<p>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো <strong>ধর্মীয় ভণ্ডামির নিখুঁত চিত্র</strong>। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ ধর্মের দোহাই দিয়ে সাধারণ মানুষের সরলতাকে পুঁজি করে নিজের স্বার্থ হাসিল করে।</li>
<li>মিথ্যা মাজার তৈরি করে এবং ধর্মের ভয় দেখিয়ে সে গ্রামের মানুষের ওপর নিজের আধিপত্য বিস্তার করে।</li>
<li>লেখক এখানে দেখিয়েছেন কীভাবে ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ভণ্ডরা নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখে এবং সমাজকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ধর্মভীরু মানুষের অসহায়ত্ব আর ভণ্ডদের প্রতারণার যে বাস্তব রূপ, তা-ই এই উপন্যাসে অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গ্রাম বাংলার সমাজের অশিক্ষা-কুশিক্ষা</strong>। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসের মূল ভিত্তিই হলো গ্রামীণ সমাজের মানুষের সরলতা এবং সেই সুযোগ নিয়ে গড়ে ওঠা ভণ্ডামি ও কুসংস্কারের চিত্র।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ ধর্মের দোহাই দিয়ে গ্রামের সহজ-সরল মানুষের মনে ভয় ও অন্ধবিশ্বাস ঢুকিয়ে দেয়।</li>
<li>গ্রামের মানুষ অশিক্ষিত হওয়ায় তারা মজিদের মিথ্যা মাজার বা ধর্মের অপব্যাখ্যাকে সহজেই বিশ্বাস করে ফেলে।</li>
<li>মূলত, গ্রামীণ সমাজের এই অশিক্ষা এবং কুসংস্কারকে পুঁজি করেই মজিদ তার আধিপত্য বিস্তার করে, যা এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।</li>
</ul>
<p>‘কাঁদো নদী কাঁদো’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসে তিনি নদীমাতৃক বাংলাদেশের মানুষের জীবন ও অস্তিত্বের সংকটকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় একটি উপন্যাস।</li>
<li>তার অন্যান্য বিখ্যাত কাজের মধ্যে ‘লালসালু’ ও ‘চাঁদের অমাবস্যা’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য নামটা মনে রাখা খুব জরুরি, কারণ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখনশৈলী এবং বিষয়বস্তু বাংলা সাহিত্যে একদম আলাদা ও স্বতন্ত্র।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক নাটকের ধারায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাম সব সময় ওপরের দিকে থাকে। তাঁর বিখ্যাত নাটকগুলো মনে রাখার জন্য এই ছোট কৌশলটি মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>বহিপীর</strong> নাটকটি মূলত সামাজিক কুসংস্কার ও ধর্মীয় ভণ্ডামির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিবাদ।</li>
<li>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অন্যান্য কালজয়ী সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে <strong>কাঁদো নদী কাঁদো</strong> এবং <strong>লালসালু</strong>।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নামের সাথে নাটকের নামটি একবার ভালো করে মিলিয়ে নিলে আর ভুল হওয়ার সুযোগ থাকবে না।</p>
১৮৫
সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর ‘চাঁদের অমাবস্যা’ কোন শ্রেণীর উপন্যাস?
<p>সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর ‘চাঁদের অমাবস্যা’ মূলত একটি <strong>মনোসমীক্ষণমূলক</strong> উপন্যাস। এর কারণ হলো:</p>
<ul>
<li>এই উপন্যাসে লেখক মানুষের অবচেতন মনের গভীর স্তর এবং জটিল মানসিক দ্বন্দ্বকে খুব নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>গল্পের প্রধান চরিত্র আরিফ আলীর অপরাধবোধ, নৈতিক সংকট এবং তার মনের ভেতরের অস্থিরতা এখানে প্রধান হয়ে উঠেছে।</li>
<li>বাহ্যিক ঘটনার চেয়ে চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণই এখানে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে, যা একে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা মনোসমীক্ষণমূলক উপন্যাসের মর্যাদা দিয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহ্নিপীর (নাটক)</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ কাজী নজরুল ইসলামের লেখা এই বিখ্যাত নাটকটি বাংলা সাহিত্যে একটি অনন্য সৃষ্টি।</p>
<ul>
<li><strong>বহ্নিপীর</strong> মূলত একটি ঐতিহাসিক ও কাব্যধর্মী নাটক।</li>
<li>নজরুল ইসলাম তার এই নাটকে পীর বা আধ্যাত্মিক চেতনার সাথে সামাজিক সংগ্রামের এক চমৎকার মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে, তাই নাটকের নাম এবং লেখকের নাম একসাথে মনে রাখলে খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চক্রবাক</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সাহিত্যকর্মের তালিকাটি বেশ নির্দিষ্ট।</p>
<ul>
<li>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে <strong>লালসালু</strong>, <strong>চাঁদের অমাবস্যা</strong> এবং <strong>কাঁদো নদী কাঁদো</strong>।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>চক্রবাক</strong> হলো কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।</li>
</ul>
<p>তাই খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছে যে, চক্রবাক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা কোনো গ্রন্থ নয়। পরীক্ষার জন্য এই লেখকের প্রধান তিনটি উপন্যাস মনে রাখলেই এমন প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।</p>
<p>‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসটির লেখক হলেন <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে তিনি অত্যন্ত সুপরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong> মূলত তার গভীর জীবনবোধ এবং অস্তিত্ববাদী দর্শনের জন্য পরিচিত।</li>
<li>‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসে তিনি মানুষের অপরাধবোধ ও নৈতিকতার জটিল দিকগুলো খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>তার অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘লালসালু’ এবং ‘কাঁদো নদী কাঁদো’, যা বাংলা সাহিত্যে মাইলফলক হয়ে আছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই উপন্যাসটি নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই, কারণ এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অমর সৃষ্টি।</p>
<ul>
<li><strong>লাল সালু</strong> উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু হলো গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার এবং ধর্মের অপব্যবহার।</li>
<li>মজিদ চরিত্রটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী ও আলোচিত একটি চরিত্র, যা এই উপন্যাসের প্রাণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের এই কালজয়ী উপন্যাসের নাম শুনলেই লেখক হিসেবে <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর</strong> নাম মনে রাখা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
<p>‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>। বাংলা সাহিত্যের মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের ধারায় এটি একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসের মূল বৈশিষ্ট্য হলো মানুষের অবচেতন মনের জটিলতা ও অস্তিত্বের সংকট।</li>
<li>‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসে তিনি নৈতিকতা এবং অপরাধবোধের এক দারুণ মনস্তাত্ত্বিক লড়াই ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নাম ও উপন্যাসের নাম একসাথে মনে রাখার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।</li>
</ul>
<p>‘চাঁদের অমাবস্যা’ হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা একটি কালজয়ী <strong>উপন্যাস</strong>। এই বইটির মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা এবং অস্তিত্ববাদী দর্শন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এটি কোনো কাব্য বা নাটক নয়, বরং একটি গদ্যধর্মী আখ্যান।</li>
<li>গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র 'আরেফ আলী'র অপরাধবোধ এবং তার মানসিক দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করেই পুরো কাহিনীটি আবর্তিত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের তালিকায় এটি অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে বিবেচিত।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>।</p>
১৯২
‘দুই তীর ও অন্যান্য গল্প’ গল্পগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ মূলত তাঁর কালজয়ী উপন্যাস 'লালসালু'র জন্য বিখ্যাত হলেও, বাংলা ছোটগল্পের ভুবনেও তিনি ছিলেন অনন্য। তাঁর লেখা ছোটগল্পগুলোর মধ্যে <strong>'দুই তীর ও অন্যান্য গল্প'</strong> একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংকলন।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> এটি তাঁর ছোটগল্পের একটি বিখ্যাত সংকলন।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সাহিত্যকর্মের তালিকায় 'দুই তীর' নামটা মাথায় গেঁথে নিলে পরীক্ষার হলে আর ভুল হওয়ার সুযোগ থাকবে না।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নয়নচারা</strong>। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছোটগল্প সংকলন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>নয়নচারা</strong> হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প গ্রন্থ, যা ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>তাঁর লেখনীতে গ্রামীণ জীবনের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ এবং সমাজচিত্র খুব চমৎকারভাবে ফুটে ওঠে, যা এই গ্রন্থের গল্পগুলোতেও স্পষ্ট।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'লালসালু' বা 'কাঁদো নদী কাঁদো'-র পাশাপাশি এই ছোটগল্প সংকলনটির নাম মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত নাটক হলো <strong>বহ্নিপীর</strong>। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি অনন্য সংযোজন। এই নাটকটি মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটকের নামগুলো সাধারণত একটু গভীর ও প্রতীকী হয়।</li>
<li>তার তিনটি প্রধান নাটকের নাম মনে রাখা খুব সহজ: <strong>বহ্নিপীর</strong>, <strong>উজানে মৃত্যু</strong> এবং <strong>তরঙ্গভঙ্গ</strong>।</li>
<li>পরীক্ষায় যখনই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটকের কথা আসবে, তখন এই তিনটি নামের তালিকাটি মাথায় রাখলেই খুব সহজে সঠিক উত্তরটি বেছে নিতে পারবেন।</li>
</ul>
<p>মূলত, <strong>বহ্নিপীর</strong> নাটকটি তার লেখনশৈলীর এক চমৎকার নিদর্শন, যা বাংলা সাহিত্যে তাকে অমর করে রেখেছে।</p>
<p>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে <strong>লালসালু</strong>, <strong>কাঁদো নদী কাঁদো</strong> এবং <strong>চাঁদের অমাবস্যা</strong> অন্যতম। অন্যদিকে, <strong>অনেক সূর্যের আশা</strong> কোনোভাবেই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা নয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সাহিত্যকর্ম মূলত মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী ধারার।</li>
<li>তার প্রধান উপন্যাস তিনটি হলো: <strong>লালসালু</strong>, <strong>চাঁদের অমাবস্যা</strong> ও <strong>কাঁদো নদী কাঁদো</strong>।</li>
<li>এই তালিকার বাইরে থাকা যেকোনো নামই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।