<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গীতিকাব্য</strong>। জসীমউদ্দীনের লেখা 'নকশী কাঁথার মাঠ' মূলত একটি আখ্যানমূলক কাব্য হলেও, এর প্রতিটি ছত্রে যে গভীর আবেগ, সুরের মূর্ছনা এবং পল্লী প্রকৃতির যে নিখুঁত বর্ণনা ফুটে উঠেছে, তার জন্য একে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ <strong>গীতিকাব্য</strong> হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই কাব্যে রূপাই ও সাজুর বিরহগাথা এমনভাবে বর্ণনা করা হয়েছে যা পাঠকের মনে গভীর অনুভূতির জন্ম দেয়।</li>
<li>এর ছন্দ ও ভাষার সাবলীলতা একে সাধারণ কাহিনীকাব্য থেকে আলাদা করে গীতিধর্মী করে তুলেছে।</li>
<li>পুরো কাব্যটি যেন একটি দীর্ঘ সুরের আবেশ, তাই সাহিত্যিক বিচারে এটি গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্যই বহন করে।</li>
</ul>
<p>‘অর্ধচন্দ্র’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>গলাধাক্কা দেয়া</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। প্রাচীনকালে কাউকে কোনো স্থান থেকে বের করে দেওয়ার সময় হাত দিয়ে অর্ধবৃত্তাকার বা অর্ধচন্দ্রের মতো আকৃতি করে ধাক্কা দেওয়া হতো। সেই থেকেই এই বাগধারাটির উৎপত্তি। তাই যখনই দেখবেন কাউকে অপমান করে বের করে দেওয়া হচ্ছে, তখনই এই ‘অর্ধচন্দ্র’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>মূল শব্দ:</strong> অর্ধচন্দ্র</li>
<li><strong>প্রচলিত অর্থ:</strong> কাউকে অপমান করে বিদায় জানানো বা গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া।</li>
</ul>
<p>‘অর্ধচন্দ্র’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>গলা ধাক্কা দেওয়া</strong>। শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও বাংলা ব্যাকরণে এটি একটি প্রচলিত বাগধারা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>আক্ষরিক অর্থে অর্ধচন্দ্র মানে অর্ধেক চাঁদ।</li>
<li>কিন্তু বাগধারার ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয় কাউকে অপমান করে বা জোরপূর্বক বের করে দেওয়ার অর্থে।</li>
<li>যখন কাউকে ঘাড় ধরে বা গলা ধাক্কা দিয়ে বিদায় করা হয়, তখন হাতের আকৃতি অনেকটা অর্ধচন্দ্রের মতো বাঁকা হয়ে যায়, তাই এই নামকরণ।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই প্রশ্নটি দেখলে সরাসরি <strong>গলা ধাক্কা দেওয়া</strong> উত্তরটি বেছে নেবেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নিত্যানন্দ আচার্য</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি 'অদ্ভুতাচার্য' নামে পরিচিত হওয়ার পেছনে একটি চমৎকার কারণ রয়েছে।</p>
<ul>
<li>তিনি মূলত রামায়ণের একজন অনুবাদক ছিলেন।</li>
<li>তার অনুবাদে অলৌকিক বা অদ্ভুত সব ঘটনার বর্ণনা এত বেশি প্রাণবন্ত ছিল যে, পাঠক ও সমালোচকরা তাকে ভালোবেসে <strong>অদ্ভুতাচার্য</strong> উপাধিতে ভূষিত করেন।</li>
<li>তার এই বিশেষ শৈলী বা অলৌকিক ঘটনার বর্ণনার দক্ষতার কারণেই তিনি আজও এই নামে পরিচিত।</li>
</ul>
১৬১০
ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোন ছদ্মনামে সাহিত্য রচনায় প্রয়াসী হয়েছিলেন?
<p>ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় মূলত সমাজ সংস্কার ও ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি তাঁর সাহিত্যিক কর্মকাণ্ডে ছদ্মনাম হিসেবে <strong>প্রমথনাথ শর্মা</strong> নামটি ব্যবহার করতেন।</p>
<ul>
<li>উনিশ শতকের শুরুর দিকে তৎকালীন সমাজব্যবস্থার অসংগতি তুলে ধরতে তিনি এই ছদ্মনামে লিখতেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'কলিকাতা কমলালয়' এবং 'নববাবুবিলাস' রচনার সময় তিনি এই পরিচয়টিই গ্রহণ করেছিলেন।</li>
<li>সহজ কথায়, ব্যঙ্গাত্মক রচনার ক্ষেত্রে নিজের আসল নাম আড়াল করে তিনি <strong>প্রমথনাথ শর্মা</strong> ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করতেন।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাল্পনিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, ইংরেজি শব্দ <strong>Imaginary</strong>-এর আক্ষরিক অর্থই হলো যা বাস্তবে নেই, কেবল আমাদের কল্পনায় বা চিন্তায় বিদ্যমান।</p>
<ul>
<li><strong>Imaginary</strong> শব্দটি এসেছে <strong>Imagine</strong> বা কল্পনা করা থেকে।</li>
<li>যেহেতু এটি মানুষের মনের তৈরি একটি ধারণা, তাই এর বাংলা অর্থ দাঁড়ায় <strong>কাল্পনিক</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, যা চোখের সামনে নেই কিন্তু মনের মধ্যে আছে, সেটিই হলো <strong>Imaginary</strong> বা <strong>কাল্পনিক</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজলের ন্যায় কালো</strong>। এটি একটি উপমান কর্মধারয় সমাস।</p>
<p>সহজভাবে বোঝার উপায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সাধারণ বস্তুর সাথে উপমান বা প্রকৃতির কোনো বস্তুর তুলনা করা হয়, তখন ব্যাসবাক্যে সাধারণত <strong>'ন্যায়'</strong> শব্দটি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এখানে 'কাজল' হলো উপমান (যা কালো রঙের প্রতীক), তাই কাজলের সাথে তুলনা বোঝাতে 'কাজলের ন্যায় কালো' কথাটি ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু কাজল কালো রঙেরই হয়, তাই এই তুলনাটি সরাসরি উপমান কর্মধারয় সমাসের নিয়ম মেনে চলে।</li>
</ul>
<p>‘কাজলকালো’ শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো <strong>কাজলের ন্যায় কালো</strong>। এটি মূলত উপমান কর্মধারয় সমাসের একটি উদাহরণ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সাধারণ গুণের সাথে তুলনা বোঝায়, তখন ব্যাসবাক্যে <strong>‘ন্যায়’</strong> শব্দটি যুক্ত হয়।</li>
<li>এখানে ‘কালো’ হওয়ার বিষয়টি ‘কাজল’-এর সাথে তুলনা করা হয়েছে, তাই এটি উপমান কর্মধারয়।</li>
<li>পরীক্ষায় এমন শব্দ দেখলে খেয়াল করবেন, তুলনাটি কার সাথে করা হচ্ছে এবং মাঝখানে ‘ন্যায়’ বসিয়ে দিলে অর্থটি পরিষ্কার হচ্ছে কি না।</li>
</ul>
<p>‘কিরণ’ শব্দটির সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>দীপ্তি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>‘কিরণ’ বলতে মূলত আলো বা আলোক রশ্মিকে বোঝায়।</li>
<li>‘দীপ্তি’ শব্দের অর্থ হলো উজ্জ্বলতা বা আলোর আভা, যা সরাসরি কিরণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।</li>
<li>সহজ কথায়, সূর্য বা কোনো উৎস থেকে যে আলো ছড়িয়ে পড়ে, তাকেই আমরা কিরণ বা দীপ্তি বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের প্রশ্ন এলে মনে রাখবেন, আলো বা উজ্জ্বলতা প্রকাশ করে এমন শব্দই হবে এর সঠিক উত্তর।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কালীপ্রসন্ন সিংহ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। বাংলা সাহিত্যের ধারায় ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যঙ্গাত্মক রচনা। এর সম্পর্কে কিছু জরুরি তথ্য নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>কালীপ্রসন্ন সিংহ ছদ্মনাম হিসেবে <strong>‘হুতোম প্যাঁচা’</strong> নামটি ব্যবহার করতেন।</li>
<li>১৮৬২ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটিতে তৎকালীন কলকাতার বাবু সমাজের চালচিত্র ও সামাজিক অসংগতিগুলো খুব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>এটি বাংলা গদ্যের চলিত রীতির বিকাশে এক মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>। বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ কৌশলটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়</strong> ছিলেন উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট লেখক এবং সমাজ সংস্কারক।</li>
<li>তাঁর লেখা <strong>‘কলিকাতা কমলালয়’</strong> এবং <strong>‘নববাবু বিলাস’</strong> গ্রন্থ দুটি তৎকালীন কলকাতার বাবু সমাজের চালচিত্র এবং সামাজিক রীতিনীতি নিয়ে লেখা অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি ব্যঙ্গাত্মক রচনা।</li>
<li>এই গ্রন্থগুলো মূলত তৎকালীন সমাজের অসংগতিগুলো তুলে ধরার জন্য বিখ্যাত, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, উনিশ শতকের কলকাতার বাবু কালচার বা বিলাসিতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন এলে চোখ বন্ধ করে <strong>ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>-এর নাম মনে রাখলেই চলবে!</p>
১৬১৮
‘সারদামঙ্গল’ কাব্যে কবি বিহারীলাল কল্পিত ‘সারদা’ কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সরস্বতী</strong>। কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর ‘সারদামঙ্গল’ কাব্যটি মূলত দেবী সরস্বতীকে কেন্দ্র করেই রচিত।</p>
<ul>
<li>‘সারদা’ শব্দটি দেবী সরস্বতীরই একটি নাম।</li>
<li>কবি এই কাব্যে সরস্বতীকে কাব্য ও সংগীতের অধিষ্ঠাত্রী দেবী হিসেবে কল্পনা করেছেন।</li>
<li>বিহারীলাল তাঁর কাব্যিক সাধনার অনুপ্রেরণা হিসেবে সরস্বতীকে বন্দনা করেছেন, তাই কাব্যটির নামকরণ করা হয়েছে ‘সারদামঙ্গল’।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কাব্যজুড়ে কবি যে দেবীর স্তুতি করেছেন এবং যাকে কাব্যলক্ষ্মী হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন, তিনি হলেন সরস্বতী।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মনসামঙ্গল</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মঙ্গলকাব্যের ধারায় এটিই সবচেয়ে প্রাচীন বা আদি মঙ্গলকাব্য হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li>মঙ্গলকাব্যের ইতিহাসে <strong>মনসামঙ্গল</strong> কাব্যটিই সবার আগে রচিত হয়েছিল।</li>
<li>এর আদি কবি হিসেবে ধরা হয় <strong>কণাহরি দত্ত</strong> বা <strong>হরি দত্ত</strong>-কে।</li>
<li>যেহেতু এটিই এই ধারার প্রথম কাব্য, তাই একে 'আদি মঙ্গলকাব্য' বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মঙ্গলকাব্যের দীর্ঘ যাত্রার শুরুটা হয়েছিল দেবী মনসাকে কেন্দ্র করেই, তাই এটিই আদি কাব্য।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঐতিহাসিক ব্যাকরণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>ঐতিহাসিক ব্যাকরণ</strong> মূলত ভাষার উৎপত্তি এবং সময়ের সাথে সাথে ভাষার রূপ পরিবর্তনের ধারা নিয়ে কাজ করে।</li>
<li>কোনো একটি নির্দিষ্ট ভাষার বিবর্তন বা ইতিহাসের পর্যায়গুলো কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে, তা জানার জন্য আমরা এই ব্যাকরণের সাহায্য নেই।</li>
<li>সহজ কথায়, ভাষার অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত যে যাত্রাপথ, তা এই শাখার মাধ্যমেই স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।