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে লেখা।</li>
<li>সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তার হাস্যরসাত্মক ও প্রাণবন্ত বর্ণনাভঙ্গি, যা এই বইটিতেও দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>বাংলা ভ্রমণসাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।