<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>এক পয়সার বাঁশি</strong>। পল্লীকবি জসীমউদ্দীন মূলত গ্রামবাংলার সহজ-সরল জীবন নিয়ে লিখলেও শিশুদের জন্য তিনি বেশ কিছু চমৎকার বই উপহার দিয়েছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>এক পয়সার বাঁশি</strong> কবির একটি জনপ্রিয় শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>শিশুদের উপযোগী সহজ ভাষা ও ছন্দের কারণে এটি ছোটদের কাছে বেশ সমাদৃত।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি যে, জসীমউদ্দীনের শিশুতোষ রচনার তালিকায় এটি অন্যতম প্রধান নাম।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেদের মেয়ে</strong>। পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় নাটক। নাটকটি চিনে রাখার জন্য নিচের সহজ বিষয়টি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>জসীম উদ্দীনের অধিকাংশ লেখাই গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবন ও সংস্কৃতি নিয়ে।</li>
<li><strong>বেদের মেয়ে</strong> নাটকটি মূলত বেদে সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা ও তাদের লোকজ সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে রচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো—জসীম উদ্দীনের নাটকের তালিকায় 'বেদের মেয়ে' নামটি আলাদাভাবে মাথায় গেঁথে রাখা।</li>
</ul>
১৪৮৮
কোন কবির নামানুসারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একট ছাত্রাবাসের নামকরণ হয়েছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জসীম উদ্দীন</strong>। পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের নামানুসারেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছাত্রাবাসের নামকরণ করা হয়েছে, যা 'জসীম উদ্দীন হল' নামে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোর নামকরণের ক্ষেত্রে সাধারণত বিখ্যাত কবি, সাহিত্যিক বা জাতীয় নেতাদের সম্মান জানানো হয়।</li>
<li>পল্লীকবি জসীম উদ্দীন বাংলা সাহিত্যে গ্রামীণ জীবন ও লোকজ সংস্কৃতির অনন্য রূপকার, তাই তাঁর স্মৃতি ধরে রাখতে এই নামকরণ করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জসীমউদ্দীন</strong>। পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের জন্মস্থান নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই, বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>জসীমউদ্দীন ফরিদপুর জেলার <strong>তাম্বুলখানা</strong> গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>তার সাহিত্যকর্মের মূল উপজীব্য ছিল গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন, যা তার জন্মস্থানের পরিবেশ থেকেই তিনি গভীরভাবে ধারণ করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পল্লীকবি বললেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামের সেই গ্রামীণ আবহ। তাই এই তথ্যটি মনে রাখা খুবই সহজ!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাখালী</strong>। পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের সাহিত্যকর্মের কথা বললে প্রথমেই যে কাব্যগ্রন্থটির নাম আসে, তা হলো <strong>রাখালী</strong>। এটি কবির প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>রাখালী</strong> কাব্যগ্রন্থটি মূলত গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে লেখা।</li>
<li>জসীমউদ্দীনের অধিকাংশ বিখ্যাত রচনার মূল উপজীব্যই হলো পল্লী জীবন, আর <strong>রাখালী</strong> সেই ধারারই এক অনন্য সৃষ্টি।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ হিসেবে এটি মনে রাখা খুবই জরুরি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জসীমউদ্দীন</strong>। পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের সাহিত্যকর্ম মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>জসীমউদ্দীন মূলত গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও মানুষের সহজ-সরল জীবন নিয়ে লিখতেন।</li>
<li>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>‘রাখালী’</strong>, ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ এবং ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ অন্যতম।</li>
<li>‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়, যা তার কবি প্রতিভার প্রাথমিক বিকাশের একটি উজ্জ্বল নিদর্শন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গ্রামীণ আবহ ও রাখাল বালকের জীবন নিয়ে লেখা যেকোনো কাব্যগ্রন্থের নাম শুনলেই চোখ বন্ধ করে জসীমউদ্দীনকে মনে করাটা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
১৪৯২
জসীমউদ্দীনের ‘কবর’ কবিতার দাদু শাপলার হাটে কি বিক্রি করতেন?
<p>জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত ‘কবর’ কবিতায় দাদু তার নাতিকে নিজের জীবনের গল্প শোনাতে গিয়ে বলেছিলেন, তিনি শাপলার হাটে <strong>তরমুজ</strong> বিক্রি করতেন।</p>
<p>কবিতার সেই অংশটি মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার:</p>
<ul>
<li>দাদু শাপলার হাটে তরমুজ বিক্রি করে সংসার চালাতেন।</li>
<li>কবিতার বর্ণনা অনুযায়ী, সেই তরমুজ বিক্রির টাকা দিয়েই তিনি তার জীবনের নানা প্রয়োজন মেটাতেন।</li>
</ul>
<p>তাই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো <strong>তরমুজ</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জসীমউদ্দীন</strong>। পল্লীকবি জসীমউদ্দীন মূলত গ্রামবাংলার প্রকৃতি, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এবং গ্রামীণ পরিবেশ নিয়ে তার সাহিত্যকর্ম সাজিয়েছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জসীমউদ্দীনকে বলা হয় <strong>পল্লীকবি</strong>, আর 'ধানক্ষেত' বিষয়টি সরাসরি গ্রাম ও কৃষির সাথে সম্পর্কিত।</li>
<li>তার অধিকাংশ কাব্যগ্রন্থের নামই গ্রামীণ অনুষঙ্গকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে, যেমন: নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট বা ধানক্ষেত।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এই নামগুলো মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তরটি দাগিয়ে ফেলা সম্ভব।</li>
</ul>
<p>‘পদ্মাপার’ নাটকটির রচয়িতা হলেন <strong>জসীমউদ্দীন</strong>। পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত জসীমউদ্দীন তাঁর সাহিত্যকর্মে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবন, প্রকৃতি এবং নদীমাতৃক বাংলাদেশের চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জসীমউদ্দীনের অধিকাংশ সাহিত্যকর্মই গ্রামীণ পটভূমিতে রচিত।</li>
<li>‘পদ্মাপার’ নাটকটি মূলত নদীকেন্দ্রিক জনজীবনের টানাপোড়েন নিয়ে লেখা, যা তাঁর কাব্যিক ও নাট্যশৈলীর একটি অনন্য নিদর্শন।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জসীমউদ্দীন</strong>। এই বিখ্যাত পংক্তিটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ <strong>'নক্সী কাঁথার মাঠ'</strong> থেকে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জসীমউদ্দীন মূলত গ্রামবাংলার প্রকৃতি, সাধারণ মানুষের আবেগ এবং গ্রামীণ জীবনের চিত্র তুলে ধরার জন্য বিখ্যাত।</li>
<li>'উজান তলীর গাঁ', 'বাপের বাড়ি'—এই ধরনের শব্দচয়ন এবং সহজ-সরল গ্রামীণ ভাষার ব্যবহার দেখলেই বোঝা যায় এটি পল্লীকবির লেখা।</li>
<li>তার লেখার মূল বৈশিষ্ট্যই হলো লোকজ উপাদানের সার্থক ব্যবহার, যা এই পংক্তিটিতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>পল্লীকবি জসিম উদ্দীনের বিখ্যাত 'আসমানী' কবিতার কেন্দ্রীয় চরিত্র আসমানীর বাড়ি হলো <strong>ফরিদপুর</strong> জেলায়।</p>
<p>কবিতাটি পড়ার সময় আমরা লক্ষ্য করি, কবি আসমানীর করুণ জীবনচিত্র তুলে ধরতে গিয়ে তার গ্রামের ভৌগোলিক অবস্থানের কথা উল্লেখ করেছেন। বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>জসিম উদ্দীনের অধিকাংশ কবিতার পটভূমি তার নিজের জেলা অর্থাৎ <strong>ফরিদপুর</strong> কেন্দ্রিক।</li>
<li>'আসমানী' কবিতায় আসমানীর বাড়ি যে ফরিদপুর জেলার রসুলপুর গ্রামে, তা সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি মনে রাখা খুব সহজ—আসমানী মানেই ফরিদপুরের রসুলপুর গ্রাম।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জসীমউদ্দীন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। জসীমউদ্দীনকে আমরা সাধারণত <strong>'পল্লীকবি'</strong> হিসেবে চিনি। গ্রামীণ জীবন, লোকজ সংস্কৃতি এবং সাধারণ মানুষের আবেগ নিয়ে লেখা তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>'নক্সী কাঁথার মাঠ'</strong>।</p>
<ul>
<li>কবির নাম: জসীমউদ্দীন।</li>
<li>বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ: নক্সী কাঁথার মাঠ।</li>
<li>মনে রাখার কৌশল: পল্লী বাংলার ঐতিহ্যবাহী 'নক্সী কাঁথা' আর 'পল্লীকবি' জসীমউদ্দীন—এই দুটি শব্দ একসাথে মনে রাখলেই উত্তরটি আর কখনো ভুল হবে না।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জসীমউদ্দীন</strong>।</p>
<p>পল্লিকবি জসীমউদ্দীন তাঁর অসাধারণ লেখনীর মাধ্যমে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবন ও আবেগকে ফুটিয়ে তুলেছেন। 'কবর' কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী'-এর অন্তর্ভুক্ত। এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সৃষ্টি, যেখানে একজন বৃদ্ধ দাদুর তার পরিবারের সদস্যদের হারানোর করুণ ও মর্মস্পর্শী কাহিনী ফুটে উঠেছে।</p>
<p>জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>'রাখালী'</strong>। এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকেই এটি প্রকাশিত হয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার জন্য, জসীমউদ্দীনের কাব্যচর্চার সূচনালগ্ন হিসেবে ১৯২৭ সালটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি তার গ্রামীণ জীবন ও লোকজ সংস্কৃতির প্রতি গভীর অনুরাগের প্রথম বড় প্রকাশ।</p>
<p>জসীমউদ্দীন রচিত উপন্যাস হলো <strong>বোবা কাহিনী</strong>। পল্লীকবি জসীমউদ্দীন মূলত তার কাব্যগ্রন্থের জন্য বেশি পরিচিত হলেও, তিনি গদ্য সাহিত্যেও দারুণ সব কাজ করে গেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জসীমউদ্দীনের লেখা একমাত্র উপন্যাস হলো <strong>বোবা কাহিনী</strong>।</li>
<li>এটি ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবনের বাস্তব চিত্র এখানে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই কবির কাব্যগ্রন্থের পাশাপাশি এই উপন্যাসটির নাম মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।