<p>গ্রীক ট্রাজেডি ‘ইডিপাস’ বাংলায় অনুবাদ করেছেন <strong>সৈয়দ আলী আহসান</strong>। এটি মূলত সোফোক্লিসের বিখ্যাত নাটক ‘ইডিপাস রেক্স’-এর বাংলা রূপান্তর।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ আলী আহসান বাংলা সাহিত্যের একজন প্রথিতযশা অনুবাদক ও কবি।</li>
<li>তিনি বিশ্বসাহিত্যের ধ্রুপদী বা ক্লাসিক্যাল কাজগুলোকে বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে সহজবোধ্য করে তোলার জন্য এই অনুবাদটি করেছিলেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের অনুবাদক ও তাদের বিখ্যাত কাজের নাম জানতে চাওয়া হয়, তাই এটি মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>‘চাহার দরবেশ’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ আলী আহসান</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি ও শিক্ষাবিদ হিসেবে পরিচিত। তাঁর সাহিত্যকর্মের তালিকায় এই কাব্যগ্রন্থটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ আলী আহসান মূলত তাঁর কাব্যিক শৈলী এবং গবেষণাধর্মী কাজের জন্য বিখ্যাত।</li>
<li>‘চাহার দরবেশ’ তাঁর অন্যতম উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ, যা সাহিত্যিক মহলে বেশ সমাদৃত।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কবির নাম এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে রাখলে এমন প্রশ্নগুলো সহজেই উত্তর করা যায়।</li>
</ul>
<p>'একক সন্ধ্যায় বসন্ত' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ আলী আহসান</strong>।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ আলী আহসান বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি ও শিক্ষাবিদ।</li>
<li>তার কাব্যশৈলীতে আধুনিকতা ও রোমান্টিকতার এক দারুণ সংমিশ্রণ দেখা যায়।</li>
<li>'একক সন্ধ্যায় বসন্ত' তার অন্যতম উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্যে তার নিজস্ব স্বকীয়তা প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কবির এই গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থটির নাম মনে রাখা জরুরি, কারণ এটি প্রায়ই বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষা ও নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন হিসেবে আসে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফররুখ আহমদ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রেনেসাঁর কবি হিসেবে পরিচিত ফররুখ আহমদ তাঁর এই কালজয়ী কাব্যগ্রন্থটির জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত। এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত তাঁর কাব্যপ্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন।</p>
<ul>
<li><strong>কাব্যগ্রন্থ:</strong> সাত সাগরের মাঝি</li>
<li><strong>রচয়িতা:</strong> ফররুখ আহমদ</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> এটি বাংলা সাহিত্যের একটি ধ্রুপদী সৃষ্টি, যা সমুদ্রযাত্রা ও আধ্যাত্মিক চেতনার এক দারুণ সংমিশ্রণ।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই কবির নাম এবং কাব্যগ্রন্থের নাম একসাথে মনে রাখলে খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে কোকিলের মিষ্টি ডাককে প্রায়ই 'পিক' বা 'পঞ্চম স্বর' হিসেবে অভিহিত করা হয়।</p>
<ul>
<li>'পিক' শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে, যার আক্ষরিক অর্থ হলো কোকিল বা বসন্তের দূত।</li>
<li>কোকিলের কুহুতানকে কাব্যিক ভাষায় 'পিকরব' বলা হয়, তাই কোকিলকে চেনার জন্য 'পিক' শব্দটি সবচেয়ে পরিচিত সমার্থক শব্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানেই কোকিলের সমার্থক শব্দ খোঁজার কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>পিক</strong> বেছে নিতে পারেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলমারী</strong>। পর্তুগীজ শব্দগুলো মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত কিছু নির্দিষ্ট শব্দ চিনে রাখা।</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই পর্তুগীজ ভাষা থেকে এসেছে, যার মধ্যে <strong>আলমারী</strong> অন্যতম।</li>
<li>পর্তুগীজরা যখন বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে বাংলায় এসেছিল, তখন তাদের ব্যবহৃত আসবাবপত্র ও নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক জিনিসের নাম আমাদের ভাষায় মিশে গেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, আলমারী শব্দটি পর্তুগীজ শব্দ 'Armário' থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, তাই এটি একটি খাঁটি পর্তুগীজ শব্দ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দোকান</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>ফারসি শব্দগুলো মূলত আমাদের প্রশাসনিক, ব্যবসায়িক এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের সাথে জড়িয়ে আছে।</li>
<li><strong>দোকান</strong> শব্দটি সরাসরি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
<li>একইভাবে চশমা, তারিখ, কারখানা, বা জবানবন্দির মতো শব্দগুলোও ফারসি ভাষার অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দ মনে রাখার জন্য শব্দগুলোর উৎস বা ব্যাকরণ বইয়ের তালিকাটি একবার চোখ বুলিয়ে নিলে খুব দ্রুত উত্তর করা সম্ভব হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পাউরুটি</strong>। এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ। পর্তুগিজরা যখন প্রথম বাংলায় আসে, তখন তাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের বেশ কিছু শব্দ আমাদের ভাষায় মিশে যায়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>পর্তুগিজরা মূলত খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের নাম আমাদের শিখিয়েছে।</li>
<li><strong>পাউরুটি</strong> ছাড়াও তাদের থেকে আসা আরও কিছু পরিচিত শব্দ হলো: আলমারি, বালতি, সাবান, চাবি এবং জানালা।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এই শব্দগুলো বারবার আসে, তাই এগুলো আলাদা করে মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাসা</strong>। কারণ 'কেশ' শব্দের অর্থ হলো চুল বা মাথার চুল। এই শব্দের সমার্থক বা প্রতিশব্দগুলো হলো অলক, চিকুর, কুন্তল, চুল, কবরী ইত্যাদি।</p>
<p>অন্যদিকে, 'বাসা' শব্দটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ বহন করে, যার অর্থ হলো আবাসস্থল বা ঘর। তাই এটি কেশের প্রতিশব্দ হতে পারে না।</p>
<p>জনপ্রিয় এই গানটির গীতিকার হলেন <strong>শেখ ওয়াহিদ</strong>। গানটি মূলত লোকসংগীতের ভাণ্ডারে এক অনন্য সংযোজন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li>গানটির কথা ও সুরের যে বিশেষ ঢং, তা <strong>শেখ ওয়াহিদের</strong> নিজস্ব শৈলী।</li>
<li>অনেক সময় এই গানটি বিভিন্ন শিল্পীর কণ্ঠে জনপ্রিয় হওয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে, তবে গীতিকার হিসেবে <strong>শেখ ওয়াহিদের</strong> নামই ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
১৫৮৬
পাতিহাস, পাতিশিয়াল প্রভৃতি শব্দের 'পাতি' উপসর্গটি কোন অর্থ প্রকাশ করেছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্ষুদ্র</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় 'পাতি' উপসর্গটি সাধারণত কোনো কিছুর ছোট বা সাধারণ রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>'পাতি' উপসর্গটি যখন কোনো প্রাণি বা বস্তুর নামের আগে বসে, তখন তা আকারে ছোট বা সাধারণ বোঝায়।</li>
<li>যেমন: পাতিহাস মানে সাধারণ হাঁস, যা রাজহাঁসের তুলনায় আকারে <strong>ক্ষুদ্র</strong>।</li>
<li>একইভাবে পাতিশিয়াল বলতে ছোট বা সাধারণ শিয়ালকে বোঝানো হয়।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখা সহজ, 'পাতি' মানেই হলো <strong>ক্ষুদ্র</strong> বা ছোট আকার।</p>
১৫৮৭
পাতিহাঁস, পাতিশিয়াল প্রভৃতি শব্দের 'পাতি' উপসর্গটি কোন অর্থ প্রকাশ করছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্ষুদ্র</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় 'পাতি' উপসর্গটি সাধারণত কোনো কিছুর ছোট বা সাধারণ রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যেমন, 'পাতিহাঁস' বলতে সাধারণ বা ছোট আকারের হাঁসকে বোঝায়, আবার 'পাতিশিয়াল' বলতে ছোট জাতের শিয়ালকে বোঝানো হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, যখনই কোনো শব্দের শুরুতে 'পাতি' যুক্ত হয়, তা মূল বস্তুর তুলনায় আয়তনে বা গুরুত্বে <strong>ক্ষুদ্র</strong> বা ছোট হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুড়ি + এক</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দের শেষে 'ই' কার থাকে এবং তার সাথে 'এক' যুক্ত হয়, তখন সেটি মিলে 'ইক' বা 'ইক' জাতীয় ধ্বনি তৈরি করে।</p>
<p>সহজ কথায়, এখানে 'কুড়ি' শব্দের সাথে 'এক' যোগ হয়ে সন্ধিবদ্ধ শব্দ 'কুড়িক' গঠিত হয়েছে। এটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ শব্দটির উচ্চারণ ভাঙলেই এর মূল অংশগুলো স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।</p>
<p>‘কালকূট’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>তীব্র বিষ</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, সমুদ্র মন্থনের সময় যে অত্যন্ত ভয়ংকর ও প্রাণঘাতী বিষ উঠেছিল, তাকেই ‘কালকূট’ বা ‘হলাহল’ বলা হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা সাধারণ ভাষায় কোনো কিছুর চরম বা মারাত্মক বিষাক্ত অবস্থাকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>তাই যখনই ‘কালকূট’ শব্দটি দেখবেন, সরাসরি এর অর্থ হিসেবে <strong>তীব্র বিষ</strong> বা <strong>মারাত্মক বিষ</strong> মনে রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুঞ্জর, গজ, মাতঙ্গ, তুরঙ্গ</strong>। কারণটি খুব সহজ—এই শব্দগুচ্ছের মধ্যে একটি শব্দ বাকিগুলোর সাথে মিলছে না।</p>
<ul>
<li><strong>কুঞ্জর</strong>, <strong>গজ</strong> এবং <strong>মাতঙ্গ</strong>—এই তিনটি শব্দই হলো 'হাতি' বা হস্তীর সমার্থক শব্দ।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>তুরঙ্গ</strong> শব্দের অর্থ হলো 'ঘোড়া'।</li>
</ul>
<p>যেহেতু একটি শব্দের অর্থ ভিন্ন, তাই এই গুচ্ছটি সমার্থক শব্দের তালিকা হিসেবে সঠিক নয়। বাকি অপশনগুলোতে প্রতিটি শব্দই একে অপরের সমার্থক, তাই সেগুলো এখানে প্রযোজ্য নয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।