<p>পল্লীকবি জসিমউদ্দিনের জীবনকাল হলো <strong>১৯০৩-১৯৭৬</strong> খ্রিস্টাব্দ। এই তথ্যটি মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো তাঁর জন্ম ও মৃত্যুসালটি একটি নির্দিষ্ট ছন্দের মতো মনে রাখা।</p>
<ul>
<li><strong>জন্ম:</strong> ১ জানুয়ারি, ১৯০৩ সালে ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে।</li>
<li><strong>মৃত্যু:</strong> ১৪ মার্চ, ১৯৭৬ সালে ঢাকায়।</li>
</ul>
<p>তিনি বাংলা সাহিত্যে পল্লী প্রকৃতির এক অনন্য রূপকার ছিলেন। তাঁর জন্মসাল ১৯০৩ এবং মৃত্যুসাল ১৯৭৬—এই দুটি সংখ্যা মনে রাখলেই পরীক্ষার খাতায় সহজেই সঠিক উত্তরটি দাগানো সম্ভব।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফরিদপুরে</strong>। পল্লীকবি জসীমউদ্দীন সম্পর্কে মনে রাখার জন্য এই তথ্যটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ:</p>
<ul>
<li>কবি জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি তৎকালীন ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>তার কবিতায় গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জীবনধারা এত চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে যে, তাকে 'পল্লীকবি' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তার জন্মস্থান এবং কর্মজীবন—দুটোর সাথেই ফরিদপুরের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তাই যেকোনো পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি আসলে চোখ বন্ধ করে ফরিদপুর দাগিয়ে দেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
<p>জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>রাখালী</strong>। এটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকেই এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হওয়ার কারণে এটি বাংলা সাহিত্যে বেশ গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জসীম উদ্দীনের কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>রাখালী</strong> সবার আগে প্রকাশিত হয়েছে।</li>
<li>এটি মূলত পল্লী প্রকৃতির সহজ-সরল রূপ নিয়ে লেখা একটি চমৎকার কাব্যগ্রন্থ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রাখালী</strong>। জসীমউদ্দীনকে আমরা মূলত 'পল্লীকবি' হিসেবে চিনি, কারণ তার কবিতায় গ্রামবাংলার সহজ-সরল জীবন ফুটে ওঠে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>রাখালী</strong>।</li>
<li>এটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থে পল্লী প্রকৃতির রূপ ও গ্রামীণ জীবনের নানা অনুষঙ্গ খুব সুন্দরভাবে উঠে এসেছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থের কথা এলেই চোখ বন্ধ করে <strong>রাখালী</strong> দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জসীম উদ্দীন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের অমর সৃষ্টি হলো এই ‘কবর’ কবিতাটি। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি কবিতা, যা ১৯২৫ সালে ‘কল্লোল’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। এই কবিতাটি মূলত গ্রামীণ জীবনের করুণ ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরে, যা জসীম উদ্দীনের লেখনীর প্রধান বৈশিষ্ট্য।</p>
<ul>
<li><strong>কবি:</strong> জসীম উদ্দীন</li>
<li><strong>কবিতার নাম:</strong> কবর</li>
<li><strong>বিশেষত্ব:</strong> এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক পল্লী কবিতা হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
১৪৭৬
জসীমউদ্দীনের ‘কবর’ কবিতা কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
<p>জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত ‘কবর’ কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল <strong>কল্লোল</strong> পত্রিকায়। এটি ১৯২৫ সালের কথা, যখন কবিতাটি এই পত্রিকায় ছাপা হওয়ার পর থেকেই কবি জসীমউদ্দীন সাহিত্য মহলে ব্যাপক পরিচিতি পান।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> ১৯২৫ সাল।</li>
<li><strong>পত্রিকা:</strong> কল্লোল।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এই কবিতাটি প্রকাশের মাধ্যমেই পল্লীকবি জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করে নেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রিয়জন হারানোর মর্মান্তিক স্মৃতিচারণ</strong>।</p>
<p>কবি জসীমউদ্দীনের ‘কবর’ কবিতাটি মূলত একটি শোকাবহ আখ্যান। এর পেছনের কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>কবিতাটিতে একজন বৃদ্ধ দাদুর জবানিতে তার পরিবারের একে একে হারিয়ে যাওয়া প্রিয়জনদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে স্মৃতিচারণ করা হয়েছে।</li>
<li>এখানে শুধু স্ত্রী বা সন্তান নয়, বরং দাদু তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও নাতি-নাতনিদের হারানোর যে করুণ অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন, তা সামগ্রিকভাবে প্রিয়জন হারানোর এক গভীর ও মর্মান্তিক চিত্র ফুটিয়ে তোলে।</li>
<li>পুরো কবিতাটি জুড়ে একাকীত্বের হাহাকার এবং মৃত স্বজনদের প্রতি গভীর ভালোবাসার এক হৃদয়স্পর্শী বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।</li>
</ul>
<p>‘কবর’ কবিতাটি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি কালজয়ী সৃষ্টি, যা মূলত <strong>মাত্রাবৃত্ত</strong> ছন্দে রচিত। এই ছন্দটি বোঝার জন্য খুব সহজ একটি কৌশল আছে:</p>
<ul>
<li>মাত্রাবৃত্ত ছন্দে প্রতিটি মাত্রার হিসাব খুব সুনির্দিষ্ট থাকে।</li>
<li>এই ছন্দে মুক্তদল ১ মাত্রা এবং বদ্ধদল ২ মাত্রা হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>জসীমউদ্দীনের কবিতার লয় বা গতি সাধারণত ধীর-স্থির এবং সুরের মূর্ছনা তৈরি করে, যা মাত্রাবৃত্ত ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কবিতার প্রতিটি চরণের ধ্বনি প্রবাহ যখন নির্দিষ্ট মাত্রার নিয়মে চলে এবং পড়ার সময় একটি বিশেষ তাল বা লয় তৈরি করে, তখনই তাকে আমরা মাত্রাবৃত্ত ছন্দ বলি। ‘কবর’ কবিতার প্রতিটি পঙক্তি এই ছন্দশৈলীর নিখুঁত উদাহরণ।</p>
<p>জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত ‘কবর’ কবিতায় মোট <strong>১১৮টি</strong> পঙক্তি রয়েছে। কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত করুণ ও হৃদয়স্পর্শী সৃষ্টি, যেখানে একজন বৃদ্ধ দাদুর তার মৃত পরিজনদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে স্মৃতিচারণ ফুটে উঠেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়টি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মোট পঙক্তি সংখ্যা: <strong>১১৮</strong>।</li>
<li>এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’-এর অন্তর্ভুক্ত একটি অবিস্মরণীয় কবিতা।</li>
<li>কবিতাটির গঠনশৈলী এবং পঙক্তি বিন্যাস একে বাংলা সাহিত্যে একটি অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।</li>
</ul>
<p>জসীম উদ্দীনের শ্রেষ্ঠ কাহিনীকাব্য হলো <strong>সকিনা</strong>। পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় সৃষ্টি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জসীম উদ্দীনের কাব্যগ্রন্থের তালিকায় <strong>সকিনা</strong> তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাহিনীকাব্য হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই কবির অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের সাথে গুলিয়ে না ফেলে এটি আলাদাভাবে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কবি জসীম উদ্দীন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। কবি জসীম উদ্দীনকে বলা হয় <strong>'পল্লিকবি'</strong>। গ্রামের সহজ-সরল জীবন, প্রকৃতি এবং লোকজ সংস্কৃতি তাঁর কবিতার মূল উপজীব্য। ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ তাঁর লেখা একটি কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ, যা গ্রামবাংলার গ্রামীণ জীবনের এক করুণ ও সুন্দর আখ্যান তুলে ধরে।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> কবি জসীম উদ্দীন।</li>
<li><strong>কাব্যগ্রন্থের নাম:</strong> নকশী কাঁথার মাঠ।</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> এটি একটি কাহিনীকাব্য, যেখানে গ্রামীণ প্রেম ও বিরহের চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘নকশী কাঁথার মাঠ’-এর কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে পল্লিকবি জসীম উদ্দীনের নাম মনে রাখলেই হবে!</p>
১৪৮২
"The filed of embroidered quilt" : কাব্যটি কবি জসীমউদ্দীনের কোন কাব্যের ইংরেজী অনুবাদ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নকশীকাঁথার মাঠ</strong>। কবি জসীমউদ্দীনের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ 'নকশীকাঁথার মাঠ'-এর ইংরেজি অনুবাদই হলো <strong>"The Field of Embroidered Quilt"</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন <strong>ই. এম. মিলফোর্ড</strong> (E. M. Milford)।</li>
<li>অনুবাদটি ১৯৩৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং বিশ্বদরবারে কবি জসীমউদ্দীনকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।</li>
<li>মূল কাব্যের গ্রামীণ জীবন ও নকশীকাঁথার যে আবেগ, ইংরেজি অনুবাদেও তা চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
১৪৮৩
জসীমউদ্দীনের কোন কাব্যগ্রন্থ বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নকশীকাঁথার মাঠ</strong>। জসীমউদ্দীনের এই কালজয়ী কাব্যগ্রন্থটি বিশ্বসাহিত্যে এক অনন্য স্থান দখল করে আছে। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>নকশীকাঁথার মাঠ</strong> কাব্যগ্রন্থটি ইংরেজি, ফরাসি, জার্মান, জাপানি, রুশসহ বিশ্বের অনেকগুলো ভাষায় অনূদিত হয়েছে।</li>
<li>এর মূল ইংরেজি অনুবাদটির নাম হলো <em>The Field of the Embroidered Quilt</em>, যা বিশ্বজুড়ে পাঠকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।</li>
<li>পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের এই অমর সৃষ্টিটি গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবন, প্রেম ও বিরহের এক অসাধারণ আখ্যান, যা সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সমাদৃত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জসীম উদ্দীন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। জসীম উদ্দীনকে বলা হয় <strong>'পল্লীকবি'</strong>, কারণ তিনি তাঁর লেখায় গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবনকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' তাঁর একটি কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ, যেখানে তিনি রূপাই ও সাজুর প্রেমকাহিনি এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির এক অসাধারণ চিত্র তুলে ধরেছেন।</p>
<ul>
<li>কবির নাম: <strong>জসীম উদ্দীন</strong></li>
<li>সাহিত্যের ধরণ: <strong>কাব্যগ্রন্থ</strong></li>
<li>মূল বৈশিষ্ট্য: <strong>পল্লী জীবন ও লোকজ ঐতিহ্যের মিশেল</strong></li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মাথায় রাখুন—পল্লী কবি মানেই গ্রামবাংলার ছবি, আর 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' হলো সেই ছবিরই এক অনন্য দলিল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জসীমউদ্দীন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। পল্লীকবি জসীমউদ্দীন তাঁর সাহিত্যকর্মে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষের জীবন, নদী ও প্রকৃতির চিত্র দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ‘রঙ্গিলা নায়ের মাঝি’ তাঁর লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এই ধরনের প্রশ্নগুলো মনে রাখার জন্য কবির অন্যান্য বিখ্যাত কাজ যেমন ‘নক্সী কাঁথার মাঠ’ বা ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’-এর সাথে এই কাব্যগ্রন্থটির নামও তালিকায় মনে রাখতে পারেন।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> জসীমউদ্দীন</li>
<li><strong>ধরন:</strong> কাব্যগ্রন্থ</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> গ্রামীণ জীবন ও লোকজ সংস্কৃতির প্রতিফলন।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।