<p>সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি ‘দেশে বিদেশে’-এর মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো <strong>কাবুল</strong>। লেখক যখন আফগানিস্তানের কাবুলে অবস্থান করছিলেন, সেই সময়ের অভিজ্ঞতা ও সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রার চিত্রই এই বইয়ের প্রধান উপজীব্য।</p>
<ul>
<li>বইটিতে লেখকের কাবুল প্রবাস জীবনের মজার ও শিক্ষণীয় নানা ঘটনা উঠে এসেছে।</li>
<li>কাবুলের তৎকালীন সমাজব্যবস্থা, সংস্কৃতি এবং সেখানকার মানুষের সাথে লেখকের ব্যক্তিগত সম্পর্কের দারুণ বর্ণনা পাওয়া যায়।</li>
<li>সহজ কথায়, এই পুরো বইটির প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে <strong>কাবুল</strong> শহরকে ঘিরেই।</li>
</ul>
<p>‘পঞ্চতন্ত্র’ এবং ‘ময়ূরকণ্ঠী’ গ্রন্থ দুটির রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>। বাংলা সাহিত্যে রম্য রচনার ক্ষেত্রে তিনি এক অনন্য নাম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তার চমৎকার রসবোধ এবং ভ্রমণের অভিজ্ঞতার মিশেল।</li>
<li>তার লেখা ‘পঞ্চতন্ত্র’ মূলত একটি রম্য প্রবন্ধের সংকলন, যা পাঠক মহলে অত্যন্ত জনপ্রিয়।</li>
<li>একইভাবে ‘ময়ূরকণ্ঠী’ গ্রন্থটিও তার নিজস্ব ঢঙে লেখা ভ্রমণ ও অভিজ্ঞতার এক দারুণ সংমিশ্রণ।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে, তাই লেখকের নামের সাথে এই দুটি বিখ্যাত বইয়ের নাম মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তরটি দাগিয়ে ফেলা সম্ভব।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। সৈয়দ মুজতবা আলী তাঁর রম্য রচনার জন্য বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তাঁর লেখা বিভিন্ন গল্পের মধ্যে <strong>‘পাদটীকা’</strong> একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য ছোটগল্প। এই গল্পটি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ কৌশলটি মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনার ভাষাভঙ্গি বেশ স্বতন্ত্র এবং হাস্যরসাত্মক।</li>
<li>‘পাদটীকা’ গল্পটি তাঁর বিখ্যাত গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত, যা পাঠ্যবই বা সাহিত্য আলোচনায় প্রায়ই ঘুরেফিরে আসে।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তাঁর লেখা জনপ্রিয় গল্পগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে রাখলে এমন প্রশ্ন খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পথে-প্রবাসে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর কোনো মৌলিক রচনা নয়, বরং এটি তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনিগুলোর মধ্যে <strong>পথে-প্রবাসে</strong> অন্যতম।</li>
<li>প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে কোনটি তাঁর রচনা নয়, আর এখানে দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে বাকিগুলো তাঁর অন্যান্য ধারার সাহিত্যকর্ম হলেও, <strong>পথে-প্রবাসে</strong> তাঁর নিজের লেখা একটি কালজয়ী ভ্রমণকাহিনি।</li>
<li>তাই বিভ্রান্ত না হয়ে সরাসরি মনে রাখুন, এটি তাঁরই লেখা একটি জনপ্রিয় বই।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। সৈয়দ মুজতবা আলী তাঁর সরস ও রম্য রচনার জন্য বিখ্যাত। তাঁর লেখা জনপ্রিয় রম্য রচনা সংকলনগুলোর মধ্যে ‘পঞ্চতন্ত্র’ অন্যতম। এটি মূলত তাঁর বিভিন্ন সময়ে লেখা প্রবন্ধ ও রম্য রচনার একটি চমৎকার সংকলন।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> সৈয়দ মুজতবা আলী।</li>
<li><strong>বইয়ের ধরণ:</strong> রম্য রচনা সংকলন।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> মুজতবা আলীর রসবোধের পরিচয় পাওয়া যায় তাঁর এই ‘পঞ্চতন্ত্র’ বইটিতে, যা বাংলা সাহিত্যে বেশ জনপ্রিয়।</li>
</ul>
<p>'শবনম' উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ মুজতবা আলী তাঁর ভ্রমণকাহিনি ও রম্য রচনার জন্য বিখ্যাত হলেও 'শবনম' তাঁর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী উপন্যাস।</li>
<li>উপন্যাসটির প্রেক্ষাপট মূলত আফগানিস্তানের কাবুলের পটভূমিতে রচিত, যেখানে লেখক নিজে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছিলেন।</li>
<li>এর ভাষা ও বর্ণনাভঙ্গি এতই প্রাণবন্ত যে পাঠক সহজেই গল্পের ভেতরে ডুবে যান।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা কুইজে এই প্রশ্নটি দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>-কে বেছে নিতে পারেন।</p>
১৫২২
সৈয়দ মুজতবা আলীর কোন গ্রন্থটি একাধারে ভ্রমণকাহিনী ও শিশু কিশোর উপন্যাস?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শবনম</strong>। সৈয়দ মুজতবা আলীর এই চমৎকার গ্রন্থটি একই সাথে ভ্রমণকাহিনীর স্বাদ দেয় এবং শিশু-কিশোরদের উপযোগী একটি উপন্যাসের আদলে লেখা।</p>
<ul>
<li><strong>শবনম</strong> মূলত আফগানিস্তানের পটভূমিতে লেখা একটি মিষ্টি প্রেমের গল্প।</li>
<li>এর ভাষা ও বর্ণনাভঙ্গি এতই সহজ-সরল যে এটি কিশোর পাঠকদের কাছে দারুণ জনপ্রিয়।</li>
<li>ভ্রমণকাহিনীর মতো আফগানিস্তানের জীবনযাত্রা ও প্রকৃতির বর্ণনা থাকলেও, এর মূল কাঠামোটি একটি সুন্দর উপন্যাসের।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভ্রমণ আর উপন্যাসের এমন দারুণ মিশেল খুব কম বইতেই পাওয়া যায়, আর তাই এটি সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে অনন্য।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চাচা কাহিনী</strong>। সৈয়দ মুজতবা আলী তার রসবোধ এবং ভ্রমণকাহিনির জন্য বিখ্যাত। তার লেখা এই জনপ্রিয় রম্যগ্রন্থটি মূলত বিভিন্ন ছোট ছোট গল্পের সংকলন, যেখানে তিনি অত্যন্ত সহজ ও সরস ভাষায় জীবনের নানা দিক তুলে ধরেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তার <strong>হাস্যরসাত্মক ভঙ্গি</strong>।</li>
<li>'চাচা কাহিনী' ছাড়াও তার বিখ্যাত কিছু বই হলো 'দেশে বিদেশে', 'পঞ্চতন্ত্র' এবং 'ময়ূরকণ্ঠী'।</li>
<li>পরীক্ষায় এই লেখকের নাম দেখলে তার রম্য বা ভ্রমণকাহিনিগুলো আগে মাথায় আনলে উত্তর করা খুব সহজ হয়ে যায়।</li>
</ul>
<p>‘পদ্মা নদীর মাঝি’ হলো মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি কালজয়ী <strong>উপন্যাস</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাস্তববাদী উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিখ্যাত সৃষ্টিতে জেলে জীবনের সংগ্রাম, প্রেম এবং প্রকৃতির সাথে তাদের লড়াইয়ের চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>যেহেতু এটি একটি সুসংগঠিত কাহিনী বা আখ্যানের ওপর ভিত্তি করে লেখা, তাই এটি সাহিত্যের ভাষায় <strong>উপন্যাস</strong> হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু মাথায় রাখুন: পদ্মা নদীর মাঝি = মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত <strong>উপন্যাস</strong>।</li>
</ul>
<p>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস <strong>‘পদ্মানদীর মাঝি’</strong>-এর প্রকাশকাল হলো <strong>১৯৩৬ সাল</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটি প্রথম ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাস্তববাদী উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকের এই সৃষ্টিটি তৎকালীন জেলে সম্প্রদায়ের জীবনচিত্রকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>১৯৩৬ সালে</strong>।</p>
<p>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস ‘পদ্মা নদীর মাঝি’-র মূল উপজীব্য হলো <strong>জেলে জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখ</strong>। এই উপন্যাসের প্রেক্ষাপট মূলত পদ্মা পাড়ের জেলেদের জীবনকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে।</p>
<ul>
<li>উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুবের এবং তার চারপাশের মানুষজন সবাই পদ্মার জেলে সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি।</li>
<li>পদ্মা নদীর ওপর নির্ভরশীল এই মানুষগুলোর বেঁচে থাকার লড়াই, অভাব-অনটন, প্রেম এবং প্রকৃতির সাথে তাদের নিত্যদিনের সম্পর্কের টানাপোড়েনই এখানে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>লেখক এখানে জেলেদের জীবনের কোনো একটি নির্দিষ্ট দিক নয়, বরং তাদের জীবনের সামগ্রিক সুখ, দুঃখ ও বেঁচে থাকার সংগ্রামের এক বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>‘পুতুল নাচের ইতিকথা’</strong> একটি কালজয়ী উপন্যাস। এটি মূলত গ্রামীণ জীবনের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ নিয়ে লেখা। এই উপন্যাসটি মনে রাখার জন্য একটি ছোট ট্রিক ব্যবহার করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত দুটি উপন্যাসের নাম প্রায়ই একসাথে মনে রাখা হয়—একটি হলো <strong>‘পদ্মা নদীর মাঝি’</strong> এবং অন্যটি <strong>‘পুতুল নাচের ইতিকথা’</strong>।</li>
<li>এই দুটি উপন্যাসই বাংলা সাহিত্যের বাস্তববাদী ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’র নাম শুনবেন, সাথে সাথে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা মাথায় আনলেই আর ভুল হবে না!</p>
১৫২৮
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কোন বাদ বা ইজম দ্বারা প্রভাবিত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মার্কসিজম</strong>। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্ম বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি মানুষের জীবনের বাস্তবতাকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন। বিশেষ করে তার লেখায় শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রাম, শ্রেণি বৈষম্য এবং অর্থনৈতিক শোষণের চিত্র স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</p>
<p>বিষয়টি সহজভাবে বোঝার উপায়:</p>
<ul>
<li>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় তার সাহিত্যিক জীবনে মার্কসীয় দর্শনের প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট ছিলেন।</li>
<li>তার বিখ্যাত উপন্যাস যেমন <strong>'পদ্মা নদীর মাঝি'</strong> বা <strong>'পুতুলনাচের ইতিকথা'</strong>-তে সমাজতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং শ্রেণি সংগ্রামের প্রতিফলন পাওয়া যায়।</li>
<li>তিনি বিশ্বাস করতেন, মানুষের জীবনের জটিলতাগুলো মূলত অর্থনৈতিক কাঠামোর ওপর ভিত্তি করেই গড়ে ওঠে, যা মার্কসিজমের মূল ভিত্তি।</li>
</ul>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখায় প্রায়ই মানুষের মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা এবং জীবনের গভীর সংকট ফুটে ওঠে।</li>
<li>'আত্মহত্যার অধিকার' গল্পটিও তার সেই বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ধারার একটি অনন্য সৃষ্টি।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে মনে রাখবেন, জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে যারা সাহসের সাথে সাহিত্যে তুলে ধরেছেন, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের মধ্যে অন্যতম।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দিবারাত্রির কাব্য</strong>। এটি মূলত মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নামের শেষে 'কাব্য' শব্দটি থাকলেও এটি কোনো কবিতার বই নয়, বরং এটি একটি সার্থক <strong>উপন্যাস</strong>।</li>
<li>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসে মানুষের মনের জটিলতা ও জীবনের গভীর দর্শন ফুটে উঠেছে।</li>
<li>সাহিত্য পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে কারণ নামের সাথে কাব্য শব্দটি থাকায় অনেকে বিভ্রান্ত হন, কিন্তু এটি একটি কালজয়ী গদ্য সাহিত্য।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।