<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপতত্ত্বে</strong>। ব্যাকরণের এই অংশটি মূলত শব্দের গঠন এবং শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে কাজ করে। কেন এটি রূপতত্ত্বে আলোচিত হয়, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>শব্দ গঠন:</strong> সমাস হলো নতুন শব্দ তৈরির একটি প্রক্রিয়া, যা রূপতত্ত্বের প্রধান আলোচ্য বিষয়।</li>
<li><strong>বিভক্তি ও কারক:</strong> কারক নির্ণয়ের জন্য শব্দের সাথে বিভক্তির যোগ প্রয়োজন হয়। যেহেতু শব্দের রূপ পরিবর্তন এবং বিভক্তি নিয়ে রূপতত্ত্বে আলোচনা করা হয়, তাই কারকও এর অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> ব্যাকরণের যে অংশে পদ, বচন, লিঙ্গ, সমাস এবং কারক নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেটিই হলো রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব।</li>
</ul>
<p>ব্যাকরণের মূল কাজ হলো ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আবিষ্কার করা। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণ কোনো ভাষা তৈরি করে না, বরং ভাষা আগে থেকেই মানুষের মুখে প্রচলিত থাকে।</li>
<li>ব্যাকরণবিদরা সেই প্রচলিত ভাষার নিয়মগুলো পর্যবেক্ষণ করেন এবং ভাষার ভেতরকার কাঠামো বা শৃঙ্খলা খুঁজে বের করেন।</li>
<li>সহজ কথায়, একটি ভাষা কীভাবে গঠিত হয় এবং এর নিয়মগুলো কীভাবে কাজ করে, সেই রহস্য বা শৃঙ্খলা খুঁজে বের করাই হলো ব্যাকরণের আসল কাজ।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণকে বলা হয় ভাষার সংবিধান, যা ভাষার নিজস্ব নিয়ম বা শৃঙ্খলাকে আমাদের সামনে তুলে ধরে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>A Grammer of the Bengali Language</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এটি ১৭৭৮ সালে ইংরেজ লেখক <strong>নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড</strong> কর্তৃক রচিত হয়।</li>
<li>এটিই বাংলা ভাষার প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ গ্রন্থ।</li>
<li>যেহেতু এটিই ইতিহাসের পাতায় বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ হিসেবে স্বীকৃত, তাই যেকোনো পরীক্ষায় এই নামটাই সবার আগে মাথায় রাখতে হবে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ব্যাকরণের ইতিহাসের কথা উঠলেই এই বইটিই সবার আগে আসে, তাই এটিই প্রাচীনতম।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণের বয়স নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, তবে ভাষাবিদদের মতে এর সঠিক উত্তর হলো <strong>২৫০ বছরের বেশি</strong>। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণগ্রন্থটি পর্তুগিজ ভাষায় রচিত হয়েছিল ১৭৪৩ সালে।</li>
<li>পর্তুগিজ পাদ্রি মানোয়েল দা আসসুম্পসাঁ 'Vocabulario em idioma Bengala e Portuguez' নামে এই ব্যাকরণটি লিখেছিলেন।</li>
<li>বর্তমান সময় থেকে হিসাব করলে ১৭৪৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সময়ের ব্যবধান প্রায় ২৮০ বছরের কাছাকাছি।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, ১৭৪৩ সালকে ভিত্তি ধরলে বাংলা ব্যাকরণের বয়স অনায়াসেই <strong>২৫০ বছরের বেশি</strong> বলে গণ্য করা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যাকরণ মঞ্জুরী</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ড. মুহম্মদ এনামূল হক একজন প্রখ্যাত ভাষাবিদ ছিলেন এবং তিনি বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নিয়ে অনেক কাজ করেছেন। তাঁর রচিত বিখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থটির নামই হলো <strong>ব্যাকরণ মঞ্জুরী</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রাসি হালহেড</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণগ্রন্থটি ইংরেজিতে লিখেছিলেন <strong>নাথানিয়েল ব্রাসি হালহেড</strong>।</li>
<li>বইটির নাম ছিল <strong>'A Grammar of the Bengal Language'</strong>।</li>
<li>এটি ১৭৭৮ সালে হুগলি থেকে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ব্যাকরণকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে হালহেডের এই কাজটি ছিল ইতিহাসের প্রথম মাইলফলক। তাই যখনই বাংলা ব্যাকরণের ইংরেজি রচনার কথা আসবে, ব্রাসি হালহেডের নামটাই সবার আগে মনে রাখবেন।</p>
২১৮
ব্যাক্যের বিভিন্ন উপদান সংযোজন ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাক্যতত্ত্বে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণের যে অংশে বাক্যের গঠন, বাক্যের বিভিন্ন উপাদানের সংযোজন এবং পদক্রম নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকেই <strong>বাক্যতত্ত্ব</strong> বা Syntax বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দ দিয়ে কীভাবে একটি অর্থপূর্ণ বাক্য তৈরি হবে এবং বাক্যের বিভিন্ন অংশ কীভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত থাকবে—এই পুরো বিষয়টিই বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।</li>
</ul>
<p>তাই বাক্যের উপাদানের সংযোজন সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্ন দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>বাক্যতত্ত্ব</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণের মূল ভিত্তি হলো এর গঠনশৈলী। ব্যাকরণ মূলত ভাষার অভ্যন্তরীণ নিয়মকানুন নিয়ে কাজ করে, আর এই নিয়মগুলোকে প্রধানত তিনটি মৌলিক ভাগে ভাগ করা হয়। সঠিক উত্তরটি হলো <strong>ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব ও বাক্যতত্ত্ব</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ধ্বনিতত্ত্ব:</strong> এখানে ভাষার ক্ষুদ্রতম একক 'ধ্বনি' ও বর্ণ নিয়ে আলোচনা করা হয়।</li>
<li><strong>রূপতত্ত্ব:</strong> এখানে শব্দের গঠন, পদ এবং শব্দের রূপান্তর নিয়ে কাজ করা হয়।</li>
<li><strong>বাক্যতত্ত্ব:</strong> এখানে পদ বা শব্দ মিলে কীভাবে অর্থপূর্ণ বাক্য তৈরি হয়, তার নিয়মগুলো শেখানো হয়।</li>
</ul>
<p>এই তিনটি বিভাগই একটি ভাষার সম্পূর্ণ কাঠামোকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাই এগুলোকে ব্যাকরণের মৌলিক অংশ বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাষা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ—ব্যাকরণ আকাশ থেকে পড়েনি, বরং মানুষ যখন কথা বলা শুরু করল, সেই ভাষার গঠন ও নিয়মকানুন বিশ্লেষণ করতেই ব্যাকরণের জন্ম হয়েছে।</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণ হলো ভাষার সংবিধান। ভাষা আগে তৈরি হয়েছে, আর সেই ভাষাকে শুদ্ধভাবে ব্যবহারের নিয়মগুলো সাজিয়ে তৈরি হয়েছে ব্যাকরণ।</li>
<li>সহজ কথায়, <strong>ভাষা</strong> না থাকলে ব্যাকরণের কোনো অস্তিত্বই থাকত না। তাই ভাষাই হলো ব্যাকরণের মূল ভিত্তি বা প্রাণ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজা রামমোহন রায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>রাজা রামমোহন রায়কে আধুনিক ভারতের জনক বলা হয়।</li>
<li>তিনি ১৮২৬ সালে ইংরেজি ভাষায় <strong>'Bengali Grammar in the English Language'</strong> নামে একটি ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন।</li>
<li>বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার লক্ষ্যেই তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ব্যাকরণকে ইংরেজি মাধ্যমে সাজিয়ে উপস্থাপন করার ক্ষেত্রে তিনিই ছিলেন পথিকৃৎ।</p>
২২২
রাজা রামমোহন রায় রচিত ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ কত সালে বাংলায় অনূদিত হয়?
<p>রাজা রামমোহন রায়ের লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’</strong> মূলত বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক ব্যাকরণ হিসেবে পরিচিত। এটি প্রকাশের সঠিক সালটি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এই বইটি রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যুর ঠিক আগে বা সেই সময়েই প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>১৮৩৩ সালে</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৮৩৩ সালটি বাংলা ব্যাকরণের ইতিহাসে একটি মাইলফলক, কারণ এই বছরই বাংলা ভাষার ব্যাকরণ প্রথমবারের মতো এত সুশৃঙ্খলভাবে সাধারণ মানুষের জন্য রচিত হয়েছিল। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮৩৩ সাল</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপতত্ত্বে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণের <strong>রূপতত্ত্বে</strong> মূলত শব্দের গঠন এবং শব্দের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়।</li>
<li>ক্রিয়ার কাল (যেমন: বর্তমান, অতীত বা ভবিষ্যৎ) নির্ধারণ করতে আমরা ক্রিয়াপদের রূপের পরিবর্তন করি।</li>
<li>যেহেতু ক্রিয়ার রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমেই কাল বা সময় প্রকাশ পায়, তাই এটি রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের রূপ বা গঠন নিয়ে কাজ করলেই তা রূপতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনিতত্ত্বে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে <strong>ণ-ত্ব</strong> (ণ-এর ব্যবহার) এবং <strong>ষ-ত্ব</strong> (ষ-এর ব্যবহার) বিধান মূলত উচ্চারণের শুদ্ধতা ও ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মের সাথে সম্পর্কিত।</li>
<li>যেহেতু এই বিধানগুলো বর্ণের উচ্চারণ এবং ধ্বনির রূপান্তরের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, তাই এগুলো ব্যাকরণের <strong>ধ্বনিতত্ত্ব</strong> অংশের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>সহজ কথায়, যেখানেই বর্ণ বা ধ্বনি নিয়ে কাজ হয়, সেখানেই ধ্বনিতত্ত্বের নিয়মগুলো কার্যকর হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাষাতত্ত্ব</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণের প্রধান চারটি আলোচ্য বিষয় নির্দিষ্ট করা আছে। সেগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>ধ্বনি তত্ত্ব:</strong> যেখানে ধ্বনি ও বর্ণ নিয়ে আলোচনা করা হয়।</li>
<li><strong>শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব:</strong> যেখানে শব্দের গঠন ও রূপ নিয়ে আলোচনা করা হয়।</li>
<li><strong>বাক্যতত্ত্ব:</strong> যেখানে বাক্যের গঠন ও বিন্যাস নিয়ে আলোচনা করা হয়।</li>
<li><strong>অর্থতত্ত্ব:</strong> যেখানে শব্দের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়।</li>
</ul>
<p>অন্যদিকে, <strong>ভাষাতত্ত্ব</strong> হলো ভাষার সামগ্রিক বিজ্ঞান বা একটি বিশাল ক্ষেত্র, যা ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট শাখা নয়, বরং ব্যাকরণ নিজেই ভাষাতত্ত্বের একটি অংশ। তাই এখানে ভাষাতত্ত্বই সঠিক উত্তর।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।