<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর</strong>। কারণ 'কর' শব্দের অর্থ হলো হাত বা খাজনা, এটি আগুনের কোনো প্রতিশব্দ নয়। অন্যদিকে, আগুন বোঝাতে আমরা সাধারণত নিচের শব্দগুলো ব্যবহার করি:</p>
<ul>
<li><strong>অনল</strong>, <strong>বহ্নি</strong> এবং <strong>পাবক</strong>—এই তিনটি শব্দই আগুনের সমার্থক বা প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, আগুনের অন্যান্য পরিচিত নাম হলো অগ্নি, হুতাশন, শিখা ইত্যাদি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন আসলে মনে রাখবেন, 'কর' শব্দটি আগুনের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নিষ্কৃতি</strong>। জহির রায়হানের সাহিত্যকর্মের তালিকাটি খেয়াল করলে বিষয়টি খুব সহজে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>জহির রায়হান বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, যার বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে <em>শেষ বিকেলের মেয়ে</em>, <em>তৃষ্ণা</em> এবং <em>কয়েকটি মৃত্যু</em>।</li>
<li>অন্যদিকে, <em>নিষ্কৃতি</em> উপন্যাসটি জহির রায়হানের লেখা নয়, বরং এটি কালজয়ী কথাসাহিত্যিক <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের</strong> একটি বিখ্যাত উপন্যাস।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় কনফিউশন এড়াতে জহির রায়হানের প্রধান উপন্যাসগুলোর নাম মনে রাখলেই এমন প্রশ্নগুলো খুব দ্রুত সমাধান করা সম্ভব।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কমা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক ইংরেজি শব্দ আমরা বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহার করি।</p>
<ul>
<li><strong>কমা</strong> (Comma) শব্দটি মূলত ইংরেজি ভাষা থেকে এসেছে।</li>
<li>বাংলায় বিরামচিহ্ন হিসেবে আমরা যখন বাক্যে বিরতি দিই, তখন এই ইংরেজি শব্দটিই ব্যবহার করি।</li>
<li>ভাষার বিবর্তনে ইংরেজি থেকে আসা এমন অনেক শব্দ এখন আমাদের বাংলা শব্দভাণ্ডারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে।</li>
</ul>
<p>তাই সরাসরি মনে রাখার সহজ উপায় হলো, বিরামচিহ্নের নাম হিসেবে <strong>কমা</strong> একটি ইংরেজি শব্দ।</p>
১৮০৪
একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি বাক্যে লিখলে সেগুলোর মাঝখানে কোন চিহ্ন বসে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সেমিকোলন</strong>। যখন দুটি স্বাধীন বাক্য একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত থাকে এবং আমরা সেগুলোকে আলাদা না করে একটি বাক্যে প্রকাশ করতে চাই, তখন তাদের মাঝখানে সেমিকোলন (;) ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>কমা ব্যবহার করা হয় খুব অল্প বিরতির জন্য।</li>
<li>কিন্তু যখন দুটি পূর্ণাঙ্গ বাক্যের মধ্যে সম্পর্ক বোঝাতে একটু বেশি বিরতির প্রয়োজন হয়, তখনই সেমিকোলন সবচেয়ে কার্যকর।</li>
<li>এটি বাক্যের প্রবাহ ঠিক রেখে দুটি স্বাধীন অংশকে সুন্দরভাবে জুড়ে দেয়।</li>
</ul>
<p>বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পর সাধারণত <strong>কমা</strong> ব্যবহৃত হয়। এটি লেখার নিয়ম অনুযায়ী ঠিকানা বা কোনো তালিকার অংশগুলোকে আলাদা করতে সাহায্য করে। যেমন: বাড়ি নম্বর ১২, রোড নম্বর ৫।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ঠিকানা লেখার সময় প্রতিটি ধাপ বা অংশকে আলাদা করার জন্য কমা ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>এটি পড়ার সময় সামান্য বিরতি দেয়, যা ঠিকানা বুঝতে সুবিধা করে।</li>
<li>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>কমা</strong>।</li>
</ul>
<p>অগ্নির সমার্থক শব্দ হলো <strong>অনল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে এবং সাধারণ কথোপকথনে আগুনের বিভিন্ন রূপ বোঝাতে 'অনল' শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>অনল</strong> মানেই আগুন বা অগ্নি।</li>
<li>একইভাবে আগুনের আরও কিছু পরিচিত সমার্থক শব্দ হলো: আগুন, বহ্নি, পাবক, হুতাশন এবং দহন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই অগ্নির সমার্থক শব্দ খুঁজবেন, তখন অনল শব্দটিই হবে আপনার প্রথম পছন্দ। এটি একদম সরাসরি এবং নির্ভুল উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কমল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'পঙ্কজ' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই 'পঙ্ক' (কাদা) + 'জ' (জন্ম যার)। অর্থাৎ, যা কাদা থেকে জন্মায়।</p>
<ul>
<li>পঙ্কজ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো কাদা থেকে উৎপন্ন বস্তু।</li>
<li>পদ্মফুল কাদা থেকে জন্মায় বলে একে পঙ্কজ বলা হয়।</li>
<li><strong>কমল</strong> হলো পদ্মফুলেরই একটি প্রচলিত নাম।</li>
</ul>
<p>তাই পঙ্কজ এবং কমল সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! ইংরেজি প্রবাদ 'Penny wise, pound foolish' দিয়ে বোঝানো হয় এমন কাউকে, যে ছোটখাটো বিষয়ে খুব হিসেবি বা সাবধানী, কিন্তু বড় কোনো বিষয়ে চরম বোকামি করে ফেলে। আমাদের বাংলা প্রবাদ <strong>বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো</strong> ঠিক এই ভাবার্থটিই প্রকাশ করে।</p>
<ul>
<li><strong>বজ্র আঁটুনি:</strong> অর্থাৎ খুব শক্ত করে বাঁধা বা ছোট বিষয়ে অতিরিক্ত সতর্কতা।</li>
<li><strong>ফসকা গেরো:</strong> অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত গিঁটটি আলগা হয়ে যাওয়া বা বড় কোনো কাজে ভুল করে ফেলা।</li>
</ul>
<p>তাই ছোট বিষয়ে কৃপণতা করে বড় ক্ষতি ডেকে আনার ক্ষেত্রে এই প্রবাদটিই সবচেয়ে মানানসই।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কম</strong>। ফারসি উপসর্গগুলো চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এগুলো সাধারণত বিদেশি শব্দে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে <strong>কম</strong> একটি খাঁটি ফারসি উপসর্গ।</li>
<li>এটি মূলত কোনো কিছুর স্বল্পতা বা অভাব বোঝাতে শব্দের শুরুতে বসে।</li>
<li>যেমন: <strong>কম</strong>বখত, <strong>কম</strong>জোর বা <strong>কম</strong>খরচ—এই শব্দগুলোতে 'কম' ফারসি উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেসব শব্দ ফারসি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে, সেগুলোর মধ্যে <strong>কম</strong> একটি বহুল ব্যবহৃত উপসর্গ।</p>
<p>মহাভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুবাদক হলেন <strong>কাশীরাম দাস</strong>। বাংলা সাহিত্যে তাঁর এই অনুবাদটি 'কাশীদাসী মহাভারত' নামে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কাশীরাম দাস</strong> মূলত সংস্কৃত মহাভারতের কাহিনীকে অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল ভাষায় বাংলায় রূপান্তর করেছিলেন।</li>
<li>সাধারণ মানুষের কাছে গল্পের মতো করে মহাভারতকে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানই সবচেয়ে বেশি।</li>
<li>দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাংলার ঘরে ঘরে তাঁর লেখা মহাভারতই পাঠ করা হতো, যা একে অনন্য জনপ্রিয়তা দিয়েছে।</li>
</ul>
<p>ছুটি খাঁর প্রকৃত নাম হলো <strong>নসরত খাঁ</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তিনি বেশ পরিচিত। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>ছুটি খাঁ ছিলেন চট্টগ্রামের শাসনকর্তা এবং তিনি আলাওল ও শ্রীকর নন্দীর মতো কবিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন।</li>
<li>ঐতিহাসিক নথিপত্র অনুযায়ী, তার আসল নাম ছিল নসরত খাঁ, যা পরবর্তীতে ছুটি খাঁ নামেই বেশি পরিচিতি পায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ছুটি খাঁ নামেই অমর হয়ে আছেন, তবে তার প্রকৃত নাম ছিল নসরত খাঁ।</p>
১৮১২
কোন কবির মাধ্যমে অনুবাদ সাহিত্যের জয়যাত্রা শুরু হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃত্তিবাস</strong>। বাংলা অনুবাদ সাহিত্যের ইতিহাসে তাঁর নাম সবার আগে আসে কারণ তিনিই প্রথম সংস্কৃত মহাকাব্য রামায়ণকে বাংলায় অনুবাদ করেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে অনুবাদ ধারার সূচনা হয় মূলত শ্রীরাম পাঞ্চালী বা কৃত্তিবাসী রামায়ণের হাত ধরে।</li>
<li>কৃত্তিবাস ওঝা তাঁর এই অনবদ্য কাজের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় রামায়ণকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন।</li>
<li>তাই বাংলা অনুবাদ সাহিত্যের জয়যাত্রার পথিকৃৎ হিসেবে কৃত্তিবাসকেই গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>মহাভারতের সার্থক অনুবাদক হলেন <strong>কাশীরাম দাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>মূল সংস্কৃত মহাভারতের রচয়িতা হলেন ব্যাসদেব, কিন্তু বাংলায় একে জনপ্রিয় এবং সার্থকভাবে রূপ দিয়েছেন কাশীরাম দাস।</li>
<li>তার রচিত এই অনুবাদটি 'কাশীদাসী মহাভারত' নামে পরিচিত, যা বাঙালির ঘরে ঘরে অত্যন্ত সমাদৃত।</li>
<li>সহজ ভাষায় কাহিনী বর্ণনা এবং ছন্দবদ্ধ উপস্থাপনার কারণেই তিনি বাংলা সাহিত্যে মহাভারতের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>মহাভারতের 'অশ্বমেধ' পর্বের অনুবাদক হলেন <strong>শ্রীকর নন্দী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে পরাগল খাঁ-র নির্দেশে মহাভারতের অনুবাদ শুরু হয়েছিল।</li>
<li>পরাগল খাঁ-র পুত্র ছুটি খাঁ-র অনুরোধে শ্রীকর নন্দী মহাভারতের অশ্বমেধ পর্বটি বাংলায় অনুবাদ করেন।</li>
<li>সহজ কথায়, অশ্বমেধ পর্বের সাথে শ্রীকর নন্দীর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।