<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হাঁটুজল</strong>। কর্মধারয় সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো দেখা যে, সমাসবদ্ধ পদটিতে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন ঘটেছে কি না বা কোনো কিছুর সাথে তুলনা করা হয়েছে কি না।</p>
<ul>
<li><strong>হাঁটুজল</strong>-এর ব্যাসবাক্য করলে হয়: <strong>হাঁটু পরিমাণ জল</strong>।</li>
<li>এখানে 'জল' বিশেষ্য পদটিকে 'হাঁটু পরিমাণ' দিয়ে বিশেষিত করা হচ্ছে।</li>
<li>যেহেতু এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের সম্পর্ক বিদ্যমান এবং পরপদের অর্থের প্রাধান্য বজায় আছে, তাই এটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো পদের মাধ্যমে অন্য পদের বৈশিষ্ট্য বা পরিমাণ প্রকাশ পায়, তখন সেটিই কর্মধারয় সমাস।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী কবিতা <strong>'কুলি-মজুর'</strong> থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতাটিতে কবি সমাজের অবহেলিত শ্রমজীবী মানুষের প্রতি যে অবিচার হয়, তা অত্যন্ত জোরালো ভাষায় তুলে ধরেছেন।</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল বিষয়বস্তু হলো মানুষের শ্রমের মর্যাদা এবং সাম্যবাদ।</li>
<li>'কুলি-মজুর' কবিতাটি নজরুলের <strong>'সাম্যবাদী'</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>সমাজের তথাকথিত উচ্চবিত্তদের অহংকার এবং শ্রমিকের প্রতি তাদের নিষ্ঠুর আচরণের বাস্তব চিত্রই এই পঙ্ক্তিটির মাধ্যমে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
১৮১৮
‘বাশরি আমার হারিয়ে গেছে বালুর চরে, কেমনে পশবি গোধন লইয়া গোয়াল ঘরে।’ এটি কোন কবির রচনা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কবি গোবিন্দ চন্দ্র দাশ</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি কবি গোবিন্দ চন্দ্র দাশের লেখা। তাকে সাধারণত <strong>'স্বভাব কবি'</strong> হিসেবে অভিহিত করা হয়। তার কবিতার ভাষা ও ছন্দ অত্যন্ত সহজ-সরল এবং গ্রামীণ জীবনের প্রতিচ্ছবি বহন করে। এই নির্দিষ্ট কবিতাটি তার কাব্যপ্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন, যা পাঠকদের হৃদয়ে সহজেই জায়গা করে নেয়।</p>
<ul>
<li><strong>কবি পরিচিতি:</strong> গোবিন্দ চন্দ্র দাশ একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি।</li>
<li><strong>বৈশিষ্ট্য:</strong> তার লেখায় লোকজ শব্দের ব্যবহার এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর মমতা ফুটে ওঠে।</li>
<li><strong>মনে রাখার উপায়:</strong> 'বাশরি' বা গ্রামীণ প্রেক্ষাপটের এই ধরণের আবেগঘন পঙ্ক্তিগুলো মূলত তার কাব্যশৈলীরই অংশ।</li>
</ul>
১৮১৯
আজি এ প্রভাতে রবির কর কেমনে পশিল প্রাণের পর, কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাত পাখির গান! না জানি কেন রে এতদিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ। এ উদ্ধৃতাংশটুকু কোনকবির রচনা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিগুলো কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী কবিতা <strong>'অগ্নি-বীণা'</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত <strong>'অগ্নি-বীণা'</strong> নামক কবিতার অংশ। নজরুলের কাব্যে প্রকৃতির রূপ ও প্রাণের স্পন্দন যেভাবে ফুটে ওঠে, এই পঙক্তিগুলো তারই এক অনন্য নিদর্শন।</p>
<ul>
<li>কবিতাটির ভাবগাম্ভীর্য এবং শব্দচয়ন নজরুলের বিদ্রোহী ও রোমান্টিক সত্তার এক চমৎকার সমন্বয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের পাঠ্যবই এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উদ্ধৃতাংশটি প্রায়ই দেখা যায়, যা নজরুলের কাব্যশৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>এই বিখ্যাত চরণটির রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। এটি তাঁর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতায় ঈশ্বর বা পরমাত্মার প্রতি সমর্পণের সুর খুব স্পষ্ট থাকে।</li>
<li>এই পঙক্তিটি তাঁর <strong>'গীতাঞ্জলি'</strong> কাব্যগ্রন্থের ৪২ নম্বর কবিতার অংশ।</li>
<li>কবিতাটির মূল ভাব হলো—মানুষের ভালো-মন্দ সবটুকু মিলিয়েই ঈশ্বর তাকে গ্রহণ করেন, তাই কবি নিজেকেই ঈশ্বরের চরণে উৎসর্গ করতে চেয়েছেন।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
১৮২১
‘মানুষ যা চায় ভুল করে চায় যা পায় তা চায় না’ --- কার কথা?
<p>এই বিখ্যাত উক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। কথাটি তাঁর গভীর জীবনবোধ ও দার্শনিক চিন্তার বহিঃপ্রকাশ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের লেখায় মানুষের মনের অতৃপ্তি এবং চাওয়ার সীমাবদ্ধতা নিয়ে অনেক গভীর বিশ্লেষণ পাওয়া যায়।</li>
<li>মানুষের স্বভাবজাত এই বৈপরীত্য—অর্থাৎ যা পাওয়ার জন্য সে ব্যাকুল থাকে, পাওয়ার পর তার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলা—এই মনস্তাত্ত্বিক সত্যটি তিনি তাঁর বিভিন্ন সাহিত্যকর্মে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক উদ্ধৃতি বা উক্তির ক্ষেত্রে এমন গভীর জীবনমুখী কথাগুলো সাধারণত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দর্শনের সাথেই বেশি মানানসই।</li>
</ul>
১৮২২
‘ধরণীর কোন এক দীনতম গৃহে যদি জন্মে প্রেয়সী’ কার লেখা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের <strong>'মানসী'</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত <strong>'নিষ্ফল কামনা'</strong> কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতাটি পড়ার সময় খেয়াল করলে দেখবেন, কবি এখানে প্রেম ও প্রকৃতির এক গভীর মেলবন্ধন ফুটিয়ে তুলেছেন। </p>
<ul>
<li><strong>মূল উৎস:</strong> মানসী কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li><strong>কবিতার নাম:</strong> নিষ্ফল কামনা।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> রবীন্দ্রনাথের রোমান্টিক ধারার কবিতার মধ্যে এই পঙক্তিটি তার অনন্য শব্দচয়ন ও আবেগের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
</ul>
১৮২৩
‘সাম্যের গান গাই, আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোন ভেদাভেদ নেই’। কবিতাংশটির রচয়িতা কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কবি কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি নজরুলের 'সাম্যবাদী' কবিতার অংশ। নজরুল সবসময়ই মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ ভুলে সাম্যের কথা বলেছেন। এই কবিতাংশটি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ বিষয় মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>নজরুলকে বলা হয় <strong>সাম্যবাদী কবি</strong>, তাই সাম্যের কথা থাকলেই চোখ বন্ধ করে নজরুলকে বেছে নেওয়া যায়।</li>
<li>তার লেখায় সবসময়ই নারী-পুরুষের সমান অধিকার এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতিফলন ঘটে।</li>
<li>'সাম্যের গান' কথাটিই মূলত নজরুলের বিদ্রোহী ও অসাম্প্রদায়িক সত্তার পরিচয় বহন করে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভারতচন্দ্র রায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>অন্নদামঙ্গল কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।</li>
<li>এই কাব্যটি রচনা করেন কবি <strong>ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর</strong>।</li>
<li>তিনি ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি এবং মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভার সভাকবি।</li>
<li>তার কাব্যশৈলী এবং শব্দ ব্যবহারের দক্ষতার কারণে তাকে 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যের ইতিহাসে অন্নদামঙ্গল কাব্যের কথা এলেই সবার আগে ভারতচন্দ্র রায়ের নাম চলে আসে।</p>
<p>বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা'র ইংরেজি অনুবাদক হলেন <strong>সৈয়দ আলী আহসান</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>আমাদের জাতীয় সংগীতের মূল রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।</li>
<li>এর ভাবগাম্ভীর্য ও সুরের মাধুর্য বজায় রেখে ইংরেজি অনুবাদ করার গুরুদায়িত্বটি পালন করেছিলেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক <strong>সৈয়দ আলী আহসান</strong>।</li>
<li>বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই তথ্যটি প্রায়ই আসে, তাই অনুবাদকের নাম হিসেবে সৈয়দ আলী আহসানের নামটি মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
১৮২৬
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন উপন্যাসটি তার ত্রয়ী উপন্যাসের অন্তর্গত নয়?
<p>তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ত্রয়ী উপন্যাস হলো <strong>ধাত্রী দেবতা</strong>, <strong>গণদেবতা</strong> এবং <strong>পঞ্চগ্রাম</strong>। এই তিনটি উপন্যাস মূলত রাঢ় বাংলার গ্রামীণ সমাজ ও পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ধাত্রী দেবতা</strong>: ত্রয়ীর প্রথম উপন্যাস।</li>
<li><strong>গণদেবতা</strong>: দ্বিতীয় উপন্যাস।</li>
<li><strong>পঞ্চগ্রাম</strong>: তৃতীয় উপন্যাস।</li>
</ul>
<p>যেহেতু <strong>কবি</strong> উপন্যাসটি এই ধারার অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। এটি তারাশঙ্করের একটি স্বতন্ত্র ও অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস, যা মূলত গ্রামীণ কবিয়ালদের জীবন নিয়ে লেখা।</p>
<p>বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সার্থক নাটক নিয়ে অনেকের মনে দ্বিধা থাকলেও, সাহিত্যিক বিচারে <strong>ভদ্রার্জুন</strong>-কেই বাংলা ভাষার প্রথম মৌলিক নাটক হিসেবে গণ্য করা হয়। তারাচরণ শিকদার ১৮৫২ সালে এটি রচনা করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>ভদ্রার্জুন</strong> (১৮৫২): এটি তারাচরণ শিকদারের লেখা, যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক।</li>
<li>মধুসূদন দত্তের <strong>শর্মিষ্ঠা</strong> (১৮৫৯) হলো বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক বা আধুনিক নাটক, কিন্তু কালানুক্রমিক দিক থেকে <strong>ভদ্রার্জুন</strong>-ই সবার আগে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার প্রশ্নে যখনই বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটকের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>ভদ্রার্জুন</strong> উত্তরটি বেছে নেবেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ললাট</strong>। 'কপাল' শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো মানুষের মাথার সামনের অংশ বা কপাল। বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারে 'ললাট' শব্দটি এই একই অর্থ বহন করে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li><strong>ললাট</strong> মানেই হলো কপাল বা ভাগ্য।</li>
<li>সাহিত্যে বা কাব্যিক ভাষায় কপাল বোঝাতে 'ললাট' শব্দটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই কোনো দ্বিধা ছাড়াই 'ললাট' হলো কপাল শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিধাতার ইচ্ছা</strong>। কারণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বা সাহিত্যে 'কপালের লিখন' বলতে সাধারণত সেই অমোঘ নিয়তিকে বোঝানো হয়, যা আগে থেকেই নির্ধারিত হয়ে আছে।</p>
<p>সহজ কথায় বিষয়টি এভাবে দেখা যায়:</p>
<ul>
<li>মানুষের জীবনের অনেক ঘটনা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে।</li>
<li>প্রাচীন বিশ্বাস অনুযায়ী, এই ঘটনাগুলো আগে থেকেই সৃষ্টিকর্তা বা বিধাতা লিখে রেখেছেন।</li>
<li>তাই যা কিছু অনিবার্যভাবে ঘটে, তাকেই আমরা সহজ ভাষায় 'বিধাতার ইচ্ছা' বা 'কপালের লিখন' বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, মানুষের চেষ্টার বাইরে যে অলৌকিক বা দৈব পরিকল্পনা কাজ করে, সেটিই এখানে মূল বিষয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>এলাহিকাণ্ড</strong>। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যখন কোনো বড় ধরনের উৎসব বা বিশাল কোনো কাজের আয়োজন করা হয়, তখন আমরা মজা করে বলি যে সেখানে এলাহিকাণ্ড চলছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>এলাহি</strong> শব্দটির অর্থই হলো বিশাল বা রাজকীয়।</li>
<li>যখন কোনো আয়োজনের পরিধি অনেক বড় হয়, তখন সেই পরিস্থিতি বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখবেন, যেখানেই বিশাল বা জাঁকজমকপূর্ণ কোনো আয়োজনের কথা আসবে, সেখানেই উত্তর হবে <strong>এলাহিকাণ্ড</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।