<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাবাধিকরণে সপ্তমী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো ক্রিয়া বা বিশেষণের দ্বারা অন্য একটি ক্রিয়া বা বিশেষণের ভাব বা অবস্থা প্রকাশ পায়, তখন তাকে <strong>ভাবাধিকরণ</strong> বলে।</li>
<li>এখানে 'কানায় কানায়' অংশটি পূর্ণ হওয়ার একটি বিশেষ অবস্থাকে বা ভাবকে নির্দেশ করছে।</li>
<li>যেহেতু এখানে পূর্ণ হওয়ার ভাবটি প্রধান, তাই এটি ভাবাধিকরণ।</li>
<li>'কানায় কানায়' শব্দে 'য়' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি <strong>সপ্তমী বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কাজের বা অবস্থার পূর্ণতা বোঝাতে যে অধিকরণ তৈরি হয়, সেটিই ভাবাধিকরণ। তাই এখানে সঠিক উত্তরটি হলো ভাবাধিকরণে সপ্তমী।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঐকদেশিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>অধিকরণ কারক মূলত তিন প্রকার: ঐকদেশিক, অভিব্যাপক এবং বৈষয়িক।</li>
<li>যখন কোনো বিশাল স্থানের নির্দিষ্ট কোনো অংশে বা কোনো একটি বিন্দুতে কিছু ঘটে, তখন তাকে <strong>ঐকদেশিক</strong> অধিকরণ বলে।</li>
<li>'সামীপ্য' বা কাছাকাছি বোঝাতেও এই নিয়মটিই কাজ করে। যেমন: 'বনে বাঘ আছে' বা 'ঘাটে নৌকা বাঁধা আছে'—এখানে পুরো বন বা পুরো ঘাট নয়, বরং বনের বা ঘাটের একটি নির্দিষ্ট অংশে বা কাছাকাছি অবস্থান বোঝাচ্ছে।</li>
<li>সহজ কথায়, বিশাল জায়গার সামান্য অংশে বা সন্নিকটে কোনো কিছু থাকলে তা সবসময় <strong>ঐকদেশিক</strong> অধিকরণ হয়।</li>
</ul>
<p>সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম হলো <strong>নীল লোহিত</strong>। সাহিত্যিকরা অনেক সময় নিজেদের আসল নাম গোপন রেখে ভিন্ন নামে লেখালেখি করেন, যাকে ছদ্মনাম বলা হয়। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তার জনপ্রিয় অনেক রচনার ক্ষেত্রে এই নামটি ব্যবহার করেছেন।</p>
<ul>
<li>মনে রাখার সহজ উপায়: সুনীল নামের প্রথম অংশ 'সুনীল' বা নীল রঙের সাথে মিল রেখে তিনি <strong>নীল লোহিত</strong> নামটি বেছে নিয়েছিলেন।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম পরিচিত একটি ছদ্মনাম, যা পাঠকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়।</li>
</ul>
<p>‘কালান্তর’ শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো <strong>অন্যকাল</strong>। এটি একটি নিত্য সমাসের উদাহরণ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>নিত্য সমাসে সাধারণত ব্যাসবাক্য করার সময় ‘অন্য’ বা ‘অন্তর’ শব্দগুলো যুক্ত হয়।</li>
<li>‘কালান্তর’ শব্দটির অর্থ হলো অন্য কোনো কাল বা সময়।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো সমাসবদ্ধ পদের ব্যাসবাক্য করতে গিয়ে ‘অন্য’ শব্দটির অবতারণা করতে হয়, তখন সেটি নিত্য সমাস হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>তাই এখানে ‘কালান্তর’ এর ব্যাসবাক্য হিসেবে <strong>অন্যকাল</strong>-ই সবচেয়ে নির্ভুল এবং গ্রহণযোগ্য।</p>
১৬২৫
‘কর্ম কর, অনুরূপ ফল পাবে’ - গঠন অনুসারে এটি কোন ধরনের বাক্য?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌগিক</strong>। কারণটা খুব সহজ—যখন দুটি বা তার বেশি স্বাধীন বাক্য কোনো অব্যয় (যেমন: ও, এবং, আর, কিন্তু, অথবা) দ্বারা যুক্ত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।</p>
<p>সহজে চেনার উপায়গুলো হলো:</p>
<ul>
<li>এখানে দুটি আলাদা অংশ আছে: 'কর্ম কর' এবং 'অনুরূপ ফল পাবে'।</li>
<li>এই দুটি অংশকে যুক্ত করার জন্য মাঝখানে একটি কমা (,) ব্যবহৃত হয়েছে, যা এখানে 'এবং' বা 'সুতরাং' জাতীয় অব্যয়ের কাজ করছে।</li>
<li>বাক্যের প্রতিটি অংশই স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে, তাই এটি একটি যৌগিক বাক্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ তদ্ভব শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে।</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দ <strong>হস্ত</strong> থেকে প্রাকৃতের বিবর্তনে এটি প্রথমে <strong>হথ</strong> এবং পরবর্তীতে বাংলায় <strong>হাত</strong> শব্দে রূপ নিয়েছে।</li>
<li>যেহেতু এই শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে না এসে দীর্ঘ পরিবর্তনের মাধ্যমে আজকের রূপ পেয়েছে, তাই এটি একটি খাঁটি তদ্ভব শব্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত ভাষায় থাকলেও বর্তমানে তার রূপ পুরোপুরি বদলে গেছে, সেগুলোই তদ্ভব। তাই <strong>হাত</strong> শব্দটিই এখানে সঠিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নালিশ</strong>। শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ফারসি শব্দগুলো সাধারণত প্রশাসনিক, আইনি বা দৈনন্দিন ব্যবহারের সাথে সম্পর্কিত হয়।</li>
<li>'নালিশ' শব্দটি আদালতে বা নালিশ জানানোর ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত একটি ফারসি শব্দ।</li>
<li>অন্যান্য অনেক শব্দের মতো এটিও বাংলা ভাষায় এমনভাবে মিশে গেছে যে আমরা একে খাঁটি বাংলা শব্দ বলেই মনে করি, কিন্তু এর উৎস আসলে ফারসি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সিন ফেইন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>সিন ফেইন</strong> (Sinn Féin) হলো আয়ারল্যান্ডের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক দল।</li>
<li>ঐতিহাসিকভাবে এই দলটিকে আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি বা <strong>IRA</strong>-এর রাজনৈতিক শাখা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।</li>
<li>উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং আয়ারল্যান্ডকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে এই দলটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আইরিশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের রাজনৈতিক মুখ হিসেবে <strong>সিন ফেইন</strong> নামটিই সবচেয়ে পরিচিত।</p>
<p>‘কারাগার’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>কারা + আগার</strong>। বিষয়টি একদম সহজ, কারণ এখানে সন্ধিটি হয়েছে ‘আ’ এবং ‘আ’ মিলে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী:</p>
<ul>
<li>প্রথম শব্দের শেষে থাকা <strong>আ</strong> এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে থাকা <strong>আ</strong> মিলে একটি দীর্ঘ <strong>আ</strong> (া) তৈরি করে।</li>
<li>অর্থাৎ: $আ + আ = আ$</li>
<li>এই নিয়মে: $কারা + আগার = কারাগার$</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন দুটি শব্দের মিলনে দীর্ঘ স্বরধ্বনি তৈরি হয়, তখন সেটিই সন্ধির মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এখানে ‘কারা’ এবং ‘আগার’ মিলে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</p>
<p>শব্দ ও ধাতুর মূলকে বলা হয় <strong>প্রকৃতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>কোনো শব্দের যে অংশটিকে আর ভাঙা যায় না, সেটিই হলো প্রকৃতির মূল রূপ।</li>
<li>যেমন: 'চলন্ত' শব্দটিকে ভাঙলে পাওয়া যায় <strong>চল্ + অন্ত</strong>। এখানে 'চল্' হলো ধাতুর প্রকৃতি।</li>
<li>আবার 'বই' শব্দটির মূল হলো <strong>বই</strong>, যা নিজেই একটি নাম প্রকৃতি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের যে মূল অংশ থেকে নতুন নতুন শব্দ তৈরি হয়, ব্যাকরণের ভাষায় তাকেই আমরা <strong>প্রকৃতি</strong> বলি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সন্ধি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা এদের মূল কাজের দিকে তাকাই।</p>
<ul>
<li><strong>সন্ধি</strong> এবং <strong>সমাস</strong>—উভয়েরই মূল কাজ হলো একাধিক শব্দ বা ধ্বনিকে মিলিয়ে একটি নতুন শব্দ তৈরি করা।</li>
<li>সন্ধিতে মূলত ধ্বনির মিলন ঘটে, যেমন: $হিম + আলয় = হিমালয়$।</li>
<li>সমাসে পদের মিলন ঘটে, যেমন: $সিংহের চিহ্নিত আসন = সিংহাসন$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, দুটিরই কাজ হলো বড় কোনো শব্দগুচ্ছকে সংক্ষেপ করে ছোট বা নতুন রূপ দেওয়া। তাই ব্যাকরণের এই দুটি অধ্যায়কে প্রায়ই একে অপরের পরিপূরক বা মিলসম্পন্ন হিসেবে দেখা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>অর্থবাচকতা নেই:</strong> উপসর্গের নিজস্ব কোনো স্বাধীন অর্থ নেই। যেমন— 'প্র', 'পরা', 'অপ'—এগুলোর আলাদা কোনো ব্যবহারিক অর্থ নেই।</li>
<li><strong>অর্থদ্যোতকতা আছে:</strong> যখন এই উপসর্গগুলো অন্য কোনো শব্দের আগে বসে, তখন সেই শব্দের অর্থের নতুন মাত্রা যোগ করে বা অর্থের পরিবর্তন ঘটায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উপসর্গ নিজে একা কিছু করতে পারে না, কিন্তু অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থকে বদলে দেওয়ার দারুণ ক্ষমতা রাখে। তাই একে বলা হয় 'অর্থদ্যোতকতা আছে কিন্তু অর্থবাচকতা নেই'।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অনুসর্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে যেসব অব্যয় বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে, তাদেরই অনুসর্গ বলে।</li>
<li>'বিনে', 'হেতু', 'ব্যতীত'—এই শব্দগুলো বাক্যে কোনো পদের পরে বসে সেই পদের সাথে অন্য পদের সম্পর্ক তৈরি করে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে পদের পরে আলাদাভাবে বসে, সেগুলোই অনুসর্গ।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই দেখবেন কোনো শব্দ বাক্যে পদের পরে বসে বিভক্তির কাজ করছে, চোখ বন্ধ করে সেটিকে <strong>অনুসর্গ</strong> হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তুরঙ্গ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে ঘোড়াকে বোঝাতে বেশ কিছু বিশেষ শব্দ ব্যবহার করা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>অশ্ব</strong> মানে হলো ঘোড়া।</li>
<li><strong>তুরঙ্গ</strong> শব্দটিও ঘোড়ার সমার্থক বা প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, দ্রুত চলতে পারে এমন প্রাণীকে বোঝাতে 'তুরঙ্গ' শব্দটি এসেছে, যা অশ্বের একটি চমৎকার প্রতিশব্দ।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মাথায় রাখুন: অশ্ব = ঘোড়া = তুরঙ্গ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।