<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিহঙ্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'বিহঙ্গ' শব্দের অর্থ হলো পাখি বা পক্ষী। অন্যদিকে, হস্তী শব্দের অর্থ হলো হাতি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>হস্তী</strong> বা হাতির সমার্থক শব্দগুলো হলো: মাতঙ্গ, কুঞ্জর, দ্বীপ (যেহেতু হাতির দুটি দাঁত থাকে, তাই একে দ্বীপ বা দ্বিপ বলা হয়), গজ এবং করী।</li>
<li><strong>বিহঙ্গ</strong> শব্দটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি অর্থ বহন করে, যা মূলত আকাশচারী প্রাণীদের বোঝায়।</li>
</ul>
<p>তাই, হস্তীর তালিকার সাথে বিহঙ্গ কোনোভাবেই মেলে না।</p>
<p>‘অটবী’ শব্দটির অর্থ হলো বন বা জঙ্গল। এই অর্থে ‘কুঞ্জ’ শব্দটি সঠিক উত্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কারণ কুঞ্জ বলতে সাধারণত লতা-গুল্মে ঘেরা বন বা বাগানকে বোঝায়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অটবী</strong> এবং <strong>কুঞ্জ</strong> উভয়ই গাছপালা বা বনজ পরিবেশকে নির্দেশ করে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে অরণ্য বা অটবী বোঝাতে কুঞ্জ শব্দটি প্রায়ই সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুৎ + ঝটিকা</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়মটি খুব সহজ, নিচে তা ধাপে ধাপে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, যদি 'ৎ' বা 'দ্'-এর পরে 'ঝ' থাকে, তবে 'ৎ' বা 'দ্' পরিবর্তিত হয়ে 'জ্' হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, সূত্রটি হলো: $ৎ + ঝ = জ্ঝ$।</li>
<li>এই নিয়ম মেনেই 'কুৎ' এবং 'ঝটিকা' মিলে তৈরি হয় 'কুজ্ঝটিকা'।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সন্ধির সময় 'ৎ' বর্ণটি পরের 'ঝ'-এর প্রভাবে নিজেকে বদলে 'জ্' রূপ ধারণ করে, আর এভাবেই শব্দটি গঠিত হয়।</p>
<p>‘শকুনি মামা’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>কুচক্রী লোক</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>মহাভারতের চরিত্র শকুনি মামা সবসময় কৌরবদের নানা ধরনের ষড়যন্ত্র আর কূটবুদ্ধি দিয়ে বিপথে চালিত করতেন।</li>
<li>তার এই স্বভাবের কারণেই বাংলা ভাষায় যারা সবসময় অন্যের ক্ষতি করার জন্য ষড়যন্ত্র বা কুচক্র করে বেড়ায়, তাদের ব্যঙ্গ করে ‘শকুনি মামা’ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোনো মানুষের মধ্যে অতিরিক্ত চালাকি বা ষড়যন্ত্র করার প্রবণতা দেখা যায়, তখনই আমরা তাকে এই বিশেষণে অভিহিত করি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বেড়াল</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে বা ব্যাকরণে 'মার্জার' শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে, যার আভিধানিক অর্থ হলো বেড়াল। বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ভাষায় 'মার্জ' ধাতু থেকে এই শব্দের উৎপত্তি, যার অর্থ হলো পরিচ্ছন্ন বা পরিষ্কার করা।</li>
<li>বেড়াল স্বভাবগতভাবেই নিজের গা চাটার মাধ্যমে নিজেকে পরিষ্কার রাখে, তাই এই স্বভাবের কারণে এদের 'মার্জার' বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোথাও 'মার্জার' শব্দটি দেখলে চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>বেড়াল</strong>-কে বোঝানো হচ্ছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুশ + আসন</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়ম অনুযায়ী, এখানে অ + আ মিলে 'আ' কার হয়েছে। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে দেখা যায়:</p>
<ul>
<li>শব্দটি ভাঙলে আমরা পাই: কুশ + আসন।</li>
<li>প্রথম শব্দের শেষে আছে 'অ' ধ্বনি ($কুশ = কুশ্ + অ$)।</li>
<li>দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে আছে 'আ' ধ্বনি।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, $অ + আ = আ$ হয়।</li>
<li>তাই, $কুশ + আসন = কুশাসন$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কুশ এবং আসন শব্দ দুটি মিলে সন্ধির নিয়মে আকার ধারণ করে কুশাসন শব্দটি তৈরি হয়েছে।</p>
<p>‘কিশলয়’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>কচি পাতা</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য বিষয়টি এভাবে দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>গাছের ডালের আগায় যে নতুন, নরম ও সতেজ পাতা গজায়, তাকেই মূলত ‘কিশলয়’ বলা হয়।</li>
<li>সাহিত্যের ভাষায় বা রূপক অর্থে নতুন প্রাণের স্পন্দন বা নবীনতা বোঝাতেও এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাধারণ জ্ঞানে এই শব্দটি দেখলে সরাসরি <strong>কচি পাতা</strong> উত্তরটি বেছে নেবেন। এটি একদম সহজ একটি শব্দার্থ!</p>
১৫৯৯
'কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই, গানটির শিল্পী কে?
<p>বাংলা গানের জগতে 'কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই' গানটি একটি কালজয়ী সৃষ্টি। এই অমর গানটির শিল্পী হলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী <strong>মান্না দে</strong>। গানটির কথা লিখেছেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার এবং সুর করেছেন সুপর্ণকান্তি ঘোষ। মান্না দে-র অনন্য গায়কী আর দরদভরা কণ্ঠের কারণেই গানটি আজও বাঙালির আবেগের সাথে মিশে আছে।</p>
১৬০০
নিচের কোনটিতে বিশেষ্য পদ গঠনে 'র' প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মধুর</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'মধুর' শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>মধু + র</strong> যোগে।</li>
<li>এখানে 'মধু' হলো একটি বিশেষ্য পদ এবং এর সাথে 'র' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এটি গুণবাচক বিশেষ্য বা বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলোর গঠন প্রকৃতি ভিন্ন, তাই এখানে 'র' প্রত্যয়টি সরাসরি বিশেষ্য পদ গঠনের ক্ষেত্রে কার্যকর নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মূল শব্দের সাথে 'র' যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরির ক্ষেত্রে 'মধুর' শব্দটিই এখানে সবচেয়ে উপযুক্ত উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জ্যোৎস্না</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'চন্দ্রিকা' শব্দটি মূলত চাঁদের স্নিগ্ধ আলো বা জোছনাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সাহিত্যে বা কাব্যিক ভাষায় চাঁদের আলোর অপরূপ সৌন্দর্যকে প্রকাশ করতেই 'চন্দ্রিকা' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, চন্দ্রের (চাঁদের) যে কিরণ বা আলো, সেটিই হলো জ্যোৎস্না বা চন্দ্রিকা।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের শব্দার্থ আসলে মনে রাখবেন, চন্দ্রিকা মানেই হলো চাঁদের স্নিগ্ধ আলো বা জ্যোৎস্না।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কিম + চিৎ</strong>। সন্ধির নিয়মটি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, পদের শেষে যদি <strong>ম</strong> থাকে এবং তার পরে কোনো বর্গীয় বর্ণ (যেমন: চ, ছ, জ, ঝ) থাকে, তবে সেই <strong>ম</strong>-টি পরবর্তী বর্ণের বর্গের নাসিক্য বর্ণে পরিণত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>কিম</strong> শব্দের শেষে <strong>ম</strong> আছে এবং পরের শব্দটি <strong>চিৎ</strong>, যার শুরুতে <strong>চ</strong> বর্গীয় বর্ণ রয়েছে।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, <strong>ম</strong> পরিবর্তিত হয়ে <strong>চ</strong> বর্গের নাসিক্য বর্ণ অর্থাৎ <strong>ঞ</strong>-এ পরিণত হয়।</li>
<li>ফলে সন্ধিটি দাঁড়ায়: <strong>কিম + চিৎ = কিঞ্চিৎ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, <strong>ম</strong>-এর জায়গায় <strong>ঞ</strong> চলে আসাই এখানে মূল কৌশল।</p>
১৬০৩
'But a mother's love endures through all' correct Bengali translation-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option D: কিন্তু সব কিছুর মধ্যে মায়ের স্নেহ টিকে আছে</strong>। এর কারণ হলো ইংরেজি বাক্যটির গঠন ও অর্থ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>But</strong> এর অর্থ এখানে 'কিন্তু' হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li><strong>A mother's love</strong> অর্থাৎ 'মায়ের স্নেহ'।</li>
<li><strong>Endures</strong> শব্দটির অর্থ হলো 'টিকে থাকা' বা 'স্থায়ী হওয়া'।</li>
<li><strong>Through all</strong> এর অর্থ হলো 'সব কিছুর মধ্য দিয়ে' বা 'সব কিছুর মধ্যে'।</li>
</ul>
<p>পুরো বাক্যটি সাজালে দাঁড়ায়, সব প্রতিকূলতা বা পরিস্থিতির মধ্য দিয়েও মায়ের স্নেহ অটুট বা টিকে থাকে। তাই অপশন D-ই হলো মূল ভাবার্থের সবচেয়ে কাছাকাছি এবং নির্ভুল অনুবাদ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কিংকর্তব্যবিমুঢ়</strong>। বিষয়টি একদম সহজ:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো মানুষ বিপদে পড়ে বা জটিল পরিস্থিতিতে পড়ে বুঝতে পারে না যে তার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হওয়া উচিত, তখন তাকে এক কথায় বলা হয় <strong>কিংকর্তব্যবিমুঢ়</strong>।</li>
<li>শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে দাঁড়ায়: <strong>কিং + কর্তব্য + বিমুঢ়</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, যার কর্তব্য বা করণীয় কাজ সম্পর্কে বুদ্ধি লোপ পেয়েছে বা সে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছে, তাকেই আমরা এই বিশেষ শব্দটি দিয়ে প্রকাশ করি।</li>
</ul>
১৬০৫
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্র মতে প্রাচীনতম চর্যাকার কে?
<p>ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্র মতে প্রাচীনতম চর্যাকার হলেন <strong>শবরপা</strong>। বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদ নিয়ে গবেষণার সময় তিনি বিভিন্ন কবির সময়কাল ও রচনার বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করেছেন।</p>
<ul>
<li>ড. শহীদুল্লাহ্র ভাষ্যমতে, শবরপার রচিত পদগুলোই চর্যাপদের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন।</li>
<li>তিনি চর্যাপদের ভাষাকে 'বৌদ্ধ গান ও দোহা' হিসেবে চিহ্নিত করে এর কালসীমা নির্ধারণ করেছিলেন, যেখানে শবরপাকে তিনি আদি কবি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।</li>
<li>শবরপার পদগুলো মূলত সহজিয়া বৌদ্ধধর্মের সাধনমার্গের ওপর ভিত্তি করে রচিত, যা বাংলা ভাষার শুরুর দিকের রূপকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।